Logo
শিরোনাম

দুদকের মামলায় সম্রাটের জামিন নামঞ্জুর

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১২০জন দেখেছেন
Image

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বুধবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এর আগে গত ১০ এপ্রিল অস্ত্র মামলায় ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ফায়সাল আতিক বিন কাদের এবং অর্থপাচার মামলায় ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন জামিন মঞ্জুর করেন। পরদিন ১১ এপ্রিল ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ তেহসিন ইফতেখার শুনানি শেষে দশ হাজার টাকা মুচলেকায় রমনা থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।

দুদকের মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে দুই কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার ৮৭ টাকার জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে মামলাটি করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম। ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।   

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে তাকে নিয়ে কাকরাইলের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ, পিস্তল ও বিরল প্রজাতির বন্য প্রাণীর চামড়া উদ্ধার করা হয়। বন্য প্রাণীর চামড়া রাখার দায়ে তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরের দিন ৭ অক্টোবর র‌্যাব-১-এর ডিএডি আব্দুল খালেক বাদী হয়ে রমনা থানায় মাদক ও অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৬ নভেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অস্ত্র মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১-এর উপপরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক। এ ছাড়া একই বছরের ৯ ডিসেম্বর মাদক মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র  জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১-এর এসআই আব্দুল হালিম। ওই বছরের ১২ অক্টোব রমনা থানায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনে সম্রাটের বিরুদ্ধে মামলা করেন।


আরও খবর



শ্বশুর-জামাইয়ের হাত ঘুরে থানায় গেলো ‘কষ্টিপাথর’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৯২জন দেখেছেন
Image

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার করতোয়া পাড়া গ্রামের আজিল (৫৫)। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে তার বাড়ির পাশে দিয়ে বয়ে যাওয়া করতোয়া নদী থেকে কষ্টিপাথরের একটি মূর্তির দুটি পায়ের কিছু অংশ পেয়ে কাউকে কিছু না জানিয়ে গোপনে নিজের কাছে রাখেন।

একদিন পর তার জামাতা আবু তাহের (৩৭) ওই কষ্টিপাথর শ্বশুরবাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। আবু তাহের ঘোড়াঘাট পৌর এলাকার খোদাদাদপুর গ্রামের মজিবর রহমান মুন্সির ছেলে।

১৮ দিন আগে আবু তাহের মারা যান এবং এই কষ্টিপাথর কার কাছে থাকবে সেটা নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে মৃত তাহেরের বড় বোন সাহজাদী পারভীন (৪৯) পরিবারের বড় সন্তান হিসেবে কষ্টিপাথর নিজের কাছে রাখেন।

jagonews24

সোমবার (৪ মে) রাতে খবর পেয়ে ঘোড়াঘাট থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খোকন চন্দ্র চাকী কষ্টিপাথরটি উদ্ধার করেন। পাথরটির ওজন ১ কেজি ২৪৯ গ্রাম।

সাহজাদী পারভীন জানান, লোকমুখে শোনা যায় কষ্টিপাথর খুবই মূল্যবান ও শক্তিশালী সম্পদ। এই পাথর বাড়িতে থাকলে সংসারে আয় উন্নতি বৃদ্ধি পায় এবং জমির ফসল বৃদ্ধি পায়। এসব নানা কুসংস্কারে বিভ্রান্ত হয়ে তার ছোট ভাই শ্বশুরবাড়ি থেকে পাথরটি সংগ্রহ করে নিজের কাছে রেখেছিল।

ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হাসান কবির বলেন, পাথরটি আমরা সাধারণ ডায়রি (জিডি) মূলে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছি। উদ্ধার করা পাথরটি আসলে কষ্টিপাথর নাকি কষ্টিপাথর সদৃশ অন্য কোনো পাথর সেটা নিশ্চিত না। তবে কষ্টিপাথর ভেবেই আজিল উদ্দিন এবং তার জামাতা সেটি নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন। আমরা বিধি মোতাবেক এই পাথরটি পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠাবো।


আরও খবর



ঈদের আনন্দ রঙ ছড়িয়েছে ফরিদপুরের শিশু পরিবারে

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৩৪জন দেখেছেন
Image

ফরিদপুরের এতিম শিশু-কিশোরীদের ঈদ কেটেছে আনন্দে উৎসবে। ঈদ উপলক্ষে তারা পেয়েছে রঙিন নতুন পোশাক। ঈদের দুপুরে তারা খেয়েছে উন্নতমানের খাবার। খাওয়া শেষে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ঈদ বকশিসও। মঙ্গলবার (৩ মে) ঈদুল ফিতরের দিন বিকেলে ফরিদপুর সরকারি শিশু পরিবারে (বালিকা) গিয়ে দেখা যায়, নতুন জামা কাপড় পরে একে অপরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছে তারা।

অন্যদের মতো ঈদ উদযাপন করতে পেরে ভিষণ খুশি তারা। তাদের খুশি দেখতে সরকারি শিশু পরিবারের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থার আয়োজন করা হয়।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন ফরিদপুর সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) শহরের টেপাখোলায় অবস্থিত। এখানে ১৭৫ জন শিশু-কিশোরী রয়েছে। তাদের অনেকেই জানে না কে তার বাবা-মা। আবার অনেকের বাবা নেই, আবার কারো মা নেই, আবার কারো বাবা-মা কেউই নেই। এ সকল শিশু-কিশোরীদের থাকা-খাওয়া, পড়ালেখাসহ যাবতীয় ব্যবস্থা এখান থেকেই করা হয়। প্রথম শ্রেণি থেকে ডিগ্রি পর্যন্ত অধ্যয়নরত এখানকার মেয়েরা।

একাধিক শিশুর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তাদের দেওয়া হয়েছে নতুন জামা-কাপড়। ঈদের দিন দুপুরে উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করা হয়েছে। খাবারের মধ্যে ছিল পোলাও, মুরগির রোস্ট, গরুর মাংস, ডাল, সালাদ, দই, মিষ্টি, আইসক্রিম ও কোমল পানীয়। খাবার ট্রেতে সাজিয়ে রাখা হয়, যে যার মত যে পরিমাণ ইচ্ছা খেতে পেরেছে তারা।

সরকারি শিশু পরিবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী মানসুরা জাগো নিউজকে জানায়, ছোটকাল থেকেই সে এখানে রয়েছে। তার বাবা-মা কেউ নেই। এবার এসএসসি পরীক্ষা দেবে।

ঈদ কেমন কাটলো প্রশ্নের জবাবে মানসুরা বলে, খুব ভালো কেটেছে ঈদের দিন। ঈদের আগের দিন নতুন পোশাক দেওয়া হয়েছে। ঈদের দিন সকালে সেমাই, রুটি, খিচুড়ি খেতে দেওয়া হয়েছে। দুপুরে পোলাও, মাংস, দই, মিষ্টিসহ বিভিন্ন খাবার দেওয়া হয়েছে। সবার সঙ্গে মিলেমিশে ঈদ পালন করলাম।

মানসুরা আরও জানায়, পরিবারের কেউ নেই, একথা ভুলে গেছি। এখানে যিনি দায়িত্বে আছেন তাকে আমরা মা বলে ডাকি। আমাদের সকলকে খুব যত্ন করেন তিনি। আমাদের খুব খেয়াল রাখেন।

সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সামিয়া জাগো নিউজকে বলে, আপনজনদের ছেড়ে এখানে সবাই মিলেমিশে থাকি। থাকা-খাওয়া, পড়ালেখা, খেলাধুলা সবই করতে পারি। ঈদের দিন খুব আনন্দে কাটলো। অনেক মজা করেছি। হাতে মেহেদি লাগিয়েছি, সেজেছি, নতুন পোশাক পরে সবার সঙ্গে গল্প করেছি। দুপুরের খাবার খেয়েছি। খাওয়ার পর মা (তত্ত্বাবধায়ক) আমাদের সবাইকে বকশিস দিয়েছেন।

প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী সানজিদা জানায়, আমি ছোট বলে অন্যরা আমাকে খুব আদর করে। বাড়ির কথা মনে নেই, এটাই আমার বাড়ি। আমি আমার বাড়িতেই ঈদ করেছি। মা-বোনদের সঙ্গে ঈদের দিন খুব মজা করেছি।

ফরিদপুর সরকারি শিশু পরিবারের (বালিকা) তত্ত্বাবধায়ক তাসফিয়া তাছরীন বলেন, এখানে ১৭৫ জন শিশু ও কিশোরী রয়েছে। প্রথম শ্রেণি থেকে ডিগ্রিতে পড়ালেখা করছে এমন মেয়েরাও রয়েছে। যারা খুব ছোট বয়সে এখানে এসেছে এদের মধ্যে অনেকেই ডিগ্রি পড়ছে।

তিনি আরও বলেন, এখানকার কারোই বাবা-মা নেই। ওরা আমাকে আম্মা বলে ডাকে। পেশাগত দায়িত্ব পালনই নয়, মা হিসেবে ওদের আবদারগুলো পূরণ করার চেষ্টা করি। ঈদে অন্য শিশুরা যেমন আনন্দ ফুর্তিতে কাটায় ঠিক সেভাবেই যাতে ওরা আনন্দে দিনটি কাটাতে পারে সেজন্য নানা ধরনের আয়োজন করা হয়ে থাকে। নতুন কাপড়, উন্নতমানের খাবার এমনকি বাবা-মা যেমন তাদের সন্তানদের ঈদে বকশিস দেয় ঠিক তেমনি আমিও তাদের হাতে নতুন টাকা বকশিস হিসেবে তুলে দিয়েছি। নিজের সন্তানের মতো করে ওদের দেখাশুনা করি।

তাসফিয়া তাছরীন আরো বলেন, এখানে থাকার জন্য উন্নতমানের বেড রয়েছে। এছাড়া নিয়মিত পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার পরিবেশন করা হয়। পড়ালেখার জন্য রয়েছে লাইব্রেরি, খেলাধুলার জন্য রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। এখানকার সকলেই পড়ালেখা করে। পার্শ্ববর্তী নুরুল ইসলাম উচ্চ বিদ্যালয়ে এখানকার কর্মচারীদের দিয়ে তাদের স্কুলে পাঠানো হয়। স্কুল শেষে তাদের আবার নিয়ে আসা হয়।

‘এছাড়া অনেকে লজ্জায় কিছু বলতে না পারলে তার জন্যও রয়েছে ‘ইচ্ছাপূরণ’ বক্স। ইচ্ছার কথা কাগজে লিখে ওই বক্সে রাখলে আমরা তার ইচ্ছাপূরণ করে থাকি।’

এ বিষয়ে ফরিদপুর সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. নুরুল হুদা জাগো নিউজকে বলেন, শিশু-কিশোরীরা আমাকে বাবা বলে ডাকে। তাই নিজের সন্তানের মতো করে ওদের লালন পালন করছি। অনেক সময় সরকারি বরাদ্দ না থাকলেও নিজের অর্থ দিয়ে ওদের আবদার মেটাই।

তিনি আরও বলেন, এখানে যারা আছে সবাই খুবই ভালো। ঈদ ছাড়াও বছরের বিভিন্ন সময়ে ওদের একটু আনন্দ দিতে নানা আয়োজন করে থাকি। এখান থেকে পড়ালেখা শেষ করে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছে। তাদের দেখলে নিজের কাছে খুব ভালো লাগে।


আরও খবর



স্মার্টফোন বৃষ্টিতে ভিজে গেলে দ্রুত যা করবেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৭২জন দেখেছেন
Image

বৈশাখ এখনো শেষ হয়নি। বর্ষা আসতেও অনেক দেরি। তারপরও বৃষ্টির মুখোমুখি হচ্ছেন যখন তখন। ঝকঝকে রোদ দেখে ঘর থেকে বের হয়ে বৃষ্টির মধ্যে পড়তে হচ্ছে। সঙ্গে ছাতা না থাকায় ভিজে একাকার অবস্থা। এতে ভিজে যায় সঙ্গে থাকা স্মার্টফোনও।

আজকাল অনেক ফোনে ওয়াটার রেসিস্ট্যান্ট থাকে। তবে তা অল্প কিছু ফোনেই পাওয়া যায়। আবার ওয়াটার প্রুভ কিছু ফোন কাভারও পাওয়া যায় বাজারে। তবে আপনার যদি এসব সুবিধার কোনোটিই না থাকে এবং হঠাৎ ফোন বৃষ্টিতে ভিজে যায় তাহলে দ্রুত কয়েকটি কাজ করুন। এতে আপনার সাধের স্মার্টফোনটি নষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা পেতে পারে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক স্মার্টফোন বৃষ্টিতে ভিজে গেলে দ্রুত যা করবেন-

> প্রথমেই আপনার ফোন বন্ধ করে দিন। ফলে ফোনের ভেতরে শর্ট সার্কিটের কারণে তা খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে। ফোনের ভেতরে পানি ঢুকে যাওয়ার আগেই যদি তা বন্ধ করে দিতে পারেন তবে আপনার ফোন সুরক্ষিত থাকার সম্ভাবনা আরও কয়েক গুণ বেশি।

> এরপর ফোনটি ভালোভাবে শুকনো কাপড় দিয়ে পানি মুছে নিন। যত ভালো করে সম্ভব ফোনটি শুকনো করে নিন। এতে আপনার ফোন ক্ষতির হাত থেকে অনেকখানি রক্ষা পাবে।

> ফোনে যদি ব্যাটারি খোলার সুবিধা থাকে তবে ফোনের ব্যাটারি দ্রুত খুলে ফেলুন। যদিও আজকাল ফোনের ব্যাটারি ফোনের ভেতরেই থাকে। ব্যাটারির ভেতরে পানি ঢুকে গেলে বড়সড় বিপদের সম্মুখীন হতে পারেন।

> ফোন থেকে সিম কার্ড ও মেমোরি কার্ড খুলে শুকনো কাপড় দিয়ে ভালো করে মুছে নিন। পানি লেগে ফোনের সিম ও মেমোরি কার্ড খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। হাতের কাছে মাইক্রোফাইবার কাপড় থাকলে তা দিয়ে ফোনটি ফের একবার ভালো করে শুকিয়ে নিন।

> ফোনের ভেতরে পানি ঢুকে থাকলে তা বের করার জন্য ফোনটিকে একটি প্লাস্টিক ব্যাগের মধ্যে ঢুকিয়ে ভ্যাকিউম করুন। এতে ফোনের ভেতরে থাকা পানি বেরিয়ে আসবে অনেকটাই।

> এবার ফোনটিকে চালের পাত্রে রেখে দিন। ফলে ফোনের ভেতরে জমে থাকা আর্দ্রতা শুকিয়ে যাবে। চাইলে সিলিকা জেলও ব্যবহার করতে পারেন। দুই থেকে তিন দিন ফোনটিকে এই অবস্থায় রেখে দিন।

> এরপর ফোন বের করে তা অন করুন। অনেক ক্ষেত্রেই এই সময় ফোন অন হয়ে যাবে। তবে ফোনের ভেতরে অতিরিক্ত পানি ঢুকে থাকলে তা অন হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা কম। চালের মধ্যে রাখার অন্তত দুই দিন পর আপনার ফোন বের করুন।


আরও খবর



ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সা. সম্পাদক জুবায়ের আটক

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩০জন দেখেছেন
Image

সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জুবায়ের আহমেদকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

মঙ্গলবার (১৯ মে) ভোরে রাজধানীর সবুজবাগের গোড়ান এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

র‍্যাবের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, জুবায়েরকে সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আটক করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সোমবার দিনগত রাত ৩টা ২০ মিনিটের দিকে র‍্যাব-৩ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে আটক করে। তখন তাকে ছাড়িয়ে আনতে ঘটনাস্থলে যান জুবায়ের ও তার নেতাকর্মীরা। এসময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা র‍্যাবের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় লিপ্ত হন। জুবায়ের ও নেতাকর্মীরা র‍্যাবের সঙ্গে খারাপ আচরণ করলে র‍্যাব তাকেও আটক করে নিয়ে যায়।

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জাগো নিউজকে বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ব্যবহারকারী চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে অস্ত্র, গুলি ও মাদকসহ আটক করেছে র‍্যাব-৩।’

তবে তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়েরকে আটকের বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি।


আরও খবর



চলতি মাসেই আসামে হতে পারে মোমেন-জয়শঙ্করের বৈঠক

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ-ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক চলতি মাসের ২৭-২৯ তারিখে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৈঠকটি আসামের রাজধানী গৌহাটিতে হতে পারে। ভারতের পক্ষ থেকে এমনটাই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৪ মে) পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, আগামী ২৮-২৯ মে নদী বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক কনক্লেভের আয়োজন করা হবে। এ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করবে শিলং-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও থিঙ্কট্যাঙ্ক এশিয়ান কনফ্লুয়েন্স। সেখানে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর যোগ দিচ্ছেন। এদিকে কনক্লেভে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনকেও আমন্ত্রণ করা হয়েছে। আর ওই সময়েই বৈঠকটি করতে আগ্রহী ভারত।

এদিকে গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশের কাছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে ফোকাস করতে চাইছে ভারত। এ অঞ্চলের সঙ্গে বাংলাদেশের কানেকটিভিটি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে দেশটি। তাই সেখানেই বৈঠকের আয়োজন করতে চাইছে ভারত।

গত ২৮ এপ্রিল ঢাকা সফরকালে ড. এস জয়শঙ্কর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। ওই সময় মোমেনকে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে যোগ দিতে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান জয়শঙ্কর।


আরও খবর