Logo
শিরোনাম

ফাইভজি’র নিলাম ৩১ মার্চ, অংশ নিচ্ছে চার অপারেটর

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৫ মার্চ ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১২১জন দেখেছেন
Image

দেশে ফাইভজি’র তরঙ্গ নিলাম আগামী ৩১ মার্চ। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এ নিলামের আয়োজন করেছে। এতে চারটি মোবাইল কোম্পানি অংশ নেবে বলে জানিয়েছেন বিটিআরসির ভাইস-চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র।

বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) দুপুরে তিনি জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সুব্রত রায় মৈত্র বলেন, বিধি অনুযায়ী অতি উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা বা ফাইভজি চালুর লক্ষ্যে এ নিলামের ব্যবস্থা করেছি। নিলামে অংশ নিতে অপারেটরগুলো ইতো মধ্যে টাকা জমা দিয়েছে। রাজধানীর একটি হোটেল এ নিলামের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে শুধু ফাইভজি নয়, ফোরজি সেবার মান বাড়াতেও কোনো কোনো অপারেটর বাড়তি তরঙ্গ কেনার চিন্তা করছে।’

এর আগে গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ফাইভজি’র উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত থেকে তিনি এ প্রযুক্তির উদ্বোধন করেন।

ফাইভজি উদ্বোধন করায় অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, শিগগির বাণিজ্যিকভাবে দেশে ফাইভজি চালু করা হবে। এর মাধ্যমে দেশ ফাইভ-জির যুগে প্রবেশ করে।

রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটকের হাত ধরে বাংলাদেশে আনা হয় ফাইভজি। ফাইভজি প্রযুক্তি চালু করতে টেলিটককে সহায়তা করছে হুয়াওয়ে ও নকিয়া।

প্রথমে ছয়টি এলাকায় সীমিত পরিসরে ফাইভজি নেটওয়ার্ক চালু করা হয়। রাষ্ট্রীয় মোবাইল ফোন অপারেটর সংস্থা টেলিটক রাজধানীর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, ধানমন্ডি ৩২, বাংলাদেশ সচিবালয়, সংসদ ভবন এবং সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকা ও টুঙ্গিপাড়ায় ফাইভজি কভারেজের আওতায় আনছে। এছাড়া কিছু আইসিটি ও মোবাইল মেলায় ফাইভজি চালানোর ব্যবস্থা করা হয়।


আরও খবর



‘সংবাদ ভাগাভাগিতে’ গণমাধ্যমকর্মীদের ঈদ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৬২জন দেখেছেন
Image

উৎসব-পার্বন, দুর্যোগ-দুর্ভোগ বা যেকোনো পরিস্থিতিতে গণমাধ্যমকর্মীরা থাকেন মাঠে। গণমানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে সঠিক তথ্য তুলে আনতে চলে প্রাণন্তকর চেষ্টা। তার ব্যতিক্রম হয়নি মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরেও। মঙ্গলবার (৩ মে) ভোর থেকে অবিরত তারা মাঠে থেকে সব তথ্য জানাচ্ছেন।

মাঠের সংবাদকর্মীদের ঈদ আনন্দ নিয়ে জাগো নিউজের আয়োজন ‘গণমাধ্যমকর্মীদের ঈদ আনন্দ’। এ নিয়ে কথা বলেছেন যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি মহসিন উল হাকিম, একুশে টিভির সিনিয়র রিপোর্টার ফারজানা শোভা, এনটিভির সিনিয়র রিপোর্টার মুকসিমুল আহসান অপু এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকাপোস্টের প্রধান প্রতিবেদক আদনান রহমান।

তারা বলছেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির চেয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে সংবাদ ভাগাভাগিতেই আমাদের বেশি সময় কাটে। এই আমাদের ঈদ, এতেই আনন্দ।

এ বিষয়ে যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিনিধি মহসিন উল হাকিম বলেন, ঈদ হোক, বড় কোনো খুশির দিন হোক, বড় কোনো দুর্যোগ হোক কিংবা যা কিছুই আসুক আমাদের কিন্তু টেলিভিশনের স্ক্রিন চালু রাখতেই হয়। কাজেই ঈদের মধ্যেও আমাদের অফিস করতে হয়। আজকেও আমার অফিস করতে হয়েছে। বিজিবি মহাপরিচালকের সঙ্গে দুর্গম পাহাড়ে একেবারে সীমান্ত সংলগ্ন দুটি বিওপিতে যাওয়ার কথা ছিল আমার। আমরা সকালে গিয়েছিলামও। কিন্তু হেলিপ্যাড থেকে ফিরে আসতে হয়েছে। কারণ আজকের আবহাওয়া অনুকূলে ছিল না। এরপর সেখান থেকে ফিরে সারাদিন অফিসেই কাটিয়েছি। সন্ধ্যায় বাসায় ফিরেছি।

‘সংবাদ ভাগাভাগিতে’ গণমাধ্যমকর্মীদের ঈদ

তিনি বলেন, বছরের দুটি ঈদের একটি পরিবারের সঙ্গে কাটাতে পারি, আরেকটি ঈদ করি অফিসে। এভাবেই আমাদের দিন কাটে। এটা এক রকম নিয়তি বলতে পারেন। আমরা এটিকে মেনে নিয়েছি এবং উপভোগও করি। আমরা মনে করি আমাদের দায়িত্ব- সংবাদ সংগ্রহ করা এবং মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। সেটি যত বড় দুর্যোগের দিন হোক, কিংবা আনন্দের।

একুশে টিভির সিনিয়র রিপোর্টার ফারজানা শোভা জাগো নিউজকে বলেন, আমরা যারা গণমাধ্যমে কর্মরত আছি, ঈদটা তাদের ঘরের চাইতে অফিসে বা রাজপথেই পালন করতে হয়। কেউ এটা উপভোগ করে, কেউ চাকরির সুবাধে বাধ্য হয়ে করে।

তিনি বলেন, ঈদের প্রস্তুতি আগের দিন থেকেই শুরু করতে হয় মূলত। অফিস করে গিয়ে রাতে রান্নাবান্না করে কিছুটা গুছিয়ে রাখতে হয়। যেহেতু সকাল থেকে আবার অফিসের কর্মব্যস্ততা থাকেই। সেগুলো শেষ করে ঘুমাই। সকালে সবাই যখন ঈদের নামাজ পড়তে যায়, তখন আমরা অফিসে যাওয়ার প্রস্তুতি নিই।

‘সংবাদ ভাগাভাগিতে’ গণমাধ্যমকর্মীদের ঈদ

ঈদের দিনের কাজের হিসাব দিয়ে সাংবাদিক ফারাজানা শোভা বলেন, সারাদিন অফিস করলাম। রাষ্ট্রপতির নামাজ থেকে শুরু করে নানা ইভেন্ট কাভার করেছি। ঈদের দিনের সিংহভাগ সময়ই কাটে অফিসে। সহকর্মীরাই তো আমাদের পরিবারের অংশ। নিউজের কাজের ফাঁকে তাদের সঙ্গে যতটুকু উদযাপন করা যায়। ছবি তোলা, স্মৃতি ধরে রাখা, এই সব। দিনশেষে যখন ঘরে ফিরি, তখন ঘরের লোকদের নিয়ে ঘরোয়াভাবে ঈদ উদযাপন করা হয়।

এনটিভির সিনিয়র রিপোর্টার মুকসিমুল আহসান অপু জাগো নিউজকে বলেন, আমরা যারা গণমাধ্যমে কাজ করি, বিশেষ করে টিভিতে যারা কাজ করি; আমরা সাধারণত মুসলিমদের বড় দুটি ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার মধ্যে একটিতে ছুটি পাই। আরেকটিতে অফিস করতে হয়। সে হিসাবে আমি এবার অফিস করছি। সুযোগ হলে ঈদুল আজহায় ছুটি কাটাবো।

তিনি বলেন, আজকে সকালে কর্মব্যস্ততা অন্য যেকোনো দিনের চেয়ে বেশি ছিল। একেবারেই ভোরে অফিসে আসি। ৭টা থেকে অফিস শুরু হয়। জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামায়াত কাভার করতে যাই। সেখানে লাইভ করি। পরে একটি নিউজও তৈরি করি। অফিসের কাজের ফাঁকেই বাসায় গিয়ে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে মামার বাসায় বেড়াতে যাই। ওখানে তাদের রেখে আবার অফিসে আসি। অফিসের কাজ শেষে করে সন্ধ্যায় বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেবো। রাতে সন্তানদের নিয়ে ভাইয়ের বাসায় বেড়াতে যাবো। হয়তো রাত ১২/১ টার দিকে সবাইকে নিয়ে বাসায় ফিরবো। এভাবেই আমাদের ঈদ উদযাপন হয়।

‘সংবাদ ভাগাভাগিতে’ গণমাধ্যমকর্মীদের ঈদ

‘সবমিলিয়ে বলা যায়, মানুষের জন্য সেবা করার যে সুযোগ সাংবাদিকতায় রয়েছে, সেটি যেমন আমরা উপভোগ করি, অন্যদিকে অনেক সময় পরিবার-পরিজনকে সময় কম দিয়ে ঈদের আনন্দটা ভাগাভাগি না করে, দেখা যায় সংবাদটাই ভাগাভাগি করে অফিসে অনেক সময় কাটাতে হয়। এভাবে আমার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনের ঈদ আনন্দ হয়।’ যোগ করেন মুকসিমুল আহসান অপু।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকাপোস্টের প্রধান প্রতিবেদক আদনান রহমান জাগো নিউজকে বলেন, সংবাদের মধ্যে, মানুষের সঙ্গেই কাটে আমাদের ঈদ। সহকর্মী, সোর্স ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে পেশাগত কারণে আমাদের ঈদ করতে হয়, করি। এতেই আমাদের আনন্দ।

তিনি বলেন, আজ (ঈদের দিন) ভোর ৬টায় উঠে সকাল পৌনে ৭টায় বায়তুল মোকাররম মসজিদে যাই। সেখান থেকে ঈদের প্রথম জামাতের নিউজ কাভার করে যাই জাতীয় ঈদগাহে। সেখানে নামাজ আদায় করি। নামাজের পাশাপাশি নিউজ কাভার করে অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা হই। তবে বৃষ্টিতে আটকা পড়ে ১ ঘণ্টা কাকরাইলে থাকি। এরপর সেখানে দাঁড়িয়ে কারাগারের জেল সুপারকে কল দিয়ে বন্দিদের ঈদ উদযাপন নিয়ে নিউজ করি। বিকেলের দিকে বাসায় ফিরি। এভাবেই কেটে গেছে আমার ঈদের দিন।


আরও খবর



হংকংয়ের পরবর্তী নেতা বেইজিংপন্থি জন লি

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

বেইজিংপন্থি জন লি এবার গণতন্ত্রকামী হংকংয়ের পরবর্তী প্রধান নির্বাহী নির্বাচিত হয়েছেন। গণতন্ত্রের দাবিতে করা আন্দোলন কঠোরভাবে দমনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন এই নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মকর্তা।

নির্বাচন কমিটির রোববারের (৮ মে) ভোটে জন লি পেয়েছেন এক হাজার চারশো ১৬ ভোট। এক হাজার পাঁচশো ভোটের মধ্যে তার বিপক্ষে ভোট পড়েছে মাত্র আটটি। জন লির জয়ের মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো হংকংয়ের শীর্ষ পদে একজন নিরাপত্তাবিষয়ক কর্মকর্তা স্থান পেলেন।

সাবেক এই নিরাপত্তাবিষয়ক সেক্রেটারি হংকংকে একত্রিত করার স্লোগান নিয়ে ভোটের প্রচারণা চালিয়েছেন এবং তিনিই ছিলেন একমাত্র প্রার্থী।

৬৪ বছর বয়সী এই কর্মকর্তা বেইজিংয়ের জাতীয় নিরাপত্তা আইন বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং ২০২০ সালে গণতন্ত্রকামী আন্দোলনকে চূর্ণ করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এসব কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছেন জন লি।

বেইজিংয়ের সেই আইনের আওতায় হংকংয়ের ১৫০ জনের বেশি নাগরিককে আটক করা হয়। গণতন্ত্রপন্থী অনেক নেতাকেই জেলে যেতে হয় সে সময়। দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হন অনেকে। সিভিল সোসাইটির সংগঠনগুলো ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি হংকংয়ে অ্যাপল ডেইলি ও স্ট্যান্ড নিউজের মতো মিডিয়া আউটলেটও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

হংকং এবং ম্যাকাওয়ের সরকারি অফিসের এক বিবৃতিতে এই নির্বাচন নিয়ে বলা হয়েছে, এটি ‘গণতান্ত্রিক চেতনার প্রকৃত প্রদর্শন’।

জন লি আগামী ১ জুলাই ক্যারি ল্যামের স্থলাভিষিক্ত হবেন বলে জানা গেছে।

সূত্র: আল-জাজিরা


আরও খবর



মুরগির খামারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ২২জন দেখেছেন
Image

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আবুল হাসান জয় (১৯) নামে এক ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৬ মে) রাতে উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের নামপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

আবুল হাসান নামপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলাম মোল্লার ছেলে। তিনি ভবানীপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক ও ত্রিশাল নজরুল কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আল আমিন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সন্ধ্যার দিকে মুরগির খামারে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে স্পৃষ্ট হন জয়। পরে স্বজনরা গুরুতর আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি কেউ থানায় জানায়নি। তবে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।


আরও খবর



ঘূর্ণিঝড় অশনির আশঙ্কায় আম পেড়ে ফেলছেন সাতক্ষীরার চাষিরা

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৬১জন দেখেছেন
Image

সময়মতো বৃষ্টি না হওয়ায় ফলন কম। তার ওপর আগামী সপ্তাহে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা। তাই নির্ধারিত সময়ের আগেই আম পাড়তে শুরু করেছেন সাতক্ষীরার চাষিরা।

বৃহস্পতিবার (৫ মে) থেকে জেলার বাজারে গোবিন্দভোগ জাতের আম বিক্রি শুরু হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অনেকে অপুষ্ট হীমসাগর আম বাজারে বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সরকারি নির্দেশনায় জেলায় আম ভাঙার সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয় জেলা প্রশাসন। নির্দেশনা অনুযায়ী ৫ মে থেকে গোবিন্দভোগ, গোপালভোগ, বোম্বায়, ক্ষীরশাপাতি, গোলাপখাস ও বৈশাখীসহ অন্যান্য আগাম স্থানীয় জাতের আম, ১৬ মে থেকে হিমসাগর, ২৪ মে থেকে ল্যাংড়া ও পহেলা জুন থেকে আম্রোপালি আম ভেঙে বাজারে তোলার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে ঘূর্ণিঝড় অশনির সম্ভাবনা থাকায় এবার সরকারি নির্দেশনা কিছুটা শিথিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা কৃষি বিভাগ।

mang05.jpg

বৃহস্পতিবার (৫ মে) অনেক চাষি গোবিন্দভোগ আম ভাঙা শুরু করেছেন বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

সাতক্ষীরা জেলা আমচাষি সমিতির সভাপতি লিয়াকাত হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, করোনা ও ঘূর্ণিঝড়ের কারণে গত কয়েক বছর চাষিরা আমচাষে লোকসানে আছেন। চলতি মৌসুমে ফলন কিছুটা কম। এবার চাষিরা আশা করেছিলেন ভালো দামে আম বিক্রি হবে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আম পাড়ার জন্য আমাদের চাষিদের বলা হয়েছে।

mang05.jpg

কিন্তু আগামী সপ্তাহে একটি ঘূর্ণিঝড় হতে পারে এই শঙ্কায় অনেকে গাছ থেকে আগাম আম পাড়তে শুরু করেছেন। তবে এসব আম কাঁচা বিক্রি করা হবে বলেও জানান তিনি।

সুলতানপুর বড় বাজার কাঁচামাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম বাবু জাগো নিউজকে বলেন, সরকারি নির্দেশনায় বৃহস্পতিবার থেকে গোবিন্দভোগ আম ভাঙা শুরু হয়েছে। বড় বাজারের প্রতিটি আমের আড়তে শুধুমাত্র গোপালভোগ, গোবিন্দভোগসহ আগাম জাতের আম বিক্রি শুরু হয়েছে। প্রথমদিন প্রতিমণ কাঁচাআম বিক্রি হয়েছে ২০০০ থেকে ২৮০০ টাকায়।

mang05.jpg

অন্য জাতের আম পাড়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেকে গোপনে বাগান থেকেই হীমসাগর আম পেড়ে বিক্রি করছেন। ওই আম ১৬ তারিখের আগে বড় বাজারে বিক্রি হবে না।

সাতক্ষীরার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নুরুল ইসলাম জাগো নিউকে বলেন, এবার জেলায় আমের ফলন কিছুটা কম। সময়মতো বৃষ্টি না হওয়ায় অনেক গাছেই ফলন হয়নি। যেসব গাছে আম হয়েছে সেগুলোও আকারে ছোট। আগামী সপ্তাহে একটি ঘূর্ণিঝড়ের কথা শোনা যাচ্ছে, এজন্য চাষিদের আগাম জাতের আম পাড়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গোপনে অপুষ্ট হীমসাগর আমও পাড়ছেন বলে অভিযোগ পেয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

mang05.jpg

বিদেশে আম রপ্তানির বিষয়ে তিনি বলেন, আম রপ্তানির জন্য এবারো আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে শুধুমাত্র নির্ধারিত বাগানের আম বিদেশে রপ্তানি হবে।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছর জেলায় প্রায় সাড়ে ৪ হাজার হেক্টর জমিতে আমের আবাদ হয়েছে। জেলায় সরকারি তালিকাভুক্ত ৫ হাজার ২৯৯টি আমবাগান ও ১৩ হাজার আমচাষি রয়েছেন।


আরও খবর



বিসমাহর শিশু কন্যাকে ‘না’ করে দিলো কমনওয়েলথ গেমস

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

মাঠে ব্যাটিং করছেন মা বিসমাহ মারুফ, ডাগআউটে অপলক দৃষ্টিতে দেখছে শিশু কন্যা ফাতিমা- গত কয়েক মাসে বিশ্ব নারী ক্রিকেটে বেশ কয়েকবার দেখা গেছে এমন ঘটনা। সবশেষ নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ ও চলতি ফেয়ারব্রেক টুর্নামেন্টে এটি রীতিমতো আইকনিক দৃশ্যেই পরিণত হয়েছিল।

কিন্তু আসন্ন কমনওয়েলথ গেমসে দেখা যাবে না এমন কিছু। আগামী ২৫ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত বার্মিংহামে হতে যাওয়া কমনওয়েলথ গেমসের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড (অনুমতিপত্র) দেওয়া হচ্ছে না পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিসমাহর মেয়ে ফাতিমাকে।

যে কারণে কমনওয়েলথ গেমসে অংশগ্রহণ নিয়ে দ্বিতীয়বার ভাবতে শুরু করেছিলেন বিসমাহ। তবে ক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে জানা গেছে, শেষ পর্যন্ত মেয়েকে নিয়েই ইংল্যান্ডে যাবেন পাকিস্তানি অধিনায়ক। তবে ফাতিমা থাকবে গেমস ভিলেজের বাইরের হোটেলে, তার নানির সঙ্গে।

জানা গেছে, বিসমাহর মা-কন্যার জন্য গেমস ভিলেজের দুইটি বাড়তি অ্যাক্রিডিটেশন চেয়েছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। গেমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পাকিস্তানের ২২ জনের বহর থেকে যেকোনো দুজনকে বাদ দিতে হবে। কিন্তু পিসিবির পক্ষে সেটি সম্ভব ছিল না বিধায় অ্যাক্রিডিটেশন পাননি বিসমাহর মা ও কন্যা।


আরও খবর