Logo
শিরোনাম

বয়সের আগেই বুড়িয়ে যাচ্ছেন কি না জানাবে যেসব লক্ষণ

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৪০জন দেখেছেন
Image

জীবনযাত্রায় অনিয়মের ফলে বয়সের আগেই অনেকে বুড়িয়ে যান। ফলে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয় কমবয়সেই। যদিও বিষয়গুলো বেশিরভাগ মানুষই অবহেলা করেন।

বেশ কিছু লক্ষণ আছে যেগুলো দেখলে বুঝতে হবে, বয়সের আগেই আপনি বুড়িয়ে যাচ্ছেন। এসব লক্ষণ দেখলে অবশ্যই স্বাস্থ্যের প্রতি আরও নজর রাখতে হবে আপনাকে। জেনে নিন লক্ষণসমূহ-

>> হাঁটার গতি ধীর হয়ে যাওয়ার লক্ষণও কিন্তু জানান দেয় যে, আপনি খুব দ্রুতই বার্ধক্যে পৌঁছেছেন। এ লক্ষণ দেখলে দৈনিক হাঁটার পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দিন। অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা জরুরি। প্রতি মিনিটে ১০০ ধাপ অতিক্রম করার চেষ্টা করুন। হাঁটার জন্য স্বস্তিদায়ক জুতা পরুন।

>> ত্বকে বাদামি রঙের দাগছোপ দেখা দেওয়া বার্ধক্যের আরও এক লক্ষণ। এসব দাগছোপ মুখ, হাত ও বাহুতে দেখা যায়। যদিও এসব দাগ ক্ষতিকারক নয়। তবে সানস্ক্রিন ছাড়া রোদে যারা বেশি সময় কাটান তাদের ত্বকে এমন ছোপ পড়তে পারে।

>> বার্ধক্যের সঙ্গে সঙ্গে স্মরণশক্তিও কমতে থাকে। নাম বা তথ্য মনে করতে বা আপনি কেন উপরে গিয়েছিলেন তা মনে করতে আপনার বেশি সময় লাগতে পারে। আলঝাইমার বা ডিমেনশিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে বয়স বাড়লে।

>> শরীরের বিভিন্ন জয়েন্টের ব্যথাও বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে। এ সময় অস্টিওআর্থারাইটিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। পুরুষের মধ্যে ৪৫ বছরের পরে ও নারীদের ৫৫ বছরের পরে এই লক্ষণ দেখা দেয়। তবে বয়সের আগে জীবনযাত্রার অনিয়মের কারণেও এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। এজন্য নিয়মিত শরীরচর্চা জরুরি।

>> বয়স বাড়তেই ত্বকের প্রাকৃতিক তেল কমে যায়। ফলে ত্বক শুষ্ক ও নিস্তেজ হয়ে পড়ে। বিশেষ করে যদি আপনার বয়স ৪০ এর বেশি হয়, তাহলে ত্বকের এ সমস্যা আরও বেড়ে যায়। এজন্য হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন।

>> বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বক পাতলা হয়ে যায় ও চর্বি হারায়। ফলে রক্তনালিগুলো আরও ভঙ্গুর হয়ে যায়। এমনকি কিছু ওষুধের কারণে ত্বকে ঘা হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। যদি ত্বকে কালশিটে বা ঘা দেখা দেয় তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

>> হঠাৎ করেই কি আপনার সিঁড়ি বেড়ে উঠতে কষ্ট হচ্ছে? এটিও কিন্তু বয়স বাড়ার লক্ষণ। তাই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এর পাশাপাশি ধীরে ধীরে সিঁড়ি বেয়ে ওঠার অভ্যাস করুন।

>> বার্ধক্য টের পাওয়ার আরও এক লক্ষণ হলো পেটে চর্বি বাড়া। বিশেষ করে মেনোপজের পরে নারীদের কোমরে চর্বি জমতে শুরু করে। কোমরের চর্বি হৃদরোগ ও টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।

কোমর ৩৫ ইঞ্চির বেশি হলেই এসব রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। অন্যদিকে পুরুষের কোমরের মাপ ৪০ এর বেশি হলেই বিপদ। তাই শরীরচর্চার মাধ্যমে অতিরিক্ত মেদ ঝরান।

>> বর্তমানে ৩০ বা ৪০ বছরের পর থেকেই চোখে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়, যার মধ্যে গ্লুকোমা, ছানি, ম্যাকুলার অবক্ষয় অন্যতম।

সূত্র: ওয়েবএমডি


আরও খবর

কাঁচা কাঁঠালের কাবাব

শুক্রবার ২০ মে ২০22




বেসরকারিভাবে হজে খরচ ৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

এ বছর বেসরকারি এজেন্সিগুলোর ব্যবস্থাপনায় হজ পালনে মাথাপিছু সর্বনিম্ন খরচ হবে ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭৪৪ টাকা।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৮ জুলাই সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। এবার বাংলাদেশ থেকে ৫৭ হাজার ৫৮৫ জন হজ পালনের সুযোগ পাবেন। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫৩ হাজার ৫৮৫ জন হজে যেতে পারবেন।

হাব সভাপতি বলেন, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের জন্য ‘সাধারণ প্যাকেজ’ নামে একটি প্যাকেজ করা হয়েছে। এছাড়াও প্রত্যেক এজেন্সি নিজ নিজ স্পেশাল প্যাকেজ করতে পারবেন। তবে কোনো প্যাকেজই হাব ঘোষিত সর্বনিম্ন প্যাকেজ মূল্যের চেয়ে কম হবে না।

তিনি বলেন, সাধারণ প্যাকেজের হজযাত্রীদের পবিত্র হারাম শরীফের বাইরের চত্বরের সীমানার এক হাজার থেকে এক হাজার ৫০০ মিটার দূরত্বে আবাসনের ব্যবস্থা করা হবে।

প্যাকেজ ঘোষণার পর সৌদি সরকার অতিরিক্ত কোনো ফি আরোপ করলে তা প্যাকেজ মূল্য হিসেবে গণ্য হবে এবং তা হজযাত্রীকে পরিশোধ করতে হবে।

শাহাদাত হোসাইন আরও বলেন, কোরবানির খরচ বাবদ প্রত্যেক হজযাত্রীকে ৪১০ সৌদি রিয়াল সমান পরিমাণ ১৯ হাজার ৬৮৩ টাকা আলাদাভাবে নিজ দায়িত্বে সঙ্গে নিতে হবে।

এর আগে গতকাল বুধবার (১১ মে) সচিবালয়ে হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নির্বাহী কমিটির সভায় সরকারিভাবে দুটি ও বেসরকারিভাবে হজ পালনের ক্ষেত্রে একটি প্যাকেজ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভা শেষে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান সাংবাদিকের হজ প্যাকেজ সম্পর্কে ব্রিফ করেন।

সরকারিভাবে হজে যেতে প্যাকেজ-১ এ ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৪০ এবং প্যাকেজ-২ এ ৪ লাখ ৬২ হাজার ১৫০ টাকা খরচ ধরা হয়েছে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে প্যাকেজে খরচ ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৬৩০ টাকা।

এ বছর প্যাকেজ-১ এর ক্ষেত্রে এক লাখ ২ হাজার ৩৪০ টাকা এবং প্যাকেজ-২ এর ক্ষেত্রে খরচ বেড়েছে ১ লাখ ২ লাখ ১৫০ টাকা।

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সৌদি সরকারের বিধিনিষেধের মুখে গত দুই বছর বাংলাদেশি হজযাত্রীরা হজ পালন করতে পারেননি।

সবশেষ ২০১৯ সালে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন হজযাত্রীরা। ২০২০ সালে প্যাকেজ ঘোষণা হলেও বাংলাদেশ থেকে কেউ হজে যেতে পারেননি। তখন হজ পালনে প্যাকেজ-১-এ ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা, প্যাকেজ-২-এ ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং প্যাকেজ-৩-এ খরচ ধরা হয়েছিলো ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা। তখন হজ প্যাকেজগুলো বেসরকারি হজযাত্রীদের জন্যও প্রযোজ্য ছিল।


আরও খবর



অনুশীলন না করলেও সাকিবকে কেন পেতে মরিয়া ছিল বাংলাদেশ?

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩২জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিনের প্রথম সেশনে এক ওভারও হাত ঘোরাননি সাকিব আল হাসান। দ্বিতীয় সেশনেও প্রথম ১১ ওভারে বোলিংয়ে দেখা মেলেনি সাকিবের। ততক্ষণে শুরু হয়ে যায় ফিসফাস, গুঞ্জন- তবে কি বোলিং করার মতো যথেষ্ট ফিট নন সাকিব? যদি তা না হন, তাহলে তাকে কেন একাদশে নেওয়া?

এসব প্রশ্ন ধোপে টেকেনি। ইনিংসের ৩৬তম ওভারে আক্রমণে আসেন সাকিব, করেন টানা ১০ ওভার বোলিং। সেই ১০ ওভারের পাঁচটিই ছিল মেইডেন, অন্য পাঁচ ওভারে দেন মাত্র ৯ রান। দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে যে লাগামছাড়া ব্যাটিং করছিল শ্রীলঙ্কা, সেটি থামে মূলতঃ সাকিব আক্রমণে আসার পরই।

দিনের খেলা শেষে সাকিবকে দলে নেওয়ার পেছনে ঠিক এটিই জানালেন বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ রঙ্গনা হেরাথ। সাকিবের মানের খেলোয়াড় অনুশীলন না করলেও মাঠে যে সবসময় সেরাটাই পাওয়া যায়- সেটিই বলে গেছেন হেরাথ। পাশাপাশি সাকিবের উপস্থিতিও দলের বড় শক্তি বলে মনে করেন এ লঙ্কান কোচ।

করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন সাকিব। মাত্র একদিন অনুশীলন করতে পেরেছিলেন। সেই অনুশীলনেও শুধু ৩৫ মিনিট ব্যাটিং ছাড়া বোলিং-ফিল্ডিং করেননি। শুধু ব্যাটিং দিয়েই ম্যাচ ফিট হিসেবে সাকিবকে খেলিয়েছে বাংলাদেশ।

তাই একপ্রকার ঝুঁকি থাকলেও নিজের বোলিংয়ে সেই ছাপ পড়তে দেননি সাকিব। প্রথম দিন ১৯ ওভার বোলিং করে সাত মেইডেনসহ মাত্র ২৭ রান খরচায় ধনঞ্জয় ডি সিলভার উইকেট নিয়েছেন তিনি। সারাদিনে তেমন কোন আলগা ডেলিভারি বের হয়নি সাকিবের হাত থেকে।

তাই তো দিন শেষে হেরাথ বললেন, 'সাকিবের মানের ক্রিকেটার খুব বেশি নেই। সে হয়তো কোনো অনুশীলন করেনি। কিন্তু আজ তার প্রথম বলটিই ছিল নিখুঁত। যা এক কথায় অসাধারণ। আমাদেরও তার ওপর অনেক আস্থা।'

তিনি আরও যোগ করেন, 'সাকিব আজ খুবই ভালো বল করেছে। সে-ই সবচেয়ে ইকোনমিকাল বোলার। আমি ১০০ ভাগ আত্মবিশ্বাসী তার সামর্থ্যে। কোনো অনুশীলন না করলেও তার ওপর আমার আস্থা থাকবে।'

সাকিব দলে থাকলে বাড়তি সুবিধার কথা জানিয়ে হেরাথের মন্তব্য, 'সাকিব থাকলে দলের মধ্যে ভালো একটা ভারসাম্য তৈরি হয়। সে না থাকলে আমাদের এমন কাউকে খুঁজে বের করতে হয় যে ব্যাট ও বলে অবদান রাখতে পারবে। সে যদি সবসময় খেলে, তাহলে দলও সবসময় ভারসাম্যপূর্ণ হবে।'

সাকিব ছাড়াও প্রথম দিন উইকেটের খাতায় নাম তুলেছেন অন্য দুই স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও নাইম হাসান। প্রায় ১৪ মাস পর টেস্ট ক্রিকেটে ফিরে নিজের প্রথম ওভারেই আঘাত হেনেছিলেন নাইম। প্রথম সেশনে তিনিই নেন ২ উইকেট। পরে জুটি ভেঙে কুশল মেন্ডিসকে ফেরান তাইজুল।

এ দু’জনের প্রশংসায় হেরাথ বলেছেন, 'টেস্টের প্রথমদিন হিসেবে ওরা আজ যা করেছে তাতে আমি খুবই খুশি। বিশেষ করে সাকিব ও তাইজুল খুব ভালো করেছে। গত ১৮ মাসে (১৪ মাস) নাঈম খুব বেশি টেস্ট ম্যাচ খেলেনি। তবে সে অনুশীলনের মধ্যে ছিল। ভাগ্য ভালো, শুরুতে উইকেট পেয়ে যাওয়ায় সে আত্মবিশ্বাসী অনুভব করতে শুরু করে।'


আরও খবর



আধুনিক পেট্রল বোট এলো সোঙ্গা চিতায়, যুক্ত হলো চট্টগ্রাম বন্দরে

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৪০জন দেখেছেন
Image

ধীরে ধীরে চট্টগ্রাম বন্দরে যুক্ত হচ্ছে আধুনিক যন্ত্রপাতি। এতে সক্ষমতা বাড়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও সুনাম বাড়বে চট্টগ্রাম বন্দরের। নিজেদের বহরে সর্বশেষ আধুনিক পেট্রল বোট সংযোজন করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। প্রায় ২২ কোটি টাকায় কেনা বোটটি ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। ইতালি থেকে সরাসরি কন্টেইনার বহনকারী জাহাজ সোঙ্গা চিতায় বোটটি এসেছে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, ইতালির সালেরনো বন্দর থেকে গত ১৮ এপ্রিল জাহাজটি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে। ২৬ দিনের যাত্রা শেষে ১৪ মে বিকেলে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে আসে। রোববার (১৫ মে) সকালে সোঙ্গা চিতা বন্দরের চিটাগাং কন্টেইনার টার্মিনালে (সিসিটি) এটি বার্থিং করে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সহকারী টার্মিনাল ম্যানেজার মুহাম্মদ কামরুল ইসলাম মজুমদার জাগো নিউজকে বলেন, রোববার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে কন্টেইনার ভ্যাসেল সোঙ্গা চিতা সিসিটিতে বার্থিং করেছে।

সূত্রে জানা গেছে, ১৬ দশমিক ৫ মিটার দৈর্ঘ্যের এবং এক দশমিক ২ মিটার গভীরতার হেভি ডিউটি হাইস্পিড পেট্রল বোটটি ইতালি থেকে চট্টগ্রামে এসেছে। পেট্রল বোটটি জাহাজ থেকে নামানোর পর কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স শেষে বন্দরের নৌবিভাগ এটি ট্রায়াল দেবে। এটি বন্দরের ১নং জোনাল বার্থের সার্ভিস জেটিতে রাখা হবে বলে জানা গেছে।

jagonews24

পাইলট কাম হেভি ডিউটি হাইস্পিড বোটটি বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২২ কোটি টাকায় কেনা হয়। বোটটিতে আধুনিক নেভিগেশনাল যন্ত্রপাতি, স্যাটেলাইট রাডার, স্যাটেলাইট কম্পাস, ২টি ইঞ্জিন, ৩টি জেনারেটরসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি রয়েছে। মোট ১৬ জন মানুষ বসতে পারবে বোটটিতে।

এসব বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উপ-সংরক্ষক ক্যাপ্টেন ফরিদুল আলম বলেন, ইতালি থেকে কেনা পাইলট কাম হেভি ডিউটি হাইস্পিড বোডটি দুর্যোগপূর্ণ যেকোনো আবহাওয়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সক্ষম। এটি কোনো কারণে উল্টে গেলেও আবার আগের অবস্থানে ফিরে যেতে সক্ষম। বোটটি ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার বেগে চলতে পারে বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বন্দরের সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, পেট্রল বোটটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির। এ বোটটি বহির্নোঙর থেকে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর পর্যন্ত দ্রুততম সময়ে পাইলটদের আনা-নেওয়া করবে। তাছাড়া বহির্নোঙরসহ সাগরে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুত উদ্ধার কাজেও ব্যবহার করা যাবে। বোটটি পরিচালনার জন্য ১০ জন কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে বলে জানান এ কর্মকর্তা।


আরও খবর



সুপ্রিম কোর্টে তথ্য কর্মকর্তা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২০জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে তথ্য প্রদান ইউনিট চালু এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগে যথাযথ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে রেজিস্ট্রার জেনারেল বরাবর লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

সোমবার (১৬ মে) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির এ নোটিশ পাঠান।

নোটিশ হাতে পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে তথ্য প্রদান ইউনিট চালু এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগের যথাযথ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এর ব্যর্থতায় উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হবো বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়। নোটিশ পাঠানোর বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়, আমি, নিম্ন স্বাক্ষরকারী সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারাবদ্ধ সচেতন নাগরিক হিসেবে এই মর্মে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করছি যে, তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের নিমিত্তে বিধান করার লক্ষ্যে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ (২০০৯ সনের ২০ নং আইন) প্রণয়ন করা হয়।

আইনের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধানে চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা নাগরিকগণের অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত এবং তথ্য প্রাপ্তির অধিকার চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

জনগণ প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক ও জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক। জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা হলে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং সরকারি ও বিদেশি অর্থায়নে সৃষ্ট বা পরিচালিত বেসরকারি সংস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে, দুর্নীতি হ্রাস পাবে ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।

আরও বলা হয়, আইনের ধারা ৩ মতে অন্যান্য প্রচলিত আইনের বিধানাবলীর উপর উক্ত আইনের বিধানাবলী প্রাধান্য পাবে। উক্ত আইনের ধারা ৪ মতে কর্তৃপক্ষের নিকট হতে প্রত্যেক নাগরিকের তথ্য লাভের অধিকার থাকবে এবং কোন নাগরিকের অনুরোধের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে তথ্য সরবরাহ করতে বাধ্য থাকবে।

আইনের ধারা ২(খ)(অ) এ প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুসারে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এই আইনের আওতাধীন একটি কর্তৃপক্ষ। উক্ত আইনের ধারা ১০ অনুযায়ী তথ্য সরবরাহের নিমিত্ত প্রত্যেক কর্তৃপক্ষ তথ্য প্রদান ইউনিটের জন্য একজন করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করবে। উক্ত আইনের বিধানের প্রতিপালনে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু আইন প্রণয়নের এক যুগেরও অধিক সময় অতিবাহিত হলেও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে এমন কোন কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

এমতাবস্থায় নাগরিকের তথ্য লাভের অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর বিধান প্রতিপালনের নিমিত্তে অনতিবিলম্বে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে তথ্য প্রদান ইউনিট চালু এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা অত্যাবশ্যক।

অতএব, নোটিশ পাওয়ার ৭ (সাত) দিনের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে তথ্য প্রদান ইউনিট চালু এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগের নিমিত্তে যথাযথ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন, ব্যর্থতায় উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হতে আমি বাধ্য হবো।


আরও খবর



এক রাতেই ছয় শতাধিক ইউক্রেনীয় সেনা নিহত: রাশিয়া

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
Image

এক রাতেই ছয় শতাধিক ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এমন দাবি করা হয়েছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

টেলিগ্রামের এক পোস্টে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের একাধিক সামরিক পোস্ট এবং সামরিক যানে আঘাত হেনেছে রাশিয়ার কামান।

ইউক্রেনের কিরোভোহরাদ অঞ্চলের কানাটোভো বিমানঘাঁটি এবং দক্ষিণের মাইকোলাইভ শহরে একটি বড় গোলাবারুদের ডিপোতেও হামলা চালানো হয়েছে।

এছাড়া ইউক্রেনে পশ্চিমা অস্ত্রের প্রবেশ ঠেকাতে একাধিক রেলস্টেশনসহ অন্যান্য সরবরাহ লাইনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। পশ্চিমা দেশগুলো ‘অস্ত্র দিয়ে ইউক্রেন ভর্তি’ করছে বলেও অভিযোগ করেছে তারা।

রুশ সামরিক বাহিনী বলেছে, তারা সমুদ্র ও আকাশ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে ইউক্রেনের বেশ কয়েকটি রেলস্টেশনের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে। এছাড়া কামানের গোলা ও বিমান হামলার মাধ্যমে ইউক্রেনীয় বাহিনীর জ্বালানি ও গোলাবারুদের ডিপোতে আঘাত করা হয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেজর জেনারেল ইগর কোনাশেনকভ বলেছেন, ইউক্রেনের রেল অবকাঠামোতে হামলার উদ্দেশ্য ছিল পশ্চিমা অস্ত্র সরবরাহ ব্যাহত করা। রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু অভিযোগ করেছেন, পশ্চিমারা ইউক্রেনকে অস্ত্রে ভরে দিচ্ছে।


আরও খবর