Logo
শিরোনাম

‘১১৬ আলেমের তালিকা প্রকাশকারীদের বিচার করতে হবে’

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, ১১৬ আলেম ও এক হাজার মাদরাসার বিরুদ্ধে যারা অভিযোগ দিয়েছেন তারা কারা? তারা দেশ খেকো, ধর্ম খেকো, ইসলাম খেকো, মানবতা খেকো। এ কাজ করার জন্য তাদের কেউ দায়িত্ব দেয়নি। সাংবিধানিকবভাবে তারা এ কাজ করতেও পারেন না। তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো উচিৎ। যদি সংবিধান সাপোর্ট করে গণকমিশনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে পাল্টা কমিশন গঠন করবো। দেশের আলেম-ওলামাদের চরিত্র হনন চেষ্টায় যারা অবমাননাকর এ তালিকা করেছে তাদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে।

বুধবার (১৮ মে) দুপুরে বরিশাল প্রেস ক্লাবে ইসলামী আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আগামী শুক্রবার (২০ মে) জুমার নামাজের পর বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিভাগীয় সমাবেশের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, দেশের দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনগণের মাঝে নাভিশ্বাস উঠেছে। মানুষ না খেয়ে থাকছে। বিশ্বে দ্রব্যমূল্য কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের সরকারের কোনো প্রস্তুতি ছিল না। বরঞ্চ তারা মুনাফখোরদের সুযোগ করে দিতে সময়ক্ষেপণ করেছেন। এখন পরিস্থিতি এমন যে মুনাফাখোর ব্যবসায়ীর লাগাম টেনে ধরার সামর্থ্য সরকারের নেই।

তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যর ঊর্ধ্বগতি, শিক্ষা সিলেবাসে ধর্মীয় শিক্ষা সংকোচন বন্ধ, ইসলাম দেশ ও মানবতাবিরোধী মদের বিধিমালা বাতিল, স্বাধীনতার মূললক্ষ্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে গত ১ এপ্রিল ঢাকায় জাতীয় মহাসমাবেশ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। ওই মহাসমাবেশে বিভাগীয় শহরগুলোতে মহাসমাবেশ করার কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক মাওলানা সৈয়দ নাসির আহমাদ কাওছার, মাওলানা মুহাম্মদ ইদ্রিস আলী, আলহাজ্ব আব্দুল মালেক কাফরা, যুগ্ম-সদস্য সচিব মাওলানা জামিলুর রহমান, প্রচার উপ-কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা আবুল খায়ের আশ্রাফী, ইসলামী যুব আন্দোলন বরিশাল জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ সানাউল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




রোগী-স্বজনের ভরসা পুকুরের পানি, বিশেষজ্ঞ রয়েছেন একজন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩৪জন দেখেছেন
Image

হাসপাতালের পুকুরই যেন রোগী-স্বজনদের একমাত্র ভরসা। প্যাথলজি বিভাগ থাকলেও প্রায় সবধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হয় বাইরে। বিশেষজ্ঞ বলতে রয়েছে শুধু অ্যানেসথেসিয়ার। এছাড়া বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে জেনারেটর থাকলেও তা অকেজো। এমন অবস্থা কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের।

খুলনা শহর থেকে ১০৫ কিলোমিটার দূরে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, সুপেয় পানি, জনবল ও বিদ্যুৎ নেই। ফলে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়েন চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা।

jagonews24

জানা গেছে, উপকূলীয় উপজেলা কয়রার দুই লাখ ৪২ হাজার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কয়রা উপজেলা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে জায়গীরমহল এলাকায় স্থাপন করা হয় ৩১ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। বর্তমানে এর শয্যা সংখ্যা ৫০।

হাসপাতালে ১০ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও ৩০ সেবিকাসহ শতাধিক জনবলের পদ রয়েছে। তবে অ্যানেসথেসিয়া ছাড়া আর কোনো বিশেষজ্ঞ এখানে কর্মরত নেই।

শুধু তাই নয়, হাসপাতালে নেই এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন। বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে একটি জেনারেটর থাকলেও সেটি অকেজো।

হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, ১৯ শয্যার হাসতাপালে রাখা হয়েছে ৪৫ রোগী। প্রচণ্ড গরমেও মিলছে না সুপেয় পানি। ফলে বাধ্য হয়ে হাসপাতালের একটি পুকুরের পানি ব্যবহার করছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা।

রোগী ও স্বজনরা জানান, হাসপাতালে একটি প্যাথলজি বিভাগ থাকলেও প্রায় সবধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হচ্ছে বাইরে।

উপজেলার বাগালী ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুস সামাদ মোড়ল জাগো নিউজকে বলেন, এখানে কোনো কিছুই হয় না। সব পরীক্ষা বাইরে থেকে করতে হয়। বাইরে টেস্ট করাতে গেলে অনেক খরচ হয়।

jagonews24

হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগী নাজমুল ইসলাম জানান, অস্ত্রোপচারের সব পরীক্ষা বাইরে থেকে করতে হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুদীপ বালা জানান, জনবল না থাকায় রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। দিনের বেশিরভাগ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। একটি জেনারেটর থাকলেও তা অকেজো হয়ে রয়েছে। ফলে প্রায় সব ধরনের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ছে।

তিনি আরও বলেন, গত আগস্টে হাসপাতালের ভবন ভাঙার পর নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়নি। ভবন না থাকায় রোগীদের রাখতে খুবই সমস্যা হচ্ছে। সুপেয় পানির জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে নতুন ভবন ছাড়া অনেক কিছু করা সম্ভব হচ্ছে না।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




ওয়ালটনে ১০ জনের চাকরির সুযোগ

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে ‘মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৫ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড

পদের নাম: মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার
পদসংখ্যা: ১০ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএসসি (এমই)/সমমান
অভিজ্ঞতা: ০২ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: সর্বনিম্ন ২৫ বছর
কর্মস্থল: গাজীপুর (কালিয়াকৈর)

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ২৫ জুলাই ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ইউপি সদস্য আটক

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নয় বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আব্দুল হান্নান (৩৬) নামে এক ইউপি সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (০৭ জুন) রাত ৯টার দিকে সুন্দরপুর ইউনিয়নের কালিনগর ছাবানিয়ায় বাজার থেকে তাকে আটক করা হয়। হান্নান সুন্দরপুর ইউনিয়নের ০৩নং ওয়ার্ডের সদস্য।

ভুক্তভোগী শিশুর মায়ের অভিযোগ, তার মেয়ে স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। প্রতিদিনের মতোই দুপুরে বাড়িতে খাবার খেয়ে সাইকেলে করে স্কুলে যাচ্ছিল। দুপুর পৌনে ২টার দিকে বাড়ি থেকে যাওয়ার পথে, বারিকের মোড় এলাকায় মেম্বার (অভিযুক্ত আব্দুল হান্নান) মেয়ের সাইকেল নিয়ে তার বাড়ির দিকে যান। পরে সাইকেল নেওয়ায় মেম্বারের সঙ্গে চলে যায় তার মেয়ে। এক পর্যায়ে মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন মেম্বার।

শিশুর মা আরও জানান, তার মেয়েকে ২৫ টাকা দিয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য হুমকি দেন মেম্বার। বিকেলে স্কুল থেকে ফিরে ঘটনাটি পরিবারকে জানায় সে। এরপর বিষয়টি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানা পুলিশকে জানানো হলে ওই ইউপি সদস্যকে আটক করা হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন আটকের বিষয়টি নিশিত করেছেন।

তিনি বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরই ইউপি সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় আনা হয়। রাতেই শিশুর পরিবার থানায় ধর্ষণচেষ্টার বিষয়ে মামলা করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




মেঘনা ইকোনমিক জোনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ১৭জন দেখেছেন
Image

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা গ্রুপের ফ্রেশ কোম্পানির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৪ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের বিভিন্ন স্টেশনের ৭টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছে।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন জানান, আগুনের খবর পেয়ে বিভিন্ন স্টেশন থেকে ৭টি ইউনিট এরই মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছে। মেঘনা শিল্পাঞ্চলের ফ্রেশের কারখানা এটি। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতি এবং এতে হতাহতের কোনো তথ্য এখনই বলা যাচ্ছে না।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




অতিরিক্ত মজুত নেই, তবুও খুলনায় কমছে না চালের দাম

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

খুলনার চালের বাজারের অস্থিরতা কোনোভাবেই কাটছে না। সরবরাহ থাকার পরও যেন কোনো কিছু ঠিক নেই। এছাড়া গোডাউন কিংবা মিলে অতিরিক্ত চালের মজুত নেই বলে জানিয়েছে জেলা খাদ্য অধিদপ্তর। সবঠিক থাকার পরও দাম কেন বাড়ছে এমন প্রশ্নের উত্তরে ছোট ব্যবসায়ীরা দেখিয়ে দিচ্ছেন বড় ব্যবসায়ীদের আর বড় ব্যবসায়ীরা পাইকার ও মিলারদের দায়ী করছেন। অন্যদিকে পাইকার ও মিলাররা দায়ী করছেন বড় বড় কোম্পানিগুলোকে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বেশ কয়েকটি করপোরেট প্রতিষ্ঠান প্যাকেটজাত চাল বিক্রি শুরুর পর থেকেই বাজারে চালের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকছে সব সময়।

এদিকে চালের মূল্যবৃদ্ধিতে প্রায়দিন ক্রেতাশূন্য থাকছে খুলনার বড় বাজার। রিকশাচালক আব্দুর রউফ বলেন, ‘গরীবের চাল বলে পরিচিত স্বর্ণা। সেটিও প্রতি কেজিতে ৩ টাকা করে বেড়েছে। বাড়েনি আয়। পরিবারের চার সদস্যকে নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছি। কারণ প্রতিমাসে আমার ৪০ কেজি চালের প্রয়োজন হয়। এ চাল কিনতে এখন আরও বেশকিছু টাকা বাড়তি আয় করতে হবে।’

খুচরা চাল বিক্রেতা শাহাদাত মৃধা বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে চালের বাজারে উত্তাপ ছাড়াচ্ছে। এবার দেশে বোরোর আবাদ বেশ ভালোই হয়েছে। ধানের কোনো সংকট নেই। চালের দাম বাড়ল কেন? বাজারের বড় বড় ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে চালের দাম বাড়াচ্ছে। তাদের গোডাউনে অভিযান করলে প্রকৃত রহস্য বের হয়ে আসবে। চালের দাম বেশি হওয়ায় বাজারে ক্রেতার সংখ্যা কম।

খুলনা মহানগরীর সবচেয়ে বড় চালের মোকাম হিসেবে পরিচিত খুলনার বড় বাজারের চাল পট্টি ঘুরে জানা গেছে, প্রতি কেজি নতুন সরু মিনিকেট চাল ৬৮ টাকায় বিক্রি করছেন খচরা ব্যবসায়ীরা। অনুরূপভাবে মাঝারি নতুন মিনিকেট ৬৫ টাকা, বাঁশমতি ৮০ টাকা, নাজিরশাইল ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অথচ একসপ্তাহ আগেও একই চাল ব্যবসায়ীরা ৫-৯ টাকা কমে বিক্রি করেছেন ব্যবসায়ীরা। যদিও দাম বাড়ার খুচরা ব্যবসায়ী ও পাইকাররা একে অপরের ওপরকে দুষছেন।

তবে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বড় মিলমালিকরা অতিমাত্রায় ধানের মজুত করায় দফায় দফায় চালের দাম বেড়ে চলেছে।

বাজারের পাইকারি চাল বিক্রেতা বাসুদেব কুন্ডু দাম বাড়ার জন্য সরাসরি মিল মালিকদের দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ‘মিলাররা বিভিন্ন হাটে হাটে গিয়ে নতুন ধান কিনে মজুত রাখছে। চালের দাম বৃদ্ধির সংবাদ জেনে সেগুলো তারা বাজারজাত করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত একসপ্তাহ আগেও বাজারে চালের সরবরাহ খুবই কম ছিল। মজুতদারদের বিরুদ্ধে অভিযানের খবরের পর চালের সরবরাহ একটু বেড়েছে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একই বাজারের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, অতিরিক্ত মজুতনীতির কারণে বেড়ে চলেছে চালের দাম। হাটের দর থেকে অতিরিক্ত দামে ধান কিনে মিলে নিয়ে যাচ্ছে। ধানের সংকট দেখিয়ে চালের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে।

তিনি আরও বলেন, এলসির চাল বাজারে নেই। এ সুযোগে ওইসব প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ীরা ইচ্ছা মতো দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে। এই করপোরেট সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে।

বাজারের দিনাজপুর ভান্ডারের মালিক মো. ফারুখ আহমেদ বলেন, সরকার মিল মালিকদের কোটি কোটি টাকা লোন দিচ্ছে। এ টাকা দিয়ে তারা হাজার হাজার মণ ধান কিনে মজুত করছে। চালের সংকট পড়লে তখন তারা চাল বাজারজাত করবে। সিলেটের বন্যার কথা বলে তারা চালের দাম এক দফা বৃদ্ধি করছে। সিলেটের চাল খুলনায় আসে না। সেখানে বন্যা হলে এখানকার বাজারে উত্তাপ বাড়বে কেন? চালের দাম কমানোর জন্য দেশের নামীদামী মিলগুলোতে নিয়মিত অভিযানের অনুরোধ জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে খুলনা ধান-চাল বণিক সমিতির সভাপতি মনির আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, গত তিন যুগ ধরে চালের দাম এমন ঊর্ধ্বমুখী দর কখনো দেখিনি। কেন দাম বাড়লো তাও বলতে পারছি না। একসময় হাসকিং মেশিন দিয়ে ধান ছাঁটাই করে চাল বের করা হতো। আমরা মিলে গিয়ে গিয়ে চাল কিনে আনতাম। এখন ধান-চালের রাজত্ব করে অটোরাইস মিলগুলো।

kh-(2).jpg

তিনি আরও বলেন, পাইকারি বা খুচরা ব্যবসায়ীরা খুব বেশি পরিমাণ ধান-চালের মজুত করতে পারেন না। তাদের তেমন জায়গাও নেই। মজুত করতে পারেন অটোরাইস মিলগুলোর মালিকরা। তারাই এখন বাজার নিয়ন্ত্রণ করছেন।

খুলনা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ বাবুল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, চাল বা ধান মজুতের কোনো সুযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রী মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে যেতে বলেছেন। সেই অনুযায়ী কাজও হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জেলায় দুই শতাধিক লাইসেন্সধারী হাসকিং রাইচমিল রয়েছে। এছাড়া ১৪টি অটোরাইস মিলও আছে। সরকারি আইন অনুসারে, আমরা নিয়মিত ওই মিলগুলো পরিদর্শন করছি। আমাদের কয়েকটি দল বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মিল পরিদর্শন করেছে। একই সঙ্গে লাইসেন্সধারী পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের গোডাউনও আমরা নিয়মিত পরিদর্শন করছি। মজুত আইনে যা আছে, তার বেশি ধান বা চাল খুলনার কোনো মিলে এখনো পাওয়া যায়নি।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২