পঞ্চগড়ে হঠাৎ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিম্নআয়ের মানুষ দিশেহারা  

Saturday, September 5th, 2020
 মো.বাবুল হোসেন পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি : সবজির বাজারে গিয়ে সাধারন মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এক জেজি করল্লা ৬০ টাকা থেকে ৮০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।পটল এক কেজি ৪৮ টাকা থেকে ৬০ টাকা।ঝিঙ্গা এক কেজি ৪০ টাকা। ঢেঁড়ষ এককেজি ৬০ টাকা। এতো দাম দিয়ে সবজি কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন নিন্ম আয়ের মানুষ। মিলগেট বাজার দ্রব্যমূল্যের কোন সীমারেখা নেই তদারকি।
পুরাতন পঞ্চগড়ের বাসিন্দা এরফানুল হক পপু   ‘ তিনি বলেন ‘ বাজারে আসলে মাথাটা নষ্ট হয়ে যায়। তারপরেও তিনি আলু লাউ
এদিকে দেশে অনেকটাই আমদানি নির্ভর পেয়াঁজের বাজার। বিশেষ করে ভারত থেকে আমদানি করা হয় মোট চাহিদার অর্ধেক পেয়াঁজ। কিন্তু হঠাৎ করেই পেয়াঁজের দাম বাড়তে শুরু করেছে। শনিবার পঞ্চগড় বাজারে এমনটাই দেখা গেছে। প্রতি কেজি পেয়াঁজে বেড়েছে ৮/১০ টাকা। বড় সাইজের এলসি’র পেঁয়াজ প্রতি কেজি ছিলো ২৫ টাকা। এখন তা বেড়ে ৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোট সাইজের পেয়াঁজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৮/৩০ টাকা। যা কদিন আগে বিক্রি হয়েছে ২৫ টাকা ও ২০ টাকা প্রতি কেজি।দেশি পেয়াঁজ প্রতি কেজি ৪৫ টাকা।
খুচরা বিক্রেতা মনির হোসেন বলেন‘ সবজির বাজার ফরেয়াদের হাতে চলে গেছে। তারা ১৬ টাকার সবজি ২৪ টাকায় বিক্রি করছে’। আমরা কি করেবা’।
পঞ্চগড় বাজারের খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ি জুয়েল জানান ‘ আমদানি কমে যাওয়ায় পেঁয়াজের দাম বাড়তি। যদি আমদানি এমন থাকে তাহলে দাম আরো বাড়তে পারে।এদিকে একটি সূত্র জানা, গত এক সপ্তাহে ভারতের বাজারে পেয়াঁজের দাম বেড়েছে ৫১শতাংশ।ফলে দেশে পেয়াঁজের দাম বাড়ছে।
এছাড়া সবজির বাজার কদিন আগে বেশ চড়া ছিলো ‘ তা কিছুটা কমতে শুরু করেছে। কেজিতে ৫/১০ টাকা কমে সবজি এখন ২০/ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সবজি কচু ৩০ টাকার স্থলে এখন ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাউয়ের দামও কমেছে প্রতি পিস লাউ ছিলো ৩০ টাকা ‘ তা এখন ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে মাছের বাজার এখনো চড়া।
এদিকে বয়লার মুরগীর দাম কমে গেছে ‘ প্রতি কেজি বয়লার ১৪০ টাকা থেকে নেমে এখন বিক্রি হচ্ছে ‘ ১০০ টাকা প্রতি কেজি। সোনালি মুরগী এখন ২০০ টাকা থেকে নেমে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।দেশী মুরগী ৪০০ টাকার জায়গায় বর্তমানে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি বিক্রি হচ্ছে। খাসি ও গরুর মাংসের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে।
এছাড়া পঞ্চগড় বাজারে চালের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে ‘ মিনিকেট ৫০ কেজি প্রতি বস্তা পাইকারি ২৪৫০ টাকা থেকে ২৬০০ টাকা। খুচরা মূল্য প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫২ টাকা। আটাইশ প্রতি বস্তা ২১৫০ টাকা থেকে ২২০০ টাকা। খুচরা প্রতি কেজি ৪৫ থেকে ৪৭ টাকা প্রতি কেজি। মোটা প্রতিবস্তা ২০০০ টাকা। খুচরা প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৪২ টাকা। গুটি প্রতি বস্তো ২০১০ টাকা থেকে২০২০ টাকা। খুচরা প্রতি কেজি ৪২ থেকে ৪৪ টাকা এবং স্বর্না প্রতি বস্তা ২১৫০ টাকা থেকে ২২০০ টাকা। খুচরা বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা থেকে ৪৬ টাকা।চাল ব্যবসায়ি আজিজুল ইসলাম জানান  জানান‘ চালের দাম বাড়বে না‘ এবং কমার সম্ভাবনা নাই’।
এদিকে মোটা চাল বাজারে তেমন একটা সরবরাহ নেই’। কারন হিসেবে জানা গেছে ‘ সরকারি চাল সংগ্রহের ফলে এসব চাল গুদামে যাচ্ছে’।