Logo
শিরোনাম

এরদোয়ানের আপত্তিতে ফিনল্যান্ড-সুইডেনের ন্যাটোয় ঢোকা অনিশ্চিত

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩২জন দেখেছেন
Image

ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটোয় যোগদানের খবরে আপত্তি জানিয়েছে তুরস্ক। তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, নর্ডিক দেশ দুটিকে পশ্চিমা সামরিক জোটে অন্তর্ভুক্ত করায় তাদের ‘ইতিবাচক মতামত’ নেই। এর ফলে ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যটোয় যোগদান অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। কারণ, জোটে ঢুকতে হলে এর ৩০ সদস্যেরই সম্মতি প্রয়োজন তাদের। খবর এএফপির।

শুক্রবার (১৩ মে) জুমার নামাজের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান অভিযোগ করেছেন, ফিনল্যান্ড-সুইডেন উভয়ই ‘সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর’ পৃষ্ঠপোষকতা করছে।

দেশ দুটিকে ন্যাটোয় অন্তর্ভুক্ত করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের ইতিবাচক মতামত নেই। কারণ, স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো সন্ত্রাসী সংগঠনের গেস্টহাউজের মতো।

তুরস্ক দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, উত্তর ইউরোপীয় দেশগুলো, বিশেষ করে সুইডেন কুর্দি সংগঠন এবং ২০১৬ সালে ব্যর্থ অভ্যুত্থানে জড়িত অভিযুক্ত ফেতুল্লাহ গুলেনকে পৃষ্ঠপোষকতা করছে।

jagonews24

এদিন ১৯৫২ সালে গ্রিসের ন্যাটোয় অন্তর্ভুক্তিতে তুরস্কের সাবেক শাসকদের সম্মতি দেওয়া ‘ভুল’ ছিল বলেও মন্তব্য করেন এরদোয়ান। তিনি বলেন, আমরা এই ইস্যুতে দ্বিতীয়বার ভুল করবো না।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ আক্রমণ শুরুর পর থেকে প্রতিবেশী ফিনল্যান্ড ও সুইডেন ন্যাটোয় যোগ দেওয়ার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় উঠে আসে। উভয় দেশই যত দ্রুত সম্ভব পশ্চিমা এ সামরিক জোটের সদস্য হতে চায়।

ন্যাটো প্রধান জেনস স্টলটেনবার্গও জানিয়েছেন, তারা দুহাত খুলে নর্ডিক দেশ দুটিকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। তবে ন্যাটোর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে তুরস্কই প্রথম এ বিষয়ে আপত্তি জানালো।

শুক্রবার এরদোয়ানের এমন মন্তব্যের পর সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা জানিয়েছেন, শনিবার ন্যটোর অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে বার্লিনে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তাদের কথা হবে বলে আশা করছেন।

jagonews24

সুইডিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান লিন্ডে বলেছেন, তুর্কি সরকার আমাদের কাছে সরাসরি এ ধরনের কোনো বার্তা দেয়নি। ফিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেক্কা হাভিস্তোও বলেছেন, তিনি আলোচনা এগিয়ে নিতে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলুর সঙ্গে সাক্ষাতের আশা করছেন।

নিয়ম অনুসারে, কোনো দেশ ন্যাটো সদস্য হতে আবেদনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর ৩০ সদস্যের এই জোট থেকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে তার জন্য প্রত্যেক সদস্যের সম্মতির প্রয়োজন হয়। এরপর শুরু হয় সদস্যপদের জন্য সমঝোতা।

তুরস্ক বা অন্য কোনো সদস্য আপত্তি না জানালে ফিনল্যান্ড-সুইডেনের ন্যাটোয় যোগদানের চূড়ান্ত অনুমোদন হতে পারে আগামী জুনে অনুষ্ঠিতব্য মাদ্রিদ সম্মেলনে। তবে কোনো সদস্য আপত্তি করলে বা সমঝোতা না হলে নর্ডিকদের স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যেতে পারে।

সূত্র: এনডিটিভি


আরও খবর



করোনায় বেশি আক্রান্ত হয়েছে ঢাকার সাংবাদিকরা: সিজিএস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৬৫জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশে কর্মরত সাংবাদিকরা উচ্চহারে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস)। এর মধ্যে সবেচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে ঢাকায় কর্মরত সাংবাদিকরা।

মঙ্গলবার (১০ মে) সিজিএস প্রকাশিত বাছাই করা ১০০ জন সাংবাদিকদের ওপর করা এক জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

জরিপে দেখা যায়, এতে অংশ নেওয়াদের মধ্যে ৩৪ শতাংশ করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছিলেন। আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের সাংবাদিকরা সবচেয়ে বেশি ৪১ শতাংশ কোভিডে সংক্রমিত হয়েছেন।

জরিপে অংশ নেওয়া সাংবাদিকদের এক তৃতীয়াংশেরও কম ২৭ শতাংশ বাসা থেকে কাজ করেছেন। তাদের মধ্যে ৪৭ শতাংশ সাংবাদিক বাসা থেকে কাজ করার সময় সহকর্মীদের সঙ্গে সঠিকভাবে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারেননি। তাদের মধ্যে মাত্র ২৯ শতাংশ সাংবাদিককে তাদের অফিস থেকে প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও মোট উত্তরদাতাদের ৪০ শতাংশ সাংবাদিককে বাসা থেকে ও অফিসে সশরীরে উপস্থিত হয়ে দুইভাবেই কাজ করতে হয়েছে। আর অবশিষ্ট ৩৩ শতাংশ সাংবাদিক অফিসে সশরীরে উপস্থিত হয়ে কাজ করেছেন।

জরিপে আরো দেখা যায়, করোনাকালে সাংবাদিকদের আর্থিক অবস্থার ওপর বড় ধরনের প্রভাব এসেছে। উত্তরদাতাদের অধিকাংশই তাদের মহামারির পূর্বের বেতন কাঠামো বজায় রাখতে পারেননি। এর মাঝে ৪০ শতাংশ মহামারিকালে নিয়মিতভাবে সম্পূর্ণ বেতন পেয়েছেন।

এর মধ্যে ৩৬ শতাংশ তাদের মূল বেতনের অর্ধেক বেতন পেয়েছেন। বাকি ২৪ শতাংশ সাংবাদিক মাসিক বেতন পুরোটাই পেয়েছেন কিন্তু অনিয়মিতভাবে। এছাড়া ৪ শতাংশ সাংবাদিক মহামারির কারণে তাদের চাকরি হারিয়েছেন।


আরও খবর



মুম্বাইয়ের বিপক্ষে টিকে থাকার লড়াইয়ে ব্যাটিংয়ে হায়দরাবাদ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৪জন দেখেছেন
Image

মুম্বাইর বিদায় ঘটে গেছে অনেক আগেই। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সম্ভাবনার বাতিও প্রায় নিভু নিভু। অফিসিয়াল কিছু হিসাব-নিকাশ বাকি থাকার কারণে এখনও হয়তো বিদায় বলে দেয়া যাচ্ছে না তাদেরকে। তবে, পরিস্থিতি যা, তাতে হায়দরাবাদের প্লে-অফ খেলার সম্ভাবনা খুবই কম।

যে টুকু সম্ভাবনা আছে, সেটা টিকিয়ে রাখার জন্য আজ মুম্বাইর ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে স্বাগতিক মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মুখোমুখি হয়েছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচে কিন্তু টস হেরে গেছে হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেনে উইলিয়ামসন। টস হেরে মুম্বাইয়ের পক্ষ থেকে প্রথমে ব্যাট করার আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি।

টস হেরে প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে খুশি কেনে উইলিয়ামসন। তিনি বলেছেন, ‘আমরা এমনিতেই প্রথমে ব্যাট করতে চেয়েছিলাম। শুকনো মাঠ দেখছি এখানে। সুতরাং, চেষ্টা থাকবে স্কোরবোর্ডে রান তোলার জন্য।’

দুটি পরিবর্তন হায়দরাবাদ একাদশে। শশাঙ্ক সিংয়ের পরিবর্তে জায়গা পেয়েছেন রায়ান পরাগ। মার্কো জানসেনের পরিবর্তে জায়গা পেয়েছেন আফগান ফজলহক ফারুকি।

রোহিত শর্মা বলেন, আমরা চেষ্টা করবো তাদেরকে কম রানে বেধে রাখতে। ঋত্বিক শোকিন এবং কুমার কার্তিকিয়াকে বাদ দিয়ে দলে নেয়া হয়েছে মায়াঙ্ক মার্কান্দে এবং সঞ্জয় যাদব।

১২ ম্যাচ শেষে মুম্বাইর পকেটে পয়েন্ট হচ্ছে ৬, সানরােইজার্স হায়দরাবাদের পকেটে আছে ১০ পয়েন্ট। আজ জিততে পারলে হায়দরাবাদের পয়েন্ট হবে ১২।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স একাদশ
ইশান কিশান (উইকেটরক্ষক), রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), ট্রিস্টান স্টাবস, তিলক ভার্মা, টিম ডেভিড, ড্যানিয়েল শামস, রামানদিপ সিং, সঞ্জয় যাদব, জসপ্রিত বুমরাহ, মায়াঙ্ক মার্কান্দে, রিলে মেরেডিথ।

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ একাদশ
অভিশেষ শর্মা, প্রিয়াম গার্গ, কেনে উইলিয়ামস (অধিনায়ক), রাহুল ত্রিপাথি, এইডেন মারক্রাম, নিকোলাস পুরান (উইকেটরক্ষক), ওয়াশিংটন সুন্দর, ভুবনেশ্বর কুমার, উমরান মালিক, টি নটরাজন, ফজলহক ফারুকি।


আরও খবর



যমুনা গ্রুপে ২০ জনের চাকরির সুযোগ

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৩জন দেখেছেন
Image

যমুনা গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান যমুনা ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড অটোমোবাইলস লিমিটেডে ‘এরিয়া সেলস ম্যানেজার (এএসএম) ফর প্লাজা অ্যান্ড ডিলার নেটওয়ার্ক’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা ২১ মে পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: যমুনা ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড অটোমোবাইলস লিমিটেড

পদের নাম: এরিয়া সেলস ম্যানেজার (এএসএম) ফর প্লাজা অ্যান্ড ডিলার নেটওয়ার্ক
পদসংখ্যা: ২০ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক
অভিজ্ঞতা: ০৭-০৮ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: ৩০-৪০ বছর
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময় : ২১ মে ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



সমুদ্রে মাছ ধরার নৌযান শনাক্তে যুক্ত হচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৯জন দেখেছেন
Image

 

সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে নতুন যন্ত্র ও প্রযুক্তি সংযোজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (১১ মে) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম ২০২২ বাস্তবায়নবিষয়ক সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে শিগগির নতুন যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হচ্ছে। মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের আওতায় বাণিজ্যিক মৎস্য ট্রলারে ভেসেল মনিটরিং সিস্টেম (ভিএমএস) এবং আর্টিসানাল ও যান্ত্রিক মৎস্য নৌযানে যথাক্রমে অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) ও গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (জিএসএম) ব্যবস্থা সংযোজনের কাজ চলমান রয়েছে। এর মাধ্যমে অনুমতিপ্রাপ্ত সমুদ্রগামী নৌযানসমূহের অবস্থান জানা যাবে এবং এদের সহজেই মনিটর করা যাবে। এ নৌযানসমূহ আইনের ব্যত্যয় করলে লাইসেন্স বাতিল করাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি বলেন, আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সমুদ্রে মৎস্য আহরণ করা যাবে না। আইন অমান্য করলে সামুদ্রিক মৎস্য আইন ও মোবাইল কোর্টের আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্থানীয় প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌপুলিশ ব্যবস্থা নেবে। তবে অসহায় জেলেরা যেন অহেতুক হয়রানির শিকার না হয়, সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখা মানে দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি করা, রাষ্ট্রের জন্য কাজ করা। এক্ষেত্রে মৎস্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি মৎস্যজীবী সমিতির সদস্যদের সরকারের নীতি বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে হবে। মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ করা গেলে মৎস্যজীবীদেরই লাভ হবে। সরকার শুধু মৎস্যজীবী ও দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থকে নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। এজন্য অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে নিবেদিতভাবে কাজ করতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মো. তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. হেমায়েত হুসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক ও নৌপুলিশের অতিরিক্ত আইজি শফিকুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, র‌্যাব এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন, মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিরা এ সভায় অংশ নেন।

এর আগে গত ২৪ এপ্রিল সামুদ্রিক মৎস্য আইন-২০২০-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

উপকূলীয় বিভাগ চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনার ১৪ জেলার ৬৭ উপজেলা ও চট্টগ্রাম মহানগরে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। এসময়ে সমুদ্রগামী হালনাগাদ করা ও নিবন্ধিত জেলেদের ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সরকার উপকরণ সহযোগিতা করা হবে।


আরও খবর



ভ্রাম্যমাণভাবে ৯ হাজার কোটি টাকার দুধ-ডিম-মাংস বিক্রি

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১৪১জন দেখেছেন
Image

ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে ৯ হাজার কোটি টাকার দুধ-ডিম-মাংস বিক্রি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

তিনি বলেছেন, করোনা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উদ্যোক্তা ও খামারিদের সরকারের উদ্যোগে নগদ প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এতে তারা ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে। তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা রাষ্ট্র করে দিয়েছে। করোনায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দুধ, ডিম, মাছ, মাংসের ভ্রাম্যমাণ বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে উৎপাদক, সরবরাহকারী, বিপণনকারী ও ভোক্তারা লাভবান হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রায় নয় হাজার কোটি টাকার পণ্য ভ্রাম্যমাণ ব্যবস্থায় বিক্রি হয়েছে।

রোববার(২৪ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটে কেআইবি কনভেনশন হলে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম আয়োজিত ‘বৈরী আবহাওয়ায় কৃষিজ উৎপাদন: অস্থিতিশীল বৈশ্বিক কৃষি পণ্যের বাণিজ্য’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, করোনার বৈরী পরিস্থিতিতে মাছ, মাংস, দুধ, ডিমের বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য পোল্ট্রি ও ফিস ফিডের উপকরণ আমদানিতে সরকার কর ছাড় দিয়েছে। পোল্ট্রি ও ফিস ফিড তৈরির শিল্প স্থাপনে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের কর ছাড় দেওয়ার বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, জলবায়ু সহনশীল মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের উৎপাদনে সরকারের উদ্যোগে বিভিন্ন ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বন্যা, খরা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়া ও লবণাক্ততা বৃদ্ধিসহ নানা প্রতিকূল পরিবেশ আমরা মোকাবিলা করছি। বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতিকূলতা মোকাবিলা করতে হবে। সরকারের উদ্যোগে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রতিকূলতায় হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় থাকা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের প্রজাতি উদ্ভাবন করে তা সংরক্ষণ করা হচ্ছে। প্রতিকূল পরিবেশের কারণে দেশে ৬৪টি প্রজাতির দেশীয় মাছ হারিয়ে গিয়েছিল। গবেষণার মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৩৪টি বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছের কৃত্রিম প্রজনন কৌশল ও চাষ পদ্ধতি আমাদের বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছে।

‘বৈরী পরিস্থিতিতে প্রাণী চিকিৎসা যেন ব্যাহত না হয় সেজন্য সরকারের উদ্যোগে মোবাইল ভেটেরিনারি ক্লিনিক চালু করা হয়েছে। অসুস্থ প্রাণী হাসপাতালে নয় বরং হাসপাতাল প্রাণির কাছে যাবে। এভাবে আধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে বৈরী আবহাওয়া ও প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবিলার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশ একসময় প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রতীকী রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত ছিল। সে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। বাংলাদেশ খাদ্যের জন্য পরনির্ভরশীল ছিল, সেই বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। একসময় ভারত-মিয়ানমার থেকে গবাদিপশু না আসলে কোরবানি না হওয়ার আশঙ্কা ছিল। এখন কোরবানির হাটে আমাদের উৎপাদিত প্রাণী এক দশমাংশ উদ্বৃত্ত থাকে। এতে মানুষের পুষ্টি আমিষের চাহিদা মিটছে, উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে, বেকারত্ব দূর হচ্ছে, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হচ্ছে। .

বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি গোলাম ইফতেখার মাহমুদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাহানোয়ার সাইদ শাহীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক ও বিশেষ অতিথি হিসেবে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. এম এ সাত্তার মন্ডল, সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, এফবিসিসিআই’র সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, এসিআই এগ্রিবিজনেসেস’র প্রেসিডেন্ট ড. এফ এইচ আনসারী, দি সিটি ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন, গ্রীন ডেল্টা ইস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মঈনউদ্দিন আহমেদ।


আরও খবর