বাণিজ্য শুরু প্রণব মুখার্জির হাত ধরে বাংলাবান্ধা দিয়ে ভারতে 

Wednesday, September 2nd, 2020
 মো.বাবুল হোসেন পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি : দেশের সর্ব উত্তরের প্রান্তিক জেলা পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য চালু হয়েছে সাবেক রাষ্ট্রপতি সদ্য প্রয়াত প্রণব মুখার্জির হাত ধরে।  ২০১১ সালের ২২ জানুয়ারি ভারতের (তৎকালীন অর্থমন্ত্রী) সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির হাত ধরে এ বন্দর দিয়ে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য শুরু হয়।
দেশের একমাত্র চতুর্দেশীয় (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান) স্থলবন্দরের ২৩ বছর পূর্ণ হলো মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর)।  এর আগে, ১৯৯৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর নেপাল-বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য পরিবহনের মাধ্যমে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৭ সালে তৎকালীন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এ স্থলবন্দর দিয়ে প্রথম নেপাল ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রফতানি কার্যক্রম শুরু হয়।এরপর ভারতের সঙ্গে এবং সর্বশেষে ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের পণ্য আমদানি-রফতানি শুরু হয়।
২০১১ সালের ২২ জানুয়ারি ভারতের পক্ষে প্রণব মুখার্জি এবং বাংলাদেশের পক্ষে তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী ভারতের ফুলবাড়ি স্থলবন্দর ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের মধ্যে পণ্য আমদানি-রফতানি কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।পঞ্চগড় আমদানি-রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মেহেদি হাসান খান বাবলা  বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত, নেপাল ও ভুটানের সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ, আমদানি-রফতানি বাণিজ্য সহজিকরণ এবং ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ বন্দর চালু করা হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ বন্দরের কার্যক্রম সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। আমি ১৯৯৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর বন্দর উদ্বোধনী থেকে আজ অবধি বন্দর উন্নয়নে কাজ করছি। গুরুত্বপূর্ণ এ বন্দরে যে কয়েকটা ঘাটতি রয়েছে, তা পূরণে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি আরো বলেন, এরই মধ্যে রেল মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত রেললাইন করার প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুত এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে বন্দরের কার্যক্রম অনেকটাই এগিয়ে যাবে। সোমবার (৩১ আগস্ট) ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির মৃত্যু হওয়ায় তার প্রতি সম্মান জানিয়ে মঙ্গলবার বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। একই কারণে এদিন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষেও কোনো কর্মসূচিত রাখা হয়নি।
পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক  সাবিনা ইয়াসমিন  জানান, অন্য স্থলবন্দরের চেয়ে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এ বন্দরটিকে এগিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।