Logo
শিরোনাম

বাবা হওয়ার সঠিক বয়স কত? জানালো গবেষণা

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৬৬জন দেখেছেন
Image

বেশিরভাগ পুরুষই মনে করেন, সন্তান ধারণের ক্ষেত্রে তাদের বয়স কোনো ব্যাপার নয়। যদিও অনেক পুরুষই ৫০ বা তার বেশি বয়সের সন্তানের জনক হচ্ছেন। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুসারে, বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক পুরুষ ৯২ বছর বয়সে সন্তানের বাবা হয়েছেন।

আবার ৪০ বছর পার হতেই অনেকে বাবা হতে পারছেন না। এর কারণ কী? বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়সের সঙ্গে শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণমান কমতে শুরু করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব পুরুষ বেশি বয়সে বাবা হন তাদের সন্তানেরাই বেশি নিউরোডেভেলপমেন্টাল ডিসঅর্ডারে ভোগেন।

২০১০ সালে করা এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৪০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষদের সন্তানদের অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার হওয়ার ঝুঁকি সাধারণ জনসংখ্যার তুলনায় পাঁচগুণ বেশি।

বাবা হওয়ার সঠিক বয়স কত?

জার্নাল অব এপিডেমিওলজি অ্যান্ড কমিউনিটি হেলথে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২৫ বছর বয়সের আগে বাবা হওয়া গুরুতর স্বাস্থ্যের পরিণতি ডেকে আনতে পারে। এমনকি মধ্য বয়সে অকালমৃত্যুও হতে পারে।
সমীক্ষায় আরও দেখা গেছে, যে পুরুষরা ২৫ বছরের আগে বাবা হয়েছিলেন তাদের স্বাস্থ্য খারাপের ঝুঁকি বেশি ছিল। আর যারা ৩০-৪৪ বয়সের মধ্যে বাবা হয়েছেন তাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি ও অকালমৃত্যুর ঝুঁকিও কম।

উর্বরতা বাড়াতে পুরুষরা কী করবেন?

অনেক লাইফস্টাইল ফ্যাক্টর আছে যা আপনার শুক্রাণুর গুণমানকে ব্যাহত করে। এর মধ্যে ধূমপান, অ্যালকোহল, স্থূলতা পুরুষের উর্বরতা কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে ধূমপান শুধু শুক্রাণুর গুণমান কমিয়েই দেয় না বরং তাদের পরিমাণ ও গতিশীলতাও কমিয়ে দেয়।

সর্বোত্তম শুক্রাণু উৎপাদন করার জন্য, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া অপরিহার্য। কিছু গবেষণা পরামর্শ দেয় যে, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবারও শুক্রাণুর মান উন্নত করতে সাহায্য করে। তবে অবশ্যই অ্যালকোহল ও ধূমপান বন্ধ করতে হবে।

এর পাশাপাশি খুব আঁটসাঁট পোশাক পরা, দীর্ঘক্ষণ আপনার কোলে ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করা, গরম পরিবেশে প্রচুর সময় কাটানো বা দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকা এড়িয়ে চলুন।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া


আরও খবর



এপিএ সম্মাননা পেল কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

২০২০-২০২১ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়ায় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরকে (ডাইফ) সম্মাননা দিলো শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এপিএ-এর সব সূচকে শতকরা ৯৮ দশমিক ৩ নম্বর পেয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ছয়টি দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ডাইফ।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে পুরস্কার হিসেবে ডাইফ মহাপরিদর্শক মো. নাসির উদ্দিন আহমেদের হাতে প্রশংসাসূচক আধা-সরকারিপত্র (ডিও লেটার) ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. এহছানে এলাহী। ডাইফের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফোরকান আহসান বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

এপিএ সম্মাননা প্রাপ্তির জন্য ডাইফ মহাপরিদর্শক কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সবপর্যায়ের কর্মচারীর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।


আরও খবর



ভারতীয় পণ্য বয়কটের দাবি ইসলামী যুব আন্দোলনের

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৮০জন দেখেছেন
Image

সম্প্রতি ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির মুখপাত্র নুপুর শর্মা ও মিডিয়া সেল প্রধান নবীন জিন্দাল মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও উম্মাহাতুল মুমিনীন হযরত আয়েশা সিদ্দীকাকে (রা.) নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করায় ভারতীয় পণ্য বয়কট ও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র প্রতিবাদ জানানোর দাবি জানিয়েছে ইসলামী যুব আন্দোলন।

বুধবার (৮ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এ দাবি জানায়।

সমাবেশে ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আলহাজ মুহাম্মাদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল আতিকুর রহমান মুজাহিদ বলেন, বিজেপির মুখপাত্র নুপুর শর্মা ও মিডিয়া সেল প্রধান নবীন জিন্দাল বিশ্ব মানবতার শান্তির দূত মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ও উম্মাহাতুল মুমিনীন হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা.) কে নিয়ে চরম অশ্লীল ও অবমাননাকর মন্তব্য করে মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটিয়েছে। এমন জঘন্যতম অন্যায় কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। বিশ্বনবীর অবমাননার ঘটনা অসভ্যতাকেও হার মানিয়েছে। ভারত সরকারকে এর চরম মূল্য দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এমন অসভ্য কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ বিভিন্ন মুসলিম বিশ্ব রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম মুসলিম প্রধান রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ সরকারকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাই। ক্ষমা চাইতে হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে হবে। ভারত সরকারকে মুসলিম উম্মাহর কাছে এমন কর্মকাণ্ড না করার ব্যাপারে অঙ্গীকার করতে হবে।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন যুবনেতা ইলিয়াস হুসাইন, ইউনুস তালুকদার, ইঞ্জিনিয়ার এহতেশামুল হক পাঠান, কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা মুহাম্মাদ আব্দুল জলিল, জানে আলম সোহেল, মাওলানা আল আমীন এহসান, মুফতী এইচ এম আবু বকর সিদ্দীক, মুফতী শওকত ওসমান মাহমুদুল হাসানসহ আরও অনেকে।


আরও খবর



কী অপরাধে আল্লাহ মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন না?

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৬০জন দেখেছেন
Image

কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা তিন শ্রেণির মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন না। তাদের দিকে তাকাবেন না এবং তাদের গুনাহ থেকে পবিত্র করবেন না। তদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি। তারা কারা? কী তাদের অপরাধ?

হাদিসে পাকে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিন শ্রেণির মানুষের ব্যপারে সতর্ক করেছেন। যাদের প্রতি মহান আল্লাহ তাকাবেন না। তাদেরকে গুনাহ থেকে পবিত্র করবেন না এবং তাদের সঙ্গে কথাও বলবেন। তাদের সম্পর্কে হাদিসে এসেছে-

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন-

ثلاثةٌ لا يُكلمهم الله يوم القيامة، ولا يُزَكِّيهم، ولا يَنظُر إليهم، ولهم عذابٌ أليم: شَيخٌ زَانٍ، ومَلِكٌ كذَّاب، وعَائِل مُسْتكبر

‘আল্লাহ তাআলা কেয়ামতের দিন তিন শ্রেণির লোকের সঙ্গে কথা বলবেন না, তাদেরকে পবিত্র করবেন না এবং তাদের দিকে তাকাবেন না, আর তাদের জন্য রয়েছে কষ্টদায়ক শাস্তি। তারা হলো-

১. বৃদ্ধ ব্যভিচারী

২. মিথ্যাবাদী শাসক এবং

৩. অহংকারী গরিব।’

বৃদ্ধ মানুষ, বয়সের ভারে ন্যুব্জ, তবুও জিনা করে। মানুষের প্রতিনিধি/শাসক তারপরও সে মিথ্যা কথা বলে এবং গরিব মানুষ তারপরও সে অন্যের সঙ্গে অহংকার করে ও অন্যদের নিকৃষ্ট মনে করে। আল্লাহ তাআলা এ তিন শ্রেণির মানুষের গুনাহ ক্ষমা করবেন না। তাদের দিকে তাকাবেন না। তাদের সঙ্গে কথাও বলবেন না।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, উল্লেখিত তিন অবস্থায় হাদিসের নির্দেশিত বিষয়ে আমল করা। মন্দ গুণগুলো পরিহার করা। কেয়ামতের দিন মহান রবের ক্ষমা ও নেক দৃষ্টি পাওয়ার চেষ্টা করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর



পদ্মা সেতুতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন বাইকাররা

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

রোববার ভোর থেকেই সব ধরনের যানবাহনের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। এরপর থেকে অনেকেই বাইক ও প্রাইভেটকার নিয়ে সেতু পার হচ্ছেন। সেই সঙ্গে ট্রাক, বাসসহ বিভিন্ন ধরনের যান চলাচল করছে সেতু দিয়ে। তবে মোটরসাইকেলের উপস্থিতি দেখা গেছে সবচেয়ে বেশি।

সেতু ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রথমদিন দুপুর পর্যন্ত যেসব গাড়ি সেতু পার হয়েছে, তার মধ্যে ৬০ শতাংশ ছিল মোটরসাইকেল।

রোববার (২৬ জুন) পদ্মা সেতুর জাজিরা ও মাওয়া প্রান্তের টোল প্লাজায় গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেল আরোহীদের ব্যাপক উপস্থিতি।

এসময় জাজিরা প্রান্তের বেশ কয়েকজন আরোহীর সঙ্গে কথা হয়। তাদের বেশিরভাগই ঘুরতে এসেছেন বলে জাগো নিউজকে জানান।

জাজিরা প্রান্তে ছয়জন বাইকার একসঙ্গে এসেছেন সেতু পার হতে। টোল প্লাজা থেকে সেতুর একটু ভেতরে ঢুকেই ভি চিহ্ন দেখিয়ে ছবি তোলেন তারা। তারা ঘুরতে এসেছেন বলে জানান।

jagonews24

রাজধানীর পুরান ঢাকা থেকে পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল নিয়ে এসেছেন হাসান। মাওয়া প্রান্তে টোল দিয়ে জাজিরা এসে আবার টোল দিয়ে ফিরে যান তিনি। জাজিরা প্রান্তে টোল দিয়ে জাগো নিউজকে বলেন, নতুন সেতু হলো, তাই ঘুরতে এসেছি।

প্রয়োজনের তাগিদেও অনেকে সপ্তাহে কয়েকবার ঢাকা-মাওয়া-জাজিরা রুটে যাতায়াত করেন বলে জানান।

দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার স্বপ্নের দুয়ার খুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৫ জুন) উদ্বোধন হয়েছে পদ্মা সেতুর।

প্রথম যাত্রী হিসেবে টোল দিয়ে পদ্মা সেতু পাড়ি দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটে পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তে প্রধানমন্ত্রী নিজ হাতে টোল দেন। এরপর তার গাড়িবহর সেতু উদ্বোধনের জন্য ফলকের স্থানে যায়। প্রধানমন্ত্রীসহ অতিথিরা গাড়ি থেকে নামেন। সেখানে প্রথমে মোনাজাত করা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম মোনাজাত পরিচালনা করেন।

এরপর দুপুর ১২টার একটু আগে সুইচ টিপে সেতুর ফলক উন্মোচন করেন তিনি। এর মাধ্যমেই খুলে যায় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগের সড়ক পথের দ্বার।

এদিকে পদ্মা সেতুতে প্রথম ৮ ঘণ্টায় ৮২ লাখ ১৯ হাজার ৫০ টাকার টোল আদায় করা হয়েছে। এসময় গাড়ি চলাচল করেছে ১৫ হাজার ২০০টি।


আরও খবর



বৃষ্টির পর শুরু খেলা, প্রথম বলেই আউট আফিফ

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

বৃষ্টির কারণে দেরিতে শুরু হয়েছে ম্যাচ, মাঝপথে আবার বিরতি গেলো আধা ঘণ্টার মতো। বিরতির পর শুরু হয়েছে ম্যাচ। আর প্রথম বলেই ক্যাচ তুলে দিয়েছেন আফিফ হোসেন ধ্রুব।

হেইডেন ওয়ালশের করা ইনিংসের অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে আউট হন সাকিব আল হাসান, এক বল বিরতি দিয়ে আফিফও আকাশে তুলে দেন ক্যাচ (২ বলে ০)।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৮ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৬১ রান। মাহমুদউল্লাহ ৪ আর নুরুল হাসান সোহান ০ রানে অপরাজিত আছেন।

ভেজা আউটফিল্ডের কারণে ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট দেরিতে শুরু হয় বাংলাদেশ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি। ওভারও কমিয়ে দেওয়া হয়। ২০ ওভারের পরিবর্তে দেওয়া হয় ১৬ ওভার করে।

টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে আকিল হোসেনের করা প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই উইকেটরক্ষকের ক্যাচ হয়ে ফেরেন মুনিম শাহরিয়ার (২)। ২ রান তুলতেই প্রথম উইকেট হারায় টাইগাররা।

এনামুল হক বিজয় প্রথম বলেই হাঁকান বাউন্ডারি। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে খেলে সাকিবের সঙ্গে দারুণ এক জুটি গড়েন দীর্ঘ সাড়ে ছয় বছর পর টি-টোয়েন্টি দলে ফেরা এই ব্যাটার।

তবে ছোট ঝড় তুলেই থামতে হয়েছে বিজয়কে। ১০ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ১৬ রান করে ওবেদ ম্যাকয়ের বলে এলবিডব্লিউ হয়েছেন ইনিংসের চতুর্থ ওভারে। রিভিউ নিয়েও কাজ হয়নি। সাকিব আল হাসানের সঙ্গে তার জুটিটি ছিল ১৮ বলে ৩৪ রানের।

তবে বিজয় আউট হলেও এই জুটিতে ভর করেই পাওয়ার প্লেতে উড়ন্ত সূচনা পায় বাংলাদেশ। ৫ ওভারে তোলে ২ উইকেটে ৪৬ রান। নয় ম্যাচ পর পাওয়ার প্লেতে ৪০-এর ওপর রান পায় টাইগাররা।

লিটন দাস শুরু থেকেই আড়ষ্ট ছিলেন। গ্যাপ বের করতে পারছিলেন না। শেষ পর্যন্ত রোমারিও শেফার্ডের স্লোয়ার বলে টাইমিং গড়বড় করে মিডউইকেটে লিটন তুলে দেন ক্যাচ (১৪ বলে ৯)। ৫৬ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

ব্যতিক্রম ছিলেন সাকিব। একমাত্র টি-টোয়েন্টির ব্যাটিংটা শুরু থেকেই করতে পেরেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। তার ব্যাটে চড়েই মূলত পাওয়ার প্লেতে ভালো একটা সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ।

তবে সাকিবের এই ঝড়ো ইনিংস বেশি বড় হয়নি, থেমেছে ২৯ রানে। ১৫ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় মারকুটে এই ইনিংস খেলে সাকিব হন স্পিনার হেইডেন ওয়ালশের শিকার, ড্রাইভ খেলতে গিয়ে ধরা পড়েন উইকেটরক্ষকের হাতে।


আরও খবর