Logo
শিরোনাম

আন্দোলনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে: খসরু

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্রের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

শনিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ হলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সুশীল ফোরাম আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মো. জাহিদ।

খসরু বলেন, এই ভোটারবিহীন সরকারের আমলে এবং গণতান্ত্রিকভাবে সরকার প্রতিষ্ঠা না করা হলে জনগণ মুক্তি পাবে না। গণতন্ত্র উদ্ধারে দলমত নির্বিশেষ ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল। দেশের মুক্তিকামী মানুষ এ পরিস্থিতি আর সহ্য করবে না। তাই গণতন্ত্রকে ফিরে পেতে দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। গণবিরোধী সরকারকে মনে রাখতে হবে, প্রশাসন যন্ত্রকে ব্যবহার করে রাতের আঁধারের বিনা ভোটের সরকারের গদি রক্ষা করা যাবে না। তাই খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্রের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের জনগণ এই সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তাই জনগণের বাকস্বাধীনতা ও ভোটের অধিকার, ভাতের অধিকার ফিরিয়ে আনতে আন্দোলনের বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, সিলেটসহ সারাদেশে যেসব জায়গা বন্যাকবলিত, সেসব এলাকায় সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী, জাগপার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান, বিএনপির সমাজ কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, যুব জাগপার সভাপতি মীর আমির হোসেন আমু, কৃষকদল নেতা রমিজ উদ্দিন রুমি প্রমুখ।


আরও খবর



মুরগির বাচ্চার ঝিমানো সমস্যা দূর করার উপায়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

মুরগির ফার্মে ভাইরাস ঘটিত রোগ অনেক ক্ষতি করে। এতে আক্রান্ত হলে খামারের মুরগি মারা যায়। ফলে ভাইরাস নিয়ে খামারিদের মনে অনেক প্রশ্ন জাগে। তাই এবার জেনে নেওয়া যাক মুরগির বাচ্চার মাথা ঝিমানোর কারণ ও প্রতিকার বিষয়ে।

মুরগির ১০-১৫ দিন বয়সে গামবোরো রোগ হয়। সাধারণত ৩-৬ সপ্তাহের মুরগির বাচ্চাদের তীব্র আকারে দেখা দেয় । তবে ০-৩ সপ্তাহের বাচ্চায় এ রোগ হতে পারে। মুরগি ছাড়া হাঁস, টার্কি এবং গিনি ফাউলে এ রোগ হয়। আক্রান্ত বাচ্চা মুরগির পায়খানার মাধ্যমে এই ভাইরাস পরিবেশে আসে পরে দূষিত খাদ্য, পানি এবং লিটারের (মুরগির বিছানা) মাধ্যমে এ ভাইরাস এক মুরগি থেকে অন্য মুরগিতে ছড়ায়।

গামবোরো ভাইরাসজনিত একটি ছোঁয়াছে রোগ। ভিরনা ভাইরাস দ্বারা এ রোগ হয়ে থাকে। সর্বপ্রথম যুক্তরাষ্ট্রের ডেলোয়ারি স্টেটের গামবোরো নামক স্থানে এই রোগটি সংক্রমিত হয়। এ রোগে মুরগির বাচ্চার লসিকা গ্রন্থি বারসাকে আক্রান্ত করে বলে তাকে ইনফেকসাস বারসাল ডিজিজ বলা হয়। এ রোগে মুরগির বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা আক্রান্ত হয় তাই গামবেরো রোগকে আভাইন এইডস বলে আখ্যায়িত করা হয়। এ রোগে মৃত্যুর হার শতকরা ২০- ৯০ ভাগ।

সাধারণত ভাইরাসজনিত রোগের কোনো চিকিৎসা নাই। দ্বিতীয় পর্যায়ের ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য এন্টিবায়োটিক (অক্সিটেট্রা সাইক্লিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন) ব্যবহার করা হয় এবং তার সঙ্গে ভিটামিন (ভিটামিন -সি), ইলেকট্রোলাইট দিলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। রোগ হলে স্থানীয় প্রাণী চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

গামবোরো রোগ প্রতিরোধের জন্য টিকা ব্যবহার করতে হবে। যে কোনো মুরগির বাচ্চার টিকা দেওয়ার আগে মা থেকে প্রাপ্ত এন্টিবডির মাত্রা জেনে নিতে হবে। সুস্থ বাচ্চাকে টিকা দিতে হবে এবং অসুস্থ বাচ্চাকে টিকা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। টিকা দেওয়ার সময় বাচ্চার ওপর যেন কোনো ধকল না পরে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

ব্রয়লার বাচ্চার ক্ষেত্রে সাধারণত ১৪ দিন বয়সে জীবন্ত টিকা দেওয়া হয়। টিকা ড্রপারের মাধ্যমে বা খাওয়ার পানির মাধ্যমে দেয়া যেতে পারে। ব্রয়লারের বুস্টার ডোজ ২১ থেকে ২৮ দিনের মধ্যে দেওয়া যেতে পারে। লেয়ারের ক্ষেত্রে সাধারণত ১ দিন বয়সে মৃত টিকা দেয়া হয়। তারপর ১৪ দিন ও ২১ থেকে ২৮ (বুস্টার ডোজ ) দিনের মধ্যে জীবন্ত টিকা দেওয়া হয় । ব্রয়লারের ক্ষেত্রে মৃত টিকা দেওয়ার প্রয়োজন হয় না কারণ তার জন্য দীর্ঘস্থায়ী রোগ প্রতিরোধ করার দরকার হয় না। এর আগে এর বাজারজাত করা হয়।

তবে মুরগির বাচ্চার বয়স ১০-১৫ দিন হলে আর মাথা ঝিমোচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে অ্যামোক্সিসিলিন অথবা মোক্সাসিলিন অথবা কলিস্টিন গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়াতে হবে। ফুসিড ট্যাবলেট ১টি ২ লিটার পানির সঙ্গে মিশিয়ে ১ দিন খাওয়াতে হবে। স্যালাইন খাওয়াতে হবে। হ্যাচারির ইনকিউবেটরের মাধ্যমে আর্দ্রতা, তাপমাত্রা এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে রোগের প্রতিরোধ ও বিস্তার রোধ করা সম্ভব।


আরও খবর



ব্র্যাকে ডেপুটি ম্যানেজার পদে চাকরির সুযোগ

প্রকাশিত:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকে ‘ডেপুটি ম্যানেজার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৭ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: ব্র্যাক
বিভাগের নাম: ডিরেক্টর্স অফিস; জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভার্সিটি প্রোগ্রাম

পদের নাম: ডেপুটি ম্যানেজার
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর
অভিজ্ঞতা: ০২ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: নির্ধারিত নয়
কর্মস্থল: ঢাকা

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা careers.brac.net এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ০৭ জুলাই ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



কবুতরের মাংস শারীরিক যেসব সমস্যার সমাধান করে

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
Image

কবুতরের মাংস খুবই মজাদার। বিশেষ করে কবুতর ভুনা পাতে দেখলেই ঝে জল চলে আসে কমবেশি সবার। অনেকেই শখের বশে কবুতর পোষেন। আপনার এই প্রিয় পোষ্য পাখির মাংস স্বাস্থ্যের জন্য কতটা উপকারী, তা হয়তো জানা নেই অনেকেরই!

কবুতরের মাংসের স্বাদ মুরগির মাংসের চেয়ে আরও সুস্বাদু। আকারে ছোট হলেও কবুতরের মাংসে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে, যা গরুর মাংসের কাছাকাছি। এতে থাকা প্রোটিনের মান ১০০ গ্রামে ১৭.৫ গ্রাম, যা গরুর মাংসের কাছাকাছি ১০০ গ্রামে ১৮.৮ গ্রাম।

এমনকি এতে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানও বেশি থাকে মুরগির মাংসের চেয়ে। একটি কবুতরের মাংসে আয়রন, ফসফরাস, ভিটামিন বি ১২ থাকে।

এসব উপাদান আমাদের মস্তিষ্ক ও ত্বকের স্বাস্থ্যের পাশাপাশি রক্ত সঞ্চালনকেও উন্নত করে। আবার কবুতরের মাংস দ্রুত রান্নাও করা যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক কবুতরের মাংস খাওয়ার উপকারিতাসমূহ-

>> কবুতরের মাংসে থাকা প্রোটিন শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর পাশাপাশি বিপাক ক্রিয়া উন্নত হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, চুল ও নখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে, শরীর আরও এনজাইম তৈরি করতে পারে ফলে ক্লান্তি কমে।

>> কবুতরের মাংসে উচ্চ খনিজ উপাদান আছে। বিভিন্ন খনিজগুলোরর মধ্যে অন্যতম হলো সেলেনিয়াম। যা ফ্রি র্যাডিক্যাল থেকে আমাদের শরীরকে রক্ষা করে, থাইরয়েডের কার্যকারিতা বাড়ায়, রিউম্যাটিড আর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি কমায়, পেশি ব্যথা কমায়, ত্বক ও চুলের বিবর্ণতা রোধ করে। এমনকি ক্যানসার ও হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে নিয়মিত কবুতরের মাংস খেলে।

>> কবুতরের মাংসে যথেষ্ট পরিমাণ জিঙ্ক থাকে। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, আঁচিলের মতো চর্মরোগ প্রতিরোধ করে, কোষ বৃদ্ধি সমর্থন করে, দ্রুত ক্ষত নিরাময় করে, গন্ধের অনুভূতি বাড়াতে, রক্তে শর্করার মাত্রা ও ক্ষুধা কমাতে, বিপাকক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, বিষণ্নতা কমায় ও শিশুদের বিকাশ উন্নত করে।

>> কবুতরের মাংস আমাদের অঙ্গ ও রক্তের জন্যও ভালো। এর উচ্চ প্রোটিন ও খনিজ লিভার ও কিডনির কার্যকারিতা উন্নত করে, স্মৃতি ও বুদ্ধি বাড়ায়, রক্তচাপ কমানো, ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে।

>> কবুতরের মাংস ছাড়াও এর লিভার ও হাড়েও অনেক উপকারিতা আছে। কবুতরের লিভারে কোলিন থাকে যা শরীরে ভালো কোলেস্টেরলেল পরিমাণ বাড়ায় ও এথেরোস্ক্লেরোসিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে (একটি রোগ যাতে আপনার ধমনীতে ফলক তৈরি হয়)।

>> এই পাখির হাড়ের মধ্যে এমন একটি পদার্থ আছে যা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায় ও রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে।

কবুতরের মাংসে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে

কবুতরের মাংস স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী হলেও এর চামড়া বেশি চর্বিযুক্ত। তাই অতিরিক্ত কবুতরের মাংস খাওয়া উচিত নয়। অবশ্যই পরিমাণ মেপে তবেই খান কবুতরের মাংস।

সূত্র: ডা. হেলথ বেনিফিটস/দ্য গার্ডিয়ান


আরও খবর



বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই দিনাজপুরের প্রধান ৩ নদীর পানি

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

দিনাজপুরে ছোট-বড় ১৯টি নদ নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলার আত্রাই, পুনর্ভবা ও ছোট যমুনার পানি বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। বৃষ্টি হলে কোন সময় এ তিন নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আগামী ৭২ ঘণ্টায় দিনাজপুর জেলায় মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

গত কয়েকদিন ধরে উজান থেকে বেয়ে আসা পাহাড়ি ঢলে জেলার নদ নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুক্রবার দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টিপাতে নদ নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সে বৃষ্টির প্রভাবে শুক্রবার জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত আত্রাই নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছিল। যা শনিবার সকালে বিপৎসীমার নিচে নেমে গেছে।

দিনাজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের সার্ভেয়ার মাহাবুব আলম জানান, জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়া আত্রাই, পুনর্ভবা ও ছোট যমুনার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পুনর্ভবা নদীর পানি ৩৩ দশমিক ৫০০ মিটার বিপৎসীমা থাকলেও বর্তমানে রয়েছে ৩০ দশমিক ৫১০ মিটার, আত্রাই নদীর বিপৎসীমা ৩৯ দশমিক ৬৫০ থাকলেও বর্তমানে রয়েছে ৩৮ দশমিক ৩৫০ এবং ছোট যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমা ২৯ দশমিক ৯৫০ হলেও বর্তমানে রয়েছে ২৮ দশমিক ১ মিটার রয়েছে। ইতোমধ্যে শুক্রবারের বৃষ্টিপাতের ফলে আত্রাই নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছিল।

তিনি আরও জানান, দিনাজপুরে বৃষ্টিপাত হলে নদ নদীগুলোর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করবে। ফলে জেলার কিছু নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, শনিবার সকাল পর্যন্ত জেলায় ৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে ভারতের শিলিগুড়ি, আসামসহ বেশ কয়েকটি রাজ্যের ওপর বৃষ্টির বলয় রয়েছে। এর ফলে আগামী ৭২ ঘণ্টায় লালমনিরহাট, কুড়িগ্রামসহ আশপাশের কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। পাশাপাশি একই সময়ে দিনাজপুর জেলায় মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে তিনি জানান।


আরও খবর



সাইড দিতে দেরি হওয়ায় কাভার্ডভ্যান চালককে হত্যা, কারাগারে ২

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় রাস্তায় সাইড দিতে দেরি হওয়ায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের কাভার্ডভ্যান চালককে হত্যার ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতাররা হলেন বিরল উপজেলার তেঘরা নারায়ণপুর গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে শাহিনুর আলম মানিক (৪২) ও বোচাগঞ্জ উপজেলার মুর্শিদহাট গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে রনি হাসান (২৮)। অন্যান্য আসামিরা পলাতক।

গত ২১ ও ২২ জুন নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করে বিরল থানা পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কাঠাগারে পাঠানো হয়।

এরআগে ২০ জুন বিকেল পৌনে ৩টার দিকে বিরল উপজেলার ধুকুরঝাড়ী পাওয়ার স্টেশনের সামনে এ ঘটনা ঘটে

নিহত মোস্তফা টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী থানার বড়ইযান গ্রামের মোকাদ্দেছ আলীর ছেলে। আহত চালকের সহকারী আমিনুর রহমান রংপুরের পায়রাবন্দ এলাকার এমদাদ আলীর ছেলে।

পুলিশ জানায়, রানীশংকৈল উপজেলায় মালামাল ডেলিভারি দিয়ে দিনাজপুরের দিকে আসছিলেন চালক মোস্তফা ও তার সহযোগী আমিনুর রহমান। পথে ধুকুরঝাড়ী পেট্রল পাম্পের সামনে চারটি মোটরসাইকেল কাভার্ডভ্যানকে ওভারটেক করতে হর্ন দিচ্ছিল। তবে রাস্তার বাঁ পাশে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যান থাকায় তাদের সাইড দেওয়া সম্ভব হয়নি।

পাওয়ার স্টেশনের সামনে যেতেই চার মোটরসাইকেলে থাকা লোকজন কাভার্ডভ্যানটির গতিরোধ করে। এ সময় ছয়-সাতজন মিলে চালককে গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করেন। তারা চালকের ঊরুতে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।

পরে জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে অ্যাম্বুলেন্স এসে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মোস্তফাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় গত ২১ জুন নিহত মোস্তফার বড় ভাই কাওছার আলী আবু রায়হান বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করেন। মামলা নম্বর ১৭/৯৮।

মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেফতার করে। অন্যান্য আসামিরা পলাতক।

এ বিষয়ে বিরল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘সাইড দেওয়ার মতো তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আমরা আসামিদের শনাক্ত করতে পেরেছি। দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। গ্রেফতার আসামিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘অন্যান্য আসামিরা আত্মগোপনে থাকলেও কারা এবং মোট কয়জন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আমরা তা নিশ্চিত হয়েছি। আসামিরা যে কোনো সময় গ্রেফতার হবেন।’

গ্রেফতার আসামিদের মামলার স্বার্থে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড চাওয়া হবে কি না তা জানতে চাইলে ওসি বলেন, ‘রিমান্ড নয়, অন্যান্য আসামিরা গ্রেফতার হলে একত্রিত করে জিজ্ঞাসাবাদের ব্যবস্থা করা হবে। তখনই বোঝা যাবে রিমান্ড চাওয়ার প্রয়োজন আছে কি না। তবে দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার ও অভিযোগপত্র দিতে পারবো বলে আমরা আশাবাদী।’


আরও খবর