Logo
শিরোনাম

দারাজে ৫০ জনের চাকরির সুযোগ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

অনলাইন শপিং মার্কেট প্লেস দারাজ বাংলাদেশ লিমিটেডে ‘ফ্রিল্যান্সার ডেলিভারি ম্যান’ পদে ৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: দারাজ বাংলাদেশ লিমিটেড

পদের নাম: ফ্রিল্যান্সার ডেলিভারি ম্যান
পদসংখ্যা: ৫০ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: প্রযোজ্য নয়
অভিজ্ঞতা: প্রযোজ্য নয়
বেতন: ৯,০০০-৩০,০০০ টাকা

চাকরির ধরন: পার্ট টাইম, ফ্রিল্যান্স
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: ১৮ বছর
কর্মস্থল: ঢাকা (তেজগাঁও, তেজগাঁও শিল্প এলাকা)

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ১৫ জুন ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



চাঁপাইনবাবগঞ্জে কম বৃষ্টিতে আমের ফলন বিপর্যয়, হতাশ চাষিরা

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

সঠিক সময়ে বৃষ্টি না হওয়ায় এবার পর্যাপ্ত আকারে বড় হয়নি চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম। এতে ফলন কম হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন চাষিরা। কৃষি বিভাগ বলছে- আমের গুটি থাকা অবস্থায় পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এবার আকার ছোট হয়েছে।

রোববার (৫ জুন) জেলার কয়েকটি আম বাগানে গিয়ে দেখা যায়, গত বছরের তুলনায় এবার আমের আকার বেশ ছোট। কানসাটের ঐতিহ্যবাহী আম বাজারে গিয়েও দেখা মেলে একই চিত্রর।

jagonews24

শিবগঞ্জ উপজেলার আম চাষি এনামুল হক বলেন, আমার এবছর প্রায় পাঁচবিঘা বাগানে বিভিন্ন জাতের আম রয়েছে। কিন্তু অনাবৃষ্টির কারণে আমগুলো তেমন বড় হয়নি। তাই আমের সংখ্যা অনেক হলেও ভালো ফলন হয়নি।

তিনি আরও বলেন, আজকে একটি গাছের গোপালভোগ আম পেড়ে ২ হাজার ৪০০ টাকা মণ দরে বিক্রি করলাম। এ গাছে অন্যবছর আম হয় প্রায় ২০ মণ। আর এবার হলো মাত্র ৯ মণ। আমার সব বাগানেই এবার আম ছোট। তবে গত বছরের তুলনায় এবার দাম অনেক বেশি।

পুকুরিয়া এলাকার সুজা মিঞা বলেন, আমার বাগানে প্রায় সব জাতের আমই আছে। কিন্তু এবার আমের আকার ছোট। ঠিক সময়ে বৃষ্টি না হওয়ায় হয়তো এমনটা হয়েছে। আর আজকে গোলাভোগ আম বিক্রি করলাম ২ হাজার ৫০০ টাকা মণ দরে। গতবছরের তুলনায় এবার আমের বাজার ভালো কিন্তু আম যদি না থাকে বিক্রি করবো কী?

jagonews24

ছত্রাজিতপুর গ্রামের কামাল উদ্দিন বলেন, মার্চ মাসের দিকে বেশ কিছুদিন বৃষ্টি হয়নি। এ অনাবৃষ্টির কারণে আম বড় হতে পারেনি। তবে দাম যেহেতু ভালো আছে, আশা করছি লাভবান হবো। এবছর আমার বাগানে ক্ষিরসাপাত, লক্ষণভোগ, ফজলি ও গোপালভোগসহ বিভিন্ন জাতের আম আছে।

শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়নের আনারুল ইসলাম বলেন, শনিবার খিরসাপাত আম বিক্রি করেছি ৩ হাজার ৪০০ টাকা মণ দরে। তবে গত বছরের তুলনায় এবার আম কম ছিল, মাত্র ১০ মণ আম হয়েছে। যে বাগানে গতবছর আম হয়েছিল প্রায় ৪০ মণ।

jagonews24

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শষ্য) রাজিবুর রহমান বলেন, মার্চ মাসের দিকে আমের গুটির জন্য বৃষ্টি প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সেসময় বৃষ্টি হয়নি। ফলে আম বেড়ে ওঠেনি। এছাড়া শিলাবৃষ্টিসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আমের ফলন কম হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গতবছর জেলায় আমের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন। চলতিবছর ৩ লাখ ১৫ হাজার মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।


আরও খবর



নোয়াখালীর আ’লীগ নেতা হত্যার প্রধান আসামি বিমানবন্দরে গ্রেফতার

প্রকাশিত:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতা আবু ছায়েদ মো. রিপন হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ইকবাল হোসেন সাইফুলকে ঢাকা বিমান বন্দর থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১ জুলাই) রাতে তাকে বেগমগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে বিকেল পৌনে ৪টায় তাকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রেফতার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

গ্রেফতার ইকবাল হোসেন সাইফুল (৩২) বেগমগঞ্জের মীরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের তালুয়া চাঁদপুর গ্রামের তবারক উল্যাহর ছেলে।

শনিবার (২ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম জাগো নিউজকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী নেতা রিপনকে কুপিয়ে হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ইকবাল হোসেন সাইফুলকে দীর্ঘদিন থেকে খুঁজছে পুলিশ। গোপন সংবাদে জানা যায়, তিনি বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন। পরে বিমানবন্দরে তার বিষয়ে সতর্কতা জারি করা হয়।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, গ্রেফতারের পর আসামি সাইফুলকে বেগমগঞ্জে আনা হয়েছে। ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরও কারা জড়িত রয়েছে সে বিষয়ে সাইফুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ ঘটনায় কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

এর আগে গতবছরের ২৮ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সকালে বেগমগঞ্জ উপজেলার মীরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের তালুয়া চাঁদপুর গ্রামের সড়কের পাশ থেকে ব্যবসায়ী আবু ছায়েদ রিপনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। নিহত রিপন চৌমুহনী চৌরাস্তায় লাল সবুজ পরিবহনের কাউন্টার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

তখন বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি জাগো নিউজকে বলেছিলেন, মরদেহ উদ্ধারের আগের রাতে পরিবহনের কাউন্টার বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে কে বা কারা তাকে বাড়ির কাছেই কুপিয়ে হত্যা করে। ভোরে পথচারীরা মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেয়।

স্থানীয়রা জানান, আবু ছায়েদ রিপনের সঙ্গে স্থানীয়ভাবে কারও কোনো শত্রুতা ছিল না। বড়ভাই মারা যাওয়ার পর তিনি ভাবিকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান আছে। এর আগে ভাইয়ের সংসারের আরও দুটি ছেলে সন্তান আছে। নিহত রিপন পরিবহন কাউন্টার ছাড়াও ঠিকাদারি ব্যবসা করতেন। তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য মামুনুর রশিদ কিরনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ লোক ছিলেন।


আরও খবর



অগ্নিদুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

দেশে ফের ভয়াবহ অগ্নিদুর্ঘটনা ঘটলো। গত ৪ জুন রাতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে এখন পর্যন্ত অর্ধ শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন শতাধিক। নিহত ও আহতদের স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে সীতাকুণ্ডের বাতাস। একই সঙ্গে এমন ভয়াবহ অগ্নিদুর্ঘটনা দেখে দেশজুড়ে সাধারণ মানুষ শোকে বিহ্বল।

দেশে প্রতি বছরই ঘটছে একের পর এক অনাকাঙ্ক্ষিত অগ্নিদুর্ঘটনা। এই অগ্নিদুর্ঘটনা কেড়ে নিচ্ছে অসংখ্য প্রাণ। লাখ লাখ মানুষ পঙ্গুত্ববরণ করছে। আগুনে পুড়ে নষ্ট হচ্ছে বিপুল পরিমাণ সম্পদ। অগ্নিদুর্ঘটনা থামবে বলে মনে হয় না। বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২১ সালে মোট অগ্নিদুর্ঘটনার সংখ্যা ছিল ২১,৬০১টি। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২১৮ কোটি ৩১ লাখ ৯৭ হাজার ৪০৩ টাকা।

প্রতিবেদনে অগ্নিদুর্ঘটনার অনেক কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। সেসবের মধ্যে প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে বৈদ্যুতিক গোলযোগকে। ওই বছর বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে ৭,৯৫৫টি অগ্নিদুর্ঘটনা ঘটেছে, যা মোট অগ্নিদুর্ঘটনার ৩৬ দশমিক ৮২ শতাংশ। চুলা (বৈদ্যুতিক, গ্যাস এবং মাটির চুলা ইত্যাদি) অগ্নিদুর্ঘটনার দ্বিতীয় কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা ওই বছর মোট ৩,৯২২টি অগ্নিদুর্ঘটনার কারণ ছিল। শতকরা হিসাবে যা মোট অগ্নিদুর্ঘটনার ১৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

অগ্নিদুর্ঘটনার তৃতীয় কারণ ছিল বিড়ি-সিগারেটের আগুন। মোট অগ্নি দুর্ঘটনার ৩,১৯৩ বা ১৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ ঘটেছে এই কারণে । প্রতিবেদনে অগ্নিদুর্ঘটনার মোট ১৯টি বিভিন্ন কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এগুলো ছাড়াও অজ্ঞাত হিসেবে মোট ৩ হাজার ২৮২টি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২১ সালে অগ্নিদুর্ঘটনায় ২১৯ জন মারা গিয়েছিল এবং ৫৭৬ জন আহত হয়েছিল। ওই বছর সবচেয়ে বেশি অগ্নিদুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে বাড়ি বা আবাসিক ভবনে, যার সংখ্যা ছিল ৫,৮১৮টি। রান্নাঘরে ৩,৫৪৪টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পোশাক শিল্প ছাড়া অন্যান্য কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের সংখ্যা ছিল ৩৮২টি। প্রতিবেদনে বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডের পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হয়েছে।

গত বছর নারায়ণগঞ্জের হাসেম ফুডস কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫২ জনের মৃত্যু হয়। অন্য এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত পাঁচ বছরে দেশে প্রায় ১ লাখ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গত ১৫ বছরে সারাদেশে পুড়ে গেছে অন্তত ১২ হাজার মানুষ। অগ্নিদুর্ঘটনায় মারা গেছে দুই হাজারের বেশি মানুষ। মূলত অসতর্কতা ও অবহেলার কারণে প্রতি বছর অগ্নিদুর্ঘটনায় অগণিত মানুষ ও প্রাণী মারা যাচ্ছে ও সম্পদের ক্ষতি হচ্ছে। শর্টসার্কিট, গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, দাহ্য কেমিক্যালের গোডাউনে অগ্নিদুর্ঘটনা, রান্নাঘরের ত্রুটিপূর্ণ চুলা ও বিড়ি-সিগারেটের ফেলে দেওয়া জ্বলন্ত অংশ থেকেই ঘটছে ছোট থেকে বড় ধরনের অগ্নিদুর্ঘটনা।

যে কোনো অগ্নিদুর্ঘটনার পর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় এবং অগ্নিকাণ্ডের কারণসহ তদন্ত প্রতিবেদনে বিভিন্ন সতর্কতামূলক সুপারিশ করা হয়। কিন্তু এই সুপারিশগুলো খুব কমই বাস্তবায়ন হয়। ২০১০ সালে পুরান ঢাকার নিমতলীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি ১৭ দফা সুপারিশ করেছিল। ওই সুপারিশমালার মধ্যে ছিল জরুরি ভিত্তিতে আবাসিক এলাকা থেকে গুদাম বা কারখানা সরিয়ে নেওয়া, অনুমোদনহীন কারখানার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া, রাসায়নিক দ্রব্যের মজুত, বাজারজাতকরণ এবং বিক্রির জন্য লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া জোরদার করা, ‘অগ্নি প্রতিরোধ ও নির্বাপণ আইন ২০০৩’ ও ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড অনুযায়ী ভবন নির্মাণ নিশ্চিত করা, আবাসিক এলাকায় রাসায়নিক বা বিস্ফোরক দ্রব্যের মজুত বা বিপণনের বিরুদ্ধে জনমত গঠন, আবাসিক এলাকায় রাসায়নিক দ্রব্য বা বিস্ফোরকজাতীয় পদার্থ মজুতকরণ বা বিপণন কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা, ঘরবাড়িতে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক তারের গুণগতমান নিশ্চিত করা, রাস্তায় স্থাপিত খোলা তারের ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন, সম্ভাব্য দুর্ঘটনা পরিহার করতে প্রতি মাসে অন্তত একবার বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার সরেজমিনে পরীক্ষা করা, দ্রুত অগ্নিনির্বাপণের জন্য স্থানীয়ভাবে পৃথক পানির লাইনসহ হাইড্রেন্ট পয়েন্ট স্থাপন করা, দুর্ঘটনা মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে জাতীয় টাস্কফোর্স গঠন, রাসায়নিক ও রাসায়নিক জাতীয় দাহ্য বস্তুর আলাদা দপ্তরের পরিবর্তে সব দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় সাধন, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বিভাগের অবকাঠামো, জনবল, প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামের আধুনিকায়ন, জনসচেতনতা বাড়ানো, অগ্নিকাণ্ডের সময় যেন উৎসুক জনতা উদ্ধারকাজে বিঘ্ন ঘটাতে না পারে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানো, পাঠ্যসূচিতে অগ্নিকাণ্ড, উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসার বিষয়গুলো বাধ্যতামূলক করা, ৬২ হাজার কমিউনিটি স্বেচ্ছাসেবক তৈরির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা, কমিউনিটি সেন্টারগুলো নিজস্ব অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার আওতায় আনা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো ডেকোরেটরের উপকরণের সঙ্গে প্রয়োজনীয়সংখ্যক অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র রাখা ইত্যাদি। কিন্তু সেসব সুপারিশের বেশির ভাগই বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে সারাদেশে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি বাড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অগ্নিকাণ্ডের মূল কারণ অবহেলা। সেই সাথে আছে অজ্ঞতা। তাই প্রত্যেকেরই নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ সচেতন হওয়া উচিত। রান্না করার পরে, চুলার আগুন সম্পূর্ণরূপে নিভিয়ে দিতে হবে। বিড়ি-সিগারেটের জ্বলন্ত অংশ নিভিয়ে নিরাপদ স্থানে রাখতে হবে।

এছাড়া শিল্প ও কারখানায় ধূমপান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতে হবে। দরজা-জানালা খুলে দিতে হবে এবং গ্যাসের চুলা জ্বালানোর আগে নিয়মিত গ্যাস সংযোগ ও লাইন চেক করতে হবে। একজন অভিজ্ঞ ইলেক্ট্রিশিয়ান দ্বারা নিয়মিতভাবে বিল্ডিংয়ের বৈদ্যুতিক তার এবং ফিটিংগুলো পরীক্ষা করাতে হবে। প্রত্যেক বাড়ি বিশেষ করে বহুতল ভবন, শিল্প ও কলকারখানায় অগ্নিপ্রতিরোধ, নির্বাপণ, উদ্ধার ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মী নিয়োগ দিতে হবে। সেই সাথে প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণও থাকতে হবে। ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় নিয়মিত অগ্নিদুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণের মহড়া আয়োজন করতে হবে।

যেকোনো ভবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে ভবন নির্মাণের নিয়ম বা বিল্ডিং কোড অনুসরণ করে অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি শিল্প, সরকারি ও বেসরকারি ভবনে অগ্নিপ্রতিরোধ এবং নির্বাপক ব্যবস্থা থাকতে হবে। সেই সাথে এসব পরিচালনার নিয়ম-কানুন অনুসরণ করে প্রয়োগ করতে হবে। একটি অটো-ফায়ার অ্যালার্মিং সিস্টেম থাকতে হবে, যাতে আগুন লাগলে সবাইকে তাৎক্ষণিকভাবে সতর্ক করা যায়। ভবন বা কারখানার প্রতিটি তলায় একটি বহির্গমন চিহ্ন থাকতে হবে, যাতে অন্ধকারেও তা দেখা যায়। অগ্নিদুর্ঘটনার ক্ষেত্রে, ফায়ার সার্ভিসের জন্য ৯৯৯ নম্বরে কল করতে হবে।

অগ্নিদুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে সবাইকে জানতে হবে। আমাদের শিখতে হবে কীভাবে এসব দুর্ঘটনা মোকাবিলা করতে হয়। আমাদের সচেতন হতে হবে। আমাদের সবাইকে নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করতে হবে। যারা এগুলো মানবে না তাদের উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনতে হবে। আমাদের এই প্রিয় দেশ ও মানুষের জন্য সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। অপ্রত্যাশিত অগ্নিদুর্ঘটনা রোধ করতে হবে।

লেখক: গবেষক ও উন্নয়নকর্মী।


আরও খবর



কমিউনিটি ব্যাংকে অফিসার পদে চাকরি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডে ‘কাস্টমার সার্ভিস অফিসার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৮ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড

পদের নাম: কাস্টমার সার্ভিস অফিসার
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর
অভিজ্ঞতা: ০২-০৩ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: নির্ধারিত নয়
কর্মস্থল: ঢাকা, রাজশাহী

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ২৮ জুন ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



বাঙালি নদীতে ভাসছিল এসএসসি পরীক্ষার্থীর মরদেহ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

বগুড়ার শেরপুরে নিখোঁজের একদিন পর আসিফ ইকবাল (১৫) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিকেলে বাঙালি নদীর নয়াপাড়া এলাকা থেকে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আসিফ খানপুর ইউনিয়নের বরইতলী চৌধুরী পাড়া এলাকার এরশাদ হোসেনের ছেলে। সে সুঘলি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

আসিফের দাদা তোজাম চৌধুরী বলেন, ‘সোমবার বিকেলে আসিফ ছাগল চড়াতে নদীর পাড়ে যায়। সন্ধ্যার দিকে ছাগল দড়ি ছিঁড়ে বাড়ি ফিরলেও আসিফকে পাওয়া যাচ্ছিল না। আশপাশে অনেক খুঁজেও তাকে পাইনি। রাতেই আমাদের সন্দেহ হয় আসিফ নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়েছে। এজন্য শেরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষতে খবর দেওয়া হয়। মঙ্গলবার সকালে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা রাজশাহী থেকে আসে। তারা নয়াপাড়া থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে ভেসে থাকা অবস্থায় আসিফের মরদেহ উদ্ধার করে।

শেরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সাব-স্টেশন কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, স্কুলছাত্র আসিফের মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। রাজশাহী থেকে আসা আমাদের ডুবুরিরা মরদেহটি উদ্ধার করে।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।


আরও খবর