Logo
শিরোনাম

ফেসবুককে টেক্কা দিতে নতুন মাধ্যম চালুর ঘোষণা ইলন মাস্কের

প্রকাশিত:বুধবার ৩০ মার্চ ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১৪৮জন দেখেছেন
Image

স্পেস এক্সের কর্ণধার ও মার্কিন ধনকুবের এলন মাস্ক নতুন সোশ্যাল মিডিয়া চালুর ঘোষণা দিয়েছে। ফেসবুকের প্রধান মার্ক জাকারবার্গকে রীতিমতো টেক্কা দেয়ার হুমকি দিয়েছেন ইলন। রোববার টুইট করে বিষয়টি খোলাসা করেছেন। যদিও এর দুইদিন আগে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ার কড়া সমালোচনা করেন।

টেসলার অধিকর্তা ইলন বলেন, তার নতুন সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষের বাকস্বাধীনতাকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। আমি বিষয়টি অত্যান্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি।

টুইটারে শুক্রবার একটি পোলে অংশ নেন ইলন। টুইটার বাকস্বাধীনতার নীতি মেনে চলে কি না, এই বিষয়ে ‘না’ বলেই মত দিয়েছিলেন তিনি। তিনি টুইট করেন ‘এই ভোটের ফলাফল গুরুত্বপূর্ণ। সতর্ক হয়ে ভোট দিন।’

এরপরই রোববার ইলন মাস্কের এমন ঘোষণা ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। টুইটার থেকে ফেসবুক কিংবা ইউটিউবের বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ উঠেছে বাক স্বাধীনতা খর্ব করার। মনে করা হচ্ছে, ইলন মাস্ক যদি শেষ পর্যন্ত ওই প্ল্যাটফর্মটি আনেন, সেখানে হয়তো ইউজারদের বেশি বাক স্বাধীনতা দেওয়ার দিকেই জোর দেওয়া হবে সেখানে।

সাম্প্রতিক অতীতে মূলধারার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলিকে চ্যালেঞ্জে ফেলার চেষ্টা করতে গিয়েছে বহু প্ল্যাটফর্মকেই। ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ কিংবা গেটর, পার্লার অথবা ভিডিও সাইট রাম্বল যথেষ্ট জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এখন দেখার বিষয়, ইলন মাস্ক যদি সত্যিই সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম নিয়ে আসেন, তাহলে তা জাকারবার্গকে কতটা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়।

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি এখন ইলন মাস্ক। তিনি আমাজনের প্রাক্তন সিইও জেফ বেজোসকেও পিছনে ফেলে দিয়েছেন। ২০২৪ সালের মধ্যেই মাস্ক হতে পারেন বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার। অর্থাৎ তার সম্পদ হতে পারে ১ ট্রিলিয়ন ডলার।


আরও খবর



অঙ্কনের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনের দাবিতে মোমবাতি প্রজ্বলন

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী অঙ্কন বিশ্বাসের মৃত্যু রহস্য দ্রুত উদ্ঘাটনের দাবিতে মোমবাতি প্রজ্বলন করেছেন তার সহপাঠীরা।

বুধবার (১১ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অঙ্কনের ফ্রেমসহ ছবির সামনে মোমবাতি প্রজ্বলন করেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এ সময় সত্য উদ্ঘাটনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।

কর্মসূচিতে অঙ্কনের সহপাঠী আবু রায়হান বলেন, এ রকম প্রচণ্ড মেধাবী একজন শিক্ষার্থী হুট করে সবার মাঝ থেকে হারিয়ে যেতে পারে না। আমরা চাই অঙ্কনের মৃত্যু রহস্যের আইনি তদন্ত হোক।

‘আমরা কারও বিরুদ্ধে অন্যায় হোক সেটা চাই না। অঙ্কনের ক্ষেত্রে তো একেবারেই না। আমরা চাই, আমাদের সামনে এত সম্ভাবনাময় একটি মানুষের মৃত্যু যেন রহস্যের জালে চাপা না পড়ে।’

jagonews24

তিনি আরও বলেন, এই দাবিগুলোর ভিত্তিতে আমরা ইংরেজি বিভাগের পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে আগামীকাল (১২ মে) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন করবো।

‘যে করেই হোক এ বিষয়ে তদন্ত করে সত্য উদ্ঘাটন করতেই হবে। আমরা আশা করবো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে আসবে।’

অঙ্কনের আরেক সহপাঠী নাহিদ হাসান রবিন বলেন, অঙ্কনকে আর ফিরে পাবো না কখনওই। তবে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য অবশ্যই সুষ্ঠু তদন্ত হতেই হবে। না হলে ভবিষ্যতে আমরা আরও এমন অনেক অঙ্কনকে হারাবো।

এর আগে গত শনিবার (৮ মে) দুই সপ্তাহ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে মারা যান অঙ্কন বিশ্বাস।

jagonews24

গত ২৪ এপ্রিল শাকিল নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বন্ধুর বাসায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন অঙ্কন। ওইদিনই রাজধানীর আজগর আলী হাসপাতালে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় রেখে পালিয়ে যান শাকিল। জানা যায়, শাকিল ও অঙ্কনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

অঙ্কন বিশ্বাসের মৃত্যু নিয়ে কয়েকদিন ধরেই ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। শুরু থেকেই তার সহপাঠীরা মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়ে আসছেন। তবে মৃত্যুর পর দুদিন কেটে গেলেও তার পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মামলা করা হয়নি।


আরও খবর



হজযাত্রীদের পাসপোর্ট মেয়াদোত্তীর্ণ হলে যা করতে হবে

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

হজযাত্রীদের মধ্যে যাদের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়েছে বা পাসপোর্ট পরিবর্তন করা হয়েছে তাদের পাসপোর্টের তথ্য হালনাগাদের বিষয়ে করণীয় জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

সোমবার (১৬ মে) মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, রাজকীয় সৌদি সরকারের নীতি মোতাবেক ২০২২ সালের হজযাত্রীদের পাসপোর্টের মেয়াদ আগামী বছরের (২০২৩) ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত থাকতে হবে। অন্যথায় নতুন পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে। পাসপোর্টে হজযাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন সনদ) সঠিকভাবে উল্লেখ রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করতে হবে।

সেই লক্ষ্যে সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনাধীন ২০২০ সালে নিবন্ধিত হজযাত্রীদের পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়েছে বা পাসপোর্ট পরিবর্তন করা হয়েছে তাদের পাসপোর্টের তথ্য হালনাগাদের জন্য করণীয় সম্পর্কে বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের করণীয়

সরকারি ব্যবস্থাপনাধীন বিদ্যমান নিবন্ধিত হজযাত্রীরা নিবন্ধন পয়েন্ট বা কেন্দ্রের মাধ্যমে (পাসপোর্ট চেঞ্জ অপশন ব্যবহার করে) পাসপোর্ট পরিবর্তনের আবেদন করে তথ্য হালনাগাদ করবেন।

একই সঙ্গে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যে সব প্রাক-নিবন্ধিত ব্যক্তি নিবন্ধনের জন্য মনোনীত হয়েছেন তাদের ন্যূনতম ০৪.০১.২০২৩ তারিখ মেয়াদ সম্বলিত হালনাগাদ পাসপোর্টসহ নিবন্ধন পয়েন্ট বা কেন্দ্রের মাধ্যমে নিবন্ধন সম্পন্ন করবেন।

বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রী ও সংশ্লিষ্ট এজেন্সির ক্ষেত্রে করণীয়

বেসরকারি ব্যবস্থাপনাধীন বিদ্যমান নিবন্ধিত হজযাত্রীরা নিজ নিজ এজেন্সির মাধ্যমে (পাসপোর্ট চেঞ্জ অপশন ব্যবহার করে) ন্যূনতম ০৪.০১.২০২৩ তারিখ মেয়াদ সম্বলিত পাসপোর্টের তথ্য হালনাগাদের আবেদন করবেন। সময় স্বল্পতার দরুণ এজেন্সিভিত্তিক হজযাত্রীর সংখ্যা নির্ধারণের সুবিধার্থে পাসপোর্টের মেয়াদ জটিলতাজনিত কারণে হজযাত্রীর প্যাকেজ স্থানান্তর বা নিবন্ধন স্থানান্তর কার্যক্রম ব্যহত হবে না।

হজযাত্রীর ভিসাযুক্ত পাসপোর্টের পেছনে মোয়াল্লেম নম্বর, মক্কা বা মদিনার আবাসনের ঠিকানা সম্বলিত প্রিন্টেড স্টিকার সংযুক্ত করতে হবে। প্রিন্টেড স্টিকার সংযুক্ত করা সম্ভব না হলে কমপক্ষে হাতেলেখা উক্ত তথ্য সংযুক্ত করতে হবে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট হজযাত্রীদের জেদ্দা/মদিনা বিমানবন্দর থেকে সৌদি কর্তৃপক্ষ দেশে ফেরত পাঠাতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকে হজ কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি বাতিল করা হতে পারে।

হজে যাওয়ার বিষয়ে যে কোনো হালনাগাদ তথ্য পেতে নিয়মিত ওয়েবসাইটটি ব্রাউজ করার কথা জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।


আরও খবর



চলতি মাসেই আসামে হতে পারে মোমেন-জয়শঙ্করের বৈঠক

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৪০জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ-ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক চলতি মাসের ২৭-২৯ তারিখে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৈঠকটি আসামের রাজধানী গৌহাটিতে হতে পারে। ভারতের পক্ষ থেকে এমনটাই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৪ মে) পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, আগামী ২৮-২৯ মে নদী বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক কনক্লেভের আয়োজন করা হবে। এ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করবে শিলং-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও থিঙ্কট্যাঙ্ক এশিয়ান কনফ্লুয়েন্স। সেখানে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শঙ্কর যোগ দিচ্ছেন। এদিকে কনক্লেভে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনকেও আমন্ত্রণ করা হয়েছে। আর ওই সময়েই বৈঠকটি করতে আগ্রহী ভারত।

এদিকে গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশের কাছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে ফোকাস করতে চাইছে ভারত। এ অঞ্চলের সঙ্গে বাংলাদেশের কানেকটিভিটি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে দেশটি। তাই সেখানেই বৈঠকের আয়োজন করতে চাইছে ভারত।

গত ২৮ এপ্রিল ঢাকা সফরকালে ড. এস জয়শঙ্কর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। ওই সময় মোমেনকে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে যোগ দিতে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান জয়শঙ্কর।


আরও খবর



সর্বোচ্চ শাস্তির আইন পাশ কাটিয়ে ছাড় পাচ্ছে সিন্ডিকেট ও মজুতদাররা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২২জন দেখেছেন
Image

বিভিন্ন সময় নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেন ব্যবসায়ীরা। কৃত্রিম সংকট তৈরি, অবৈধভাবে বেশি দাম রাখাসহ নানা কারসাজি করা হয়। তাদের এসব কর্মকাণ্ডে বিপাকে পড়ে সাধারণ মানুষ। সে ক্ষেত্রে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নিলেও আইনের যথাযথ প্রয়োগ হয় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জরিমানা আর মামলার মধ্যেই থাকে সীমাবদ্ধ। ফলে একই অপরাধ বারবার চালিয়ে যান ব্যবসায়ীরা। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভোক্তারা।

তারা বলছেন, আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় এই সিন্ডিকেট আরও শক্তিশালী হচ্ছে। বিশেষ ক্ষমতা আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড, এমনকি যাবজ্জীবন এবং সর্বনিম্ন ১৪ বছরের সাজা থাকার পরও কোনো ধরনের পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না।

আইনজীবীদের দাবি, সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আইন পাশ কাটিয়ে ছাড় পাচ্ছেন ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট ও মজুতদাররা। মূলত অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে থাকে বণিজ মন্ত্রণালয়, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, প্রতিযোগিতা কমিশন ও খাদ্য অধিদপ্তর।

দেশে ভোজ্যতেলের সংকট তৈরি হওয়ার পর এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। রমজান মাস থেকে সারাদেশে দেখা দেয় সয়াবিন তেলের সংকট। দাম বাড়ানোর জন্য তেল মজুত শুরু করেন ব্যবসায়ীরা। ফলে বাজার স্বাভাবিক রাখতে ঈদের পর অভিযানে নামে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

এসময় দেশের বিভিন্ন স্থানে বিপুল পরিমাণ মজুত করা সয়াবিন তেলের সন্ধান মেলে। কিন্তু অসাধু ব্যবসায়ীদের জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়। কোথাও কোথাও মামলাও হয়। তবে জরিমানা করা সঠিক হচ্ছে না বলে মনে করছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা। তাদের কঠিন শাস্তির আওতায় আনার কথা বলছেন তারা। আইনজীবীরা বলছেন, জরিমানার পাশাপাশি কারাদণ্ড দেওয়া জরুরি। এতে করে বাজার স্থিতিশীল রাখা যেতে পারে।

jagonews24

নাটোরে পৌর মেয়রের গোডাউন থেকে পাঁচ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করা হয়

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারের অস্থিরতা গড়ায় হাইকোর্ট পর্যন্ত। এ নিয়ে রিটও হয়। ফলে ১৫ মার্চ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে বাজার অস্থিতিশীল করা অবৈধ জোটবদ্ধ (সিন্ডিকেশন) ব্যবসা বন্ধে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় রুলে। সেই সঙ্গে দাম বাড়িয়ে বাজার অস্থিতিশীল করা দুষ্কৃতকারীদের খুঁজে বের করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনকে বলা হয়।

এছাড়া সয়াবিন তেল এবং পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে মনিটরিং সেল গঠন ও নীতিমালা তৈরি নিয়ে মজুতদারদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সিন্ডিকেটে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

এ বিষয়ে ২৬ এপ্রিলের মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছিলেন হাইকোর্ট।

এ রিটের শুনানি ও আদেশের দিন ১৫ মার্চ হাইকোর্টের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

jagonews24

ফরিদপুরে গোডাউনে অভিযান চালিয়ে মজুত করা সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়

আদালতে ওইদিন রিটকারীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দ মহিদুল কবির ও আইনজীবী অ্যাডভোকেট সৈয়দা নাসরিন। তাদের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনির হোসেন। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল প্রতিকার চাকমা। তার সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল কালাম খান।

রিটকারী আইনজীবী সৈয়দ মহিদুল কবির জাগো নিউজকে বলেন, সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুতদারদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

তিনি জানান, বাজার অস্থিতিশীল করা দুষ্কৃতকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনকে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল রুলে।

এছাড়া অবৈধ জোটবদ্ধ ব্যবসা প্রতিরোধে প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২-এর ২১ (১) ধারা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রবিধান প্রণয়নে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, একই সঙ্গে চাল, ডাল, গম, চিনি, পেঁয়াজ ও ভোজ্যতেলের মতো পণ্য বিক্রির ওএমএস (খোলাবাজারে বিক্রয়) নীতিতে রেশন কার্ডের বিধান অন্তর্ভুক্ত করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, রুলে সে প্রশ্নও রাখা হয়। সেই সঙ্গে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয় রুলে।

বাণিজ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, খাদ্যসচিব, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) চেয়ারম্যান ও ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই সভাপতিকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

jagonews24

ব্যবসায়ীর খাটের নিচ থেকে টিসিবির সয়াবিন তেল জব্দ, ২০২০ সালের ছবি

সয়াবিন তেলের দাম বাড়ার ঘটনাটি উচ্চ আদালতের নজরে এনে ৬ মার্চ হাইকোর্টে রিটটি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনির হোসেন, সৈয়দা নাসরিন, সৈয়দ মহিদুল কবীর ও মোহাম্মদ উল্লাহ। যার শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান আইনজীবী।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম জাগো নিউজকে বলেন, আমার মনে হয় তারা (ব্যবসায়ীরা) ফৌজদারি অপরাধ করছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে নয়, মজুতদারদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা করার পক্ষে মত দেন তিনি।

তিনি বলেন, এটা সরাসরি অ্যাকশন, ক্রিমিনাল প্রসিডিংয়ে যেতে হবে। অন্যথায় শুধু জরিমানা করে ছেড়ে দিলে এগুলো বন্ধ হবে না।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ মহিদুল কবীর বলেন, গত কয়েকদিন আগে প্রতিযোগিতা কমিশন মামলা করেছে। আমার কথা হলো, তারা সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান থাকার পরও অল্প অল্প সাজা বা জরিমানা করে ছেড়ে দিচ্ছে, এটা আইনের যথাযথ প্রয়োগ না। হাইকোর্ট বলেছিলেন আইন অনুযায়ী সাজা দিতে। কিন্তু কমিশন ফরমালিটির জন্য একদিনে আটটা দোকান বা ডিলারের বিরুদ্ধে মামলা করলো। তারা বাস্তবিক কোনো আইন প্রয়োগ করেনি।

তিনি আরও বলেন, ২৬ এপ্রিল নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুলের শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শুনানি হয়নি। হয়তো আগামী সপ্তাহে ওই রিটের শুনানি হতে পারে। তাই কম্পিটিশন কাউন্সিল তড়িঘড়ি করে মামলা করেছে বলে আমার ধারণা।

সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী বলেন, ভোক্তা অধিকার ও কম্পিটিশন কাউন্সিল দুই পক্ষই রিটের বিবাদী। কিন্তু তারা প্রয়োগ করছে ২০১৮ সালের একটি আইন। ওই আইনে খুব বেশি দণ্ড নেই, অল্প কিছু দিনের সাজার বিধান রয়েছে। ‘স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্টের টোয়েন্টি ফাইভের সাব সেকশন টু’ এর বা ‘টোয়েন্টি ফাইভ ওয়ান’ অনুযায়ী যাবজ্জীবন বা ১৪ বছরের কারাদণ্ড এগুলোর কোনোটাই দেওয়া হয়নি। তার মানে তাদের অবস্থা কানামাছি খেলার মতো।

নিরাপদ খাদ্য নিয়ে কাজ করা আইনজীবী মহিদুল কবির বলেন, খুলনাতে যে বড় তেলের মজুত পেলো সেখানে স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্টে (বিশেষ ক্ষমতা আইন) মামলা করা উচিত ছিল। এছাড়া বিভিন্ন জেলায় যে হারে তেল পেলো, সেখানেও এই আইনে মামলা করতে পারতো। কিন্তু সেটি হয়নি।

১২ মে খুলনায় দুই লাখ ৬৩ হাজার লিটার ভোজ্যতেল উদ্ধার করে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় তিন প্রতিষ্ঠানকে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

দেশজুড়ে এসব অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই আইনজীবী বলেন, সর্বোচ্চ অপরাধে সর্বনিম্ন সাজা এটা কোন ধরনের বিধান। রিটের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে একটা জবাবও এসেছে। কিন্তু সেটি রাষ্ট্রপক্ষই আদালতে উপস্থাপন করেনি। ২৬ এপ্রিল আনার কথা ছিল, সেটি আনা হয়নি। ঈদের কারণে হয়তো আসেনি। তবে এখন আসতে পারে বলে আশা করছি।

jagonews24

নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানো ও মজুতদারদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত- এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া জাগো নিউজকে বলেন, কনজুমার রাইটের যে আইন আছে, সে আইনের মধ্যে তাদের অ্যাডমেনিস্ট্রেটিভ পাওয়ার দেওয়া আছে। তবে মামলা করার ক্ষমতা তাদের দেওয়া হয়নি। ফলে তারা অ্যাডমেনিস্ট্রেটিভ শাস্তি যেটা, সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা জরিমানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

তিনি বলেন, এর বাইরে ওনাদের কোনো কিছু করার নেই। কিন্তু এটা যথাযথ ব্যবস্থা না। মাঠপর্যায়ে একটা নেটওয়ার্ক আছে ভোক্তা অধিকারের অধীনে, তারা চাইলে এ বিষয়গুলো নিয়ে গবেষণা করতে পারে। এছাড়া আইনে বাজার নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) অধীনে একটি সাব কমিটি থাকার কথা, যে কমিটি বাজার মনিটরিং করবে। এরকম আইনে অনেক কিছু আছে। কিন্তু আমরা কার্যকর কিছু দেখছি না।

বিশেষ ক্ষমতা আইন নিয়ে তিনি বলেন, এই আইনে মজুত সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। সেটা প্রয়োগে ভোক্তা অধিদপ্তরের মুখোমুখি হওয়ার প্রয়োজন নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীই নিতে পারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। তারা মজুতদারের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে। তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে পারে। এছাড়া কোনো এলাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) কিংবা যে কোনো সরকারি অধিদপ্তরের কর্মকর্তা বা এসিল্যান্ড ব্যবস্থা নিতে পারেন।

এছাড়া বর্তমানে গম নিয়েও ব্যবসায়ীরা বিশৃঙ্খলা করতে পারে বলেও মন্তব্য করেন এই আইনজীবী। এক্ষেত্রে স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্টে মামলা করা যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া আরও বলেন, কম্পিটিশন অ্যাক্ট-২০১২ (২০১২ সালের প্রতিযোগিতা কমিশন আইন) আইন আছে। এর অধীনে কমিশনও আছে একটি। এদের কাজ হচ্ছে যাতে কেউ একচেটিয়া বাজারজাত করতে না পারে সেটা দেখা, বাজারে যাতে প্রতিযোগিতা থাকে।

তিনি বলেন, এই কমিশনকে মামলা করার এখতিয়ার দেওয়া গেলে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু কমিশনের যেহেতু এই ক্ষমতা নেই, তাই স্পেশাল অ্যাক্টের বিধান রয়েছে সেগুলোর যথাযথ প্রয়োগ করা উচিত।

আইনে কী আছে

২০০৯ সালের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে কোনো পণ্য গুদামজাত করার অপরাধে কারখানা, দোকান, গুদাম সাময়িক বন্ধ করা, পণ্য যথাযথভাবে বিক্রি ও সরবরাহ না করলে সর্বোচ্চ এক বছরের শাস্তি ও জরিমানার বিধান রয়েছে। তবে এই আইনে মজুতদার ও কালোবাজারি নিয়ে কিছু উল্লেখ নেই। এজন্য অবৈধ মজুতদার ও কালোবাজারে বিক্রির বিরুদ্ধে আইনটির প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে অবৈধ মজুত ও কালোবাজারির শাস্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে। আইনে ২ ধারায় মজুতের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ‘কোনো ব্যক্তি যে কোনো সময় মজুত বা মজুত রাখার অনুমতিপ্রাপ্ত জিনিসের সর্বাধিক পরিমাণের চেয়ে বেশি মজুত বা সংরক্ষণ করা।’

একই ধারায় কালো-বাজারে লেনদেনের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ‘নির্ধারিত সর্বোচ্চ মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে কোনো কিছু বিক্রি বা ক্রয় করা।’

শাস্তির বিষয়ে আইনটির ২৫(১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘কেউ মজুত বা কালোবাজারের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১৪ বছর কারাদণ্ড, তদুপরি জরিমানার দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। তবে শর্ত থাকে যে, মজুতের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি প্রমাণ করে যে, আর্থিক বা অন্যবিধ লাভ করার উদ্দেশ্যে নয়, বরং অন্য কোনো উদ্দেশ্যে মজুত করেছিল, তবে সে তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে ও তদুপরি জরিমানার দণ্ডে দণ্ডিত হবেন ‘

একই আইনের ২৫ডি ধারায় বলা আছে, ‘বিশেষ ক্ষমতা আইনে যেসব কাজকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে, সেসব কাজ করার চেষ্টা করা বা কাজ করার সহযোগিতা করাও অপরাধ হবে।’

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে আইনের ৩৪ (ক) ধারায় বলা আছে, দণ্ড কার্যকরে ফাঁসি বা নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসারে গুলি দণ্ড কার্যকর হতে পারে।


আরও খবর



বনানীতে পরিবারের সদস্যদের কবরে বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ের শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর বনানী কবরস্থানে পরিবারের সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুই মেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

প্রধানমন্ত্রী ও তার ছোট বোন বুধবার (৪ মে) সকালে বনানী কবরস্থানে যান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে শহীদ জাতির পিতার পরিবারের সদস্যদের প্রতি তারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এম এম ইমরুল কায়েস রানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কবর জিয়ারতের পর বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাতে নিহত স্বজনদের কবরে গোলাপের পাপড়ি ছিটিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর একদল বিপথগামী কর্মকর্তা ও সৈনিকের হাতে সপরিবারে জীবন দিতে হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

সেই রাতে ঘাতকরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ছাড়াও তার সহধর্মিণী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, তিন ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ জামাল, শিশুপুত্র শেখ রাসেল, শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা কামাল, শেখ জামালের স্ত্রী রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই শেখ নাসেরসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের ১৮ সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

বঙ্গবন্ধুর দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশের বাইরে থাকায় সে সময় প্রাণে বেঁচে যান। জাতির পিতাকে তার জন্মস্থান গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় দাফন করা হলেও পরিবারের অন্য সদস্যদের ঢাকার বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।


আরও খবর