Logo
শিরোনাম

৪ উপকরণে তৈরি করুন কাঁঠালের বীজের সন্দেশ

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

কাঁঠালের বীজের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক। অনেকে কাঁঠালের বীজ দিয়ে তরকারি রান্না করেন। আবার কেউ ভেজে স্ন্যাকস হিসেবেও খান।

কাঁঠালের বীজ দিয়ে আরও বিভিন্ন পদ তৈরি করা যায় যেমন- কাবাব, কাটলেট, ক্ষীর, মিল্কশেক, পুডিং ইত্যাদি। এর আরও এক সুস্বাদু পদ হলো সন্দেশ।

মাত্র ২০ মিনিটে ৪ উপকরণেই তৈরি করা যায় জিভে জল আনা এই মিষ্টান্ন। জেনে নিন কাঁঠালের বীজ তৈরির সহজ রেসিপি-

উপকরণ

১. কাঁঠালের বীজ ১০০ গ্রাম
২. গুঁড়া দুধ ৫ চা চামচ (২৫ গ্রাম)
৩. চিনি ৫ চা চামচ (২৫ গ্রাম)
৪. এলাচি গুঁড়া এক চিমটি

পদ্ধতি

কাঁঠালের বীজের খোসা ছাড়িয়ে নিন। তারপর প্রেসার কুকারে কাঁঠালের বীজ ১০ মিনিটের জন্য সেদ্ধ করুন। নামিয়ে ঠান্ডা করে গায়ের লাল অংশ সরিয়ে নিন।

এরপর বীজ চটকে নিয়ে এর সঙ্গে গুঁড়া দুধ মিশিয়ে নিন। একটি ননস্টিক প্যানে সামান্য ঘি গরম করে এতে চটকে ভর্তা করে নেওয়া কাঁঠালের বীজ মিশিয়ে দিন। তারপর মিশিয়ে দিন চিনি।

১০ মিনিট রান্না করুন। তারপর দেখবেন মিশ্রণটি প্যানের গা ছেড়ে উঠে আসছে। তারপর চুলা বন্ধ করে সবশেষে এক চিমটি এলাচ গুঁড়া উপরে ছড়িয়ে দিন। ভালো করে সন্দেশের মিশ্রণটি নেড়েচেড়ে নিতে হবে।

এরপর অন্য একটি পাত্রে নামিয়ে উপরে সমান করে দিতে হবে। মিশ্রণটি ঠান্ডা হয়ে গেলে সন্দেশের আকারে কেটে নিন। উপরে বাদাম কুচি ছড়িয়ে দিতে পারেন। পুষ্টিকর এই সন্দেশ ফ্রিজে ৪-৫ দিন রাখতে পারবেন।

খুবই সুস্বাদু এই সন্দেশ ডায়াবেটিস রোগীরাও এটি খেতে পারেন। সেক্ষেত্রে এতে কোনো চিনি যোগ করবেন না।


আরও খবর



ডেসটিনির পরিচালক রফিকুল আমীনের স্ত্রী দীবা কারাগারে

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৪৪জন দেখেছেন
Image

ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির গ্রাহকদের চার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনের স্ত্রী ফারাহ দীবাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (১২ জুন) ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলমের আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এ মামলায় তার আট বছরের কারাদণ্ড, ৪০ কোটি টাকা জরিমানা অনাদায়ে দুই বছর কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছিলেন আদালত।গত ১২ মে আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে রফিকুল আমীনের ১২ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২০০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়।

একই সঙ্গে গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদের চার বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে তিন কোটি ৫০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার বাকি ৪৩ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ডেসটিনি মাল্টিপারপাসের সব সম্পত্তি সরকারি অনুকূলে বাজেয়াপ্ত

ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনসহ ৪৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের মোট ২৩০০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া এ প্রতিষ্ঠানের যত সম্পত্তি ক্রোক ও ফ্রিজ করা হয়েছিল, তা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

ছয় সদস্যের সম্পদ বণ্টন কমিটি

একই সঙ্গে এ সম্পত্তি বিনিয়োগকারীদের নিকটে বণ্টনের জন্য ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটিতে সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতিকে প্রধান ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের রেজিস্ট্রারকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। এছাড়া কমিটিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, সমবায় মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব, পুলিশের ডিআইজি ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্টকে সদস্য করা হয়েছে। এ কমিটি ডেসটিনির সব সম্পত্তি সমন্বয় করবে এবং তা এ প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগকারীদের মাঝে বণ্টন করবে।

যার যে কারাদণ্ড ও জরিমানা

রায়ে ডেসটিনির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেনের ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড; ডেসটিনির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোফরানুল হক, সাঈদ-উর-রহমান, পরিচালক মেজবাহ উদ্দিনের ১০ বছরের কারাদণ্ড, এক কোটি ৮০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে দুই বছর ছয় মাসের কারাদণ্ড; সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেনের নয় বছরের কারাদণ্ড, ৩০ কোটি টাকা জরিমানা, অনাদায়ে দুই বছরের কারাদণ্ড; ইরফান আহমেদ, ফারাহ দীবা, জমশেদ আরা চৌধুরী, শেখ তৈয়বুর রহমান ও নেপাল চন্দ্র বিশ্বাসের আট বছরের কারাদণ্ড, ৪০ কোটি টাকা জরিমানা অনাদায়ে দুই বছর কারাদণ্ড; জাকির হোসেন, আজাদ রহমান, আকবর হোসেন সুমন ও সুমন আলী খানের নয় বছরের কারাদণ্ড, ১২৫ কোটি টাকা জরিমানা অনাদায়ে দুই বছর ছয় মাস কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আবুল কালাম আজাদ, সাইফুল ইসলাম রুবেল, শিরীন আকতার, রফিকুল ইসলাম সরকার, মো. মজিবুর রহমান, লে. কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলমের আট বছরের কারাদণ্ড, ১২৫ কোটি টাকা জরিমানা অনাদায়ে দুই বছর ছয় মাস কারাদণ্ড; ড. এম হায়দারুজ্জামানের ছয় বছরের কারাদণ্ড, দশ কোটি টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছর ছয় মাসের কারাদণ্ড; মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের ছয় বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ কোটি টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড, কাজী মো. ফজলুল করিমের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, ৫০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড; মোল্লা আল আমীনের আট বছরের কারাদণ্ড, ১০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদণ্ড; শফিউল ইসলামের সাত বছরের কারাদণ্ড, দশ কোটি টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছর ছয় মাসের কারাদণ্ড; জিয়াউল হক মোল্লা, খন্দকার কবিরুল ইসলাম, মো. ফিরোজ আলমের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, দশ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড; ওমর ফারুকের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, ২৫ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড; সুনীল বরণ কর্মকার ওরফে এসবি কর্মকারের আট বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ কোটি টাকা জরিমানা অনাদায়ে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

ফরিদ আকতারের আট বছরের কারাদণ্ড দুই কোটি ৫০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে দুই বছরের কারাদণ্ড; এস সহিদুজ্জামান চয়নের আট বছরের কারাদণ্ড, ১৫ কোটি টাকা জরিমানা অনাদায়ে দুই বছরের কারাদণ্ড; আবদুর রহমান তপন ও মো. শফিকুল হকের সাত বছরের কারাদণ্ড, এক কোটি টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড; মেজর (অব.) সাকিবুজ্জামান খান ও জেসমিন আক্তার মিলনের পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, এক কোটি টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড; এসএম আহসানুল কবির, এএইচএম আতাউর রহমান রেজা আট বছরের কারাদণ্ড, দশ কোটি টাকা জরিমানা অনাদায়ে দুই বছরের কারাদণ্ড; গোলাম কিবরিয়া মিল্টনের আট বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ কোটি টাকা জরিমানা অনাদায়ে দুই বছরের কারাদণ্ড; মো. আতিকুর রহমানের সাত বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ কোটি টাকা জরিমানা অনাদায়ে দুই বছরের কারাদণ্ড; খন্দকার বেনজীর আহমেদ, একেএম সফিউল্লাহ, শাহ আলম, মো. দেলোয়ার হোসেনের সাত বছরের কারাদণ্ড, এককোটি টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলায় ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ মোট আসামি ৪৬ জন। তাদের মধ্যে জামিনে রয়েছেন লে. কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলম, লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ, মিসেস জেসমিন আক্তার (মিলন), জিয়াউল হক মোল্লা ও সাইফুল ইসলাম রুবেল। কারাগারে আছেন এমডি রফিকুল আমীন ও ডেসটিনির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন। অন্য ৩৯ আসামি পলাতক।

অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের অভিযোগে দুদকের তৎকালীন উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে পৃথক দুটি মামলা করেছিলেন।

২০১৪ সালের ৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন মোজাহার আলী সরদার। এতে ডেসটিনির গ্রাহকদের চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগ আনা হয়। এর মধ্যে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬ জন এবং ডেসটিনি ট্রি প্ল্যানটেশন লিমিটেডে দুর্নীতির মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়। দুই মামলায়ই আসামি হারুন-অর-রশিদ ও রফিকুল আমিন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ প্রজেক্টের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিল এক হাজার ৯০১ কোটি টাকা। সেখান থেকে এক হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে ধরা পড়ে। ওই অর্থ আত্মসাতের ফলে সাড়ে আট লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়েন।

ডেসটিনি ট্রি প্ল্যান্টেশন প্রজেক্টের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে দুই হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে দুই হাজার ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাড়ে ১৭ লাখ বিনিয়োগকারী।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ডেসটিনি গ্রুপের নামে ২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশ কয়েকটি ছিল নামসর্বস্ব। আসামিরা প্রথমে প্রজেক্টের টাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা করতেন। এরপর বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবে তা স্থানান্তর করা হতো। দুদক ৩৪টি ব্যাংকে এমন ৭২২টি হিসাবের সন্ধান পায়, যেগুলো পরে জব্দ করা হয়।


আরও খবর



উইন্ডিজ যাওয়া হলো না সুজনের, ফিরলেন কাতার থেকে

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
Image

ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যোগ দেওয়া হলো না বাংলাদেশের টিম ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ সুজনের। শারীরিক অসুস্থতার কারণে কাতারের দোহা থেকে দেশে ফিরে এসেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এ শীর্ষস্থানীয় পরিচালক।

গত ৮ জুন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে উইন্ডিজের উদ্দেশে দেশ ছাড়েন খালেদ মাহমুদ সুজন। বাকি দুইজন ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে পৌঁছে গেলেও মাঝপথ থেকে দেশে ফিরে এসেছেন সুজন।

রক্তচাপজনিত সমস্যার কারণে কাতারের দোহায় ট্রানজিট থেকে আর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিমান ধরেননি সুজন। ফিরে এসেছেন দেশে। বর্তমানে নিজ বাসায় পুরোপুরি বিশ্রামে রয়েছেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এক পরিচালক খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘সুজন ভাই ওয়েস্ট ইন্ডিজ যাওয়ার পথে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কাতার থেকে দেশে ফিরে এসেছেন তিনি। ডাক্তারের পরামর্শে বর্তমানে নিজ বাসায় বিশ্রামে আছেন।’

বিস্তারিত আসছে...


আরও খবর



বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে সাঁতার কাটতে নেমে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

ময়মনসিংহের ভালুকায় বন্ধুদের সঙ্গে নদীতে সাঁতার কাটতে নেমে আবু নাইম (১৬) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুন) দুপুরের দিকে উপজেলার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের জালপাজা গ্রামে খিরু নদীতে এ ঘটনা ঘটে। নাইম গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে। সে জালপাজা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল।

জালপাজা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক নাজমুল আলম সোহাগ জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নাইম তার তিন-চারজন বন্ধুকে নিয়ে জালপাজা গ্রামের খিরু নদীতে সাঁতার কাটতে নামে। ঘণ্টাখানেক পরে তার বন্ধুরা উঠে আসলেও আবু নাইম নিখোঁজ ছিল। স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি করে নাইমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। পরে তার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে যান স্বজনরা।

এ বিষয়ে ভালুকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, শুনেছি এক এসএসসি পরীক্ষার্থী খিরু নদীতে সাঁতার কাটতে নেমে মারা গেছে। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ থানায় এ বিষয়ে কিছু জানায়নি।


আরও খবর



বন্যার্তদের উদ্ধারে নামছে নৌবাহিনীও, যুক্ত হচ্ছে হেলিকপ্টার-ক্রুজ

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৩২জন দেখেছেন
Image

ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বৃষ্টিতে সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসনকে উদ্ধার তৎপরতায় সহযোগিতা ও মানবিক কার্যক্রমে অংশ নিতে এবার নামছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি ডুবুরি দল, এছাড়া বিমানবাহিনীর দুটি হেলিকপ্টার ও কোস্ট গার্ডের দুটি ক্রুজ। ইতোমধ্যে নৌবাহিনীর ৩৫ সদস্যের একটি দল সিলেটে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে।

সিলেটের জেলা প্রশাসনের মুখপাত্র ও সহকারী কমিশনার আহসানুল আলম জাগো নিউজকে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, নৌবাহিনী চলে এসেছে। ৩৫ জনের একটি ডুবুরিদল কাজ শুরু করেছে। বিকেলে ৬০ জনের আরেকটি বড় দল আসবে। কোস্ট গার্ডের দুইটি ক্রুজ দুপুরের পর আসবে। একটি সুনামগঞ্জ যাবে এবং একটি সিলেটে উদ্ধার কাজে নিয়োজিত হবে। এছাড়া বিমান বাহিনীর দুটি হেলিকপ্টার উদ্ধার কাজে নিয়োজিত থাকবে।

এর আগে শুক্রবার (১৭ জুন) সেনাবাহিনীর নয়টি ইউনিট সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা কবলিত বিভিন্ন উপজেলায় উদ্ধার কাজ চালায়।

Sylhet-(3).jpg

বন্যার ভয়াবহতা আরও বাড়তে পারে এমন আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর ও পানি উন্নয়ন বোর্ড। এখনো প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। আক্রান্ত মানুষের এখন প্রাণে বাঁচার আর্তনাদ। অনেকে গবাদি পশু রেখে প্লাবিত এলাকা ছাড়ছেন না। কিন্তু বন্যার পানি বৃদ্ধির কারণে মানুষের প্রাণ সংহার হতে পারে। আক্রান্ত বেশিরভাগ এলাকায় এখন শুকনো মাটিও নেই।

এ অবস্থায় পানিবন্দি লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনতে উদ্ধার কাজে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি শনিবার (১৮ জুন) থেকে উদ্ধার কাজে নৌবাহিনীও যুক্ত হলো।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান বলেন, নৌবাহিনীর সদস্যরা শনিবার সকালে সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ সড়কের সালুটিকরে অবস্থান নেন। এরপর সেখান থেকে উপদ্রুত এলাকায় গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করেছেন।

এরআগে জেলা প্রশাসকের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে শুক্রবার দুপুর থেকে সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশনের ৯টি টিম সিলেট ও সুনামগঞ্জের ৮টি উপজেলায় কাজ শুরু করে। ‘রেসকিউ বোট’ দিয়ে তারা গ্রামে গ্রামে গিয়ে পানিবন্দি মানুষদের উদ্ধার করে নিয়ে আসছেন।

১৭ পদাতিক ডিভিশন ও সিলেট এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল হামিদুল হক এনএসডব্লিউসি, পিএসসি গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। সিলেটের ৩ উপজেলা ও সুনামগঞ্জের ৫ উপজেলায় সেনাবাহিনী পানিবন্দি মানুষকে উদ্ধারসহ পাঁচটি কাজে তৎপরতা শুরু করেছে।

সিলেটের উপজেলাগুলো হচ্ছে সদর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ জেলার সদর, দিরাই, ছাতক, দোয়ারাবাজার ও জামালগঞ্জ।

Sylhet-(3).jpg

তিনি বলেন, সিলেট কুমারগাঁও বিদ্যুৎকেন্দ্রে বন্যার পানি উঠে বিদ্যুৎ সরবরাহ হুমকির মুখে পড়েছে। এছাড়া সুনামগঞ্জের বেশ কয়েকটি খাদ্য গুদাম ঝুঁকিতে রয়েছে। এগুলো রক্ষায়ও সেনা সদস্যরা কাজ করছেন। এছাড়া সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বন্যা কবলিত এলাকায় পানিবন্দি মানুষকে উদ্ধার করা হচ্ছে। বেসামরিক প্রশাসনের সহায়তায় আশ্রয়কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে পানিবন্দি মানুষের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বন্যা আক্রান্তদের চিকিৎসা সহায়তা প্রদান ও স্পর্শকাতর স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সীমিত পরিসরে খাদ্য সামগ্রী ও বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

জিওসি বলেন, সেনাবাহিনী নিজস্ব নৌকা দিয়ে পানিবন্দি মানুষদের উদ্ধার করছে। ঢাকা ও কুমিল্লা থেকে আরও ‘রেসকিউ বোট’ আনা হচ্ছে। এছাড়া স্থানীয় লোকজনের নৌকাগুলোও উদ্ধার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিপদের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও তাদের কাজ করতে পারাকে সেনাবাহিনীর গৌরব বলে জানান তিনি।


আরও খবর



বিএম ডিপো কোনো আ’লীগ নেতার নয়: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ৬৭জন দেখেছেন
Image

সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের শিকার বিএম কনটেইনার ডিপোটি কোনো আওয়ামী লীগ নেতার নয় বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেছেন, বিএম কনটেইনার ডিপোতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ রয়েছে। এখানে একটি পক্ষ বারবার আওয়ামী লীগকে জড়াতে চাইছে।

‘এতো বড় মানবিক বিপর্যয়ে বিএনপিকে দেখা যাচ্ছে না। সবই করছে আওয়ামী লীগ’- সীতাকুণ্ড ট্র্যাজেডি নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এমন সমালোচনাও করেন ড. হাছান।

সোমবার (৬ জুন) সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিট পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে সারাদেশে আনন্দ চলছে। এসময় এমন দুর্ঘটনা কোনো নাশকতা কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হবে।

বিএম ডিপোতে দাহ্য পদার্থ থাকলে উদ্ধারকাজের সময় অন্যভাবে ফায়ার সার্ভিস কাজ করতো, সে বিষয়ে মালিকপক্ষের কমপ্লায়েন্স ছিল কি না, এ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে গতকাল রোববার তথ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ঢাকায় বসে আমি সেটি বলতে পারবো না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেটি খতিয়ে দেখছে। যদি তাদের কমপ্লায়েন্স না থাকে, সেক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ দায়ী হবে। আর কমপ্লায়েন্স থাকার পরও এটি ঘটলে, তা দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা তা বেরিয়ে আসবে।

একদিন দেশের প্রতিটি অগ্নি-দুর্ঘটনার জন্য সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করে মির্জা ফখরুল বলেছিলেন, সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণে এতগুলো মানুষের প্রাণ গেলো, এতগুলো মানুষ মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন, এজন্য সরকার দায়ী। এ ঘটনা আবারও প্রমাণ করে, এই সরকার কতটা ব্যর্থ। বর্তমান সরকার উন্নয়নের কথা মুখে বললেও তারা মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। তাই আওয়ামী লীগকে আর ক্ষমতায় রাখা যায় না। বিতাড়িত করতে না পারলে এই দেশের গণতন্ত্র বিপন্ন হবে, এই দেশও বিপন্ন হবে।

শনিবার দিনগত রাত আনুমানিক পৌনে ১১টার দিকে সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে লাগা আগুন সোমবার (৬ জুন) সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্তও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি কাজ করছে রোভার স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা। বিস্ফোরণে এ পর্যন্ত ৪৯ জন নিহত ও দেড় শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।

ভয়াবহ এ বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধান এবং সুষ্ঠু তদন্তে পৃথক কমিটি গঠন করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার কেশবপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আমদানি-রপ্তানিতে ব্যবহৃত কনটেইনারের ব্যবস্থাপনা ও খালি কনটেইনারের সংরক্ষণ করা হয়। ২০১১ সালে বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের দুটি প্রতিষ্ঠানের ১৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগে এ ডিপোটি চালু হয়েছিল।


আরও খবর