Logo
শিরোনাম

বন্যার্তদের সহায়তায় মাঠে নামছে আওয়ামী লীগ

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
Image

বন্যার্তদের জন্য সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করবে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। শনিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়।

সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে দলের কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটি এ জরুরি বৈঠক ডাকে।

বৈঠকে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক এবং উপকমিটির সদস্য সচিব সুজিত রায় নন্দী বলেন, বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে বন্যার্তদের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে সরকার ও আওয়ামী লীগ। এছাড়া দলটির অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরাও মাঠে রয়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত নারী, পুরুষ ও শিশুদের রক্ষায় ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটির পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে নৌকা, ওরস্যালাইন, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও শুকনো খাবারসহ অন্যান্য জীবনরক্ষাকারী সামগ্রী পাঠানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বৈঠকে।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে সহযোগিতা প্রদানের লক্ষ্যে বেশকিছু কমিটি গঠন করা হয়। আক্রান্ত উপজেলাগুলোতে দ্রুত ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটির টিম সাহায্য নিয়ে যাবে। পাশাপাশি এই প্রাকৃতিক ও মানবিক বিপর্যয়ে সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি ও সংগঠন পর্যায়ে সব সামর্থ্যবানদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সুজিত রায় নন্দী বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে জাতি আজ দুর্যোগ মোকাবিলায় বিশ্বসেরা। আওয়ামী লীগের রাজনীতি হচ্ছে মানবতার রাজনীতি, কল্যাণ সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের রাজনীতি। বন্যাসহ দেশের প্রতিটি সমস্যা মোকাবিলায় সরকার ও দল এক ও অভিন্নভাবে কাজ করছে। সিলেট ও সুনামগঞ্জে বানভাসি মানুষকে রক্ষায় সরকার ও দলের সার্বক্ষণিক তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে জানান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় এই শীর্ষ নেতা।

বৈঠকে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপকমিটির সদস্যবৃন্দসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বন্যার্তদের জন্যে ৬০০ আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে হাজার হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। বন্যার্তদের উদ্ধার করে এসব আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। দুর্গতদের উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন, বিজিবি ও আওয়ামী লীগ পরিবার। এছাড়া বন্যাকবলিত এলাকায় সেনাবাহিনীর পাশাপাশি নৌবাহিনীকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

ভয়াবহ বন্যায় আক্রান্তদের জন্যে সরকারিভাবে ৩০ লাখ করে মোট ৬০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২০০ মেট্রিক টন চাল, আট হাজার করে শুকনো খাবারের প্যাকেট দেওয়া হয়েছে। যেখানে চাল, ডাল, তেল, চিনি ও মসলা রয়েছে। এছাড়াও সব ধরনের সাহায্য সহযোগিতা এবং বন্যা মোকাবিলায় সব তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে সরকার।


আরও খবর



ইভিএম নিয়ে ‘মতবিনিময় প্রয়োজনীয় নয়’ জানিয়ে ইসিকে সিপিবির চিঠি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
Image

ইভিএমের কারিগরি ও ভোটদান বিষয়ে মতবিনিময়ের জন্য বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিকে (সিপিবি) আমন্ত্রণ জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ (মঙ্গলবার) তাদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও নির্বাচন কমিশনে আসেনি দলটি। তবে না আসার কারণ উল্লেখ করে ইসিকে চিঠি দেয় সিপিবি। এতে ইসিকে ধন্যবাদ জানিয়ে ‘নতুন করে একই কথা বলার জন্য মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করা প্রয়োজনীয় নয়’ উল্লেখ করেছে দলটি।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) নির্বাচন কমিশনকে সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স স্বাক্ষরিত এই চিঠি দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ইভিএম আমাদের দেশের সব মানুষের জন্য সহজসাধ্য নয় এবং সবাই এটির যথাযথ ব্যবহার করতে পারেন না। এই পদ্ধতি এখনো বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করেনি। অধিকাংশ ক্রিয়াশীল রাজনৈতিক দল ইভিএমে ভোটদান পদ্ধতির বিরোধিতা করেছে। তাই আগামী নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের প্রয়োজন নেই।

এতে আরও বলা হয়, ইভিএম একটি মাইক্রোকন্ট্রোল প্রোগ্রাম। ফলে নিম্নতর স্তরে নিয়ন্ত্রণ না করেও নির্বাচন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা কিংবা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অর্থাৎ উচ্চতর স্তরে কম সংখ্যক প্রযুক্তিবিদের সহায়তায় কারচুপি করা যায়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইভিএম ব্যবহারের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে এটি এখনো কোনো জালিয়াতি নিরোধক নয়।

‘যান্ত্রিক ত্রুটির যুক্তিতে ইভিএমের মতো আধুনিক যন্ত্রের মাধ্যমে কারচুপির ঝুঁকিকেও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ইভিএমকে পরিচালনা করছেন যারা, তাদের অবস্থান এবং উপরের নির্দেশকারীদের অবস্থানও এর ব্যবহার যথাযথভাবে হবে কি না, তার উপর নির্ভর করে।’

চিঠিতে আরও কিছু পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বর্তমান রাজনৈতিক বিবেচনায় ইভিএম আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রধান বিবেচ্য বিষয় নয়। এটিকে সামনে এনে সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্য বিষয়কে গৌণ করে ফেলার কোনো সুযোগ নেই। আমরা এর আগে অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন বিষয়ে আমাদের কথা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি।

এছাড়াও জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থাসহ নির্বাচনকে টাকা-পেশীশক্তি-সাম্প্রদায়িকতা ও প্রশাসনিক কারসাজিমুক্ত করতে আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

সিপিবির ৫৩ দফা প্রস্তাবকে বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দিয়ে চিঠিতে বলা হয়, দলীয় সরকারের অধীনে যে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে পারে না- তা প্রমাণিত। তাই নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তদারকি সরকার গঠন, তার কার্যক্রম সুনির্দিষ্ট করা এবং নির্বাচনের আগে জাতীয় সংসদ ভেঙে দেওয়ার বিষয়ে ইসির পক্ষ থেকে স্পষ্ট মতামত দেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছে সিপিবি।


আরও খবর



ঈদে ইমরানের গান ‘ঘুম ঘুম চোখে’, মডেল নীলাঞ্জনা নীলা

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

ঈদ উপলক্ষে ‘ঘুম ঘুম চোখে’ শিরোনামের একটি গান নিয়ে আসছেন সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল। এটি প্রকাশ হবে ভিডিও আকারে। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রঙ্গন মিউজিক গানটি প্রকাশ করছে। জামাল হোসেনের কথায় গানটির সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন ইমরান নিজেই।

এর ভিডিও নির্মাণ করেছেন সৈকত রেজা। এতে ইমরানের সঙ্গে মডেল হয়েছেন লাক্স তারকা নীলাঞ্জনা নীলা।

গানটি প্রসঙ্গে গীতিকার জামাল হোসেন বলেন, ‘ইমরানকে ভেবেই গানটি লিখেছি। আমার কথার ওপর সে দারুণ সুর করেছে। সত্যি বলতে, শ্রোতারা ইমরানের কণ্ঠে যেমন গান শুনতে চান এতে সেই ফিল পাবেন।’

ইমরান বলেন, ‘আমি বরাবরই একটু ভিন্ন ধরনের কথার গান করার চেষ্টা করে আসছি। এ গানটির কথা ও সুর সবার মনে দাগ কাটবে বলে আশা করছি। এছাড়া উৎসবে শ্রোতারা যে ধরনের গান প্রত্যাশা করেন এটি তেমনি বলতে পারি।’

প্রসঙ্গত, ঈদে রঙ্গন মিউজিক থেকে মাহতিম সাকিব, অবন্তি সিথি, ঝিলিক, চম্পা বনিক ও প্রিয়াংকা গোপের একটি করে গানের মিউজিক ভিডিও প্রকাশ পাবে।


আরও খবর



পদ্মা সেতুর উদ্বোধন: সন্ধ্যার পর মাওয়ার সব দোকানপাট বন্ধ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে কেন্দ্র সন্ধ্যার পর থেকে মুন্সিগেঞ্জের মাওয়াসহ আশপাশের এলাকায় দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। শুক্রবার (২৪ জুন) বিকেল থেকে স্থানীয় মসজিদের মাইক দিয়ে বিষয়টি জানানো হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল আউয়াল জানান, পদ্মা সেতুর উদ্বোধন ও প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাজনিত কারণে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, শনিবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন। সেতু উত্তর থানা সংলগ্ন মাঠে সমাবেশে অংশ নিবেন তিনি। এরপর সেতুতে টোল দিয়ে সেতু পার হবেন তিনি। পরদিন ভোরে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া পদ্মা সেতু।

এর আগে ২০০১ সালে ৪ জুলাই পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের ২৬ নভেম্বরে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। দুই স্তর বিশিষ্ট স্টিল ও কংক্রিটে নির্মিত ট্রাসের এ সেতুর ওপরের স্তরে চার লেনের সড়ক পথ এবং নিচে একক রেলপথ রয়েছে। ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণে ৪২ পিলারের ৪১টি স্প্যান বসিয়ে অবকাঠামো তৈরি করা হয়। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫০ কিলোমিটার ও প্রস্থ ১৮ মিটার। সেতু নির্মাণে মোট খরচ হয় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।


আরও খবর

পতনের মধ্যেই শেয়ারবাজার

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




চড়া দাম রাখছে রাবির ফটোস্ট্যাট দোকানগুলো, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

দুদিন আগে ফটোকপির দোকান থেকে আইডি কার্ডের অনলাইন কপি বের করে নিলাম ৩০ টাকা দিয়ে। সেই কপিটি হারিয়ে যাওয়ায় আজকে তুলতে এসে ৫০ টাকা দিতে হয়েছে। তিনদিনের ব্যবধানে ২০ টাকা বেশি গুনতে হয়েছে। আমাদের কাছ থেকে চড়া দাম রেখে ব্যবসা করছে ক্যাম্পাসের ফটোস্ট্যাট দোকানগুলো। এভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করে জাগো নিউজের প্রতিবেদকে কথাগুলো বলছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী মোহনা আক্তার।

শুধু ওই শিক্ষার্থীই না, রাবি ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে কম্পিউটার ও ফটোস্ট্যাট দোকানগুলো চড়া দাম নিচ্ছে বলে অনেক শিক্ষার্থীই অভিযোগ করেছেন। তারা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটোকপি ও কম্পিউটারের দোকানগুলোর মালিকরা নিজেদের ইচ্ছেমতো ব্যবসা করছেন। যে যেমন পারছেন বাড়তি দাম রাখছেন। যে কাজগুলো অল্প সময়ে করে ভালো টাকা পাওয়া যায় কেবল সেগুলোই করে দিচ্ছেন দোকানিরা। টাইপিংয়ের কাজ বা জটিল কোনো কাজ যেখানে সময় বেশি লাগবে এসব কাজ করেন না বলে তারা শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে দিচ্ছেন।

jagonews24

এদিকে, এসব জটিল কাজগুলো করতে বিভিন্ন জায়গায় দৌড়াতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। এনিয়ে চরম ক্ষোভও প্রকাশ করছেন তারা। ভুক্তভোগীরা বলছেন, তাহলে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে কেন কম্পিউটারের দোকান বসানো হয়েছে?

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট, টুকিটাকি চত্বর ও ড. মো. ওয়াজেদ মিয়া একাডেমিক ভবনের সামনে কম্পিউটারের দোকানগুলোতে শিক্ষার্থীদের বেশ ভিড়। কেউ একাডেমিক কাজ, কেউ আবার প্রশাসনিক কাজ বা সার্টিফিকেট সংক্রান্ত কাজ করতে এসেছেন। এসব কাজ শেষ করতে দীর্ঘসময় অপেক্ষা করতে হয় শিক্ষার্থীদের। আবার যাদের কাজ সময়সাপেক্ষ এমন কাজ করেন না বলে মানা করে দিচ্ছেন কম্পিউটার দোকানিরা। ফলে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ছুটতে দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের।

jagonews24

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আগে ফটোকপি করলে প্রতি পৃষ্ঠা এক টাকা করে নেওয়া হলেও এখন তা দেড় থেকে দুই টাকা করে রাখা হচ্ছে। ডকুমেন্ট স্ক্যান করে মেইল করে পাঠালেই ২০ টাকা দিতে হচ্ছে তাদেরকে। টাইপিং করে প্রিন্ট আউট করলেই রাখা হচ্ছে চড়া দাম। আইডি কার্ড, হল কার্ড, সার্টিফিকেট ও ছবি লেমিনেটিং আগে ১০ থেকে ১৫ টাকা করে নেওয়া হলেও এখন তা ২০ থেকে ৩০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। ভর্তি ও চাকরি সংক্রান্ত বিভিন্ন জায়গায় আবেদন করলেও বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। টুকিটাকি চত্বরের দোকানগুলো ক্যাম্পাসের কেন্দ্রবিন্দুতে হওয়ায় সেখানে সব থেকে বেশি দাম রাখা হচ্ছে।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অর্পণ ধর জাগো নিউজকে বলেন, একই জিনিস প্রিন্ট আউট করতে পরিবহন মার্কেটে নিচ্ছে এক রেট এবং টুকিটাকি চত্বরে নিচ্ছে আরেক রেট। পরিবহনে প্রিন্ট করলে তিন টাকা নিলে টুকিটাকিতে দিতে হয় পাঁচ টাকা। টুকিটাকি চত্বর একাডেমিক ভবনগুলোর পাশে হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ওই দিকে বেশি ঝোঁকে আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে রীতিমতো ডাকাতি করছে দোকান মালিকরা।

অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী শফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, টাইপিংয়ের কাজ নিয়ে গেলে টাইপিংয়ের কাজ করি না বলে জানান দোকানিরা। চাকরির আবেদন করতে আগের তুলনায় এখন বেশি টাকা গুনতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে হওয়ায় টাকা কম নেওয়ার পরিবর্তে টাকা বাড়িয়ে নিচ্ছে। ফলে অনেক সময় ক্যাম্পাসের বাইরে গিয়ে আবেদন করতে হয় আমাদের।

অন্তরা ফটোস্ট্যাটের মালিক মনির হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, কাগজের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমাদের কিছুটা দাম বেশি নিতে হচ্ছে। যে কাজগুলো আমি পারি যত জটিল হোক শিক্ষার্থীদের করে দেওয়ার চেষ্টা করি। তবে সব দোকানদার একরকম আচরণ করবে এমনটাও না। গুটিকয়েক দোকানদার জটিল কাজগুলো করতে চায় না যার দোষারোপ আমাদের ওপর এসে পড়ে।

শিমুল কম্পিউটারের মালিক শিমুল জাগো নিউজকে বলেন, টাইপিংয়ের দাম কিছুটা বেড়েছে এবং কাগজের দাম বাড়ায় ফটোকপির দাম তুলনামূলক একটু বেশি নেওয়া হচ্ছে। ভালো পেপার হলে দাম বেশি রাখা হয় এবং পেপার নরমাল হলে দাম কিছুটা কম রাখা হয়।

jagonews24

রাবি প্রক্টর অধ্যাপক ড. আসাবুল হক জাগো নিউজকে বলেন, আমি এ কাজের তদারকির দায়িত্বে নেই। তবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যদি এমন করা হয় তাহলে অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা নেবো। আমি আজকেই ওই দপ্তরের দায়িত্বে থাকা দপ্তর প্রধানের সঙ্গে কথা বলবো এবং দোকানগুলোতে অভিযান চালাবো।

ফটোস্ট্যাট দোকানগুলোর তদারকির দায়িত্বে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেট দপ্তরের প্রধান জাহেদ আলী জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের কাছে কোনো শিক্ষার্থী অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ ছাড়া আমরা কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছি না। দাম বাড়তি নিচ্ছে এমন অভিযোগ করে দোকানের নামসহ যদি কোনো শিক্ষার্থী আমাদের কাছে আবেদন করে, আর যদি সত্যতা প্রমাণিত হয় তাহলে ওই দোকান মালিকের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেবো। প্রয়োজনে দোকান সিলগালা করা হবে।


আরও খবর

পতনের মধ্যেই শেয়ারবাজার

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




চলতি পথে তালশাঁসে তৃপ্তি

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

মধুমাস জৈষ্ঠ্য বিদায় নিয়েছে, তাতে কী? এই মাসের বিদায়ের পরও দেশের বাজারে মিলছে হরেক রকমের মৌসুমী ফল। আম, জাম, কাঁঠাল ও আনারসের পাশাপাশি রাজধানীতে তালশাঁসেরও দেখা মিলছে। ডাবের মতো কচি তালও ক্লান্ত পথিকের গলা ভিজিয়ে, শরীরকে চাঙ্গা করে তোলে।

বুধবার (১৫ জুন) ঢাকা মহানগরীর দনিয়া বাজার ও যাত্রাবাড়ী এলাকায় কয়েকজন মৌসুমি ফল বিক্রেতাকে তালশাঁস বিক্রি করতে দেখা গেছে।

যদিও গ্রাম ছাড়া কংক্রিটের নগরে তালগাছের দেখা মেলে না। তবে শহুরে মানুষের কাছে তালশাঁসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে গরম পড়লে রাজধানীর ফুটপাত ও ব্যস্ত সড়কের কোণে তালশাঁসের পসরা সাজিয়ে বসেন মৌসুমি ফল বিক্রেতারা। আর সেখানে জটলা করতে দেখা যায় ফলপ্রেমীদের।

jagonews24

সাধারণত কচি অবস্থায় তালের যে নরম বীজ খাওয়া হয়, সেটিই তালশাঁস নামে পরিচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, কচি এই তালের অনেক পুষ্টিগুণ রয়েছে। এতে ভিটামিন এ, বি, সি, জিংক, পটাশিয়াম, আয়রন ও ক্যালসিয়ামসহ আরও অনেক খনিজ উপাদান রয়েছে। এছাড়া হৃদযন্ত্রের সুরক্ষায়ও তালের ভূমিকা অপরিসীম।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার কয়েকজন মৌসুমি ফল বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গোপালগঞ্জ, খুলনা, ফরিদপুর ও বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ঢাকার পাইকারি বাজারে আসে তালশাঁস। পিস হিসেবে বিক্রির পাশাপাশি কচি তালের ভেতরের শাঁসও আলাদা আলাদা করে বিক্রি করেন তারা।

দনিয়া বাজারের মৌসুমি ফল ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবিরের বাড়ি মুন্সিগঞ্জে। তিনি তালশাঁসের পাশাপাশি নারকেলের ডাবও বিক্রি করেন। তার দোকানে আছে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু ও কলা। তালশাঁসের ব্যবসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বছর ব্যবসা ভালো হয়েছে। পাইকারি প্রতি পিস ৭ থেকে ১০ টাকা করে যাত্রাবাড়ী থেকে কিনে এনে ৩০ টাকায় বিক্রি করি।

jagonews24

আবার আলাদা করে প্রতি পিস শাঁসও ১০ টাকা করে বিক্রি করেন হুমায়ুন। কিছুদিন আগেও দিনে ৫০০ পিস তাল বিক্রি করেছেন। তবে এখন ফাঁকে ফাঁকে বৃষ্টি হচ্ছে বলে বিক্রি কিছুটা কমেছে। দিনে এখন ২০০ থেকে ২৫০ পিস তাল বিক্রি করেন তিনি।

যাত্রাবাড়ীর পাইকারি তাল বিক্রেতা কবির বলেন, তাল শক্ত হয়ে যাওয়ার কারণে এখন আগের চেয়ে বাজারে কম আসছে। এক সপ্তাহ আগেও দিনে চার-পাঁচ গাড়ি আসতো। এখন দিনে এক গাড়ি করে আসে। পাইকারি প্রতি পিস তাল ৮-১০ টাকা করে বিক্রি করি।

jagonews24

যাত্রাবাড়ী থেকে পাইকারি তাল কিনে একই এলাকার দনিয়া বাজারে নিয়ে বিক্রি করেন কালাম। মাদারীপুরের এ মৌসুমি বিক্রেতা বলেন, পাঁচ টাকা করে প্রতি পিস তাল কিনেছি, তবে আমার সাত টাকা পড়ে যাবে নিয়ে যেতে যেতে।

তিনি আরও বলেন, এখন মানুষ তাল খাওয়া কমিয়ে দিয়েছে। কারণ সিজন শেষ হওয়ার পথে। এজন্য আগের চেয়ে কম করে নিয়েছি। দনিয়াতে নিয়ে খুচরা প্রতি পিস ১৫ টাকা বা তার চেয়ে একটু বেশিতে বিক্রি করবো।

এদিকে, তালশাঁস ক্রেতাদের কয়েকজন জানালেন, চলতি পথে ক্লান্তি এলে ডাবের মতো কচি তালও গলা ভিজিয়ে দেয়। শরীরকে চনমনে (চাঙ্গা) করে। বিশেষ করে যখন গরম পড়ে, তখন এই তালশাঁস টনিকের মতো কাজ করে।


আরও খবর

পতনের মধ্যেই শেয়ারবাজার

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২