মোবাইলের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন কী ঝুঁকি তৈরি হতে পারে?

Sunday, September 20th, 2020

বাংলাদেশ পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ বুধবার রাতে অবৈধ ও চোরাই মোবাইল বিক্রির সাথে জড়িত একটি চক্রের বেশ কয়েকজন সদস্যকে আটক করেছে, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে তারা মোবাইল হ্যান্ডসেটের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে বাজারে বিক্রি করে আসছিলো।

আইএমইআই নম্বর প্রত্যেক ফোনের জন্য আলাদা এবং এই সুনির্দিষ্ট নম্বর দিয়ে মোবাইল নেটওয়ার্কে কোন একটি সুনির্দিষ্ট মোবাইলের অবস্থান চিহ্নিত করা সম্ভব।

পুলিশের ডিবি এবং সিআইডি বিভাগের সদস্যরা বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে ২০ জনকে আটক করে, যাদের কাছে বেশ কিছু চোরাই মোবাইল ফোন ছাড়াও হ্যান্ডসেটের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করার কয়েকটি ডিভাইস পাওয়া যায়।

এই অপরাধীরা চুরি করা বা ব্যবহৃত মোবাইল কিনে আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে বাজারে বিক্রি করতো বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ বলছে, অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে পরিবর্তিত আইএমইআই নম্বরের ফোন সেট ব্যবহার করলে অপরাধীকে খুঁজে বের করার সুযোগ কমে যায়।

বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে সিআইডির অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ রেজাউল হায়দার বলেন, “চুরি হওয়া ফোনের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করলে ঐ ফোন খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। আবার অপরাধীরা অপরাধ করার আগে এই ধরনের ফোন হাতে পেলে এর ফায়দা নিতে পারে, কারণ তখন ফোনের মাধ্যমে অপরাধীকে আর খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয় না।”

রেজাউল হায়দার জানান আটক হওয়া ব্যক্তিরা অবৈধভাবে আমদানি করা কিছু ডিভাইস দিয়ে ফোনের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করে আসছিল এবং বাংলাদেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী ফোনের আইএমইআই নম্বর পরিবর্তন করা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়। – বিবিসি বাংলা