Logo
শিরোনাম

বিএনপির ষড়যন্ত্র প্রতিহতের প্রস্তুতি নিতে হবে: ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, দেশে যে সংকট চলমান রয়েছে তা সাময়িক হলেও বিএনপি ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় ঘরে ঘরে দূর্গ গড়ে তুলে বিএনপির অশুভ কর্মপন্থা প্রতিহত করতে হবে। এজন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামতে হবে।

রোববার বিকেলে চট্টগ্রামে কাজীর দেউরির ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মহানগর আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশের জন্ম হতো না, বাংলাদেশের জন্ম না হলে বাঙালি চিরদিন শৃঙ্খলিত হয়ে থাকতো। অথচ ৭৫-এর ১৫ আগস্ট দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের নীলনকশা অনুযায়ী ৭১-এর পরাজিত শক্তির প্রত্যক্ষ ইন্ধনে কিছু বিপথগামী সেনা সদস্য বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। বিশ্ববাসীর কাছে বাঙালিকে কলঙ্কিত করে।

তিনি বর্তমান পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপট উপস্থাপন করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে যেখান থেকে টেনে তুলে আজ উচ্চতার আসনে বসিয়েছেন তা অনেকের সহ্য হচ্ছে না। এরা জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য নানা ধরনের মিথ্যাচার করছে।

ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সিটি মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দীন, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব নঈম উদ্দীন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন প্রমুখ বক্তব্য দেন।


আরও খবর



আরও ৪২১ রোগী শনাক্ত, সংক্রমণের হার ৯ শতাংশ ছাড়ালো

প্রকাশিত:সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। ফলে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৯ হাজার ৩৩৪ জনে।

একই সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৪২১ জন। মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট শনাক্ত বেড়ে পৌঁছেছে ২০ লাখ ১৫ হাজার ৩০৮ জনে।

সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


আরও খবর



‘টেকসই উন্নয়নের জন্য পরিবেশ রক্ষার কোনো বিকল্প নেই’

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
Image

 

দেশের পরিবেশদূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে সঠিক আইন ও আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক নেতারা। তারা বলেছেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য পরিবেশ রক্ষার কোনো বিকল্প নেই।

রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘সবুজ বাংলাদেশ: সমৃদ্ধ বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির তিনদিনব্যাপী ‘এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে সমাপনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন বক্তারা।

সমাপনী অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী দেশে আসার পর থেকেই সবুজ বাংলাদেশ গঠনের কাজ শুরু করেছিলেন। ‘৮৬ সালে কৃষকলীগ গঠনের মাধ্যমে তিনি সারাদেশে বৃক্ষরোপণের কাজ শুরু করেছিলেন। এখন পর্যন্ত পয়লা আষাঢ়ে তিনি এ কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছেন। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপকমিটি।

‘প্রতি বছর মানুষ বাড়ছে আর কৃষি জমি কমছে। সেইসঙ্গে শিল্প কারখানা, স্থাপনা নির্মাণ ও রাস্তাঘাট-অবকাঠামো উন্নয়নের ফলেও কৃষিজমি কমছে। এজন্য মানুষকে সচেতন করা দরকার। আইন থাকলেও কৃষিজমি রক্ষায় এর কোনো প্রয়োগ নেই। এজন্য নতুন একটি আইনের কথা ভাবা হচ্ছে, যাতে কৃষি জমি রক্ষা করা যায়।’

টেকসই উন্নয়নের জন্য পরিবেশ রক্ষার কোনো বিকল্প নেই বলেও মতপ্রকাশ করেন তথমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে নৌপ্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষায় আওয়ামী লীগই একমাত্র দল, যে দল এ সাবজেক্টের ওপর নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অন্য কোনো রাজনৈতিক দল এটা করছে না।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ২০০২ সালে এ পদটি সৃষ্টি করেছিলেন। পঁচাত্তরের জঘন্য হত্যাকাণ্ডের পর যখন তিনি দেশে ফিরে এসেছিলেন তখন থেকেই তিনি একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনা, যেটি বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেইলক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। পরিবেশ রক্ষায় তিনি অনেক কাজ করেছেন। কৃষক লীগকে কাজে লাগিয়ে ওই সময় থেকে বৃক্ষরোপণ শুরু করেছিলেন, তখন তিনি বিরোধী দলীয় নেত্রীও নন। এখন বিশ্বের জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় তিনি (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) বড় কণ্ঠ।’

তিন দিনব্যাপী সেমিনারে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি ও সেমিনারে অংশ নেওয়া সদস্যদের সুনির্দিষ্ট সুপারিশ তুলে ধরেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এবং বন ও পরিবেশ উপ কমিটির চেয়ারম্যান খন্দকার বজলুল হক।

তিনি বলেন, ‘এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের সেমিনারে বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা প্রস্তাব দিয়েছেন। তারা বলেছেন, পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের জন্য কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা নিতে হবে এবং সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে, বাংলাদেশের শহরগুলো দূষণপ্রবণ হওয়ার কারণ হলো, পরিবেশগত সমস্যা। বাংলাদেশকে বায়ু ও পানিদূষণমুক্ত রাখতে শিল্প এলাকায় যথাযথ বর্জ্য শোধনাগার স্থাপন করা উচিত। মোটরগাড়ি, প্লেন, ট্রেন, শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে নির্গমন, বিদ্যুৎ উৎপাদন সেটআপ, ইটভাটা, অনাবৃতভাবে পোড়ানো বা জ্বালিয়ে দেওয়া, কঠিন বর্জ্য ডাম্পিং নিয়ন্ত্রণ করতে হলে সঠিক আইন ও আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।’

কনফারেন্সের উদ্বোধনী অধিবেশন শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের বিভিন্ন বিভাগ এবং সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ ইন সায়েন্সেস (কারস) একযোগে পরিবেশ বিষয়ক ভিন্ন ভিন্ন সায়েন্টিফিক বিষয়ে আলোচনা, সায়েন্টিফিক সেশন, পোস্টার প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠি হয়।

কনফারেন্সে থিম স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রথিতযশা পরিবেশবিদ অধ্যাপক আতিক রহমান। প্ল্যানারি স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশ বিজ্ঞানী অধ্যাপক ব্যঞ্জামিন হাওডেন এবং জাপানের পরিবেশবিদ অধ্যাপক হিরোওকু মাতসুদা। এছাড়া ২০ দেশের পরিবেশ বিজ্ঞানীরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



১০০০ বছর আগে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় তাদের

প্রকাশিত:সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

এখন পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় অসংখ্য মমির খোঁজ পাওয়া গেছে। মমির জন্য শুধু মিশরই বিখ্যাত ছিল না। হাজার হাজার বছর আগে এই সংস্কৃতি লালন করেছেন অনেক জাতি। সম্প্রতি দক্ষিণ আমেরিকার তিনটি মমি গবেষণা করেছেন একদল গবেষক। যার মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন নারী। গবেষকরা ধারণা করছেন তারা ছিলেন প্রাক-কলম্বিয়ান। কার্বন ডেটিংয়ের মাধ্যমে জানা যায় তাদের মৃত্যুর কারণ।

গবেষণার পর জানা যায়, পুরুষ দুজন নির্মমভাবে হত্যার স্বীকার হয়েছিলেন। একজনকে হত্যা করা হয়েছিল ছুরিকাঘাত করে। অন্যজনকে মেরুদণ্ডে আঘাত করে। থ্রিডি কম্পিউটেড টমোগ্রাফি ব্যবহার করে তিনটি মমিকৃত দেহ বিশ্লেষণ করেছেন মিউনিখ ক্লিনিক বোগেনহাউসেনের গবেষকরা।

এই মমিগুলো এতদিন ছিল ভিন্ন জাদুঘরে। জার্মানির মারবার্গের অ্যানাটোমিকাম জাদুঘরে ছিল একটি পুরুষ মমি এবং সুইজারল্যান্ডের ডেলিমন্টের আর্ট অ্যান্ড হিস্ট্রি জাদুঘরে ছিল বাকি দুজন। ধারণা করা হয়, জার্মানির মারবার্গের অ্যানাটোমিকাম জাদুঘরে থাকা পুরুষ মমিটি জীবদ্দশায় ছিলেন উত্তর চিলির আরিকা অঞ্চলের বাসিন্দা।

৯৯৬-১১৪৭ সালের মধ্যে কোনো এক সময় তিনি মারা গেছেন। তার সমাধি ক্ষেত্রে পাওয়া গেছে বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র। যা দেখে বোঝা যায় তিনি হয়তো ছিলেন কোনো মৎস্যজীবী। কারণ তার সঙ্গে মাছ ধরার বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া গিয়েছিল।

হাড়ের বৈশিষ্ট্য থেকে গবেষকরা অনুমান করেন, তার বয়স ছিল ২০-২৫ বছরের মধ্যেই। অর্থাৎ একজন যুবক ছিলেন মৃত্যুর সময়। প্রায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি লম্বা ছিলেন তিনি। গবেষকদের ধারণা, মাছ ধরতে গিয়ে ছিনতাইকারীদের হাতে মারা পড়েছিলেন তিনি। প্রথমে তাকে মাথায় আঘাত করা হতেছিল। এরপর ধারালো ছুরির আঘাতে মারা যান তিনি। দাঁত পরীক্ষায় জানা যায়, তার প্রধান খাদ্য ছিল ভুট্টা। এছাড়াও ফুসফুসে গুরুতর যক্ষ্মা রোগের লক্ষণও খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা।

বাকি দুজন ছিলেন পেরুর আরেকুইপা অঞ্চলের। তাদের মধ্যে নারী যিনি, তিনি প্রাকৃতিক কারণে মারা গিয়েছিলেন। গবেষকদের ধারণা তিনি ১২২৪ থেকে ১২৮২ সালের মধ্যে মারা গিয়েছেন। কার্বন ডেটিং থেকে জানা যায় বাকি যে পুরুষ মমিটি তিনি মারা গিয়েছিলেন ৯০২ থেকে ৯৯৪ সালের মধ্যে।

নারী মমির মৃত্যুর কারণ ছিল স্বাভাবিক। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি বয়স্ক অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই মারা যান। তবে অন্য যে পুরুষ মমিটি রয়েছে তার মেরুদণ্ডের হাড়ের বেশ কিছু সমস্যা পেয়েছেন গবেষকরা। জীবদ্দশায় তিনি মেরুদণ্ডের হাড়ের সমস্যায় ভুগছিলেন। তবে তার মেরুদণ্ডে বড় আঘাতের চিহ্নও পেয়েছেন তারা। ধারণা করা হচ্ছে ঘাড়ের নিচে খুব বড় কিছুর আঘাতেই তিনি মারা যায়।

তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, পেরুতে পাওয়া দুটি মমি পাওয়া গিয়েছিল শুয়ে থাকা অবস্থায়। কিন্তু তারা যে সময় মারা যান সেসময় পেরুতে সমতল ভূমির অভাবে মৃতদেহ শুইয়ে কবর দেওয়া হত না। তাই কেন তাদের এভাবে কবর দেওয়া হয়েছিল তা নিয়েও গবেষণা করছেন গবেষকরা। তাদের ধারণা কবর দেওয়ার বিষয়টা একেক সংস্কৃতিতে একেক রকম। তাই হতে পারে তারা অন্য কোনো সংস্কৃতির ছিলেন।

সূত্র: ডেইলি মেইল, অ্যানসাইন্ট অরিজিন


আরও খবর



সরবরাহ অনিশ্চয়তায় ফের বাড়লো তেলের দাম

প্রকাশিত:সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৩ অক্টোবর ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তা না কাটায় আন্তর্জাতিক বাজারে ফের ঊর্ধ্বমুখী অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি পুনবর্হালের সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে আসা এবং রুশ তেলে পশ্চিমাদের কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকরের সময়সীমা এগিয়ে আসার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবর অনুসারে, সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্টের দাম এক শতাংশ বা ৯২ সেন্ট বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৩ দশমিক ৭৬ মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআিই) দাম ব্যারেলপ্রতি ০.৮ শতাংশ বা ৭১ সেন্ট বেড়ে হয়েছে ৮৭ দশমিক ৫০ ডলার।

গত সপ্তাহে রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন তেল উৎপাদক দেশগুলোর জোট ওপেক প্লাস ঘোষণা দেয়, আগামী অক্টোবর মাস থেকে দৈনিক এক লাখ ব্যারেল তেল কম উৎপাদন করবে। তাদের এ সিদ্ধান্তের পরপরই বিশ্ববাজারে বাড়তে শুরু করে তেলের দাম। তবে সেটিকে লাগামহীন হতে দেয়নি চীনে লকডাউনের খবর। বিশ্বের বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশটিতে করোনাজনিত লকডাউনের কারণে জ্বালানি চাহিদা কমে যাওয়ার উদ্বেগ রয়েছে ব্যবসায়ীদের মধ্যে।

jagonews24

এ অবস্থায় গত শনিবার ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও জার্মানি বলেছে, ইরান পরমাণু চুক্তি পুনবর্হাল সত্যিই চায় কি না সে বিষয়ে তাদের ‘গুরুতর সন্দেহ’ রয়েছে। এই চুক্তি না হওয়ার অর্থ, আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানি তেলের প্রবেশ সম্ভবত বন্ধই থাকছে।

তবে বছরের শেষের দিকে তেলের দাম আবারও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ রাশিয়ার তেলের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর হচ্ছে আগামী ৫ ডিসেম্বর থেকে। পাশাপাশি, রুশ তেলের ওপর মূল্যসীমা আরোপ করতে চলেছে শিল্পোন্নত সাত দেশের জোট জি৭। এতে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহে ঘাটতি আরও বাড়তে পারে।

তেলের বাজারের জন্য আরেকটি খারাপ খবর হচ্ছে, গত দুই দশকের মধ্যে চীনে প্রথমবারের মতো তেল আমদানি কমে যেতে পারে। বেইজিংয়ের ‘জিরো কোভিড’ নীতির কারণে ছুটির দিনগুলোতেও মানুষ ঘরে থাকতে বাধ্য হচ্ছে, যাতে জ্বালানির চাহিদা কমছে।

তাছাড়া, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার আরও বাড়াতে প্রস্তুত। এটি হলে অনেক মুদ্রার বিপরীতে মার্কিন ডলারের মূল্যমান আরও বাড়তে পারে এবং এর ফলে ব্যবসায়ীদের জন্য তেল কেনা হয়ে উঠবে আরও ব্যয়বহুল।


আরও খবর



পরিবেশ তৈরি হলে বিদেশি পর্যটক আসবে: পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2 | ৬১জন দেখেছেন
Image

পর্যটনের জন্য পরিবেশ তৈরি হলে বিদেশি পর্যটক আসবে বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ এ অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। সংগঠনের সভাপতি তপন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সংলাপের উপস্থাপনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক।

পর্যটকদের হয়রানি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাবলিক অ্যাওয়ারনেস জরুরি। অন্যান্য দেশগুলোতে জনগণ সেটি জানে, সেদিকে নজর রাখে। কক্সবাজারসহ অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রের জেলা প্রশাসককে (ডিসি) আমরা বলেছি তারা যাতে নজর রাখেন। ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে মূল্য তালিকা দেখতে বলেছি। সবাইকে সম্পৃক্ত করতে না পারলে পর্যটনে সফলতা আসবে না। পরিবেশ তৈরি হলে বিদেশি পর্যটক আসবে। সরকার আন্তরিক, ক্যাম্পেইন দরকার পর্যটনকে আমরা এগিয়ে নিতে চাই।

স্বর্ণ চোরাকারবারিদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, স্বর্ণ নিয়ে ধরা পড়ার ঘটনার সাতদিন আগে গিয়েছিলাম। সেখানে ভেতরের গেটটি দেখে আমার সন্দেহ হয়েছিল। তখন আমি বলেছিলাম সমস্যা হতে পারে, তার চারদিন পরই ঘটনাটি ঘটেছে। এখন সেখানে শক্তিশালী গেট দেওয়া হয়েছে, সিসিটিভি লাগানো হয়েছে। বিমানে ওঠানামার চেক করার জন্য বলেছি। এটি দেশের ভাবমূর্তির সঙ্গে জড়িত।

তিনি বলেন, যাত্রীদের সুবিধার জন্য এয়ারপোর্টে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। তবে, যাত্রীরা ট্রলি নিয়ে যাতে রোড পর্যন্ত বের হতে পারবেন সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমরা আরও ট্রলি এনেছি, আশাকরি ট্রলির সংকট হবে না। পাবলিক ট্রান্সপোর্ট এয়ারপোর্টে যাওয়ার বিষয়টি আমিও অনুধাবন করেছি। তৃতীয় টার্মিনালে যাতে নিরবিচ্ছিন্নভাবে যাত্রীরা যেকোনো পরিবহন নিয়ে যেতে পারেন সে ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। যাত্রীরা কিন্তু যেকোনো পরিবহন নিয়ে এয়ারপোর্টে গিয়ে আবার আসতে পারবেন ট্রাফিক সিগনাল ছাড়া।


আরও খবর