Logo
শিরোনাম

দু-একদিনের মধ্যে কমবে তেলের দাম: বাণিজ্যসচিব

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমায় আগামী দু-একদিনের মধ্যে দেশেও সেটি কমে আসবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ।

রোববার (২৬ জুন) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার দ্বাদশ মিনিস্টারিয়াল কনফারেন্স উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বাণিজ্যসচিব বলেন, তেলের দামের ক্ষেত্রে আগামী দুই একদিনের মধ্যে একটা সুখবর আসতে পারে। আশা করছি, তেলের দাম কমবে। এখন সেই হিসাব-নিকাশ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ট্যারিফ কমিশন তেল রিফাইনারি শিল্প প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠক করে আমাদের জানাবে। তারপর আমরা জানাতে পারবো, কত টাকা কমবে। তবে বলা যায় যে, তেলের দাম কমবে।


আরও খবর



পদ্মা সেতু ভ্রমণ ১১৯৯ টাকায়

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২ | ১১জন দেখেছেন
Image

গত ২২ জুলাই থেকে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের উদ্যোগে পদ্মা সেতু ভ্রমণ উদ্বোধন করা হয়। এরপর মানুষের ব্যাপক আগ্রহ ও গণমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার প্রেক্ষিতে প্রতি শুক্র ও শনিবার প্যাকেজ পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু ২ দিনে আগ্রহীদের সংকুলান করা সম্ভব না হওয়ায় মঙ্গলবারও চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে ব্যবসায়ী, গৃহবধূ, অবসরপ্রাপ্ত, ছাত্রছাত্রীদের জন্য ভ্রমণে যুক্ত হওয়া সহজ হবে। এতে নারী-শিশুর জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। এটি সর্বস্তরের মানুষের জন্য উন্মুক্ত।

এখন থেকে স্বাভাবিক রেটের চেয়ে ৪০% ডিসকাউন্টে স্বপ্নের পদ্মা সেতু ও নান্দনিক ভাঙ্গা চত্বরে পর্যটনের আধুনিক এসি ট্যুরিস্ট কোস্টারে ভ্রমণ হবে প্রতি মঙ্গলবার, শুক্রবার ও শনিবার। শুধু উদ্বোধনী ট্যুরটি ৫০% ডিসকাউন্টে করা হয়েছিল।

ভ্রমণসূচি
> বিকাল ২.৩০ মিনিটে পর্যটন ভবনের ১ম তলা, আগারগাঁওয়ে রিপোর্টিং
> ২.৪৫ মিনিটের মধ্যে আসন গ্রহণ ও ৩টায় ভ্রমণ শুরু
> দিনের আলোয় পদ্মা সেতু ও ভাঙ্গা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে নান্দনিক ভাঙ্গা চত্বরে উপস্থিতি
> চত্বরে মানসম্মত, সুস্বাদু ও পর্যাপ্ত বৈকালিক স্ন্যাক্স
> সন্ধ্যা ৭টায় আলোকসজ্জিত পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকায় ফিরতি ভ্রমণ
> ৯টায় ভ্রমণ সমাপ্তি।

আয়োজকরা জানান, অফিস চলাকালে আগারগাঁওয়ে পাসপোর্ট অফিসের পেছনে এবং নির্বাচন ভবনের সামনে পর্যটন ভবনে এসে ভ্রমণমূল্য পরিশোধ করা যাবে। ভ্রমণটি হ্রাসকৃত মূল্যে হবে। তাই আগে এলে আগে পাবেন ভিত্তিতে বুকিং নেওয়া হবে। আসন সীমিত।

যোগাযোগ বা তথ্যের জন্য শুক্রবার ছাড়া অফিস চলাকালীন ০১৯৪১৬৬৬৪৪৪, ০১৩০০৪৩৯৬১৭ ও ০২-৪১০২৪২১৮ নম্বরে ফোন করতে হবে।


আরও খবর



অসুস্থ পরীমনি, প্রথম দিনেই সাক্ষ্য দিতে আসেননি নাসিরের বিরুদ্ধে

প্রকাশিত:সোমবার ০১ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ আগস্ট ২০২২ | ১৪জন দেখেছেন
Image

ঢাকার বোটক্লাবে পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের প্রথম দিনই সাক্ষ্য দিতে আসেননি মামলার বাদী।

সোমবার (১ আগস্ট) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এর বিচারক হেমায়েত উদ্দিনের আদালতে মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার বাদী পরীমনি অসুস্থ থাকায় সাক্ষ্য দিতে আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। এজন্য রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্য গ্রহণ পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করে। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে ২৯ নভেম্বর মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেন।

পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পরীমনি অন্তঃসত্ত্বার শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এখন তার চলাফেরা করা নিষেধ আছে। এজন্য সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর জন্য আবেদন করা হয়েছিল। আদালত তা মঞ্জুর করে আগামী ২৯ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন।

এর আগে ১৮ মে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এর বিচারক হেমায়েত উদ্দিন আসামি নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। একই সঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১ আগস্ট দিন ধার্য করেছে। অভিযোগ গঠনের সময় নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন নাসিরসহ তিন আসামি। নাসিরের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারা এবং দণ্ডবিধি আইনের ৩২৩ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ গঠন করেন আদালত। অপর দুই আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ এর ৩০ ধারায় অভিযোগ গঠন করেন।

২০২১ সালের ১৪ জুন ধর্ষণ-হত্যাচেষ্টার অভিযোগে নাসির উদ্দিন ও তার বন্ধু অমির নাম উল্লেখ করে এবং চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করে পরীমনি ঢাকার সাভার থানায় মামলা করেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে তৎপর হয় পুলিশ।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ৮ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার বনানীর বাসা থেকে কস্টিউম ডিজাইনার জিমি (৩০), অমি (৪০) ও বনিসহ (২০) দুটি গাড়িতে করে তারা উত্তরার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে অমি বলে বেড়িবাঁধের ঢাকা বোটক্লাবে তার দুই মিনিটের কাজ আছে।

‘অমির কথামতো তারা সবাই রাত আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ঢাকা বোটক্লাবের সামনে গিয়ে গাড়ি দাঁড় করায়। কিন্তু বোটক্লাব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অমি কোনো এক ব্যক্তির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তখন ঢাকা বোট ক্লাবের সিকিউরিটি গার্ডরা গেট খুলে দেয়। অমি ক্লাবের ভেতরে গিয়ে বলে এখানকার পরিবেশ অনেক সুন্দর, তোমরা নামলে নামতে পারো।’

এজাহারে আরও বলা হয়, তখন আমার ছোট বোন বনি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বোটক্লাবে প্রবেশ করে ও বারের কাছের টয়লেট ব্যবহার করে। টয়লেট থেকে বের হতেই এক নম্বর বিবাদী নাসির উদ্দিন মাহমুদ আমাদের ডেকে বারের ভেতরে বসার অনুরোধ করেন ও কফি খাওয়ার প্রস্তাব দেন।

‘আমরা বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চাইলে অমিসহ এক নম্বর আসামি মদপানের জন্য জোর করেন। আমি মদপান করতে না চাইলে এক নম্বর আসামি জোর করে আমার মুখে মদের বোতল প্রবেশ করিয়ে মদ খাওয়ানোর চেষ্টা করেন। এতে আমি সামনের দাঁতে ও ঠোঁটে আঘাত পাই।’

‘এক নম্বর আসামি (নাসির উদ্দিন মাহমুদ) আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন ও আমার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করেন এবং আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তিনি উত্তেজিত হয়ে টেবিলে থাকা গ্লাস ও মদের বোতল ভাঙচুর করে আমার গায়ে ছুড়ে মারেন। তখন কস্টিউম ডিজাইনার জিমি নাসির উদ্দিন মাহমুদকে বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করে জখম করেন।’

এজাহারে পরীমনি আরও বলেন, আমি প্রথমে জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ নম্বরে ফোন দিতে গেলে আমার ফোনটি কেড়ে নিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। এসময় দুই নম্বর আসামিসহ অজ্ঞাতনামা চারজন এক নম্বর আসামিকে ঘটনা ঘটাতে সহযোগিতা করেন। আমি অজ্ঞাতনামা আসামিদের দেখলে শনাক্ত করতে পারবো।

তিনি বলেন, দুই নম্বর আসামি অমি পরিকল্পিতভাবে আমাকে বর্তমান বাসা থেকে ঢাকা বোট ক্লাবে নিয়ে যান। তিনি অজ্ঞাতনামা চারজন আসামি ও নাসির উদ্দিন মাহমুদ আমার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করেন ও ধর্ষণের চেষ্টা করেন। আমি আমার সঙ্গীদের সহায়তায় ধর্ষকের হাত থেকে রক্ষা পাই। রাত আনুমানিক ৩টায় আমার গাড়িতে প্রায় অচেতন অবস্থায় অপর সঙ্গীদের সহায়তায় বাসায় ফিরে আসি।

২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। ১৩ ডিসেম্বর বিচারক হেমায়েত উদ্দিন অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।


আরও খবর

ক্যারিয়ার নিয়ে যা বললেন মিম

রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২




নূর হোসেনের বিরুদ্ধে আরেক মামলার বিচার শুরু

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | ১৩জন দেখেছেন
Image

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নূর হোসেনের বিরুদ্ধে আরও একটি মাদক-অস্ত্র মামলায় চার্জ গঠন হয়েছে। রোববার (৭ আগস্ট) দুপুরে জেলা ও দায়র জজ আদালতের বিচারক মুন্সি মো. মশিয়ার রহমানের আদালতে এ চার্জ গঠন করা হয়।

এ সময়ে নূর হোসেনসহ মামলার অন্য আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অন্য আসামিরা হলেন- মোস্তফা জামান চার্চিল, রিপন ওরফে ভ্যানিজ রিপন, আলী মাহমুদ, নুরুদ্দিন, শাহ জালাল বাদল, শাহ জাহান, সানাউল্লাহ, হারুন অর রশিদ ও মাসুদ।

এর আগে ২০১৪ সালে ২৯ মে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলের টোকপাড়ায় নূর হোসেন নিয়ন্ত্রিত ট্রাক স্ট্যান্ডের পেছনে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল, ছোরা, রাম দাসহ দেশিয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। পরে এ ঘটনায় সিদিরগঞ্জ থানা পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।

আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, একটি অস্ত্র মামলা চার্জ শুনানি ছিল। শুনানি শেষে আদালত চার্জ গঠনের মধ্যদিয়ে বিচার কাজ শুরুর আদেশ দেন। সেই সঙ্গে ২৯ সেপ্টেম্বর শুনানির দিন ধার্য করেন।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান বুলবুল বলেন, ২০১৪ সালের ২৯ মে তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক ও কিছু দেশিয় অস্ত্র উদ্ধার করে। পরে এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করেছেন। সে মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের শুনানি শেষে আদালত চার্জ গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, একটি মামলা চার্জ গঠনের শুনানির জন্য নূর হোসেনকে কড়া নিরাপত্তায় কাশিমপুর কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে আনা হয়। সেই সঙ্গে বিচারিক কার্যক্রম শেষে তাকে আবার কড়া নিরাপত্তায় কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংকরোড থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ সাতজন অপহৃত হন। ৩০ ও ৩১ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এক কিলোমিটারের মধ্যে মরদেহগুলোর পায়ে ২৪টি করে ইট বোঝাই সিমেন্টের ব্যাগ বাঁধা ছিল।

এ ঘটনায় জেলা ও দায়রা জজ আদালত নূর হোসেন, র‌্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন।


আরও খবর



সিন্ডিকেটের কারণেই দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে: হাইকোর্ট

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | ৩৫জন দেখেছেন
Image

টিকিট বিক্রিতে অনিয়ম ও ট্রেনের ছাদে যাত্রী ওঠা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। এছাড়াও রেলের কিছু সিন্ডিকেটের কারণেই দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন আদালত।

একই সঙ্গে আজ থেকেই ট্রেনের ছাদে যাত্রী নেওয়া বন্ধ করতে মৌখিক নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এছাড়াও ট্রেনের ছাদে যাত্রী নেওয়া বন্ধ, টিকিট কালোবাজারি রোধে এবং ঢাবি শিক্ষার্থী রনির ছয় দফা দাবির বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠনে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে। ওইদিন পরবর্তী আদেশ দেবেন বলেও জানান আদালত।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এমন মন্তব্য করে পর্যবেক্ষণ ও মৌখিক আদেশ দেন।

আদালতে আজ শুনানি করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক। এ সময় সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আন্না খানম কলী উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা-যাত্রী হয়রানির প্রতিবাদে কমলাপুর রেলস্টেশনে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনির অবস্থান ও অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন করতে বলেন আদালত। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব) ও মহাব্যবস্থাপক (পশ্চিম)-কে স্মারকলিপি পাঠানো হয়েছে।

রেলের অব্যবস্থাপনা নিয়ে মহিউদ্দিন রনির বিষয়ে প্রশ্ন তোলার পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে এমন তথ্য জানায় বাংলাদেশ রেলওয়ে। বিষয়টি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে জানানো হয়।

কমিটি গঠনের চিঠিতে বলা হয়, মহিউদ্দিন রনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী। তার দাবিসমূহ বাস্তবায়নে কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে। ওই কমিটির সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন সাতদিনের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে।

এর আগে বুধবার (২০ জুলাই) রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা-যাত্রী হয়রানির প্রতিবাদে কমলাপুর রেলস্টেশনে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনির অবস্থানের কারণ জানতে চান হাইকোর্ট। একই সঙ্গে দুদক বিষয়টি জানে কি না, জানলে কী ব্যবস্থা নিয়েছে সেটাও জানতে চান আদালত।

আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খুরশিদ আলম খান ও রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিককে রনির আন্দোলনের বিষয়ে খোঁজ-খবর নিতে বলেন।

তারই আলোকে আজ রেলওয়ের দুজন পরিচালক ও সহজ ডটকমের একজন আদালতে উপস্থিত হন। তারা হলেন, রেলওয়ের যুগ্ম মহাপরিচালক (অপারেশন) সালাহ উদ্দিন এবং ট্রাফিক ও রেলওয়ের বাণিজ্যিক পরিচালক মো. নাহিদ হাসান খাঁন। এ ছাড়া সহজ ডটকমের ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. জুবায়ের হোসেন আদালতে আসেন।

এর আগে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক রেল কর্তৃপক্ষের একজন ঊধ্র্বতন কর্মকর্তাকে ফোন করে আদালতের আদেশের কথা জানান। এরপর আজ এই বিষয়ে প্রতিবেদন নিয়ে আসেন দুজন কর্মকর্তা।

ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি বন্ধ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে রেলের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে হাইকোর্ট প্রশ্ন তোলেন, কেন ট্রেনের ছাদে লোক ওঠে? এটা কি পয়সা ইনকামের পথ? ট্রেন জাতীয় সম্পদ। ট্রেন কি আপনারা গ্রাস করতে চাচ্ছেন?

সেসময় রেলের যুগ্ম মহাপরিচালক এ এম সালাউদ্দিন বলেন, মাই লর্ড এটা (যাত্রী ছাদে ওঠা) বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, তবু এটা আমাদের ব্যর্থতা।

এ সময় আদালত বলেন, ছাদে বা দাঁড়িয়ে যারা যাচ্ছেন তারা কি টাকা দিচ্ছেন না? এটা তো দুর্নীতি। আর ছাদে যাত্রী ওঠা বন্ধ করতে পারছেন না; এই অসহায়ত্ব প্রকাশ করলে কি দেশ চলবে? এটা কোনো কথাই না। আপনাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। অসম্ভব বলে কিছু নেই। এগুলো ঠিক হতে আর কতদিন সময় লাগবে? দেশ স্বাধীনের তো ৫০ বছর হয়ে গেছে। আদালত আরও বলেন, সব ক্ষেত্রে কিছু সিন্ডিকেটের কারণেই দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।

রেলের অব্যবস্থাপনা নিয়ে সম্প্রতি প্রতিবাদ করা রনির বিষয়ে জানতে চাইলে সহজ ডটকমের ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. জুবায়ের হোসেন আদালতকে বলেন, অনলাইনে টিকিট পেতে পেমেন্ট করতে ১৫ মিনিট সময় থাকে। কিন্তু তিনি এক ঘণ্টা পর পেমেন্ট করেছিলেন, তাই টিকিট পাননি। তবে তিনদিন পর তিনি পেমেন্ট করা টাকা ফেরত পেয়েছেন।

শুনানিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খুরশিদ আলম খান আদালতকে বলেন, মাই লর্ড সহজ ডটকম এটা বলে পার পেতে পারে না। গতকাল ভোক্তা অধিকার তাদের অনিয়ম পেয়ে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছে, যেখান থেকে ৫০ হাজার টাকা রনি পাবেন।

তবে এ সময় সহজ ডটকমের ভাইস প্রেসিডেন্ট আদালতকে জানান, তারা ভোক্তা অধিকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।


আরও খবর



২০ কোটির কথা অনুমাননির্ভর, জনসংখ্যা এখন সাড়ে ১৬ কোটি

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, দেশের জনসংখ্যা নিয়ে অনেকে নানা কথা বলেন। কেউ বলেন ১৮ কোটি, কেউ বলেন ২০ কোটি। তবে এসব কথা অনুমাননির্ভর। এখন থেকে আমরা বলবো, দেশের বর্তমান মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ। এটিই আসল তথ্য।

বুধবার (২৭ জুলাই) নগরীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মাধ্যমে বাস্তবায়িত প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বিবিএসের সদ্য প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা এখন ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ আট কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ জন, নারী আট কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী ১২ হাজার ৬২৯ জন।

এ প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, জনশুমারি দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ প্রাথমিক প্রতিবেদনে দেশের মোট জনসংখ্যার তথ্য পেয়ে গেছি। কতভাগ নারী, কতভাগ পুরুষ সব তথ্য পেয়েছি। তথ্যে দেখলাম নারীর সংখ্যা কিন্তু বেশি।

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, আমরা জনশুমারির প্রাথমিক প্রতিবেদন পেয়েছি। অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে প্রাথমিক প্রতিবেদনের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। রিপোর্টও চমৎকারভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। জাতির পিতা সর্বপ্রথম ১৯৭৪ সালে বিবিএস প্রতিষ্ঠা করেন। বিশ্বের সব দেশেই জনশুমারি হয়। কাজটি খুবই জটিল ও সূক্ষ্মভাবে করতে হয়।

তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে সবার হাতে মোবাইল জীবনের একটি অপরিহার্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত সময়ে আমরা নানা তথ্য-উপাত্ত জানতে পারি মোবাইলে। ১০ বছর পর পর হওয়া জনশুমারিতে রাষ্ট্রের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে। নানা গবেষণা ও পরিকল্পনা গ্রহণে এসব তথ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

২০ কোটির কথা অনুমাননির্ভর, জনসংখ্যা এখন সাড়ে ১৬ কোটি

স্পিকার বলেন, বিশ্বের অনেকে দেশে বড় অংশ বয়স্ক মানুষ। কিন্তু আমরা দেখেছি, আমাদের দেশে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী জনসংখ্যা বেশি। এটা আমাদের জন্য বড় পাওয়া। বড় আশার কথা। আমাদের এই তরুণ শক্তিকে সুন্দর ভবিষ্যত গড়ার জন্য কাজে লাগাতে হবে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেন, অনেকে বিবিএসের তথ্য নিয়ে কথা বলেন। আমরা দেখেছি, সফলভাবে বিবিএস তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। এসডিজি বাস্তবায়নের ১০৫টি সূচক এ জনশুমারি থেকে নেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়ছে। দেশের উৎপাদিত ট্যাবে ডিজিটাল জনশুমারি করেছি। দেশে বস্তিবাসী মাত্র ১৮ লাখ। এ সংখ্যা আগে বেশি ছিল। তার মানে বস্তি থেকে বেরিয়ে মানুষ অন্য জায়গায় বসবাস করছেন, দেশে দ্রুতহারে দারিদ্র্যতা কমছে। বর্তমানে দেশে ভাসমান মানুষ মাত্র ২২ হাজার। অনেক উন্নত দেশে এ সংখ্যা আরও বেশি।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন। প্রাথমিক প্রতিবেদন বিষয়ক উপস্থাপনা করেন প্রকল্প পরিচালক মো. দিলদার হোসেন।


আরও খবর