Logo
শিরোনাম

‘দিদিকে বলোর’ পর এবার ‘এক ডাকে অভিষেক’

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের ‘দিদিকে বলো’ কর্মসূচির পর এবার এল ‘এক ডাকে অভিষেক’। তৃণমূল নেত্রী মমতা ব্যানার্জীকে সরাসরি অভিযোগ জানানোর মতোই এবার চালু হচ্ছে এক ডাকে অভিষেক। এরই মধ্যে এই বিষয়ে জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে।

অভিষেক ও মমতা ব্যানার্জীর ছবি দিয়ে পোস্টারও টানানো হয়েছে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকার বিভিন্ন স্থানে। অভিষেক ব্যানার্জীর কাছে সরাসরি সাধারণ মানুষের অভিযোগ জানাতে একটি টোল ফ্রি নম্বরও চালু করা হয়েছে।

২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের পরে রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস চালু করেছিল দিদিকে বলো কর্মসূচি। যে কর্মসূচির মাধ্যমে রাজ্যের বড় অংশের মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল তৃণমূল। এবার সেই আঙ্গিকেই অভিষেক ব্যানার্জীর জনসংযোগের নতুন কর্মসূচি এক ডাকে অভিষেক।

জানা গেছে, দিদিকে বলো কর্মসূচির মাধ্যমে গোটা রাজ্যের মানুষের মন জয় করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস। এবার এই কর্মসূচির মাধ্যমে ডায়মন্ড হারবারের মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছতে চান অভিষেক ব্যানার্জী। সেই কারণেই নাম দেওয়া হয়েছে এক ডাকে অভিষেক।


আরও খবর



পদ্মা সেতু: দাম নিয়ে দুশ্চিন্তা ঘুচবে বাগেরহাটের ২ লাখ কৃষকের

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
Image

স্বপ্নের পদ্মা সেতু পেয়ে উচ্ছ্বসিত বাগেরহাটের কৃষক, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তবে পদ্মা সেতু এ জেলার কৃষি অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা যায়, বাগেরহাটে কৃষক পরিবারের সংখ্যা দুই লাখ ৪৪ হাজার ৩২৮। এ জেলা থেকে চলতি অর্থবছরে দুই লাখ ৮৭ হাজার ৪০০ টন সবজি উৎপাদিত হয়েছে। যার সিংহভাগই ঢাকায় যায়। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় জেলার উৎপাদিত শাক-সবজি, মুরগি, দুধ, ডিম এখন সরাসরি রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছাবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে। দ্রুত পচনশীল পণ্য নিয়ে এখন দুশ্চিন্তা করতে হবে না সংশ্লিষ্টদের।

jagonews24

বাগেরহাট সদর উপজেলার যাত্রাপুর এলাকার কৃষক মোল্লা আব্দুল আজিজ টিটু বলেন, বিদেশ থেকে ফিরে কৃষি খামার গড়েছি। আমার খামারে উৎপাদিত পণ্য স্থানীয় বাজারে বিক্রি করি। অফ সিজনের ফসল উৎপাদন করেও তেমন লাভবান হতে পারি না। কারণ স্থানীয় বাজারে বেশি দাম দিয়ে কেউ এসব পণ্য কিনতে চায় না। ঢাকার পাইকারি ক্রেতারা নানা অজুহাতে পণ্যের ন্যায্য দাম দেন না। তবে পদ্মা সেতু চালু হয়েছে। এখন থেকে প্রয়োজনে নিজে পিকআপে পণ্য ঢাকার বাজারে বিক্রি করবো।

মোল্লাহাট উপজেলার কৃষি উদ্যোক্তা ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, ‘ম্যাকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে ১০ বছর দেশের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিতে কাজ করেছি। এখন আধুনিক কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে রক মেলন, ওয়াটার মেলন, হানী ডিউ মেলন, ক্যাপসিকামসহ বিভিন্ন উচ্চমূল্যের ফসল উৎপাদন করছি। এগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ অন্যান্য বিভাগীয় শহরে পাঠাই। পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে পণ্য পাঠাতে প্রচুর সময় লাগতো। সেতু চালু হয়েছে। এখন দ্রুত এসব পণ্য গন্তব্যে পৌঁছানো যাবে। ফলে পণ্যের গুণগত মান ভালো থাকবে। পদ্মা সেতু কৃষকের সচ্ছলতার প্রতীক।

jagonews24

ফকিরহাট উপজেলার অর্গানিক বেতাগার কৃষক সাইফুল ইসলাম বলেন, রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ছাড়া বেগুন, লাউ, টমেটো, শসা, ঢেঁড়শসহ বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করি। কিন্তু স্থানীয় বাজারে এসবের বাড়তি কোনো মূল্য নেই। অনেক দিনের স্বপ পদ্মা সেতু হলে এসব ফসল ঢাকার বাজারে বিক্রি করবো। সেতু চালু হওয়ায় সে স্বপ্ন পূরণের পথে।

কচুয়া উপজেলার গজালিয়া গ্রামের চাষি আ. রহমান পাইক বলেন, ক্ষেতে প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণ টমেটো উৎপাদিত হয়। শেষ দিকে ক্ষেত থেকে টমেটো তুললে শ্রমিকের মজুরিই হয় না। তাই তখন টমেটো তোলা হয় না। ফলে ক্ষেতেই নষ্ট হয় কষ্টের ফসল। ঠিক সেই সময় ঢাকার বাজারে টমেটোর চাহিদা থাকে। পদ্মা সেতুর ফলে এখন আর ক্ষেতে টমেটো নষ্ট হবে না।

jagonews24

বাগেরহাট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি লিয়াকাত হোসেন লিটন জাগো নিউজকে বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবনীয় পরিবর্তনের ফলে পাল্টে যাবে জেলার কৃষি খাত। দ্রুত পণ্য আনা-নেওয়া করতে পারায় ব্যবসায়ীদের কাছে কৃষকরা জিম্মি হয়ে থাকবে না। নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি হবে।

বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আজিজুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, বাগেরহাটে প্রচুর সবজি-ফল উৎপাদিত হয়। এসব সবজি-ফল ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যায়। এছাড়া বাগেরহাটের টমেটোর সুনাম রয়েছে সারা দেশে। কৃষকদের উৎপাদিত সবজির ন্যায্য দাম পাওয়ার প্রধান অন্তরায় ছিল পদ্মা নদী। পদ্মা সেতু চালুর ফলে জেলার কৃষকদের নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীন জাগো নিউজকে বলেন, পদ্মা সেতু চালুর ফলে এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। বিশেষ করে কৃষিখাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। কৃষকদের উৎপাদিত ফসল আর ফেলে দিতে হবে না।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




ট্যুরিস্ট বাসে হাজার টাকায় পদ্মা সেতু ভ্রমণের সুযোগ

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৭২জন দেখেছেন
Image

দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশের যোগাযোগব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে চলেছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। এই সেতুর কারণে দেশের অর্থনৈতিক গতিধারাও ঈর্ষণীয়ভাবে ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে বলে আভাস মিলছে। পদ্মা সেতু হতে চলেছে ভ্রমণপ্রেমীদের অন্যতম আকর্ষণ। দেশের পর্যটনের গতিধারাও বদলে দিতে পারে এই সেতু। ট্রাভেল এজেন্সিগুলোও তাই বসে নেই। উদ্বোধনের মাসখানেক আগে থেকেই সেতু ভ্রমণ কেন্দ্র করে ঘোষণা করেছে বিভিন্ন প্যাকেজ।

পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরুর আগেই মাওয়া ঘাটে নিয়মিত যাতায়াত ছিল ভ্রমণপ্রিয় মানুষদের। সেতুর পাশাপাশি ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের সঙ্গে সঙ্গে ওই এলাকায় দিন দিন ভিড় বাড়ছে মানুষের। সরকারের ঘোষণা অনুসারে, আগামী ২৫ জুন পদ্মা সেতুতে যানচলাচল উন্মুক্ত হলে দেশের দীর্ঘতম এই সেতু দেখতে মানুষের ভিড় নামবে।

ভ্রমণে আগ্রহীদের বিষয়টি মাথায় রেখে এরই মধ্যে কিছু ট্রাভেল গ্রুপ ও কোম্পানি প্যাকেজও ঘোষণা করেছে। দিনব্যাপী এসব প্যাকেজের আওতায় পদ্মা সেতু ভ্রমণের পাশাপাশি থাকছে কাছের অন্যান্য পর্যটন স্পট ঘোরার সুযোগ। প্যাকেজে থাকছে সকালের নাস্তা, পদ্মার তাজা ইলিশসহ বিভিন্ন রকমের সুস্বাদু তরকারি, ভর্তা দিয়ে মধ্যাহ্নভোজ এবং বিকেলে বিক্রমপুরের মিষ্টিসহ বিভিন্ন খাবার।

পদ্মা সেতু ভ্রমণের এমনই দিনব্যাপী প্যাকেজ আছে ট্রাভেল সোর্স বিডি লিমিটেড নামে একটি এজেন্সির। ওই প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের ৩২ ব্যাচের শিক্ষার্থী সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন।

তিনি জাগো নিউজকে বলেন, প্যাকেজের আওতায় ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে ভ্রমণপিপাসুদের নিয়ে মাওয়া হয়ে পদ্মা সেতু ঘুরিয়ে আনা হবে। তারা ফরিদপুরের ভাঙ্গার নৈসর্গিক দৃশ্য দেখতে পাবেন, কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাটের পিকনিক স্পটেও যেতে পারবেন।

এ ভ্রমণে জনপ্রতি খরচ হবে এক হাজার টাকা। পরিবারসহ বুকিং দিলে থাকছে আকর্ষণীয় ছাড়। খাবারের তালিকায় সকালের নাস্তা হিসেবে থাকবে ডিম, পরোটা, সবজি, পানি ও চা। দুপুরের খাবারে থাকবে পেঁয়াজভর্তা, ডালভর্তা, বেগুনভাজা, টাটকা ইলিশভাজা ও ডাল। বিকেলের নাস্তায় থাকবে বিক্রমপুরের মিষ্টি, সমুচা, ডালপুরি ও চা।

জানা যায়, পদ্মা সেতু ঘিরে শরীয়তপুর, ফরিদপুর, মাদারীপুরের দুই পাড়ের সংযোগ সড়কের উভয় পাশেই পর্যটদের জন্য নির্মাণ হচ্ছে বিনোদনকেন্দ্র, চা-কফির দোকান, খাবার হোটেল ও কনফেকশনারি। পদ্মা সেতু উন্মুক্ত হওয়ার পর ওই এলাকা পর্যটনের অন্যতম বড় একটি কেন্দ্র হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যুরিস্ট বাসে হাজার টাকায় পদ্মা সেতু ভ্রমণের সুযোগ

আগামী ২৫ জুন সকাল ১০টায় বহুল আকাঙ্ক্ষিত পদ্মা সেতু উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন বেলা ১১টায় কাঁঠালবাড়ি প্রান্তে সমাবেশ করবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছাড়াও দিনব্যাপী সেখানে নানান আয়োজন থাকবে।

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিন আওয়ামী লীগের এ সমাবেশে ১০ লাখের বেশি মানুষের সমাগম ঘটবে বলে প্রত্যাশা করছে ক্ষমতাসীন দলটি।

এরই মধ্যে পদ্মা সেতু দিয়ে পারাপারের জন্য অনুমোদিত যানবাহনের টোল নির্ধারণ করেছে সরকার। পদ্মা সেতু পারাপারে মোটরসাইকেলে ১০০ টাকা, কার ও জিপে ৭৫০ টাকা, পিকআপে এক হাজার ২০০ টাকা, মাইক্রোবাসে এক হাজার ৩০০ টাকা টোল পরিশোধ করতে হবে। বাসের ক্ষেত্রে ছোট বাস (৩১ আসন) এক হাজার ৪০০ টাকা, মাঝারি বাস (৩২ আসন বা এর বেশি) দুই হাজার টাকা, বড় বাসকে (থ্রি-এক্সেল) দুই হাজার ৪০০ টাকা টোল দিতে হবে।

এছাড়া ছোট ট্রাককে (পাঁচ টন পর্যন্ত) এক হাজার ৬০০ টাকা, মাঝারি ট্রাকে (পাঁচ টনের বেশি ও সর্বোচ্চ আট টন পর্যন্ত) দুই হাজার ১০০ টাকা, মাঝারি ট্রাক (আট টনের বেশি ও সর্বোচ্চ ১১ টন) দুই হাজার ৮০০ টাকা, ট্রাকে (থ্রি-এক্সেল পর্যন্ত) পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা, ট্রেইলার (ফোর-এক্সেল পর্যন্ত) ছয় হাজার টাকা। ট্রেইলার (ফোর-এক্সেলের অধিক) ছয় হাজারের সঙ্গে প্রতি এক্সেলের জন্য এক হাজার ৫০০ টাকা যুক্ত হবে।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২




এলডিপির সঙ্গে বিএনপির সংলাপ বৃহস্পতিবার

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
Image

রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের অংশ হিসেবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদের সঙ্গে সংলাপে বসবে বিএনপি। বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) বিকেল ৫টায় মহাখালী ডিওএইচএস অলি আহমদের বাস ভবনে এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার (১৫ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান।

তিনি বলেন, এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমদের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল সংলাপে উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দলের স্থায়ী কমিটি সদস্য নজরুল ইসলাম খান থাকবেন।

গত ২৪ মে থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করে বিএনপি। প্রথম দিন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল নাগরিক ঐক্যের কার্যালয়ে গিয়ে বৈঠক করেন।

এরপর ২৭ মে বাংলাদেশ লেবার পার্টির সঙ্গে, ৩১ মে গণসংহতি আন্দোলনের সঙ্গে, ১ জুন বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, ২ জুন কল্যাণ পার্টি, ৭ জুন বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, ৮ জুন জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), ৯ জুন জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও ১২ জুন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ভাসানী (ন্যাপ ভাসানী) নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে করে বিএনপি।


আরও খবর



‘পদ্মা সেতুর উদ্বোধন বাধাগ্রস্ত করতে অগ্নিসন্ত্রাস করছে বিএনপি’

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৬৩জন দেখেছেন
Image

সরকারের উন্নয়ন মেনে নিতে না পেরে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন বাধাগ্রস্ত করতে বিএনপি অগ্নিসন্ত্রাস করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু।

সোমবার (১৩ জুন) সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও ১৪ দলের সাবেক মুখপাত্র প্রায়াত আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিমের স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন।

মোহাম্মদ নাসিমের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে ১৪ দল এ সভার আয়োজন করে।

সংসদ সদস্য আমু বলেন, পদ্মা সেতুর উদ্বোধনকে বাধাগ্রস্ত করতে ২০১৪ সালের মতো বিএনপি-জামায়াত আবারও অগ্নিসন্ত্রাস শুরু করেছে। ট্রেন, বাসে আগুন কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা না।

jagonews24

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ১৪ দলের ঢাকা মহানগর সমন্বয়ক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাতীয় পার্টির (জেপি) সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, গণআজাদী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এস কে সিকদার, বাসদের আহ্বায়ক রেজাউর রশীদ খান, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহাদাত হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফি, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক এস এ মান্নান কচিসহ কেন্দ্রীয় ১৪ দলের নেতারা।

এসময় বক্তারা মোহাম্মদ নাসিমের কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে বলেন, সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ দমনে মোহাম্মদ নাসিমের মতো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।

তারা বলেন, দেশে যখন শান্তি বিরাজ করছে, তখন দেশকে অস্থিতিশীর করতে পাঁয়তারা করছে বিএনপি।

১৪ দলের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভারতে মহানবী (সা.)-কে নিয়ে তৈরি হওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশেও অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা হচ্ছে। আবার আন্দোলনের নামেও দেশে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বিএনপি। কোনো অশান্তি হলে সরকারের সঙ্গে ১৪ দল ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করবে বলেও ঘোষণা দেন জোট নেতারা।


আরও খবর



করোনা টিকার দাম মনে নেই: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
Image

করোনা টিকার দাম মনে নেই বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, এখন পর্যন্ত সরকার প্রায় ৩০ কোটি ৫০ লাখ করোনা টিকা সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে ১৮ কোটি টিকা নগদ টাকা দিয়ে কেনা হয়েছে। বাকিগুলো কোভেক্সের আওতায় বিনামূল্যে পেয়েছি। তবে দামগুলো এখন মনে নেই। এ বিষয়ে আমাকে নোটিশ দিলে এর দাম এবং কোথা থেকে এসেছে সেটা বলতে পারবো।

রোববার (৫ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। মুজিবুল হক চুন্নু এ পর্যন্ত কত ভ্যাকসিন সংগ্রহ, কোথা কোথা থেকে সংগ্রহ এবং এর দাম কত পড়েছে তা সুনির্দিষ্ট করে জানতে চান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

প্রশ্নের উত্তরে জাহিদ মালেক বলেন, এ ব্যাপারে লিখিত দিলে পরে আমি বিস্তারিত জানাতে পারবো। তবে এখন পর্যন্ত সাড়ে ত্রিশ কোটি করোনা টিকা সরকার সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে ২৬ কোটি টিকা দেওয়া হয়েছে। এক ডোজ করে টিকা দেওয়া হয়েছে ১৩ কোটি মানুষকে, দুই ডোজ করে দেওয়া হয়েছে পৌনে ১২ কোটি ও দেড় কোটি মানুষকে বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে। সেটা এখনো চলছে।

এর আগেও সংসদে একাধিকার করোনার টিকার দাম জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাতীয় সংসদকে জানাতে চাননি। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, ‘নন-ক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট’–এর মাধ্যমে টিকা কেনায় সংসদে অর্থ খরচের হিসাব প্রকাশ করা সমীচীন হবে না।

এদিকে, চট্টগ্রাম-১১ আসনের এম আবদুল লতিফের প্রশ্নোত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, দেশের ৮০ শতাংশ জনগোষ্ঠীকে কোভিড টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ৫ বছরের ওপরের সব জনগোষ্ঠীকে পর্যায়ক্রমে টিকা দেওয়া হবে। এ পর্যন্ত (১ জুন ২০২২) ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৭৩ হাজার ৪৩৬টি প্রথম ডোজ, ১১ কোটি ৭৬ লাখ ৪৫ হাজার ৩৭১ টি দ্বিতীয় ডোজ ও ভাসমান জনগোষ্ঠীকে দুই লাখ ৪৩ হাজার ৯১৮টি টিকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এক কোটি ৫২ লাখ ৮৯ হাজার ৬১০টি বুস্টার ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।

সরকারি দলের আনোয়ার হোসেন খানের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশের চাহিদার ৯৮ শতাংশ ওষুধ দেশেই উৎপাদিত হয়। বর্তমানে ইউরোপ ও আমেরিকাসহ বিশ্বের ১৫৭টি দেশে বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রায় সব ধরনের ওষুধ রপ্তানি করা হয়। চলতি অর্থ বছরের (২০২১-২২) এপ্রিল মাস পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার ৩২ কোটি ৫৪ লাখ ৯০ হাজার ৪০৯ টাকার ওষুধ রপ্তানি করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদে সম্পূরক প্রশ্নে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের মাত্র ৪১ শতাংশ ব্যয় হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির দলীয় সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে জানতে চান-
কী কারণে বরাদ্দ করা অর্থ ব্যয় করা যায়নি?

জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার কারণে কিছু কাজ ব্যাহত হয়েছে। এ খাতে শ্রমের মূল্য প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। উন্নয়ন বাজেটের ৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের মধ্যে ৪০ শতাংশ ব্যয় হয়েছে। আমরা হিসাব করে দেখেছি জুন মাস শেষের আগে ৯০ শতাংশের বেশি খরচ হয়ে যাবে ও লক্ষ্য অর্জন হয়ে যাবে। কারণ এখনো অনেকগুলো বিলের অর্থ পরিশোধ হয়নি। অনেকগুলো মাল এখনো পৌঁছায়নি, যার বিলগুলো দেওয়া হয়নি। এগুলো এই জুনের আগে সমাধান হয়ে যাবে।


আরও খবর

ওয়ালটনে চাকরির সুযোগ

সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২