বঙ্গবন্ধুর পদধূলি চিন্হিত সেই বাড়ি এবং ধ্বংসাবশেষ সেই পরিবারের ইতিকথা

Friday, September 25th, 2020
ডেস্ক  নিউজ: বাংলাদেশ স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাহেবের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহচর খয়রাত হোসেনের অবহেলিত পরিবার শিরোনামে বারবার নিউজ হবার পর আমরা একটি টিম সরজমিনে গিয়ে যে তথ্যগুলো পেলাম- নীলফামারীর এই পরিবারটিকে কোন সরকারি চাকুরী দেয়া হয়নি।টেনে নেওয়া হয়নি রাজনীতিতে। তারা সর্বক্ষেত্রে চরম অবহেলিতর স্কীকার। ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যার পরে এই পরিবারটিকে ধামাচাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। যে বাড়িতে বঙ্গবন্ধু আসতেন এবং রাজনৈতিক মিটিং করতেন সেই বাড়ির স্মৃতি আজ প্রায় ধ্বংসের দিকে। জানা যায়, বর্তমানে খয়রাত হোসেনের ৩ কন্যা সমাজের নাম না জানা কিছু স্বার্থলোভী ,স্বাধীনতা বিরোধী, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার সপ্নকে যারা ধ্বংস করে দিতে চায় এমন কিছু মানুষের প্ররোচনায় খয়রাত হোসেনের স্মৃতিগুলোকে নিঃচিন্থ করে দেওয়ার পরিকল্পনা ও অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মৃত্যুর পূর্বে খয়রাত হোসেনের বড় পুত্র মোজাহিদ বিন খয়রাত নিঃসন্তান ও স্ত্রীর সাথে যোগাযোগ না থাকায় তার অংশের জমিগুলো বোনদের থাকার জন্য দিয়ে যায়। (মোজাহিদ বিন খয়রাত ছিলেন নীলফামারীর সংসদ সদস্য জনপ্রিয় মানুষ আসাদুজ্জামান নূরের বাল্যবন্ধু)
কিন্তু মোজাহিদ বিন খয়রাত দুরারোগ্য ক্যন্সারে মৃত্যুবরন করার পর খয়রাত হোসেনের কন্যারা বহিরাগত মানুষকে রাতের অন্ধকারে সম্পত্তি বিক্রয় করে সারাজীবনের জন্য সম্পর্ক ছেদ করে পালিয়ে যায় । এই অমূল্যবান স্মৃতি রক্ষার্থে জেলা যুগ্ম জজ আদালতে অগ্রক্রয়ের মামলা চলমান রয়েছে। এর পরেও সেই কন্যারা থেমে নেই, চলছে তাদের পিতার রেখে যাওয়া ধংশাবিশেষ স্মৃতিগুলোকে নিঃচিন্হ করার নেশা। পাশাপাশি খয়রাত হোসেনের পুত্র হাসনাত বিন খয়রাত,পুত্রবধূ ওয়াহিদা  হাসনাত এর উপর চলছে মানুষিক নির্যাতন ও হয়রানি । বর্তমানে তারা হ্রদরোগে আক্রান্ত, তার নাতীর ২ টি কিডনী বিকল। খয়রাত হোসেনের নীলফামারীর পরিবারটির বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রধানমন্ত্রী  তার বাবার পদধূলি পড়া সেই স্মৃতি বিজরিত স্নেহের খয়রাত হোসেনের নীলফামারীর বাড়ি,গ্রামের অবশিষ্ট স্মৃতিগুলো  রক্ষার্থে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন। এ ব্যপারে  প্রধানমন্ত্রীর পবিত্র হস্তক্ষেপ কামনা করছে নীলফামারী সচেতন বাসিন্দারা।