শতাধিক বিদেশি ছাত্রীর বাড়ি ফেরার আকুতি

Thursday, May 14th, 2020

ডেস্ক নিউজঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনী উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজে অধ্যয়নরত ভারত, কাশ্মীর ও নেপালের শতাধিক ছাত্রী নিজেদের দেশে ফিরতে চেয়েও পারছেন না বলে জানিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, বাংলাদেশের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজের হোস্টেলে অবস্থানরত ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা ঢাকা ত্যাগ করতে পারলেও তাঁরা টিকিট পাচ্ছেন না। কাশ্মীরের এক ছাত্রী গত সোমবার কাশ্মীরের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের কাছে ই-মেইলে নিজেদের অবস্থা তুলে ধরেন। এরপর কাশ্মীর অবজারভার এবং কাশ্মীর ওয়াচে খবরটি প্রকাশিত হয়।

কুমুদিনী উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজের অফিসার ইনচার্জ রতন চন্দ্র সরকার জানান, মেডিক্যাল কলেজটিতে ইন্টার্ন চিকিৎসকসহ ৭৮১ জন ছাত্রী রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশের ৪৮৯ জন, ভারত ও কাশ্মীরের ২৭৩ জন ও নেপালের ১৯ জন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরুর পর সরকার গত মার্চ মাসে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। এরপর বিদেশি ১৭০ জনসহ ৬৫৯ জন ছাত্রী বাড়ি ফিরতে পারলেও টিকিট না পাওয়ায় ভারত, কাশ্মীর ও নেপালের ১২২ জন ছাত্রী এখনো মেডিক্যাল কলেজের হোস্টেলে অবস্থান করছেন।

সোমবার কাশ্মীরের এক ছাত্রী নিজ অঞ্চলের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের কাছে ই-মেইলে নিজেদের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, ‘আমি আপনাদের আমাদের অসহায়ত্বের বিষয়টি জানাতে চাই। বাংলাদেশের কুমুদিনী উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজে আমরা পড়ে আছি। ঢাকা থেকে শ্রীনগরসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ফ্লাইট গেলেও ফেরার টিকিট দিতে আমাদের অবহেলা করা হচ্ছে।’

এ ব্যাপারে কুমুদিনী উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. মো. আব্দুল হালিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা দেশে ফিরতে ভারতীয় ও নেপালের দূতাবাসে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করেছে। পর্যায়ক্রমে তাদের দেশে নেওয়া হচ্ছে। আমাদের কলেজের ছাত্রীরাও পর্যায়ক্রমে নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবে।’