Logo
শিরোনাম

দাম্পত্য কলহে কুয়ায় ঝাঁপ স্বামীর! উদ্ধার করে পুলিশের মিষ্টিমুখ

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

সংসারে ঝগড়া চলছিলই। কথা বলেও দাম্পত্য কলহের সমাধান করাতে পারেনি প্রতিবেশীরা। শুক্রবার (১৭ জুন) সকালে আবারও ঝগড়া শুরু হতেই দৌড়ে গিয়ে কুয়ায় ঝাঁপ দিলেন স্বামী। এরপর প্রতিবেশী ও পুলিশের ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় উপরে তোলা হয় তাকে। পরে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয় হাসপাতালে। কিছুটা সুস্থ করিয়ে মিষ্টির প্যাকেট নিয়ে আসে পুলিশ। সঙ্গে অনুরোধ, আর বিবাদ নয়। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায়।

স্থানীয়রা জানান, অন্তত বছর পনেরো আগে পেশায় গাড়ির মিস্ত্রি নাসু শেখ ও ঝুমা বিবির মধ্যে বিয়ে হয়েছে। তাদের মেয়ের বয়স ১১ ও ছেলের ৭। তাদের মধ্যে নানা বিষয়ে বিবাদ লেগেই থাকতো। ঝগড়া হতো নাসুর নেশা করা নিয়েও। বৃহস্পতিবার বিকেলেও দম্পতির মধ্যে ঝগড়ার খবর পৌঁছেছিল থানায়। তখন এক পুলিশ কর্মী বাড়িতে এসে দু’জনের সঙ্গে কথা বলেন।

কিন্তু বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ফের দম্পতির মধ্যে কথা কাটাকাটির আওয়াজ কানে আসে প্রতিবেশীদের। সকালে তারা জানতে পারেন কুয়ায় ঝাঁপ দেওয়া কথা। এরপর প্রতিবেশীরা মিলে ছুটে যান উদ্ধারে। থানায় খবর পৌঁছতেই আবারও ছুটে আসে পুলিশ। উদ্ধার করা হয় নাসুকে।

চিকিৎসা শেষে পুলিশের গাড়িতেই তাকে ঘরে ফেরানো হয়। শেষে ওসি (মহম্মদবাজার) তপাই বিশ্বাসের কথায় ট্রাফিক ওসি বিদ্যাসাগর পাল ছোটেন মিষ্টি কিনতে। পুলিশের সামনে পরস্পরকে মিষ্টিমুখ করান ওই দম্পতি। বিদ্যাসাগর তাদের অনুরোধ করেন ঝগড়া মিটিয়ে নিতে।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা


আরও খবর



রাবি ছাত্রকে মারধর: ছাত্রলীগের ৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ১১জন দেখেছেন
Image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মধ্যরাতে মারধর করে রুম থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা শামীম হোসেনসহ দুইজনেক হল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে হল প্রশাসন। এছাড়া শামীম হোসেনের অনুসারী তাসকীফ আল তৌহিদকে হল থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ঘটনা ক্ষতিয়ে দেখতে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুন) রাতে নবাব আব্দুল লতিফ হলের প্রাধ্যক্ষ এইচ এম মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, শুক্রবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা ৭টায় এক জরুরি সভা করে হল প্রশাসন। সভায় আবাসিক শিক্ষকদের নিয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। ড. মো. হামিদুল ইসলামকে আহ্বায়ক, ড. অনিক কৃষ্ণ কর্মকার ও ড. মো. আব্দুল কাদেরকে সদস্য করে এ কমিটি গঠন করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেনের অনুসারী তাসকীফ আল তৌহিদ মারধরের ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকায় তাকে হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

এদিকে সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম হোসেনের শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ায় ও পারভেজ হাসান জয় বঙ্গবন্ধু হলের নিবন্ধিত ছাত্র হওয়ায় তাদের অতিদ্রুত হল ত্যাগের নির্দেশ দেয় হল প্রশাসন। একই সঙ্গে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারণে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাধ্যক্ষ এইচ এম মাহবুবুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, মধ্যরাতে শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটায় রাতে হলের আবাসিক শিক্ষকদের নিয়ে জরুরি মিটিংয়ে বসি। সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেন অবৈধভাবে এই হলে থাকতেন, যে কারণে তাকে বহিষ্কার করার সুযোগ নেই। সেজন্যে তাকে ও পারভেজ হাসান জয়কে
দ্রুত হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকায় এক ছাত্রলীগকর্মীকে হল থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কারও করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নবাব আব্দুল লতিফ হলের আবাসিক ও রসায়ন বিভাগের দ্বিতীয়বর্ষের শিক্ষার্থী মুন্না ইসলামকে মারধর করে বিছানাপত্র বাইরে ছুড়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে অত্র হলের শামীম হোসেনের বিরুদ্ধে। হলটির ২৪৮ নম্বর কক্ষে থাকতেন মুন্না। এর পরিপেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর হলের সামনে অবস্থান নেন।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ: চমেক জুড়ে ইউটিউবারদের দৌরাত্ম্য

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

‘এখন ডিজিটাল যুগ। সব শ্রেণি-পেশার মানুষ যেকোনো তথ্যের জন্য অনলাইনে চোখ রাখেন। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বেড়েছে ব্যক্তিগত চ্যানেল ও অনলাইন একাউন্ট। ইউটিউবসহ নানা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন মাধ্যমে বাড়ানো হচ্ছে ভিউয়ার। ভিউ বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে অনলাইনে আয়। এটি দেখে এসব অনলাইন একাউন্ট হোল্ডারদের মাঝে শুরু হয় ‘ভিউয়ার বাড়ানোর’ অসুস্থ প্রতিযোগিতা। তাই যেকোনো দুর্যোগের অসত্য তথ্যও প্রচার করে বিভ্রান্তি ছড়ান। সীতাকুণ্ড ট্র্যাজেডিতেও একইরকম কাণ্ড ঘটেছে।

সীতাকুণ্ড ট্র্যাজেডিতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তিদের রক্ত দিতে আসা একাধিক মানুষ এমনটাই অভিযোগ করেছেন।

নিজেদের নাম ও ভিডিও প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখি দ্বগ্ধ ও আহতদের চিকিৎসায় রক্তের জন্য চমেকে হাহাকার চলছে। স্ট্যাটাস ছাড়াও যার ভিডিও বার্তাও প্রচার হচ্ছিল ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেসবুক পেজে। এমনভাবে প্রচার হচ্ছিল যে, পাষাণ হৃদয়ের মানুষটিও হাসপাতালে ছুটে এসেছে। কিন্তু এসে জানা গেলো পোড়া রোগীর চিকিৎসায় তেমন রক্তের দরকার পড়ে না। ফলে রক্তের জন্য হাহাকার পড়েনি। কিন্তু এখানে বিষয়টি এমনভাবে প্রচার হচ্ছিল, যে কেউ দেখেই আহতদের প্রাণ রক্ষায় ছুটে এসেছেন চমেকে। এভাবে লোকের জটলা বেড়েছে।

jagonews24

এসব অসত্য তথ্য প্রচার নিয়ে উদ্বেগ ও বিরক্তি প্রকাশ করেছেন স্বয়ং চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমানও। প্রেস ব্রিফিংকালে ডিসি মমিন বলেন, ‘অননুমোদিত অনলাইন চ্যানেল ও সামাজিক পেজে সীতাকুণ্ডের অগ্নি দুর্ঘটনায় হতাহতসহ নানা বিষয় নিয়ে অসত্য তথ্য প্রচার করা হয়েছে। এটি মোটেও শুভ নয়। ডিজিটালাইজেশনে অনলাইনে আয়ের পথ থাকায় এমন স্পর্শকাতর বিষয় নিয়েও মনগড়া কথা প্রচার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে। এটি মোটেও কাম্য নয়।’

সরেজমিনে দেখা গেছে, সীতাকুণ্ডে অগ্নি দুর্ঘটনায় সৃষ্ট মানবিক সংকটে সব পেশার লোকজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে সহায়তা দিচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস, সেনা, আনসারসহ সরকারি সকল বিভাগের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন স্বেচ্ছাসেবী নানা সংগঠন। এসেছেন শিক্ষার্থী, যুবকসহ নানা পেশার মানবিক মানুষগুলো।

আহতদের উদ্ধার, হাসপাতালে আনাসহ সকল কাজে স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রশাসনকে সহযোগিতা দিচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবী টিম। কিন্তু চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ইমার্জেন্সি গেটসহ সব সেবাস্থলে প্রয়োজনের অধিক স্বেচ্ছাসেবীর উপস্থিতি জটলা ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করে। স্বেচ্ছাসেবীর পোশাকে দাঁড়ানো অনেক উৎসুক তরুণ দায়িত্ব পালনের পরিবর্তে লাইভ প্রচার করছিলেন। ভিডিও ধারণ করে প্রচার করছিলেন নিজস্ব বা দলগত ইউটিউব চ্যানেল বা টাকার বিনিময়ে অন্যের চ্যানেলে।

আহত রোগী নিয়ে কোনো অ্যাম্বুলেন্স কিংবা সিএনজি অটোরিকশা এলেই মোবাইল ফোন ধরা অসংখ্য হাত সেই গাড়িকে ঘিরে ধরছে। এদের কারণে স্বেচ্ছাসেবী কিংবা স্বাস্থ্যকর্মী কেউ যথাযথ দায়িত্বপালন করতে পারছিলেন না। কোনো ভিডিও কিংবা ছবি নিতেও পারছিলেন না মূলধারার গণমাধ্যম কর্মীরা।

jagonews24

জেলা প্রশাসন কিংবা অন্য সরকারি সংস্থার ব্রিফিংয়েও গণমাধ্যমের ক্যামেরার আগে ব্যক্তিগত বা সামষ্টিক অনলাইন চ্যানেলগুলোর মোবাইল ক্যামেরা ভিড় জমিয়ে জটলা করেছে। এতে বাড়িয়েছে বিড়ম্বনা।

পতেঙ্গা থেকে রোগী নিয়ে আসা এনজিওকর্মী এরশাদুজ্জামান বলেন, সীতাকুণ্ড ট্র্যাজেডি চরম হৃদয় বিদারক। এমন সংকটে সেবায় এগিয়ে আসা বড় মানবিকতা। এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের যুগ বলা চলে। অনেক তথ্য প্রচার মাধ্যমের আগে লোকজন এখান থেকে জানতে পারছেন। আমরাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই সীতাকুণ্ডের বিষয়টি জেনেছি। কিন্তু অনেকে কাল্পনিক তথ্য প্রচার করে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। প্রশাসনিক কোনো অথরিটির বক্তব্য না নিয়ে নিজেদের মতো করে হতাহতসহ রাসায়নিক বিষক্রিয়ার তথ্য প্রচার করা হয়েছে। এতে ছড়িয়েছে আতংক। নিজের চ্যানেলের কাটতি বাড়িয়ে, কিছু আর্থিক লাভের আশায় এমন হটকারি প্রচারণা সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য চরম ক্ষতিকর।

jagonews24

এদিকে নিজেদের চ্যানেলের ভিউয়ারদের সর্বশেষ আপডেট জানাতে চট্টগ্রাম শহর ও আনাচে-কানাচের অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টসহ ঢাকা এবং অন্য জেলা শহরের পরিচিত ইউটিউবাররাও হাসপাতাল এলাকায় এসে রোববার মধ্যরাত পর্যন্ত লাইভ দিয়ে নিজেকে জাহির করেছেন। অনেকে নিয়ে এসেছেন বন্ধু ও সমর্থকদের বিশাল বহর। এরা আবার নিরাপত্তাকর্মীদের ঠেলে ইমার্জেন্সি কক্ষে প্রবেশ করেও লাইভ করেছেন।

এসব দেখে সেনাবাহিনী ও র্যাব জরুরি বিভাগের সামনে ও আশপাশ এলাকায় অতিরিক্ত স্বেচ্ছাসেবক এবং এসব ইউটিভারদের সরিয়ে দিলে ভোগান্তি কমে।

এদিকে ডিপোতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও আগুনে রোববার রাত ১২টা পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৪৯ জন বলে জানিয়েছিলেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. ইলিয়াছ হোসেন চৌধুরী।

তবে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান ব্রিফিংয়ে জানান, এ সময় পর্যন্ত নিহত ৪৬ জনের তথ্য এসেছে তাদের কাছে। আর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরো ১৬৩ জন।

jagonews24

শনিবার (৪ জুন) রাত ৯টার দিকে সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি এলাকায় বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করার সময় রাসায়নিক থাকা একটি কনটেইনারে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এটার পর আরো একাধিক কন্টেনার বিস্ফোরণ হয় বলে জানান আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করা প্রশাসনের টিম। এতে কয়েকশ মানুষ আহত হন। তাদের মধ্যে ডিপোর শ্রমিক, স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও রয়েছেন।

ঘটনার পরপরই আহতদের অধিকাংশকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এছাড়া অনেককে ভর্তি করা হয়েছে নগরীর অন্যান্য হাসপাতালেও। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের ৯ কর্মীও রয়েছেন।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




পদ্মা সেতু নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে বিএনপি নেতা গ্রেফতার

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

পদ্মা সেতু নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তির অভিযোগে আবুল কালাম আজাদ (৪২) নামে এক বিএনপি নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাসেমের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার আবুল কালাম আজাদ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর চরহাজারী ইউনিয়ন বিএনপির সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক। তিনি ওই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আবুল হাসেম প্রকাশ ভূঁইয়ার ছেলে।

নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি রাতে জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত শুক্রবার (২৪ জুন) একটি বেসরকারি টেলিভিশনের ফেসবুক পোস্টে আবুল কালাম আজাদ নিজের ফেসবুক আইডি থেকে পদ্মা সেতু নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেন। পরে তদন্ত করে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাদেকুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, আবুল কালাম আজাদকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে। জব্দ করা হয়েছে তার মোবাইল ফোন। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মামলা রয়েছে।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




স্বপ্নের দেশে আগ্নেয়াস্ত্রের অভিশাপ

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
Image

সহপাঠীর চেহারা দেখতে ভালো লাগছে না। ব্যস এইটুকু কারণেই গুলি ছুড়ে দেয় ৭ বছরের এক শিশু। অবুঝ শিশুর এমন কর্মকাণ্ডকে হালকাভাবে নেওয়ার হাজারো যুক্তি দেওয়া যায়। কিন্তু ১৮ বা তার বেশি বয়সীরা যখন নিজ স্কুলে বিনা কারণেই ব্রাসফায়ার করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের খুন করে, তখন এর সরল ব্যাখ্যা হয় না। যুক্তরাষ্ট্রে দিনে-দুপুরে সবার সামনে অহরহই ঘটে এমন লোমহর্ষক ঘটনা। বিশ্বজুড়ে গণমাধ্যমে বিষয়গুলো গুরুত্ব পেলেও মার্কিনিদের কাছে বন্দুক হামলার ঘটনা অনেকটা ডাল-ভাতের ব্যাপার হয়ে গেছে।

স্বপ্নের আমেরিকায় দুঃস্বপ্নের নাম এখন অস্ত্র সহিংসতা। আগ্নেয়াস্ত্র রাখা মার্কিনিদের সাংবিধানিক অধিকার। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে এটি নিশ্চিত করা হয়েছে। কিন্তু এই অধিকারের অপপ্রয়োগে ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে স্বাভাবিক মৃত্যুর অধিকার। সড়ক, হাট-বাজার, স্কুল, উপাসনালয় কিংবা নিজ ঘর কোথাও আর নিরাপদ নন নাগরিকরা। যখন তখন যে কেউ বন্দুক নিয়ে গুলি ছুড়ছে। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৬৮ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ৫০ বছরে ১৫ লাখের বেশি মার্কিনি গুলিতে নিহত হয়েছেন। দেশটির স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে আড়াইশো বছরে সব যুদ্ধে নিহতদের সংখ্যা যোগ করা হলেও এর বেশি হবে না। গত পাঁচ বছরে বন্দুক হামলার সংখ্যা বেড়েছে ২৫ শতাংশ। আর ১০ বছরে ৪৩ ভাগ।

অস্ত্র দিয়ে হামলা প্রতি লাখে ১১ মার্কিনির মৃত্যু হয়। এই তালিকায় বিশ্বে ২০তম অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে উন্নত বিশ্বের তুলনায় বন্দুক হামলার নিহতের এই হার কয়েকগুণ বেশি। পিউ রিসার্চ বলছে, এই সহিংসতায় অস্ট্রেলিয়ায় প্রতি লাখে নিহত হন একজন। স্পেন ও জার্মানিতে একজনেরও কম। কানাডায় সোয়া দুই ও ফ্রান্সে পৌনে তিন।

অস্ত্র সহিংসতার তথ্য নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা-গান ভায়োলেন্স আর্কাইভের তথ্য মতে, বর্তমানে গড়ে প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে গুলিতে ৪৭ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। তবে এর অর্ধেকের বেশি মৃত্যু আবার আত্মহত্যায়। বিশ্বে আত্মহত্যার শীর্ষ তিন দেশ হলো ভারত, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র। বন্দুক সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতনতার কাজ করা বেসরকারি সংগঠন স্যান্ডি হুক বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ১২ শিশুর মধ্য একজন বন্দুক হামলায় নিহত হয়।

গত ৫০ বছরে স্কুলে দুই হাজারের বেশি বন্দুক হামলা হয়েছে। যার অর্ধেকই হয়েছে গত ১০ বছরে। নিজ ঘরেই ভয়াবহ ঝুঁকিতে থাকে ৪৬ লাখ শিশু। এসব ঘরে সেফটি লক খোলা বা গুলিভর্তি পিস্তল-বন্দুক থাকে। বাবা-মা, অভিভাবকদের অর্ধেকই এই ভুল ধারণার মধ্যে থাকে যে, বন্দুক-পিস্তল কোথায় রাখা হয়েছে; সেটি জানে না তাদের সন্তানরা।

মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র-সিডিসির তথ্য বলছে, বছরে প্রতি পাঁচজনের একজন মার্কিনি দুশ্চিন্তাসহ নানান মানসিক সমস্যার শিকার হন। তবে ৬০ শতাংশই কোনো ধরনের চিকিৎসা নেন না। এছাড়া ৩২ কোটি মানুষের দেশটিতে অন্তত ১ শতাংশ লোক সিজেফ্রেনিয়ার মতো মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত। সংখ্যার হিসাবে যা হতে পারে ৩২ লাখ। মানসিক স্বাস্থ্যের এই করুণ অবস্থা শুধু বয়স্কই নয়, শিশুদের মধ্যেও রয়েছে।

এত এত তথ্য-সমীক্ষা একটি বিষয় স্পষ্ট করছে, যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহভাবে বাড়ছে বন্দুক হামলার ঘটনা। কিন্তু এর কারণ কী? মোটা দাগে অন্তত তিনটি কারণ পাওয়া যায়।
১. বন্দুকের সংখ্যা ও শিথিল আইন।
২. মানসিক সমস্যা।
৩. বর্ণ বৈষম্য।

সুইডিশভিত্তিক গবেষণা প্রকল্প স্মল আর্মস সার্ভে বলছে, প্রতি একশো আমেরিকানের কাছে রয়েছে ১২০টি আগ্নেয়াস্ত্র। ৩২ কোটি মানুষের হাতে রয়েছে ৩৯ কোটি অস্ত্র। নাগরিকদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র থাকার এই তালিকায় বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রই শীর্ষে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনে প্রতি একশোজনে অস্ত্রের সংখ্যা ৫২ দশমিক ৮।

অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে তা অর্ধেকেরও কম। দেশটির বেশিরভাগ রাজ্যে প্রাপ্ত হলেই অনলাইনে অস্ত্র কিনতে পারেন যেকোনো নাগরিক। এছাড়া ২৫টি রাজ্যে লাইসেন্স ছাড়াই প্রকাশ্যে অস্ত্র সঙ্গে রাখার আইনি সুবিধা রয়েছে। বন্দুক সহিংসতার বিভিন্ন লোমহর্ষক ঘটনার পর বারবার অস্ত্র আইন শক্ত করার দাবি উঠলেও স্বার্থবাদীদের কারণে তা ধোপে টেকে না। যার মধ্যে অন্যতম বন্দুক রাখার অধিকার নিয়ে কাজ করা দেড়শো বছরের পুরোনো অ্যাডভোকেসি গ্রুপ-ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন অব আমেরিকা বা এনআরএ। এর সদস্য সংখ্যা ৫০ লাখের বেশি।

বন্দুক আইন শিথিল রাখার ক্ষেত্রে আইনপ্রণেতা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সবার পেছনেই অর্থ খরচ করে এই সংস্থাটি। এই কাজে এনআরএ’র মতো সংগঠনগুলো যে পরিমাণ অর্থ খরচ করে; তা আগ্নেয়াস্ত্র সহিংসতা প্রতিরোধ ও শক্ত আইন তৈরির জন্য জনসচেতনতায় খরচের চেয়ে অনেক বেশি।

প্রথাগতভাবে নাগরিকদের একটি বড় অংশই আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণে শক্ত আইনবিরোধী। পিউ রিসার্চ বলছে, অর্ধেক মার্কিনি শক্ত আইনের পক্ষে থাকলেও বিপক্ষে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছেন ৩৫ শতাংশ নাগরিক। এই হার গ্রামে অনেক বেশি। বিশেষ করে রিপাবলিকান দলের সমর্থক গ্রামের মানুষদের মধ্যে ৭১ শতাংশ মনে করেন, স্কুল-কলেজে শিক্ষকদের সঙ্গে আগ্নেয়াস্ত্র থাকা উচিত। শহরের রিপাবলিকানদের মধ্যে এমন মত ধারণ করেন ৫৬ শতাংশ।

যুক্তরাষ্ট্রজুড়েই বর্ণবৈষম্য এখনো প্রকট। শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদ ঘৃণিত হলেও ব্যাপকভাবে চর্চিত হচ্ছে। যার ধারকরা ‘রিপ্লেসমেন্ট থিওরি’ বা প্রতিস্থাপন তত্ত্বের মতো ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাসী। ট্রাম্প জমানায় শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীরা পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় মদত, যা এখন ফুলে ফেঁপে অতিকায় দানব আকৃতি নিয়েছে।

মূলত ২০ শতকে ফরাসি জাতিয়তাবাদী ধারণা থেকে এসেছে এই রিপ্লেসমেন্ট থিওরি। যাতে শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদীরা বিশ্বাস করেন, ধীরে ধীরে তাদের স্থান দখল করে নিচ্ছে অশ্বেতাঙ্গরা। এটি একটি পরিকল্পনামাফিক করা হচ্ছে। মিথ্যা এই ধারণার পালে হাওয়া লাগে ২০১১ সালে ফরাসি লেখক রেনু কামুর হাত ধরে।

যুক্তরাষ্ট্রে যা ঘরে ঘরে ছড়িয়েছেন ফক্স নিউজের উপস্থাপক টাকার কার্লসন। টক শোক টাকার কার্লসন টু নাইট নামে অনুষ্ঠানের ৪শ’ পর্ব নিয়ে গবেষণা করেছে মার্কিন গণমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস। যাতে উঠে এসেছে, অভিবাসীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের জনমিতি পরিবর্তন করা হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হচ্ছে শ্বেতাঙ্গদের। বিভিন্ন রাজ্যে দ্রুত কমছে তাদের হার।

বর্তমান বিশ্বে অস্ত্র সরবরাহকারী শীর্ষ পাঁচটি কোম্পানির সবকটিই যুক্তরাষ্ট্রের। বিভিন্ন দেশকে নিরাপত্তার নামে অস্ত্র বিক্রি; কখনওবা দুই দেশের ঝগড়ার ফায়দা নিয়ে অস্ত্রচুক্তি। এ সবেরই নেতৃত্ব দিচ্ছে তারা। এছাড়া বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্রের মুখোশ পরে ধ্বংস করেছে বহু দেশ। যাতে মরেছে লাখ লাখ মানুষ। পাপ বাপকেও ছাড়ে না। মানুষ মারার এই খেলা চলে এসেছে আজ নিজ অন্দরেই। প্রতিটি মার্কিনির মনেই অন্য মার্কিনিকে নিয়ে ভয়। কখন সে গুলি করে দেয়।

লেখক: নিউজ এডিটর, চ্যানেল 24।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




নাসা গ্রুপে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ পদে চাকরি

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ২৪জন দেখেছেন
Image

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান নাসা গ্রুপে ‘সিনিয়র এক্সিকিউটিভ’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২১ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম : নাসা গ্রুপ
বিভাগের নাম: অ্যাকাউন্টস (নিটিং অ্যান্ড ডাইয়িং)

পদের নাম: সিনিয়র এক্সিকিউটিভ
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিবিএ/এমবিএ (অ্যাকাউন্টিং/ফাইন্যান্স)
অভিজ্ঞতা: ০৪ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: ২৮-৩৫ বছর
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ২১ জুলাই ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২