Logo
শিরোনাম

আরো এক মামলায় সম্রাটের জামিন, এখনই মুক্তি মিলছে না

প্রকাশিত:সোমবার ১১ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৯৪জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর রমনা থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। সম্রাটের বিরুদ্ধে করা চার মামলার মধ্যে তিন মামলায় জামিন হয়েছে।

সোমবার (১১ এপ্রিল) ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তেহসিন ইফতেখার শুনানি শেষে দশ হাজার টাকা মুচলেখায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলি মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের করা মামলায় সম্রাট গ্রেফতার থাকায় এখনই তিনি মুক্তি পাচ্ছেন না। বুধবার (১৩ এপ্রিল) সম্রাটের উপস্থিতিতে এ মামলার জামিন শুনানির জন্য দিন ধার্য রয়েছে।

এর আগে রোববার (১০ এপ্রিল) অস্ত্র মামলায় ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ও অর্থপাচার মামলায় ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন এ জামিন মঞ্জুর করেন।

২০২১ সালের ২৪ মার্চ ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আবু বক্কর সিদ্দিকের আদালতে তার তিনদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। অন্যদিকে তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত তার উপস্থিতিতে রিমান্ড ও জামিন শুনানির জন্য রোববার (১০ এপ্রিল) দিন ধার্য করেন।

২০২০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি করে সিআইডি। কাকরাইলের বাসায় অবস্থান করে অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্জিত ১৯৫ কোটি টাকা সহযোগী এনামুল হক আরমানের (৫৬) সহায়তায় সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় পাচার করার অভিযোগে মামলাটি করা হয়। এ মামলাটি তদন্তধীন।

অন্যদিকে ২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর র্যাব-১ এর ডিএডি আব্দুল খালেক বাদী হয়ে রমনা থানায় অস্ত্র আইন ও মাদক দ্রব্য আইনে পৃথক দুইটি মামলা করেন। ২০২০ সালের ৬ নভেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ফায়সাল আতিক বিন কাদেরের আদালতে অস্ত্র মামলাটি বিচারাধীন। অন্যদিকে মাদক মামলাটি ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তেহসিন ইফতেখারের ২১ জুলাই চার্জগঠনের জন্য দিন ধার্য রয়েছে।

২০১৯ সালে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর সম্রাটের নাম আসে। এরপর থেকেই তাকে নিয়ে শুরু হয় নানা গুঞ্জন। অভিযান শুরুর পর হাইপ্রোফাইল কয়েকজন গ্রেফতার হলেও খোঁজ মেলেনি সম্রাটের। এসবের মধ্যে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামে আত্মগোপনে থাকা সম্রাট ও আরমানকে গ্রেফতার করে র্যাব। পরে ঢাকায় এনে তাদের করা হয় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ।

ওই দিন দুপুর ২টার দিকে র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে বাহিনীটির একটি দল কাকরাইলে ভূঁইয়া ট্রেড সেন্টারে সম্রাটের কার্যালয়ে অভিযান শুরু করে। কার্যালয়ে অবৈধভাবে পশুর চামড়া রাখার দায়ে তার ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।


আরও খবর



রামগড়ে ব্যবসায়ীর গুদামে মিলল ৫৭ হাজার লিটার সয়াবিন তেল

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৯২জন দেখেছেন
Image

পার্বত্য খাগড়াছড়ির রামগড়ের সোনাইপুল বাজারে এক ব্যবসায়ীর চারটি গুদামে ৫৭ হাজার লিটার সয়াবিন তৈলের অবৈধ মজুতের সন্ধান পেয়েছে প্রশাসন। অবৈধভাবে ভোজ্যতেল মজুতের অপরাধে ওই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক মো. ফজলুল করিম পাটোয়ারীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

একই অপরাধে ওই বাজারের মেসার্স আলমগীর স্টোরকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

শুক্রবার (৬ মে) বিকেলে রামগড়ের সোনাইপুল বাজারে আকস্মিক অভিযান চালিয়ে রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দীন ওই দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেন।

jagonews24

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভোজ্যতেলের অবৈধ মজুতের খবর পেয়ে রামগড়ের সোনাইপুল বাজারের মেসার্স খাঁন ট্রেডার্সে অভিযান চালানো হয়। এসময় ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক ফজলুল করিমের চারটি গুদামে ৫৭ হাজার লিটার সয়াবিন তেল পাওয়া যায়। কোনো ধরনের ডিলিং লাইসেন্স ছাড়াই বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অধিক মুনাফার জন্যই এভাবে তেল মজুত করা হয়েছে। একই বাজারের মেসার্স আলমগীর সেটার নামে আরেকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও অভিযান চালিয়ে তেল মজুত পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দীন বলেন, লাইসেন্স ছাড়া ভোজ্যতেলের ডিলার হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করা এবং সয়াবিন তেলের অবৈধ মজুতের অপরাধে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৫৬ এর ৬ ধারায় মেসার্স খাঁন ট্রেডার্সকে এক লাখ টাকা এবং মেসার্স আলমগীর স্টোরকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



বিএনপির পৈশাচিকতা একাত্তরের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে: কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩১জন দেখেছেন
Image

কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার জন্য হুংকার দিতেই পারে। এসব হুংকার তারা ২০০৯ সাল থেকে দিয়ে আসছে। ২০১৪-১৫ সালে তাদের পৈশাচিকতা একাত্তরের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছিল।

রোববার (১৫ মে) নোয়াখালীর সূবর্ণচরে কৃষকদের মাঠ পরিদর্শনে এসে দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালে নির্বাচনকে বানচাল করতে হরতাল অবরোধ করেছিল তারা। নির্বাচনের দিনও বাসে আগুন দিয়েছে, রেললাইন তুলে নিয়েছে। ২০১৫ সালে টানা ৯২ দিন হরতাল দিয়েছিল। ১৫০ জন মানুষকে তারা অগ্নিদগ্ধ করেছে। তাদের বর্বরতা নিষ্ঠুরতা ও পৈশাচিকতা থেকে রিকশাওয়ালা ও তার ছেলেও রক্ষা পায়নি। এখনো তারা সেই আন্দোলনের হুমকি দেয়, দেশ অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছে।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় যেতে আন্দোলনের নামে পৈশাচিকতা করছে। গণতন্ত্রের মানে হলো দাবি দাওয়া তুলে ধরা। চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যম তা জাতির সামনে তুলে ধরবে, জনমত গঠন হবে। সেই জনমতের ভিত্তিতে নির্বাচন হবে, আর সেই নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় যেতে হবে। কিন্তু বিএনপি সেটা না করে বর্বরতার পথ বেছে নিয়েছে।

এর আগে সকালে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক নোয়াখালীর কৃষকদের উৎপাদিত সয়াবিন ও সূর্যমূখী চাষ পরিদর্শনে সূবর্ণচরে যান। সেখানে বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন করার কথা রয়েছে তার।

এ সময় নোয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মামুনুর রশিদ কিরন, জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান, পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলামসহ কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



আগের দরে কিনে নতুন দামে বিক্রি, চট্টগ্রামে ২ দোকানিকে জরিমানা

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রাম মহানগরীর কর্নেলহাট এলাকার দুই দোকানিকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। খোলা এবং বোতলজাত সয়াবিন তেল আগের দামে কিনে মজুত করে নতুন দামে বিক্রির অভিযোগে তাদের এ জরিমানা করা হয়।

বুধবার (১১ মে) দুপুরে অধিদপ্তরের চট্টগ্রামের কর্মকর্তারা এ অভিযান পরিচালনা করেন। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আনিছুর রহমান জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, কর্নেলহাটে মেসার্স জামাল অ্যান্ড ব্রাদার্স নামের প্রতিষ্ঠানটি আগের দামে প্রায় চার হাজার লিটার খোলা সয়াবিন তেল কিনে মজুত করে বাড়তি দামে বিক্রি করছিল। এই কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একইসঙ্গে যেহেতু আগের দামে কেনা, সেহেতু মজুত করা তেল আগের দামে বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়।

অন্যদিকে বিনিময় স্টোর নামের একটি দোকানে বোতলজাত তেল থাকলেও সেটি ভোক্তাদের জন্য ডিসপ্লেতে দেয়নি। তারা পরিচিত গ্রাহকদের মধ্যে যারা বাড়তি দামে কিনতে ইচ্ছুক তাদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করছিলেন। এ অভিযোগের সত্যতা মেলায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি কম দামে কেনা তেল আগের দামেই বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়।


আরও খবর



টিভিতে আজকের খেলা

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

 

ক্রিকেট
আইপিএল
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স-কলকাতা নাইট রাইডার্স
রাত ৮.০০টা
সরাসরি টি স্পোর্টস ডেস্ক

ফুটবল
স্পেশাল ফিচার
প্রিমিয়ার লিগ টুডে
বিকেল ৩.০০টা
সরাসরি স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২

প্রিমিয়ার লিগ ফ্যানজোন
সন্ধ্যা ৭.০০টা
সরাসরি স্টার স্পোর্টস সিলেক্ট ২


আরও খবর



সরকারি প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্সিং প্রথা বাতিলের দাবি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১৩জন দেখেছেন
Image

বিভিন্ন সরকারি দফতর-অধিদপ্তরে আউটসোর্সিং প্রথা বাতিল করে আউটসোর্সিং কর্মচারীদের রাজস্বখাতে স্থানান্তর ও স্থায়ীকরণের দাবিতে রাজধানীতে মানববন্ধন করেছে স্বাধীনতা আউটসোর্সিং কর্মচারী কল্যাণ পরিষদ।

শুক্রবার (২০ মে) বেলা ১১টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

jagonews24

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন নানা বৈষম্যের শিকার হয়ে আজ আমরা একত্রিত হয়েছি। ডিজিটাল বাংলাদেশে দাস প্রথায় মানব বেচাকেনা— ইতিহাসের ঘৃণ্য এ প্রথা বন্ধ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বেতন পরিশোধ করার কথা বললেও ঠিকাদাররা তা করছেন না। বিভিন্ন দপ্তর অধিদপ্তরগুলোতে কখনো কখনো প্রশাসনিক অনুমোদন না থাকায় নানা ধরনের জটিলতায় পড়তে হয় কর্মচারীদের। এর ফলে কয়েক মাস বিনা বেতনেও কাজ করতে হয় আউটসোর্সি কর্মচারীদের। এছাড়া টেন্ডার জটিলতায় অনেকের চাকরি চলে যায়।

এসময় পরিষদের সভাপতি মাহমুদুর রহমান আনিস বলেন, কোনো অপরাধ ছাড়াই কথায় কথায় দক্ষ কর্মীদের চাকরিচ্যুত করা। বিভিন্ন সরকারি দপ্তর এরই মধ্যে অনেকেই ঠিকাদারকে ঘুস না দিতে পারায় বিনা অপরাধে চাকরিচ্যুত হয়েছেন। তাদের চাকরিতে পুনঃবহাল করার অনুরোধ জানাচ্ছি।


আরও খবর