Logo
শিরোনাম

১৫ মে’র মধ্যে লিড এজেন্সি নির্ধারণ করে হজযাত্রী স্থানান্তর

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৮৭জন দেখেছেন
Image

চলতি বছরের হজের জন্য আগামী ১৫ মে’র মধ্যে লিড এজেন্সি নির্ধারণ করে ২০২০ সালের নিবন্ধিত হজযাত্রীদের এক এজেন্সি থেকে অন্য এজেন্সিতে স্থানান্তর করতে হবে।

সোমবার (৯ মে) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ২০২২ সালে হজ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বৈধ হজ এজেন্সির তালিকায় প্রকাশিত যে সব হজ এজেন্সির প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তির সংখ্যা ৯৭ বা এর বেশি সেসব এজেন্সিকে ২০২২ সালের হজের নিবন্ধন স্থানান্তর কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য নির্দেশক্রমে অনুমতি দেওয়া হলো। পাশাপাশি নিবন্ধন স্থানান্তর কার্যক্রমের জন্য উপযুক্ত বা তালিকায় প্রকাশিত বৈধ যেসব হজ এজেন্সির নিবন্ধিত ব্যক্তির সংখ্যা ৯৭ জনের কম সেসব হজ এজেন্সি পরস্পর সমঝোতা করে সমন্বয়পূর্বক ‘হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০২১’ এবং এর অধীনে প্রণীত ‘হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২২ (খসড়া)’ এর ২৫ বিধি অনুযায়ী লিড এজেন্সি নির্ণয় করে সমন্বয়কারী এজেন্সিগুলোর নিবন্ধিত ব্যক্তিদের লিড এজেন্সিতে স্থানান্তর করে নির্ধারিত কোটা পূরণ ও নির্ধারিত কোটার সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সম্পন্ন করবে।

আগামী ১৫ মে’র মধ্যে লিড এজেন্সি নির্ধারণ করে ২০২০ সালের নিবন্ধিত হজযাত্রীদের এক এজেন্সি থেকে অন্য এজেন্সিতে স্থানান্তর সম্পন্ন করতে হবে। সমন্বয়কার্য শেষে সৌদি আরবের ই-হজ সিস্টেমে ইউজার তৈরির জন্য সৌদি আরবে হজ এজেন্সির তালিকা এবং হজ এজেন্সিভিত্তিক হজযাত্রীর সংখ্যা (গাইড ও মোনাজ্জেমসহ) পাঠানো হবে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে কোনো সময় বাড়ানো হবে না বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

সৌদি আরবে এজেন্সিভিত্তিক হজযাত্রীর তথ্য পাঠানোর পর সব ধরনের প্রতিস্থাপনের কার্যক্রম শুরু হবে জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যে সব হজ এজেন্সি বিভিন্ন অভিযোগে শাস্তিপ্রাপ্ত, লাইসেন্স স্থগিত বা লাইসেন্স সচল না থাকায় ই-হজ সিস্টেমে এজেন্সির ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড বন্ধ সেসব হজ এজেন্সির অধীন বিদ্যমান নিবন্ধিত হজযাত্রীদের ২০২২ সালে হজ কার্যক্রমে সচল আছে এবং সৌদি আরবে হজযাত্রী পাঠানোর উপযুক্ত এমন হজ এজেন্সির কাছে ১৫ মে’র মধ্যে শুধু হজযাত্রী স্থানান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারবে। তাদের ইজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড আগের মতো বন্ধ থাকবে (কোন নিবন্ধন, হজযাত্রী স্থানান্তরপূর্বক গ্রহণ ইত্যাদি কার্যাদি সম্পন্ন করতে পারবে না)।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৯ জুলাই সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে। চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে ৫৭ হাজার ৮৫৬ জন হজে যেতে পারবেন বলে এরই মধ্যে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারিতে সৌদি আরবের নিষেধাজ্ঞার কারণে গত দু-বছর বাংলাদেশ থেকে কেউ হজে যেতে পারেননি।


আরও খবর



থাইল্যান্ড ভ্রমণে আর কোনো বাধা নেই, সব বিধিনিষেধ প্রত্যাহার

প্রকাশিত:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
Image

থাইল্যান্ড ভ্রমণে আর কোনো বাধা রইলো না। দীর্ঘ ২৭ মাস পর পর্যটকদের জন্য করোনা বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছে দেশটির সরকার। শুক্রবার (১ জুলাই) থেকে বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে। তবে টিকার সনদ ও নেগেটিভ ফলাফল দেখাতে হবে।

গত বছরের ২২ মার্চ থেকে করোনা মোকাবিলার জন্য সারাবিশ্ব থেকে থাইল্যান্ডে আসা নাগরিকদের নানা বিধিনিষেধ চালু করে থাই সরকার। করোনার প্রথম দিকে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম ছিলো। এরপরে তা কমিয়ে ১০ দিন করা হয়। পরে আবারও একবার কমিয়ে সাতদিন করা হয়।

২০২১ সালের নভেম্বরে আরও একদফা কমিয়ে করা হয় ৫ দিনের কোয়ারেন্টাইন। পরে ফের কোয়ারেন্টাইন কমিয়ে ১ দিন করা হয়। এর নাম দেওয়া হয় ‘টেস্ট অ্যান্ড গো’। ২০২২ সালের ১ মে থেকে থাইল্যান্ড ভ্রমণের জন্য কোয়ারেন্টাইন নিয়ম উঠে গেলেও শুধু দরকার হতো থাইল্যান্ড পাস ও ১০ হাজার ডলারের স্বাস্থ্য ইনসুরেন্সের।

অবশেষে সেটারও আর দরকার হচ্ছে না ১ জুলাই ২০২২ তারিখ থেকে। এর ফলে দীর্ঘদিন পর থাইল্যান্ড ভ্রমণের কোভিড-১৯ এর সব বিধিনিষেধের সমাপ্তি হলো।

২০১৯ সালের শেষের দিকে চীনে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। এরপর গণহারে করোনা পরীক্ষা, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি ও বিভিন্ন এলাকায় লকডাউন দেওয়ার মধ্য দিয়ে কোভিডের সংক্রমণ ও মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমিয়ে আনতে সক্ষম হয় দেশটি।

তিন মাসের কঠোর প্রতিরোধ ব্যবস্থার মাধ্যমে করোনার উৎপত্তিস্থল উহান শহরকে করোনামুক্ত করতে সক্ষম হয় চীন সরকার। ২০২০ সালের ২৭ এপ্রিল হাসপাতাল থেকে ছাড় পান শেষ করোনা আক্রান্ত রোগী।

করোনার অতিসংক্রামক অমিক্রন ধরনের কারণে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন করে করোনার প্রকোপ ছড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি চীনের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় জিলিন প্রদেশে করোনায় আক্রান্ত দুজনের মৃত্যু হয়। এ পর্যন্ত বিশ্বে ৬০ লাখের বেশি মানুষের প্রাণ গেছে।


আরও খবর



বিতর্কিতদের আইডিআরএ’র সদস্য করলো মন্ত্রণালয়

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

একজন তো তথ্য গোপনের অপরাধে বিমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পদ থেকে অপসারিত হয়েছেন। আর একজনের শিক্ষাগত যোগ্যতাই প্রশ্নবিদ্ধ। অথচ তাদের বিমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) সদস্য করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এ দুজন হলেন কামরুল হাসান এবং নজরুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) কামরুল হাসানকে সদস্য (লাইফ) এবং নজরুল ইসলামকে সদস্য (নন-লাইফ) পদে নিয়োগ দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। দুজনকেই তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে তথ্য গোপন করায় পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সিইও পদ থেকে কামরুল হাসানকে অপসারণ করেছিল আইডিআরএ।

আর প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকার পরও এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার পদে নিয়োগ পান নজরুল ইসলাম। এমনকি তিনি বিতর্কিত দারুল ইহসান ইউনিভার্সিটির সাভার ক্যাম্পাস থেকে এমবিএ পাসের সনদ নেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আইডিআরএ’র সদস্য (লাইফ) পদটি প্রায় দুই বছর এবং সদস্য (নন-লাইফ) পদটি পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে খালি রয়েছে। সবশেষ গেলো বছরের ২২ নভেম্বর এসব পদে জনবল নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আইডিআরএ সদস্য পদে তিনবার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ৪১টি আবেদন পাওয়া যায়। সেখান থেকে ১৪ জনকে করা হয় শর্ট লিস্ট। এর মধ্যে বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সদস্য (লাইফ) পদে আট এবং সদস্য (নন-লাইফ) পদে ছয়জন রাখা হয়।

সদস্য (লাইফ) পদে শর্ট লিস্টে রাখা হয় মো. এনায়েত আলী খান, মো. সামসুল আলম, কামরুল হাসান, ড. বিশ্বজিৎ কুমার মন্ডল, দুলাল চন্দ্র নন্দী, আবুল কালাম মো. আজাদ, মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন এবং মো. আনোয়ার হোসেনকে।

অপরদিকে সদস্য (নন-লাইফ) পদের শর্ট লিস্টে রাখা হয়- মো. নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ খাইরুল আলম, পাপিয়া রহমান, কে এম সাইদুর রহমান, মো. আব্দুল হাই সরকার এবং এস এম জসিম উদ্দিন আহমেদকে। এখান থেকেই কামরুল ও নজরুলকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এর আগে ২০১৬ সালে কামরুল হাসানকে পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সিইও পদ থেকে অপসারণ করা হয়। তথ্য গোপন করায় অনুমোদনের মাত্র ২৬ দিনের মাথায় তার নিয়োগ বাতিল করে আইডিআরএ।

২০১৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি কোনো রকম যাচাই-বাছাই না করেই আবেদন পাঠানোর মাত্র ১২ দিনের মাথায় কামরুল হাসানকে নিয়োগ দেয় আইডিআরএ। এসময় তার নিয়োগপত্রে শর্ত দেওয়া হয়, ‘আবেদনে উল্লেখিত তথ্যাদি পরবর্তীতে সঠিক প্রমাণিত না হলে মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পদে তার অনুমোদন প্রত্যাহার হবে।’

পরবর্তীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) থেকে বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়, কামরুল হাসান ক্রেডিট কার্ডে ঋণ খেলাপি। এর পরিপ্রেক্ষিতে অনুমোদনপত্রে দেওয়া শর্তের ভিত্তিতে কামরুল হাসানের নিয়োগ বাতিল করে আইডিআরএ।

অন্যদিকে নজরুল ইসলাম প্রবিধান অনুসারে যোগ্যতার শর্ত পূরণ না করেই এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার পদে নিয়োগ পান। ২০২১ সালের ২৬ জুলাই তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ ও অপসারণ প্রবিধানমালা ২০১২ অনুসারে, এই পদে নিয়োগ পেতে হলে তিন বছর মেয়াদী স্নাতক ও এক বছর মেয়াদী স্নাতকোত্তর ডিগ্রি বা চার বছর মেয়াদী স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।

অথচ নজরুল ইসলাম এইচএসসি পাস করেন ১৯৮৫ সালে এবং বিএসসি পাস করেন ১৯৮৭ সালে। অর্থাৎ তার বিএসসি ডিগ্রিটি দুই বছর মেয়াদী। পরে ২০১১ সালে দারুল ইহসান ইউনিভার্সিটির সাভার ক্যাম্পাস থেকে এমবিএ পাস করেন তিনি।

অর্থাৎ প্রবিধানমালার শর্ত অনুসারে নজরুল ইসলাম শিক্ষাগত যোগ্যতার শর্ত পূরণ করেননি। শিক্ষাগত যোগ্যতার এসব তথ্য তিনি মুখ্য নির্বাহী পদে নিয়োগ অনুমোদনের জন্য করা আবেদনে উল্লেখ করেন।

শুধু শিক্ষাগত যোগ্যতাই নয়, বিমা খাতে নজরুল ইসলামের কর্ম অভিজ্ঞতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তিনি প্রভাতি ইন্স্যুরেন্সের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে মুখ্য নির্বাহীর অব্যবহিত পরের পদে চাকরি করেছেন বলে জীবন বৃত্তান্তে দাবি করেন। কিন্তু প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনে ‘মো. নজরুল ইসলাম’ নামের কোনো ব্যক্তির নাম নেই।

প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে, কোম্পানিটির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ‘মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার’। তিনি ২০১৭ সালে কোম্পানিটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। ২০১৮ সাল থেকে তিনি কোম্পানির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

তবে গত বছরের ১৬ জুন প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) সাখাওয়াত হোসেন মামুন সই করা একটি সনদে উল্লেখ করা হয়, নজরুল ইসলাম ২০০৪ সালে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন।

সনদটিতে আরও বলা হয়, শেষ তিন বছর তিনি কোম্পানির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কোম্পানির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদে চাকরি করেন। তবে কত তারিখ থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদে পদোন্নতি পান তার কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি সনদটিতে।


আরও খবর



পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

ময়মনসিংহে পুকুরে মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নজরুল ইসলাম (৪৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুন) সকালে সিটি করপোরেশনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নজরুল ইসলাম একই এলাকার মৃত রহিম উদ্দিন ফকিরের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, সকালে ছেলেকে নিয়ে বাড়ির পাশের পুকুরে বৈদ্যুতিক পাম্প দিয়ে পানি সেচে মাছ ধরতে যান নজরুল ইসলাম। অসাবধানতাবশত সুইচ দিতে গিয়ে বিদ‍্যুতায়িত হয়ে ছটফট করতে থাকেন তিনি। তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ছেলে সায়েম৷ পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন বলেন, নিহতের স্বজনদের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাকে দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হবে।


আরও খবর



উদ্ধার মরদেহ ফায়ার ও নিরাপত্তাকর্মীর হতে পারে: ফায়ার সার্ভিস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগার ৬১ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থল থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস আ্যন্ড সিভিল ডিফেন্স। উদ্ধার হওয়া মরদেহ দুটির মধ্যে একটি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীর এবং অন্যটি বিএম কনটেইনার ডিপোর নিরাপত্তাকর্মীর হতে পারে।

মঙ্গলবার (৭ জুন) দুপুরে ফায়ার সার্ভিস আ্যন্ড সিভিল ডিফেন্স চট্রগ্রাম বিভাগের উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণের পরে ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মরদেহ পাওয়া যায়। আগুনে তদের চেহারা বিকৃত হয়ে গেছে এবং পরনের কাপড় ও পরিচয়পত্র পুড়ে গেছে। তবে একজনের মরদেহ দেখে মনে হয়েছে সে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী হতে পারেন। অপর মরদেহটি বিএম কনটেইনার ডিপোর নিরাপত্তাকর্মীর বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান বলেন, নিশ্চিতভাবে এখনো শনাক্ত করা যাচ্ছে না। তাদের ডিএনএ স্যাম্পল সংগ্রহ করা হবে। পরবর্তীতে তাদের আত্মীয়দের সঙ্গে ম্যাচিং করে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

জেলা সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত ৪৯ জন নিহত হয়েছে। তবে জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, মৃতের সংখ্যা ৪১। দগ্ধ ও আহত ১৬৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাতেই শনাক্ত হওয়া নিহতদের জেলা প্রশাসনের সহায়তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক হলেন আবুল কালাম

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স ডিপার্টমেন্টের পরিচালক ও ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র জি. এম. আবুল কালাম আজাদ নির্বাহী পরিচালক (এক্স-ক্যাডার পাবলিকেশন্স) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।

আবুল কালাম আজাদ ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদে যোগদান করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্স, মাস্টার্স ও এডুকেশনে ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন করেন।

ব্যাংকের গবেষণা বিভাগ, মনিটারি পলিসি বিভাগ, গভর্নর সচিবালয় ও ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকশেন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্সে দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে আজাদ সস্ত্রীক হজ্জব্রত পালন করেন।

আজাদ যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাঠি ইউনিয়নের গাজী পরিবারের সন্তান। সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজের ছাত্র হিসেবে স্থানীয়ভাবে আজাদের মেধার সুখ্যাতি আছে। বিদেশি প্রশিক্ষণে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও ভারত সফর করেন।

আজাদের স্ত্রী রোকেয়া খাতুনও পরিচালক হিসেবে ব্যাংকের গভর্নর সচিবালয়ে কর্মরত। তাদের তিন কন্যা। বড় মেয়ে এমবিবিএস ডাক্তার, মেঝো মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত।

ছোট মেয়ে রয়েছে আন্ডার গ্র্যাজুয়েট লেভেলে। আজাদ যশোরের অঞ্চলভিত্তিক ভাটাই-নূরজাহান অরফ্যান্স ফ্রেন্ড দুঃস্থ সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবী নির্বাহী উপদেষ্টা ও ডোনার।


আরও খবর