Logo
শিরোনাম

বাংলাদেশের নাট্যোৎসবে পশ্চিমবঙ্গের কবি দেবব্রত সিংহ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৫০জন দেখেছেন
Image

নাট্যোৎসবে অংশ নিতে জামালপুরে আসছেন পশ্চিমবঙ্গের আঞ্চলিক ও লোক কবি খ্যাত দেবব্রত সিংহ। এ নিয়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। আজ ১৩ মে জামালপুরে পৌঁছাবেন তিনি।

জানা যায়, দেবব্রত সিংহ বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় কবি। বাঁকুড়ার আঞ্চলিক ভাষায় লেখা তার ‘তেজ’ কবিতার মাধ্যমে দুই বাংলার কবিতাপ্রেমীর কাছে পরিচিতি লাভ করেন।

বাংলাদেশের অসংখ্য মানুষের কাছে তিনি জনপ্রিয় হলেও এ দেশে কখনোই আসা হয়নি তার। এবার তার অন্যবদ্য সৃষ্টি ‘তেজ’ কবিতার নাট্যরূপ মঞ্চায়নের উদ্বোধনী আয়োজনে অংশ নিতে বাংলাদেশে আসছেন তিনি।

১৪ মে জামালপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে থিয়েটার অঙ্গন আয়োজিত নাট্যোৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন কবি।

জামালপুরের অন্যতম নাট্যদল থিয়েটার অঙ্গন তাদের দশম প্রযোজনা হিসেবে ‘তেজ’ নাটকটি মঞ্চে আনছে। ১৪ মে জামালপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে থিয়েটার অঙ্গন আয়োজিত ৪ দিনব্যাপী নাট্যোৎসবের প্রথম দিন মঞ্চস্থ হবে নাটকটি।

উৎসবের ২য় দিন মঞ্চস্থ হবে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী লোক আঙ্গিক ‘সঙযাত্রা’। ৩য় দিন ‘ধুয়া গান’ এবং উৎসবের সমাপনী দিনে মঞ্চস্থ হবে সিরাজগঞ্জের নাট্যদল নাট্যাধারের প্রযোজনা ‘ছাগতত্ত্ব’।

আগামী ১৯ ও ২০ মে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ষ্টুডিও থিয়েটার হলে ‘তেজ’ নাটকের দুটি প্রদর্শনী হবে। যেখানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন কবি দেবব্রত সিংহ।


আরও খবর



ধান ঘরে তুলতে দ্বিগুণ খরচ, দুশ্চিন্তায় কৃষক

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

জয়পুরহাটে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। তবে চাহিদা অনুযায়ী শ্রমিক না পাওয়ায় দেখা দিয়েছে সংকট। স্থানীয় শ্রমিক পাওয়া গেলেও মজুরি বেশ চড়া। জমির দূরত্ব অনুপাতে আগে প্রতি বিঘা ধান কাটা-মাড়াইয়ে দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা খরচ হলেও বর্তমানে সাড়ে চার হাজার থেকে ছয় হাজার টাকা লাগছে। ফলে কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টিতে জমিতে শুয়ে ও হেলে পড়া ধান ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বোরো ধান চাষে কৃষকের বিঘা প্রতি খরচ হয়েছে ১৩-১৪ হাজার টাকা। সেখানে বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী প্রতি বিঘায় উৎপাদিত ধান বিক্রি করে ১৬ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা। এর ভেতর কয়েক মাসের পরিশ্রম যোগ করলে কৃষকের আয়-ব্যয় সমান হবে। ফলে ধানের বর্তমান বাজার মূল্য না বাড়লে লোকসানের মুখে পড়বেন কৃষকরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সূত্রে জানা যায়, জেলায় এবার চলতি ২০২১-২০২২ রবি ফসল উৎপাদন মৌসুমে ৬৯ হাজার ৪৯০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। যার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬৯ হাজার ৪২৫ হেক্টর। কিন্তু কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টিতে ২ হাজার ১৩ হেক্টর বোরো ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি ৮৬ লাখ ৩১ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত জেলায় ৩৬ শতাংশ ধান কাটা-মাড়াই হয়েছে।

Joy-(3).jpg

জয়পুরহাট পাঁচবিবি উপজেলার ফিসকাঘাট এলাকার আহসান হাবীব, ধরঞ্জি হাজীপাড়া এলাকার শহীদুল ইসলামলাই উপজেলার ও ক্ষেতলাল উপজেলার ইটাখোলা বাজারের সাইফুল ইসলাম, কালাই উপজেলার মোলামগাড়ীহাটের মোহসিন আলী, আক্কেলপুর উপজেলার রায়কালি এলাকার আলম ও সদর উপজেলার আদর্শপাড়ার রুহুল আমিনসহ একাধিক ধানচাষির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্প্রতি কালবৈশাখীর প্রভাবে পাকা এবং আধাপাকা ধানের গাছ জমিতে শুয়ে পড়েছে। কিছু কিছু নিচু জমিতে এখনও পানি জমে আছে। তাই ধান কেটে নিতে হচ্ছে চড়া দামে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে প্রতি বিঘা ধান কাটা যেত ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। এখন সেই ধান কাটতে হচ্ছে দ্বিগুণ দামে। এখন প্রতি বিঘা ধান কেটে নিতে হচ্ছে ৪ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকায়।

কালাই উপজেলার কাদিরপুর গ্রামের কৃষক শফির উদ্দিন, অজিমুদ্দিন, ফিতা মিয়া ও আনিছুর রহমান জানান, তাদের নিজের তেমন জমি না থাকায় বর্গা এবং এক বছরের জন্য জমি ভাড়া নিয়ে তারা নিজেরা পরিশ্রম করে মাত্র দুই আড়াই বিঘা জমিতে ইরি-বোরো ধান চাষ করেছেন। ধানের চারা রোপণ, সেচ, কীটনাশকসহ সব মিলে তাদের বিঘা প্রতি খরচ হয়েছে ১১-১২ হাজার টাকা। এর সঙ্গে জমির ভাড়া ৫ হাজার ধরলে খরচ পড়ে প্রায় ১৬-১৭ হাজার টাকা। এখন বাজারে মোটা ধানের বাজারদর মণ প্রতি ৭০০ টাকা থেকে ৭৫০ টাকা পর্যন্ত এবং চিকন ধানের বাজার দর মণ প্রতি ৮০০ টাকা থেকে ৯০০ টাকা। এ অবস্থায় নিজের পারিশ্রমিকের মূল্য বাদ দিলে কোনো রকম চাষাবাদের খরচ আর ধান বিক্রির আয় প্রায় সমান হয়ে যাচ্ছে।

সব চেয়ে বিপদে আছেন মধ্যবিত্ত কৃষকরা, যারা অল্প জমি থাকায় ভাড়াও দিতে পারেন না, আবার দিন মজুর ছাড়া নিজেরাও চাষাবাদ করতে পারেন না। আক্কেলপুর উপজেলার কোলা গ্রামের গফুর মিয়াসহ অনেক ধানচাষি জানান, এ মৌসুমে বিঘা প্রতি ধান উৎপাদন হয়েছে বিঘা প্রতি ১৮-২০ মণ। প্রতি বিঘায় ধান বিক্রি করে কৃষকরা পাচ্ছেন ১৬ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকা। এ অবস্থায় শ্রমিকের মজুরি যোগ করলে হয় সমান সমান।

Joy-(3).jpg

ফলে জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে নেই কৃষকদের প্রাণচাঞ্চল্য, ধানের দর পতনে তাদের চোখে-মুখে রয়েছে বিষণ্ণতার ছাপ। পাঁচবিবি উপজেলার শাইলট্টি গ্রামের কৃষক মকবুল হোসেন, চানপাড়া গ্রামের হাকিম হোসেন জানান, সরকার এবার মণ প্রতি ১০০০ টাকা দরে ধান না কিনলে ও বাজারে ধানের দাম না বাড়লে অধিকাংশ কৃষক লোকসানের মুখে পড়বেন।

নীলফামারী জেলার ডোমার থেকে আসা শ্রমিক মোসলেম উদ্দিন, মফিজুল ইসলাম এবং স্থানীয় শ্রমিক আবু সাইদ, খোকন ইসলাম জানান, জমির ধান শুয়ে পড়ায় এবং জমিতে পানি জমে থাকার কারণে স্বাভাবিকভাবে ধান কাটা যাচ্ছে না। ৫ হাজার টাকা বিঘা দরে ধান কেটেও পড়তা হচ্ছে না।

জয়পুরহাট জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ৩৬ শতাংশ জমির ধান কাটা-মাড়াই হয়েছে। তবে গত কয়েকদিন আগে কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টিতে প্রায় ২ হাজার ১৩ হেক্টর বোরো ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার ফসল উৎপাদনের ক্ষতি ধরা হয়েছে ১ হাজার ৩৬৪ মেট্রিক টন। যার আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ কোটি ৮৬ লাখ ৩১ হাজার টাকা। ধানের দামের ব্যাপারে মার্কেটিং কর্মকর্তা দেখভাল করেন।


আরও খবর



কাপড় কিনতে মার্কেটে এসে প্রাণ গেলো রিকশাচালকের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজার নিউমার্কেটে কাপড় কিনতে এসে জাহাঙ্গীর আলম (৪৩) নামের এক রিকশাচালকের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) রাত পৌনে ৮টায় নিউমার্কেটের সামনে মাথা ঘুরে পড়ে যান। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

জাহাঙ্গীর আলম পৌর শহরের জগনাথপুর এলাকার মৃত সাইদুর রহমানের ছেলে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, রিকশাচালক জাহাঙ্গীর তার স্ত্রীকে নিয়ে ভৈরব নিউমার্কেটে আসেন। ঘটনার সময় স্ত্রীকে রিকশায় বসিয়ে তিনি মার্কেটে প্রবেশ করেন। সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার সময় তিনি মাথা ঘুরে পড়ে যান। পরে প্রত্যক্ষদর্শীরা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক বুলবুল আহমেদ বলেন, সম্ভবত হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।


আরও খবর



রামগড়ে ব্যবসায়ীর গুদামে মিলল ৫৭ হাজার লিটার সয়াবিন তেল

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৯২জন দেখেছেন
Image

পার্বত্য খাগড়াছড়ির রামগড়ের সোনাইপুল বাজারে এক ব্যবসায়ীর চারটি গুদামে ৫৭ হাজার লিটার সয়াবিন তৈলের অবৈধ মজুতের সন্ধান পেয়েছে প্রশাসন। অবৈধভাবে ভোজ্যতেল মজুতের অপরাধে ওই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক মো. ফজলুল করিম পাটোয়ারীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

একই অপরাধে ওই বাজারের মেসার্স আলমগীর স্টোরকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

শুক্রবার (৬ মে) বিকেলে রামগড়ের সোনাইপুল বাজারে আকস্মিক অভিযান চালিয়ে রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দীন ওই দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেন।

jagonews24

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, ভোজ্যতেলের অবৈধ মজুতের খবর পেয়ে রামগড়ের সোনাইপুল বাজারের মেসার্স খাঁন ট্রেডার্সে অভিযান চালানো হয়। এসময় ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক ফজলুল করিমের চারটি গুদামে ৫৭ হাজার লিটার সয়াবিন তেল পাওয়া যায়। কোনো ধরনের ডিলিং লাইসেন্স ছাড়াই বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অধিক মুনাফার জন্যই এভাবে তেল মজুত করা হয়েছে। একই বাজারের মেসার্স আলমগীর সেটার নামে আরেকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানেও অভিযান চালিয়ে তেল মজুত পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে রামগড় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দীন বলেন, লাইসেন্স ছাড়া ভোজ্যতেলের ডিলার হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করা এবং সয়াবিন তেলের অবৈধ মজুতের অপরাধে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৫৬ এর ৬ ধারায় মেসার্স খাঁন ট্রেডার্সকে এক লাখ টাকা এবং মেসার্স আলমগীর স্টোরকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



গরম থেকে বাঁচতে ‘ছাউনি’ পেলেন দর্শকরা

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৩জন দেখেছেন
Image

তীব্র গরমের মধ্যেই চলছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার চট্টগ্রাম টেস্ট। সোমবার সকালে চট্টগ্রামের তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণে এটি শরীরে অনুভূত হচ্ছে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যে কারণে কিছুক্ষণ পরপরই পানি পানের বিরতি নিতে হচ্ছে খেলোয়াড়দের।

মাঠের ক্রিকেটারদের একটু পরপর পানি পানের সুযোগ থাকলেও, গ্যালারিতে থাকা দর্শকদের এমন সুবিধা নেই। রোববার ম্যাচের প্রথমদিন তাই একাদশের বাইরে থাকা শহিদুল ইসলাম, নুরুল হাসান সোহানরা দর্শকদের পানি দিয়ে কষ্ট লাঘব করেন। তবে আজ দর্শকদের জন্য খানিক স্বস্তির ব্যবস্থা করেছে বিসিবি।

সাগরিকার জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের পূর্ব ও পশ্চিম পাশের গ্যালারি ছাদবিহীন। অর্থাৎ খোলা আকাশের নিচেই বসতে হয় দর্শকদের। তীব্র গরমে খোলা আকাশের নিচে বসে সারাদিন খেলা দেখা যে কারও জন্য কষ্টসাধ্যই বটে। স্বাভাবিকভাবেই দর্শক উপস্থিতিতে দেখা যাচ্ছে এই গরমের প্রভাব।

একে তো বোলিং করছে বাংলাদেশ, তার ওপর অসহ্য গরম- সবমিলিয়ে প্রথম দিন সাগরিকায় ৫০০ জন দর্শকেরও দেখা মেলেনি। আজ দর্শকদের কষ্ট কিছুটা কমাতে পশ্চিম পাশের গ্যালারির স্কোরবোর্ডের প্রান্তে দেওয়া হয়েছে ছাউনি। সেখানে বসেই আজকের খেলা উপভোগ করছেন মাঠে আসা দর্শকরা।

ম্যাচের প্রথম দিনে দর্শকদের অশেষ ভোগান্তি দেখেই এ ছাউনি বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে ভেন্যু ম্যানেজার ফজলে বারি খান জাগো নিউজকে বলেছেন, ‘গতকাল একটু গরম ছিলো তো। তাই বোর্ডকে অনুরোধ করেছিলাম ছাউনির ব্যাপারে। পরে রাতেই ব্যবস্থা করা হলো।’

চলতি ম্যাচের জন্য অস্থায়ীভাবে বসানো হয়েছে এই বাঁশের সামিয়ানা। তবে পরিকল্পনা ছিল স্থায়ীভাবেই পশ্চিম গ্যালারিতে ছাউনি দেওয়ার। গত বছরের শেষ দিকে গ্যালারির সব চেয়ার নতুন করে স্থাপনের সময় ছাউনির ব্যাপারে দাবি করে আসছিল মাঠ কর্তৃপক্ষ। কিন্তু জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আটকে আছে এই কাজ।

অবশ্য শুধু দর্শকদের ভোগান্তি কমানো নয়, গ্যালারির সিটগুলোও ভালো রাখার জন্য প্রয়োজন স্থায়ী ছাউনি। কিন্তু যথাযথ বাজেটের অভাবে নতুন চেয়ার বসানোর প্রায় ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও এগোয়নি ছাউনি বসানোর কাজ। কবে নাগাদ এটি হবে বা আদৌ হবে কি না, তা অনিশ্চিতই বলা চলে।

ফজলে বারি খান বলেছেন, ‘আমাদের মাঠের চেয়ারগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের জন্যও আসলে শেডটা (ছাউনি) প্রয়োজন। এই শেড দিতে বড় বাজেট লাগবে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেখানে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চলছে। বড় কোনো ইভেন্ট থাকলে হয়তো হতো।’


আরও খবর



গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ তিন রোহিঙ্গার মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৭জন দেখেছেন
Image

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ বাবা-ছেলেসহ তিনজন মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুর ও সন্ধ্যায় তারা মারা যান বলে জানিয়েছেন ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এপিবিএন-১৪ এর অধিনায়ক (এসপি) নাইমুল হক নাইম।

১২ মে ক্যাম্প-১ ডি/৪ ব্লকে নুরুল আলমের ঘরে এ (গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। এরপর থেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিলেন তারা।

নিহতরা হলেন, ক্যাম্প-১ ডি/৪ ব্লকের আজগর আলীর ছেলে নুরুল আলম (৫৯), তার ছেলে আনোয়ার কামাল (১২) ও ক্যাম্প ১/ইস্ট, ব্লক ডি/৪'র আলী আহমেদের ছেলে হাফিজুল মোস্তফা (৭)।

১৪ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক নাইমুল হক জানান, ১২ মে কুতুপালং ক্যাম্প-১ ডি/৪ ব্লকে নুরুল আলমের ঘরে গ্যাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়। তার স্ত্রী চুলায় রান্না বসাতে গেলে চুলার পাইপে আগুন ধরে সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। তাতে ঘরে ও আশপাশে থাকা ছয়জন দগ্ধ হন।

দগ্ধদের কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে বার্ন ইউনিটে তারা সবাই চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ অবস্থায় দুপুরে বাবা নুরুল আলম, বিকেলে ছেলে আনোয়ার ও সন্ধ্যায় অপরজন মারা যায় বলে জানানো হয়।

ক্যাম্প ১/ইস্ট, ব্লক ডি/৪ এর হেড মাঝি তৈয়ব জানান, উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্পে ১২ মে সকালে ক্যাম্প ১/ইস্ট এর ব্লক-ডি ৪ এ রোহিঙ্গা নুর আলমের ঘরে গ্যাসের চুলার আগুনে দগ্ধ হন নারী শিশুসহ ৬ জন রোহিঙ্গা। সকালে নুরুল আলমের স্ত্রী রান্নার জন্য গ্যাসের চুলা জ্বালানোর চেষ্টা করেন। চুলার সমস্যার কারণে তাতে আগুন জ্বলছিল না। গ্যাস সিলিন্ডার চালু রেখেই দিয়াশলাইয়ের কাঠি দিয়ে আগুন জ্বালানোর চেষ্টা করেন। এতে আগে থেকে চালু থাকা গ্যাস রান্নাঘরে ঘনীভূত থাকার ফলে দিয়াশলাইয়ের কাঠি জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে পুরো রান্নাঘরে আগুন লেগে যায়।


আরও খবর