Logo
শিরোনাম

আওয়ামী লীগের শক্তির মূলভিত্তি জনগণ: আমু

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
Image

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু বলেছেন, আওয়ামী লীগের শক্তির মূলভিত্তি এ দেশের জনগণ। আমাদের বিদেশে কোনো প্রভু নেই। আওয়ামী লীগ কোনো শক্তির কাছে জিম্মি নয়, জনগণ যাদের ক্ষমতার উৎস, তাদের অন্য কারো শক্তির কাছে জিম্মি হতে হয় না।

শনিবার বিকেলে ২৩ নম্বর বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আনন্দ মিছিল পূর্বক সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতেই কেন্দ্রীয় ১৪ দল এই আনন্দ মিছিল ও আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ও ঢাকা মহানগর ১৪ দলের সমন্বয়ক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রমের সঞ্চালনায় সভায় আমির হোসেন আমু ছাড়া বক্তব্য দেন- বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার, আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম।

এছাড়া জাতীয় পার্টি জেপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফি, গণ আজাদী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এস কে সিকদার, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, কেন্দ্রীয় ১৪ দলর নেতা ড. ওয়াজেদুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

পরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি জিপিও, পল্টন মোড় হয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়।

আমির হোসেন আমু বলেন, ১৯৭১ সালে বিজয় লাভ করার পর দেশবাসী যেভাবে আনন্দ করেছিল, আগামী ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিনে আমরা একইভাবে আনন্দ করবো। এটা আমাদের জন্য আরও একটি বিজয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রমাণ করেছেন বাঙালি জাতি কারও কাছে মাথানত করতে পারে না।

তিনি বলেন, দেশে যখন শান্তি বিরাজ করছে, তখন দেশকে অস্থিতিশীল করতে পাঁয়তারা করছে বিএনপি। দিবাস্বপ্ন দেখে লাভ নেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের মানুষ আবারও আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে।

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছেন। এই সেতু আমাদের সক্ষমতার ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের মানুষের জন্য গৌরবের। শেখ হাসিনা যখন পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন তখন দেশবিরোধী নানা কথা বলেছেন। আজ পদ্মা সেতুর জন্য দেশের মানুষ তথা দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের মানুষের জন্য অনেক বেশি আনন্দের।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আখতার বলেন, সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। তেমনি সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে তার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাবে।

অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম বলেন, অপশক্তিকে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে থামাতে হবে। সাম্প্রদায়িক রাজনীতি যারা করে, তাদের আগামী নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এদেশের রাজনীতি থেকে বিতাড়িত করতে হবে। তাদের বিতাড়িত করতে পারলে দেশের শান্তি ফিরে আসবে, আমরা শান্তিতে থাকতে পারবো।


আরও খবর



‘পাচার করা টাকা বৈধ হলে বিনিয়োগ বাড়বে, কর্মসংস্থান হবে’

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

দেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বাজেটে বৈধ করার প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। কর দিয়ে এসব অর্থ বৈধ হলে এ নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারবে না আয়কর কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে বিভিন্ন সমালোচনা শুরু হয়েছে দেশব্যাপী।

তবে সমালোচনা হলেও সরকারের এ কথার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন তৈরিপোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ফারুক হাসান। তিনি বলেন, পাচার করা এসব টাকা দেশে এলে বিভিন্ন সেক্টরে বিনিয়োগ হবে, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

সোমবার (১৩ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে পোশাক খাতের সমসাময়িক পরিস্থিতি ও প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রতিক্রিয়া নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন এমন মন্তব্য করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, পোশাকশিল্পের জন্য আঘাত আসে কোভিড মহামারিতে। এরপর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধও আমাদের ভাবিয়ে তোলে। এর মধ্যে সীতাকুণ্ডের বিএম ডিপোতে কনটেইনার বিস্ফোরণের ঘটনা বড় আঘাত এ শিল্পে। ভয়ঙ্কর এ দুর্ঘটনায় পুড়ে যাওয়া বেশিরভাগ কনটেইনারে ছিল রপ্তানির পোশাক। যা একেবারে রপ্তানির জন্য প্রস্তুত ছিল। এখানে আর্থিক ক্ষতির চেয়ে বড় ইমেজ (ভাবমূর্তি) সংকটে পড়তে হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে শুল্ক মওকুফের জন্য বন্ড কমিশনারেটের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। মালিকপক্ষ ডিপোতে রক্ষিত পণ্য সংশ্লিষ্ট ব্র্যান্ডগুলোকে বুঝে দিয়েছিলেন। এখন এসব পণ্যের দায় ক্রেতার। কয়েকটি ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পোশাকের মূল্য পরিশোধ করা হয়েছে, বাকি ক্রেতারাও পরিশোধ করবে বলে আশা করি। ইন্সুরেন্স কোম্পানির কাছে অনুরোধ থাকবে ক্ষতিপূরণের বিষয়টার দ্রুত সমাধান করার।

ফারুক হাসান বলেন, করোনার কারণে তৈরিপোশাক খাতে তেমন কোনো কর্মসংস্থান তৈরি হয়নি। আবার রেমিট্যান্সে মন্দাভাব ও আমদানির উর্ধ্বগতির কারণে ব্যালেন্স অব পেমেন্টে চাপ তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের সর্ববৃহৎ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী পোশাকশিল্পের অগ্রযাত্রা মসৃণ করতে রপ্তানির বিপরীতে প্রযোজ্য উৎসে কর ০.৫০ শতাংশ আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত বহাল রাখার দাবি জানাই। সাথে আমরা নন-কটন খাতে বিনিয়োগ ও রপ্তানি উৎসাহিত করতে, নন-কটন পোশাক রপ্তানির ওপর ১০ শতাংশ হারে বিশেষ প্রণোদনা প্রদানের জন্য অনুরোধ করছি।

তিনি আরও বলেন, বিগত দশকে আমাদের দেশে নন-কটন, বিশেষত ম্যান-মেড-ফাইবার খাতে কিছু বিনিয়োগ হলেও এসব বিনিয়োগ মূলত মূলধন ও টেকনোলজিনির্ভর। আমাদের প্রতিযোগী দেশগুলোতে এই শিল্পের কাঁচামাল থাকায় এবং তাদের স্কেল ইকোনমির কারণে তারা প্রতিযোগী সক্ষমতায় অনেক এগিয়ে আছে। তাই নন-কটন বস্ত্রখাতে বিনিয়োগ সুরক্ষিত ও উৎসাহিত করতে বিশেষ নীতিসহায়তা একান্ত অপরিহার্য।


আরও খবর



টেস্ট খেলা-না খেলার বিষয়ে মোস্তাফিজের পক্ষে সাকিব

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩৪জন দেখেছেন
Image

টেস্ট খেলতে চাই না- এ কথাটি কখনও মুখ ফুটে বলেননি মোস্তাফিজুর রহমান। দলের প্রয়োজনে যেকোনো সময় প্রস্তুত- এমন কথাই বারবার বলেছেন মোস্তাফিজ। কিন্তু বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় চুক্তির আগে জানতে চাওয়া হলে শুধু ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে টিক দিয়েছিলেন এ বাঁহাতি তারকা পেসার।

এরপর থেকেই মূলত চাউর হয়ে গেছে, টেস্ট খেলতে আগ্রহ নেই মোস্তাফিজের। সাদা বল বিশেষ করে টি-টোয়েন্টিতে অধিক মনোযোগী তিনি। এই আলোচনা পুরোপুরি খারিজ করে দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে দলের প্রয়োজনে এবার উইন্ডিজ সফরে ঠিকই টেস্ট খেলতে গিয়েছেন মোস্তাফিজ।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে সবশেষ লাল বলের ক্রিকেট খেলেছিলেন কাটার মাস্টারখ্যাত এ পেসার। প্রায় ১৬ মাস পর আবার সাদা পোশাকে ফিরে ডিউক বলের মন্ত্র শিখে নিতেও খুব একটা সময় লাগেনি তার। প্রস্তুতি ম্যাচে মাত্র ছয় ওভারেই তিন উইকেট নিয়েছেন তিনি।

মূল সিরিজে নামার আগে নিজ দলের মূল পেসারকে অভয়বাণীই দিলেন টেস্ট অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। টেস্ট খেলতে চাওয়া বা না চাওয়া- যেকোনো পরিস্থিতিতে মোস্তাফিজের পক্ষেই থাকার ঘোষণা দিয়েছেন সাকিব। তার মতে, নির্দিষ্ট খেলোয়াড়ের স্বাচ্ছ্যন্দের জায়গাকে সম্মান করা উচিত।

ম্যাচের আগেরদিন সংবাদ সম্মেলনে সাকিব বলেন, ‘একেকজনের পছন্দ একেকরকম থাকতে পারে। কাউকে উদ্বুদ্ধ করার কিছু নেই। মোস্তাফিজ যদি মনে করে যে ও ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি খেলতে চায়, ওটা যদি ওর জন্য ভালো হয় তাহলে আমার মনে হয় সেটাই আমাদের সম্মান করা উচিত।’

দীর্ঘদিন পর টেস্টে ফিরলেও, মোস্তাফিজের নিবেদনের জায়গা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই সাকিবের। তিনি নিশ্চিত, এই দুই ম্যাচে সেরাটাই পাবেন ফিজের কাছ থেকে। সাকিবের ভাষ্য, ‘সে এই সিরিজে আছে, আমার মনে হয় নিশ্চিত ও মোটিভেটেড এই দুইটা ম্যাচ খেলার জন্য। এটাই এখন আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘অধিনায়ক হিসেবে আমি এটার দিকে ফোকাস করতে চাচ্ছি এবং আমি নিশ্চিত ও খুবই মোটিভেটেড এই দুইটা ম্যাচ খেলার জন্য। আপনি যদি দীর্ঘ পরিসরের কথা বলেন, আমি জানি না ওর মনে কী আছে, টেস্ট খেলতে চায় কি না-চায়। আমার মনে হয় প্রত্যেকটা ক্রিকেটারই আলাদা আলাদা কিছু প্রেফারেন্স থাকে, পছন্দ থাকে, কমফোর্ট জোন থাকে। সেটাকে সম্মান করা উচিত।’


আরও খবর



রাক্ষুসে মাছের চামড়ায় তৈরি দামি ব্যাগ-জুতা

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

লেদার বা চামড়ার ব্যাগ জুতা ফ্যাশনে বেশ জনপ্রিয়। দামে অনেক বেশি হলেও কমবেশি চান সংগ্রহে একটি চামড়ার ব্যাগ বা জুতা রাখতে। চামড়ার পণ্য তৈরিতে শুধু গরু বা মহিষের চামড়া নয়, ব্যবহার হয় সাপ ও কুমিরের চামড়াও। যা অনেক বেশি দামে কিনতে হয় লেদারের পণ্য প্রেমীদের।

তবে এসব পশু বা প্রাণির পাশাপাশি মাছের চামড়ারও ব্যবহার করা হয় এসব পণ্য তৈরিতে। জানেন কি? অন্যান্য পশুর চামড়ার থেকে অনেকবেশি টেকসই মাছের চামড়া। আবার এগুলোর থেকে বেশ চড়া দামেই বিক্রি হয় মাছের চামড়ার তৈরি পণ্য।

মাছের চামড়া হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় রাক্ষুসে মাছ হিসেবে পরিচিত লায়ন ফিশ। এই মাছ সমুদ্রের অন্যান্য জলজ প্রাণি এবং মাছ খেয়ে ফেলে। যা সমুদ্রের জন্য হুমকিস্বরূপ। ফ্লোরিডার একজন ডুবুরি আরভ ছাদভা। এই উপকূলে দীর্ঘদিন ধরেই পানির নিচে বিচরণ করে চলেছেন তিনি। সেখানেই দেখেছেন, ধীরে ধীরে ভয়ংকর লায়নফিশের দৌরাত্মে ক্ষতিগ্রস্ত বাস্তুতন্ত্র।

কোরাল ভরা ফ্লোরিডা সমুদ্রতটে লায়নফিশের কোনো খাদক সেভাবে নেই বললেই চলে। ফলে লাগামহীনভাবে কোরালসহ অন্যান্য জলজ জীবের ঠাঁই কাঁটায় মোড়া এই মাছের পেটে। প্রায় ৫ সপ্তাহের মধ্যেই কোরাল রিফের প্রায় ৭৯ শতাংশ জলজ প্রাণী উদরস্থ করে ফেলেছিল রাক্ষুসে মাছের ঝাঁক। ছাদভা বুঝতে পারেন এভাবে চললে বেশিদিন লাগবে না এই অঞ্চলে সামুদ্রিক প্রাণির অস্তিত্ব বিলিন হতে।

শুধু ফ্লোরিডা নয়, ক্যারাবিয়ান থেকে ব্রাজিল এবং মেক্সিকোর অনেক অঞ্চলে ছড়িয়ে গেছে এই রাক্ষুসে মাছ। যা কারণে ঐ সব অঞ্চলে কমতে শুরু করেছে অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণি। ছাদভার দাবি, একটি লায়নফিশের প্রাণের বিনিময়ে বাঁচবে প্রায় ৭০ হাজার সামুদ্রিক মাছ।

ছাদভা তার স্কুবা-ডাইভার বন্ধুদের নিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন ‘ইনভার্সা'। এর চালিকাশক্তি মূলত ছাদভা নিজে এবং তার ছোটবেলার বন্ধু রোল্যান্ড সালাতিনো।

মাছের চামড়াকে প্রথমে বিভিন্ন ড্রাইয়িং এজেন্টের সাহায্যে ব্যবহারযোগ্য করে তোলা হয়। তারপর তৈরি হয় নিত্যনতুন পণ্য। দৈনন্দিন ব্যবহারযোগ্য নানা প্রোডাক্ট থেকে হালফিলের ফ্যাশন কিছুই বাদ নেই। মানিব্যাগ, হ্যান্ডব্যাগ, বেল্ট, জুতাসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য তৈরি হচ্ছে মাছের চামড়া দিয়ে। নামিদামি ব্র্যান্ডও তৈরি হয়েছে এসব পণ্যের।

তবে ‘ইনভার্সা’ নিজে সরাসরি এই নিধনযজ্ঞে সামিল হয় না। সেই কাজটি করেন স্থানীয় মৎসশিকারীরা। তবে লায়নফিশ শিকারে সময়, শ্রম দুটোই ব্যয় হয় অনেক বেশি। কারণ পানির নিচে বিষাক্ত কাঁটা বাঁচিয়ে এই ভয়ংকর মাছকে বাগে আনতে গেলে লাগে যথেষ্ট বিচক্ষণতা এবং অভিজ্ঞতা।

কোরাল রিফকে বাঁচানোর এই লড়াইতে মৎশিকারীদের খানিক আর্থিক ক্ষতির মুখই দেখতে হচ্ছে। তারা লায়নফিশ বাদে অন্যান্য মাছের দিকে তেমন নজর দিতে পারছেন না বলেই।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


আরও খবর



ঢাবি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সংস্কৃতি সম্পাদক হলেন ফেরদৌস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৬৬জন দেখেছেন
Image

পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত নায়ক ফেরদৌস। এ মুহুর্তে একটি সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত সিনেমাটিতে তার নায়িকা নিপুণ। তিনি জানান, আগামী ১১ জুন পর্যন্ত এই সিনেমার শুটিং-এ তাকে ব্যস্ত থাকতে হবে।

কিন্তু এরইমধ্যে আজ ৭ জুন তার জন্মদিন। বছরজুড়ে ফেরদৌস যাই করেন না কেন নিজের জন্মদিনের দিনটিকে তিনি নিজে থেকেই কর্ম বিরতিতে থাকেন। এই দিনটি শুধুই পরিবারের সদস্যদের জন্য বরাদ্দকৃত। তাই শূটিং থেকে গতকাল (৬ জুন) রাতেই ফেরদৌস বাসায় ফিরেছেন। দুই মেয়ে’র পরিকল্পনায় সারপ্রাইজ বার্থ ডে’ শুরুও হয়ে গেছে।

এরইমধ্যে ফেরদৌস জানালেন নতুন খবর। গেল ৪ জুন তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই এসোসিয়েশন আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। সেখানে তাকে এই অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সংস্কৃতি সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। নিজের জন্মদিনে সেই খবর জানিয়ে বেশ আনন্দিত ‘হঠাৎ বৃষ্টি’র নায়ক। তিনি বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া যে তিনি আমাকে, আমার পরিবারের সবাইকে সুস্থ রেখেছেন, ভালো রেখেছেন।

আমার দুই মেয়ে আমার জন্মদিনকে ঘিরে নানান ধরনের পরিকল্পনা করে। আর এবার আমার ছোট ভাই তৌসিফের মেয়েও সঙ্গে আছে। যে কারণে আনন্দ এবং পরিকল্পনা একটু বেশি। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের খবরটি আমাকে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক ছাত্র। সেই হিসেবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালমনাই এসোসিয়েশনের কালচারাল সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় আমি গর্বিত।

শিগগিরই একটি আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে আমার কাছে দায়িত্ব অর্পণ করা হবে। আমি চেষ্টা করব আমার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার।’

ফেরদৌস জানান, শিগগিরই তিনি নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল পরিচালিত ‘গাঙচিল’ সিনেমার গানের শুটিং-এ অংশ নেবেন। তবে তিনি জানান এই সিনেমার ডাবিং-এর কাজ শেষ করেছেন তিনি।

এছাড়াও তার হাতে এই মুহুর্তে সরকারি অনুদানের সাতটি সিনেমা রয়েছে। সিনেমাগুলো হচ্ছে ‘মানিকের লাল কাঁকড়া’,‘ ক্ষমা নেই’, ‘দামপাড়া’,‘ ১৯৭১ সেইসব দিন’, ‘রাসেলের জন্য অপেক্ষা’, ‘মাইক’, ‘বিউটি সার্কাস’।


আরও খবর

আবারও সিনেমা পরিচালনায় অজয়

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




৫ম বারের মতো মেম্বার হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান মিয়া

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

টানা পাঁচ বার মেম্বার নির্বাচিত হলেন টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে উপজেলার বহুরিয়া গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান মিয়া। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সেলিম মিয়াকে ৪৯ ভোটে পরাজিত করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শরিফা খাতুন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে ১৯৯১ সালে উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রথম মেম্বার নির্বাচিত হন শাজাহান মিয়া। পরে প্রতিটি নির্বাচনেই ওই ওয়ার্ড থেকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে মেম্বার নির্বাচিত হন তিনি। এ নিয়ে টানা ৫ বার নির্বাচিত হন তিনি।

বীর মুক্তিযোদ্ধা শাজাহান মিয়া জানান, সব সময় এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকি। তাই জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন।


আরও খবর