Logo
শিরোনাম

বছরজুড়ে বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম চালাবেন লায়ন সদস্যরা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ২৫৮জন দেখেছেন
Image

দেশে বছরজুড়ে বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন লায়ন সদস্যরা। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ১৩টি জেলায় চক্ষু পরীক্ষা, ছানি আপারেশন, ডায়াবেটিস শনাক্তকরণ, বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি, দুঃস্থ ও এতিমদের মধ্যে খাদ্য বিতরণসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করবেন তারা।

সোমবার (৬ জুন) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। ‘লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল, জেলা ৩১৫ এ২’ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সংগঠনটির জেলা গভর্নর প্রকৌশলী মো. আব্দুল ওয়াহাব। তিনি বলেন, মানব সেবার মহান ব্রতকে সামনে রেখেই বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও সারাবছর ধরে সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন লায়ন সদস্যরা। ৭টি জেলায় বিভক্ত হয়ে দেশে ৬৯৫টি লায়ন্স ক্লাবের মাধ্যমে প্রায় ২০ হাজার লায়ন সদস্য সমগ্র দেশে সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম হলো- চক্ষু পরীক্ষা, ছানি আপারেশন, ডায়াবেটিস শনাক্তকরণ, বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি, দুঃস্থ ও এতিমদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ, শিক্ষা উপকরণ, সেলাই মেশিন, হুইল চেয়ার ও শীতবস্ত্র বিতরণ, সেমিনার/সিম্পোজিয়াম, রক্তদান কর্মসূচি ইত্যাদি।

প্রকৌশলী মো. আব্দুল ওয়াহাব জানান, অক্টোবর সেবা মাস-২০২২ সহ সারা বছর এক লক্ষাধিক ব্যক্তির বিনামূল্যে ডায়াবেটিস পরীক্ষা করা হবে। একইসঙ্গে প্রায় এক লাখ বয়স্ক মানুষের চক্ষু পরীক্ষার মাধ্যমে বাছাইকৃত কমপক্ষে ১০ হাজার ছানী রোগীকে বিনামূল্যে চোখের ছানী অপারেশনও করা হবে। অপারেশন কালীন হাসপাতালে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তাছাড়াও ১০-১৫ হাজার স্কুল শিক্ষাথীদের মধ্যে স্কুলব্যাগসহ শিক্ষা উপকরণ, ১৫ হাজার শীতবস্ত্র ও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেলাই মেশিন বিতরণ, হুইল চেয়ার ও খাদ্য বিতরণ করা হবে। এছাড়াও পরিবেশ রক্ষায় এক লাখ চারাগাছ রোপণ করা হবে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে চারাগাছ বিতরণ করা হবে।

লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল বিশ্বের সর্ববৃহৎ স্বেচ্ছাসেবী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে বিশ্বে লায়ন সদস্য সংখ্যা প্রায় ১৫ লাখ ও লিও সদস্য ৩ লাখ।

বেসরকারি এই সংস্থার প্রথম ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন ড. মো. বশির উল্লাহর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা ৩১৫ এ২ এর ২০২১ ২২ বর্ষের গভর্নর লায়ন জালাল আহমেদ, প্রাক্তন জেলা গভর্নর লায়ন এম এ হাসান, লায়ন হাবীবা হাসান, লায়ন নাজমুন নেসা আলী, লায়ন মো. নাসিরউদ্দিন, লায়ন মো. ফখরউদ্দিন, দ্বিতীয় ভাইস জেলা গভর্নর লায়ন মোহাম্মদ হানিফ, কেবিনেট সেক্রেটারি লায়ন সামিউল মুক্তাদির, ট্রেজারার লায়ন নাসির হায়দার চৌধুরী, হুমায়ুন কবির, আব্দুস সালাম প্রমুখ।


আরও খবর



বিশ্বকবির মজার ঘটনা: ধাঁধা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মানুষটি একেবারেই রাশভারী ব্যক্তি ছিলেন না। বরং বেশ রসিক মানুষ ছিলেন বলেই জানা যায়। যার প্রমাণ পাওয়া যায় বেশকিছু ঘটনায়।

তিনি বেশিরভাগ সময় থেকেছেন শান্তিনিকেতনে। সেখানে তার লেখালেখির ফাঁকে বেশ আড্ডা জমাতেন অন্যদের সঙ্গে। মাঝে মধ্যে তার সহচর ও ভক্তদের ধাঁধাও ধরতেন।

একদিন তিনি এক মজলিসে তার এক ভক্তকে বললেন, ‘এমন একটা শব্দের নাম বলো, যার প্রথম অক্ষর ছেড়ে দিলে মান থাকে, দ্বিতীয় অক্ষর ছেড়ে দিলে কান, আর তিন অক্ষরই ছেড়ে দিলে প্রাণ থাকে না।

ভক্ত তো হতভম্ব। বহু চিন্তা করে কেনো কূল-কিনারা করতে না পেরে অসহায়ের মতো বললেন, ‘পারছি না তো, আপনিই বলে দিন না’। কবি বললেন, ‘শব্দটা হলো ‘কামান’।’

লেখা: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

প্রিয় পাঠক, আপনিও অংশ নিতে পারেন আমাদের এ আয়োজনে। আপনার মজার (রম্য) গল্পটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়। লেখা মনোনীত হলেই যে কোনো শুক্রবার প্রকাশিত হবে।


আরও খবর



গোপালগঞ্জে সাপের কামড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ২৫জন দেখেছেন
Image

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে সাপের কামড়ে শাহাদাৎ শেখ (৩০) নামের এক প্রেস ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুন) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। শাহাদাৎ শেখ কাশিয়ানী উপজেলার সদর ইউনিয়নের পিংগলিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের জাফর শেখের ছেলে। তিনি কাশিয়ানী বাজারে আব্দুর রহিম অফসেট প্রেসের মালিক।

শাহাদাৎ শেখের চাচাতো ভাই শেখ তারিকুল ইসলাম সুমন জানান, মঙ্গলবার রাতে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় শাহাদৎকে বিষধর সাপে কামড়ে দেয়। রাতেই তাকে কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে ভ্যাকসিন না থাকায় গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দ্রুত তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

কাশিয়ানী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী খোকন জাগো নিউজকে সাপের কামড়ে মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



সকালে হাসপাতালে ভর্তি, বিকেলেই শুটিংয়ে অহনা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
Image

অভিনেত্রী অহনা রহমান গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। তবে বিকেলেই ছাড়পত্র নিয়ে আবারও শুটিংয়ে অংশগ্রহণ করছেন তিনি। জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অহনা নিজেই।

অহনা বলেন, ‘কাল (সোমবার) থেকে একটি নাটকের শুটিংয়ে অংশ নিয়েছিলাম। নাটকটির শুটিং হচ্ছিল গুলশানে একটা বাড়িতে। আজ সকালে শুটিংয়ে অংশ নিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ি। আমার শরীর এলার্জিতে ফুলে-ফেঁপে ওঠে। দ্রুত আমি ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হই।’

বিকেলের দিকে ভালো বোধ করছিলেন, এ জন্য ছাড়পত্র নিয়ে শুটিংয়ে যোগ দিয়েছেন তিনি। এমনটাই জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘একদিন যেহেতু নাটকটিতে শুটিং করেছি তাই কষ্ট করে হলেও কাজটা শেষ করতে চাই। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়েছি। সুস্থ বোধ করছি এখন।’

ঈদের একটি বিশেষ নাটক নির্মিত হচ্ছে, যার নির্দেশনা দিচ্ছেন অভিনেতা আজিজুল হাকিম।

অহনা ছাড়াও এই নাটকে অভিনয় করেছেন ডলি জহুর, আব্দুল্লাহ আল মামুন, শহীদুজ্জামান সেলিম, তানিয়া আহমেদ প্রমুখ।


আরও খবর



অপ্রদর্শিত আয়ের সুযোগ হলে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ বাড়বে

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | ২২জন দেখেছেন
Image

গত অর্থবছরের মতো প্রস্তাবিত ২০২৩-২০২৩ অর্থবছরের বাজেটে অপ্রদর্শিত আয় বিনিয়োগের সুযোগ চেয়েছে আবাসন ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিহ্যাব। আর অপ্রদর্শিত আয়ের সুযোগ হলে আবাসন খাতে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ বাড়বে বলে দাবি করছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান বাড়ার পাশাপাশি সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পাবে বলে জানিয়েছে রিহ্যাব।

শনিবার (১৮ জুন) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ‘ঘোষিত জাতীয় বাজেট ২০২২-২৩ সম্পর্কিত রিহ্যাবের প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব) এসব তথ্য জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল, রিহ্যাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইন্তেখাবুল হামিদ, সহ-সভাপতি (প্রথম) কামাল মাহমুদ, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম দুলাল, লায়ন শরীফ আলী খান এবং প্রকৌশলী মোহাম্মদ সোহেল রানা উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠনের নেতারা জানান, বাংলাদেশের গৃহায়ণ শিল্প প্রতি বছর প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব সংগ্রহে কার্যকর ভূমিকা রাখছিল। রিহ্যাব সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো আবাসনের মালিকানা সহজলভ্য করে মানুষের মনে আত্মনির্ভরতা সৃষ্টি করছে। এছাড়া সরকারের রাজস্ব আয়, কর্মসংস্থান, লিংকেজ শিল্প প্রসারের মাধ্যমে সমগ্র নির্মাণখাত জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বাংলাদেশের আবাসন শিল্প শুধু আবাসনই সরবরাহ করছে না, একই সঙ্গে ৪০ লাখ শ্রমিকের ওপর নির্ভরশীল দুই কোটি মানুষের অন্নের জোগান দিচ্ছে। সৃষ্টি করছে নতুন নতুন উদ্যোক্তাদের, যা প্রকারান্তরে দেশের উন্নয়নে শক্তিশালী ভূমিকা রাখছে।

অর্থমন্ত্রী সম্প্রতি সরকারি অর্থনৈতিক ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে বলেছেন, অপ্রদর্শিত অর্থ উৎপাদনের জন্য বিদ্যমান ব্যবস্থাটাই দায়ী। হঠাৎ করে বা রাতারাতি সিস্টেম পরিবর্তন করা সম্ভব না। আমাদের বক্তব্য হচ্ছে নিবন্ধন ব্যয় ১২.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২-৩ শতাংশে নিয়ে এসে ধীরে ধীরে সিস্টেম পরিবর্তন করলে তবেই সঠিক মূল্যে রেজিস্ট্রেশন হবে এবং সার্বিক অর্থনীতিতে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ বলে গণ্য করা যাবে। ঘোষিত বাজেটে পাচারকৃত টাকা দেশে আনার বিষয়ে আইন করা হয়েছে, এটি সাহসী পদক্ষেপ কিন্তু দেশ থেকে যাতে টাকা পাচার না হয় সেদিকেই আমাদের বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। বিনা প্রশ্নে উত্তম বিনিয়োগের সুযোগ ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে নির্দেশিত নির্দেশনার আদলে এখন বাস্তবসম্মত ও সময় উপযোগী।

এসময় রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন কাজল বলেন, আমরা অন্তত দুই/তিন বছরের জন্য অপ্রদর্শিত টাকা আবাসনখাতে বিনিয়োগের সুযোগ চাই। এতে এই দু/তিন বছরের প্রতি বছর ৫০ হাজার টাকা করে এ খাতে বিনিয়োগ বাড়বে। এতে দেশ থেকে কোনো টাকা পাচার হবে না। আবাসন খাতে বিনিয়োগ হলে এ খাত যেমন ঘুরে দাঁড়াবে, একই সঙ্গে বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান হবে। সরকার নির্মাণশিল্প থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব পাবে। যদি আবাসন সেক্টরসহ উৎপাদনমূখী খাতগুলো গতিশীল থাকে, তবে বাজেটে যে প্রবৃদ্ধি দেখানো হয়েছে তা সম্ভব হবে। অর্থনীতি হবে আরও সমৃদ্ধ।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, আমাদের বেসরকারি উদ্যোক্তাদের একান্ত প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা এ খাত সম্প্রতি নানাবিধ প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন। উদীয়মান এই খাতে নানা কর আরোপ ও সরকারের নীতি সহায়তার অভাবে ক্রমে দেশের আবাসনখাত মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পতিত হয়েছে। কোভিড মহামারির ধাক্কা, নির্মাণসামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধি, মানুষের সামর্থ্যরে মধ্যে মাসিক কিস্তি সুবিধা দেওয়ার মতো এই খাতে পর্যাপ্ত আর্থিক ঋণ প্রবাহ না থাকায় অনেকের বাসস্থানের স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না। নতুন করে যুক্ত করার চেষ্টা চলছে ভবন নির্মাণে সিটি করপোরেশনের অনাপত্তি সনদ।

রিহ্যাব নেতারা বলেন, এরই মধ্যে ঢাকার এক কাউন্সিলর নোটিশ দিয়েছেন, তার অনুমতি ছাড়া ভবন নির্মাণ করা যাবে না। আমরা কয়টা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সনদ গ্রহণ করবো? একের পর এক সমস্যা এই শিল্পকে সংকটে ঠেলে দিচ্ছে। এই অবস্থায় সরকারের আশু পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এই সংকট উত্তরণ অসম্ভব। নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা কারণে সমগ্র গৃহায়ণখাতে বিক্রির পরিমাণ প্রায় হ্রাস পেয়েছে। এই মুহূর্তে যদি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয়, তবে দেশের অর্থনীতিতে এর একটা বিরূপ প্রভাব পড়বে বলে আমাদের শঙ্কা।


আরও খবর



মানুষের জন্য বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্রীর অনুভব-মমত্ববোধ

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ১৫জন দেখেছেন
Image

মানুষের জন্য অনুভব-মমত্ববোধের নজির স্থাপন করেছেন বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্রী সায়মা ওয়াজেদ। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এম এম ইমরুল কায়েস রানার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে বিষয়টি ফুটে উঠেছে।

এম এম ইমরুল কায়েস রানা লেখেন, গত ২৫ জুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হিসেবে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগদানের সৌভাগ্য হয়েছিল আমার। মাওয়া প্রান্তের সুধী সমাবেশে বক্তব্য, টোলপ্লাজায় টোল দেওয়া এবং উদ্বোধন ফলক উন্মোচন শেষে প্রধানমন্ত্রী তার গাড়িবহর নিয়ে পদ্মা সেতুতে ওঠেন। পরবর্তী সময়ে সেতুর মাঝ বরাবর একটি স্থানে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর মনোজ্ঞ ফ্লাইপাস্ট উপভোগের জন্য শেখ হাসিনা অল্প সময়ের জন্য যাত্রাবিরতি করেন। এ সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী তার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল একটি ক্যামেরায় বিভিন্ন ছবি তুলতে থাকেন।

পদ্মা সেতুতে দায়িত্বপালনরত বিটিভির দুজন ক্যামেরাপারসনের একটি ছবি পাঠিয়ে গত পরশু সন্ধ্যায় আমার হোয়াটসঅ্যাপে প্রধানমন্ত্রীর এডিসি টেক্সট করেন যে, ছবিটি আমি যেন ঐ দুই ক্যামেরাম্যানকে পৌঁছে দেই। বিষয়টি ভালোভাবে বোঝার জন্য এডিসিকে ফোন দিলে উনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর কন্যা পুতুল তার নিজ ক্যামেরায় ওই ছবিটি তুলেছেন এবং তার কাছে যেহেতু ঐ ক্যামেরাপারসনদের নম্বর নেই, তাই তিনি এটি তাদের কাছে পৌঁছে দিতে বলেছেন।

কিছুক্ষণ আমি স্থবির হয়ে পড়ি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের দোহিত্রীর মানুষের প্রতি প্রগাঢ় অনুভব আমাকে অভিভূত করে! ঐতিহাসিক ঐ মুহূর্তে অচেনা-অজানা বিটিভির দুজন ক্যামেরাম্যানের ছবি তিনি না-ই তুলতে পারতেন। আর তুলেই যখন ফেলেছেন, পরবর্তী সময়ে অপ্রয়োজনীয় ছবি হিসেবে তিনি এটি ডিলিট করে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি! এটিই জাতির পিতার পরিবারের সদস্যদের গণমানুষের প্রতি নিখাদ ভালোবাসা ও মমত্ববোধ।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।


আরও খবর