Logo
শিরোনাম

ডেসটিনির অর্থ আত্মসাৎ মামলার রায় পড়া শুরু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের মামলায় গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদ ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল আমীনসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে মামলার রায় পড়া শুরু করেছেন বিচারক।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ১৯ মিনিটে ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় পড়া শুরু করেন।

গত ২৭ মার্চ ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য ১২ মে দিন ধার্য করেছিলেন।

মামলায় ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ আসামি ৪৬ জন। তাদের মধ্যে জামিনে রয়েছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলম, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ, মিসেস জেসমিন আক্তার (মিলন), জিয়াউল হক মোল্লা ও সাইফুল ইসলাম রুবেল। কারাগারে আছেন এমডি রফিকুল আমীন ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন। অন্য ৩৯ আসামি পলাতক।

পলাতক আসামিরা হলেন ডেসটিনির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোফরানুল হক, পরিচালক মেজবাহ উদ্দিন, ফারাহ দীবা, সাঈদ-উর-রহমান, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, জমশেদ আরা চৌধুরী, ইরফান আহমেদ, শেখ তৈয়বুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, এসএম আহসানুল কবির, জুবায়ের হোসেন, মোসাদ্দেক আলী খান, আবদুল মান্নান, আবুল কালাম আজাদ, আজাদ রহমান, মো. আকবর হোসেন সুমন, মো. সুমন আলী খান, শিরীন আকতার, রফিকুল ইসলাম সরকার, মো. মজিবুর রহমান, ড. এম হায়দারুজ্জামান, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, কাজী মো. ফজলুল করিম, মোল্লা আল আমীন, মো. শফিউল ইসলাম, ওমর ফারুক, সিকদার কবিরুল ইসলাম, মো. ফিরোজ আলম, সুনীল বরণ কর্মকার ওরফে এসবি কর্মকার, ফরিদ আকতার, এস সহিদুজ্জামান চয়ন, আবদুর রহমান তপন, মেজর (অব.) সাকিবুজ্জামান খান, এসএম আহসানুল কবির (বিপ্লব), এএইচএম আতাউর রহমান রেজা, গোলাম কিবরিয়া মিল্টন, মো. আতিকুর রহমান, খন্দকার বেনজীর আহমেদ, একেএম সফিউল্লাহ, শাহ আলম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. শফিকুল হক।

দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম ২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে মামলা দুটি করেছিলেন।

এরপর ২০১৪ সালের ৪ মে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন মোজাহার আলী সরদার। এতে ডেসটিনির গ্রাহকদের চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

এর মধ্যে ডেসটিনি মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬ জন ও ডেসটিনি ট্রি প্লানটেশন লিমিটেডে দুর্নীতির মামলায় ১৯ জনকে আসামি করা হয়। দুই মামলায়ই আসামি হারুন-অর-রশিদ ও রফিকুল আমিন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ প্রোজেক্টের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছিল এক হাজার ৯০১ কোটি টাকা। সেখান থেকে এক হাজার ৮৬১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে দুদকের অনুসন্ধানে ধরা পড়ে। ওই অর্থ আত্মসাতের ফলে সাড়ে আট লাখ বিনিয়োগকারী ক্ষতির মুখে পড়েন।

ডেসটিনি ট্রি প্লান্টেশন প্রোজেক্টের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে দুই হাজার ৪৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে দুই হাজার ২৫৭ কোটি ৭৮ লাখ ৭৭ হাজার টাকা করা হয় আত্মসাৎ। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন সাড়ে ১৭ লাখ বিনিয়োগকারী।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ডেসটিনি গ্রুপের নামে ২৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশ কয়েকটি ছিল নামসর্বস্ব। আসামিরা প্রথমে প্রোজেক্টের টাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হিসাবে জমা করতেন। তারপর বিভিন্ন ব্যাংকের হিসাবে তা স্থানান্তর করা হতো। দুদক ৩৪টি ব্যাংকে এমন ৭২২টি হিসাবের সন্ধান পায়, যেগুলো পরে জব্দ করা হয়।


আরও খবর



সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মারা ৩৭ মণ মাছ জব্দ, আটক ৭

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

সুন্দরবনের খালে বিষ দিয়ে শিকার করা ৩৭ মণ মাছ জব্দ করে সাতজনকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) ভোরে কয়রা উপজেলার মাদারবাড়িয়া বটতলা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন- খুলনার কয়রা উপজেলার ৪নং কয়রা গ্রামের মো. মোস্তফা সানা (৪০), মো. মিজানুর রহমান (২৮), মো. আছাদুল ইসলাম (৩৭), আসাদুল ইসলাম (৩৫), মঠবাড়িয়া গ্রামের আনারুল (৪০), মহারাজপুর গ্রামের মো. সাইফুল্লাহ গাজী (৩০) ও মিলন গাজী (৩৭)। এসময় ৪নং কয়রা গ্রামের ইব্রাহিম সানার ছেলে বাসার সানা (৫৫) পালিয়ে যান।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার মাদারবাড়িয়া বটতলা এলাকা থেকে বিষ দিয়ে মাছ শিকারিদের আটক করা হয়। শিকারিরা বিষ দিয়ে ধরা মাছ বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসার খবর পেয়ে চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ উপস্থিত থেকে চারটি নসিমনসহ আটজনকে আটক করেন। তবে এসময় একজন পালিয়ে যান। পরে জব্দ করা মাছসহ সাতজনকে উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

jagonews24

হস্তান্তরকালে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম শফিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনিমেষ বিশ্বাস, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমিনুর ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, বৃহস্পতিবার ভোরে কয়েকটি নছিমনে করে মাছ নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা তাদের আটক করে। খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে চিংড়ি বোঝাই চারটি নছিমন জব্দ করা হয়। আটক ব্যক্তিদের স্বীকারোক্তিতে জানা গেছে, মাছগুলো সুন্দরবনের মাছ ব্যবসায়ী লুৎফর রহমানের। তার নির্দেশে এ মাছ আড়তে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

চেয়ারম্যান আরও বলেন, আগামী ১ জুন থেকে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সুন্দরবনে প্রবেশে তিনমাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বনবিভাগ। এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থানীয় দুষ্কৃতিকারীরা সুন্দরবনের খালে বিষ দিয়ে মাছ শিকার অব্যাহত রেখেছে।


আরও খবর



পাওয়ার প্লে কাজে লাগাতে মুনিম-বিজয়কে ফ্রি খেলার অনুমতি দেয়া হয়েছে

প্রকাশিত:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

দলে সিনিয়র খেলোয়াড় অনেক কম। অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর সাকিব আল হাসান ছাড়া সে অর্থে পরিণত ও অভিজ্ঞ তেমন কেউ নেই। অবস্থাদৃষ্টে পরিষ্কার তামিম ও মুশফিকুর রহিম ছাড়া একঝাঁক তরুণ ক্রিকেটার নিয়েই আসলে দল সাজাতে হবে অধিনায়ক রিয়াদকে।

দু’ দু’জন পরিণত ও অপরিহার্য্য সদস্য ছাড়া একাদশ সাজানোর পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাটিং অর্ডারেও সম্ভবত বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। নির্বাচক হাবিবুল বাশারের কথা শুনে মনে হচ্ছে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটিতেও রদবদল ঘটবে। আসলে না ঘটিয়ে উপায়ও নেউ।

গত বছর অক্টোবরে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওপেনার হিসেবে খেলা নাইম শেখ আর সৌম্য সরকার এবার দলেই নেই। অপর ওপেনার লিটন দাস থাকলেও তাকে মনে হয় মিডল অর্ডারে খেলানোর চিন্তা ভাবনা চলছে। হাবিবুল বাশারের কন্ঠে আভাস, মুনিম শাহরিয়ার ও এনামুল হক বিজয়কে দিয়ে ইনিংসের সূচনা করানোর চিন্তা চলছে।

এ সম্পর্কে নির্বাচক বাশারের কথা, ‘মোস্ট লাইকলি মুনিম ওপেনিং করবে। সাথে হয়তো এনামুল শুরু করবে। দু’জনেই বেশ রোমাঞ্চকর ক্রিকেট খেলে থাকে।’

ওপেনিং জুটিতে পরিবর্তনের সম্ভাব্য কারণ ব্যাখ্যা করে এ নির্বাচক বোঝানোর চেষ্টা করেন, ‘যেহেতু সামনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তাই টিম বাংলাদেশ নতুন ছক কষার চেষ্টা করছে এবং আগের রীতি থেকে বের হয়ে পাওয়ার প্লে কাজে লাগাতে হাত খুলে খেলার কথা ভাবা হচ্ছে। আর তাই ফ্রি-স্ট্রোক মেকার মুনিম শাহরিয়ারের সঙ্গে আরেক স্ট্রোক প্লেয়ার বিজয়কে দিয়ে ওপেন করানোর কথা ভাবা হচ্ছে।’

‘দেখুন আমাদের টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটটা আমরা ভিন্ন খেলতে চাচ্ছি এবার। যেটা নিশ্চিতভাবে টিম ম্যানেজমেন্টেরও চাওয়া যে আমরা শেষ যে টি-টোয়েন্ট ম্যাচগুলো খেলেছিলাম পাওয়ার প্লে’টা আমরা অতো ভালো ব্যবহার করতে পারিনি। আশা করছি আমাদের নতুন যে দুই ওপেনার আছেন তারা প্রথম ৬ ওভারটা ভাল ব্যবহার করতে পারবেন। সে উদ্দেশ্য নিয়েই কিন্তু দু’জনকে দলে নেওয়া হয়েছে। নিশ্চিতভাবে তাদের ওপর আমরা কোন চাপ দিচ্ছি না। কিন্তু আমরা চাইব তারা যেন তাদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলে, যেটা আমরা আশা করছি পাওয়ার প্লে‘তে যে ব্যাটিংটা দেখতে চাই আমরা। সেটা করতে গিয়ে তারা যদি ফেইল করে আমরা কিছু মনে করব না। কারণ তাদেরকে সেই লাইসেন্সটা দিয়েই দলে নেওয়া হয়েছে যে তারা যে তাদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলেন এবং প্রথম ৬ ওভারটা যেন ব্যবহার করেন। সেটা করতে গিয়ে যদি ফেইল করেন কোনো অসুবিধা নেই।’


আরও খবর



জায়েদ খান শুধু আম্মু না সবাইকে বিরক্ত করেন: মৌসুমীর ছেলে

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ৫৬জন দেখেছেন
Image

দেশের চলচ্চিত্রপাড়া এখন বেশ উত্তাল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে নানা আলোচনা। চিত্রনায়িকা মৌসুমী, ওমর সানি এবং জায়েদ খানকে নিয়েই মূলত ঘটনা।

সম্প্রতি ওমর সানি অভিযোগ করেন, জায়েদ খানের কারণে তাদের সংসারে ভাঙন দেখা দিচ্ছে। এমনকি মৌসুমীকে নানা মাধ্যমে বিরক্ত করছেন তিনি।

এমন চাঞ্চল্যকর অভিযোগ লিখিত আকারে সানি জমাও দিয়েছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে। বিচার চেয়েছেন সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চনের কাছে।

এ অবস্থায় মৌসুমী এক অডিও বার্তায় জানান, স্বামী ওমর সানির অভিযোগ মিথ্যা। জায়েদ ভালো ছেলে। তিনি তাকে কখনো বিরক্ত করেননি। তার সঙ্গে মৌসুমীর শুধু পেশাগত সম্পর্ক।

jagonews24

এ বিষয়ে ওমর সানির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি যা বলেছি স্পষ্ট করেই বলেছি। আমি শ্রদ্ধা রেখেই কথা বলতে চাই। আমার পরিবারের প্রতি, মৌসুমীর প্রতি আমার প্রচণ্ড শ্রদ্ধা আছে। মৌসুমী আমার সন্তানের মা। একটা কথা বলতে চাই, আমি কি বলেছি না বলেছি সম্পূর্ণ আমার ছেলে ফারদিন, আমার মেয়ে ফাইজা জানে। আমাদের কাছে যথেষ্ট প্রমাণ আছে জায়েদ খান যে মৌসুমীকে ডিস্টার্ব করেছে। ফারদিন বলুক আর ফাইজা বলুক তাদের মায়ের সম্পর্কে।’

এরপর সানি-মৌসুমী দম্পতির ছেলে ফারদিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘শুধু আমার আম্মা না, উনি (জায়েদ খান) কমবেশি সবাইকে বিরক্ত করেন। আমি জানি বিষয়গুলো। কিন্তু পাবলিকলি সব বলবো না। জায়েদ খান আমার ব্যবসারও ক্ষতি করার চেষ্টা করেছেন।’

কিন্তু জায়েদ খানকে নিয়ে মৌসুমীর বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ফারদিন বলেন, এটা নিয়ে যেন এত কাদা ছোঁড়াছুড়ি না হয়, সেই চিন্তা থেকেই আম্মু কথাগুলো বলেছেন। যেন বিষয়টা দ্রুত ঠান্ডা হয়। এক জায়গায় দেখলাম আম্মু না কি বলেছেন, মিথ্যাচারে জড়াচ্ছেন ওমর সানি। এটা ঠিক নয়। আসলে এটা পরিস্থিতি ঠান্ডা করার জন্যই বলেছেন। আম্মু আমার সঙ্গে কথাও বলেছেন। উনি চান না পত্রিকায়-টিভিতে এসব নিয়ে আলোচনা বা সংবাদ প্রকাশ হোক।’

jagonews24

বাবা-মায়ের সম্পর্ক এখন কেমন, জানতে চাইলে ফারদিন বলেন, সব ঠিক আছে। আমি আব্বুকে পাচ্ছি, আম্মুকে পাচ্ছি। হ্যাঁ, অনেক বিষয়ে মনোমালিন্য থাকে। আমিও বিয়ে করেছি। আমাদেরও তো হয়। এটা স্বাভাবিক। তবে আব্বু-আম্মু দুজন চাচ্ছেন যেন বিষয়টা সমাধান হয়ে যায়।

জায়েদ খানকে কোনো গুরুত্ব দিচ্ছেন না উল্লেখ করে মৌসুমীর ছেলে বলেন, আমরা উনাকে নিয়ে চিন্তায় পড়ে যাবো এমন নয়। জায়েদ খান আর রাস্তার ব্যাঙ এক কথা। তাই উনাকে নিয়ে ভাবছি না।

ওমর সানি-জায়েদ দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসে শুক্রবার (১০ জুন)। সেদিন বসুন্ধরার কনভেনশন সেন্টারে ডিপজলের ছেলের বিয়েতে জায়েদকে চড় মেরে বসেন ওমর সানি। তখন ক্ষেপে গিয়ে প্রকাশ্যে পিস্তল বের করে ওমর সানিকে গুলি করে দেওয়ার হুমকি দেন জায়েদ।

অনেকদিন ধরেই মৌসুমীকে বিরক্ত করছিলেন জায়েদ। ওমর সানি এ নিয়ে ডিপজলের কাছে নালিশও দিয়েছিলেন। ডিপজল সানিকে আশ্বস্ত করেছিলেন জায়েদ আর মৌসুমীকে বিরক্ত করবে না। কিন্তু জায়েদ শোধরাননি। তাই তার ওপর রেগে ছিলেন তিনি। সুযোগ পেয়ে সেদিন জায়েদকে চড় মেরে বসেন ওমর সানি।


আরও খবর



গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৭ জনের চাকরি

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৩২জন দেখেছেন
Image

গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ০৩টি পদে জনবল নিয়োগ করা হবে। আগ্রহীরা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, গোপালগঞ্জ

পদের বিবরণ
গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ৭ জনের চাকরি

চাকরির ধরন: অস্থায়ী
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
কর্মস্থল: গোপালগঞ্জ

বয়স: ১৩ জুন ২০২২ তারিখে ১৮-৩০ বছর। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে ৩২ বছর।

আবেদন ফরম: জেলা প্রশাসকের কার্যালয় অথবা www.gopalganj.gov.bd থেকে আবেদনপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।

আবেদনের ঠিকানা: জেলা প্রশাসক, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, গোপালগঞ্জ।

আবেদনের শেষ সময়: ৩০ জুন ২০২২ তারিখ বিকেল ০৫টা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

সূত্র: কালের কণ্ঠ, ১২ জুন ২০২২


আরও খবর



‘দেশে মাদকাসক্তের ৮০ শতাংশই যুবক’

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

‘দেশে মাদকাসক্ত মানুষের পরিমাণ ৮০ লাখের বেশি। এর মধ্যে ৮০ শতাংশই যুবক। এই ৮০ শতাংশের মধ্যে আবার ৪৮ শতাংশ শিক্ষিত, আর ৪০ শতাংশ নিরক্ষর।’

রোববার (২৬ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এসব তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের কি মনে আছে সেই ঐশির কথা কিংবা কেরানীগঞ্জের সেই পরিবারটির কথা? কী ভয়াবহ মাদকের ছোবল ছিল পরিবারগুলোর ওপর। মাদকের এই ছোবল থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হলে পরিবারের মাধ্যমে পরিবর্তন হতে হবে। পরিবার সচেতন হলে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। মনে রাখবেন, মাদকের সঙ্গে জড়িতদের শেষ গন্তব্য কিন্তু কারাগার অথবা ধুঁকে ধুঁকে তাদের মরতে হবে।

তিনি বলেন, আক্রান্তদের অধিকাংশই ইয়াবা সেবন করে, এরপর আছে হেরোইন। এখন আইসবার এসেছে। এসব মাদকের কারবার লাভজনক হওয়ায় যুবসমাজ ঝুঁকে পড়ছে। আমাদের নিজেদের কর্তব্য পালন করতে হবে। এ জায়গা থেকে বের হয়ে আসতে না পারলে ভয়াবহতা অপেক্ষা করছে। সচেতনার মাধ্যমেও পরিবর্তন সম্ভব।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, এখন ১০ শতাংশ মানুষ সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। কেউ প্রথমেই মাদকে আসক্ত হয় না, প্রথমে সিগারেটে টান মারে, পরে অন্যকিছু বা গাঁজা খেয়ে সে শূন্যে ভেসে বেড়ায়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে, জিরোটলারেন্স। প্রধানমন্ত্রীর ভিশন রয়েছে ২০৪১, যেখানে মাদকমুক্ত উন্নত দেশ গড়ার। মাদক থেকে বাঁচতে পারলে সে লক্ষ্যে পৌঁছাতে বেশি সময় লাগবে না।

মন্ত্রী বলেন, আমরা ডোপ টেস্টের দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছি। ব্যাপকভাবে ডোপ টেস্ট করার প্রকল্প হাতে নিয়েছি। যে যুবকই আক্রান্ত হবে তাকে আমরা হাসপাতালে পাঠাবো। সরকারি চাকরি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগেও আমরা ডোপ টেস্ট করাবো।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, মাদক নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলাপ হচ্ছে। তারা আমাদের যথেষ্ঠ সহযোগিতা করছে। তবে ভয়াল মাদক আসে মিয়ানমার থেকে। দেশটির সঙ্গে আলাপ হলে অনেক কথা বলে, নিয়ন্ত্রণ করবে বলে। কিন্তু বাস্তবে কিছুই করে না দেশটি। নাফ নদী পার হলেই মিয়ানমার, সে রুট দিয়ে আসে মাদক, আবার দুর্গম পাহাড় থেকে মাদক আসে। দেশটি থেকে মাদক যাতে ঠেকানো যায় এজন্যই আমরা বিজিবিকে আরও শক্তিশালী করছি। এটা প্রতিরোধে আমরা হেলিকপ্টার দিয়েছি বিজিবিকে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. শামসুল হক টুকু, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের সচিব মো. মোকাব্বির হোসেন।


আরও খবর