ঠাকুরগাঁওয়ে  ৮ ম শ্রেণীর ছাত্র  চায়ের দোকান করে সংসারের ও লেখা পড়া খরচ জোগানো  দিচ্ছে

Friday, September 11th, 2020
মোঃ মজিবর রহমান শেখ ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি,,ঠাকুরগাঁও জেলার  সদর উপজেলার ১০ নং জামালপুর ইউনিয়ন ভকদগাজী এলাকায় চা বিক্রি করে লেখাপড়ার ও সংসারের  খরচ জোগাচ্ছেন বিক্ররম রায়। ববার রেখে  যাওয়া  চায়ের দোকানটিতে  মা ছেলে মিলে কাজ করেছেন  অার তাতেই চলেছে বিক্ররম রায়ের সংসার ।  ভোর সকাল বিক্র এসে দোকান খুলেন এর পর তার মা অাসেন সকাল ৮ টার দিকে এর পর বিক্ররম  রায় চলে যান প্রাইভেট পড়তে, বাবা পৌশা বর্মণ  মারা গেছেন  গত ৫ মাস আগে,এরপর থেকে বিক্ররমের  ঘাড়ে সংসার। অার ছোট চায়ের দোকান করে তাকেই চালাতে  হয়  সংসার। অার  অভাবের সংসার তাই চায়ের দোকানকে ঘিরেই তাদের বেঁচে থাকার সংগ্রাম, তিন-বোন, এক ভাই আর মাকে নিয়ে ভকদগাজী এলাকার  ভাড়া দোকান একমাত্র চলার পথ। সম্বল বলতে শুধু   অস্থায়ী চায়ের দোকানটিই, বিক্ররম  ভকদগাজী উচ্চ  বিদ্যালয়ের অষ্টম  শ্রেণির মেধাবী ছাত্র। লেখাপড়ার খরচ রোজগার করতে স্কুল শেষে চায়ের দোকানে চা বিক্রি করে সময় কাটাতে হয় তাকে, রাতে বাড়িতে মন দিয়ে লেখাপড়া করে।  বিক্ররমের মুখে তার কষ্টের কথা শুনে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি, বিক্ররমের মনের ভিতর লুকিয়ে থাকা কষ্টের কথাগুলো বলতে বলতে  থমকে দারিয়ে গেলো বিক্ররমের  চোখেমুখে দেখে বুঝা যায় সে কতটা অসহায়। দোকন থেকে যে টাকা রোজগার হয় সে টাকা দিয়ে বিক্ররম খাতা-কলম কেনা, স্কুল ড্রেস তৈরি এসব কাজে ব্যয় করে, তাছাড়া এ দোকান থেকে উপার্জিত অর্থেই চলে তাদের সংসার। বিক্ররমে প্রতিদিন ৩-৪শ টাকা রোজগার হয় চায়ের দোকানকে ঘিরে।’বিক্ররম লেখাপড়া শিখে বড় হতে চায়। বিক্ররম  বলেন , অাজ যদি অামার বাবা-র  টাকা থাকতো তবে কি স্কুলের খরচের জন্য আমার চায়ের দোকানে থাকা লাগতো?’ এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে চায় না বিক্ররম কষ্ট করেই লেখাপড়া শিখে বড় হতে চায়।