Logo
শিরোনাম

ফ্যাশনে ছেঁড়া জুতা, দাম দেড় লাখ টাকা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৬০জন দেখেছেন
Image

জনপ্রিয় এক ফ্যাশন ব্র্র্যান্ড ‘ব্যালেনসিয়াগা’। এই ব্র্যান্ডের ব্যাগ ও জুতা ব্যবহার করেন হলিউড, বলিউডসহ বিখ্যাত সব মানুষেরা। এই নামকরা ব্র্র্যান্ডই এবার বাজারে এনেছে এমন জুতা যা দেখলে পায়ে পরারও রুচি হবে না আপনার।

প্রথম দেখাতেই বুঝবেন যে সেটি একেবারেই ছেঁড়া জুতা। তবে এই ছেঁড়া জুতার দামই নাকি লাখ টাকা। অবাক করা বিষয় হলেও সত্যিই যে, ছেঁড়া জুতাই নাকি এখন ফ্যাশনে জায়গা করে নিয়েছে।

ব্যালেনসিয়াগা সংস্থার পক্ষ থেকে এই জুতার নাম রাখা হয়েছে ‘ফুললি ডেসট্রয়েড স্নিকার্স’ বা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাওয়া জুতো। মাত্র ১০০ জোড়া এই ধরনের জুতা তৈরি করছে সংস্থাটি।

দাম শুরু হচ্ছে ৩৮ হাজার টাকা থেকে। জুতায় যত ছেঁড়া হবে ততই নাকি বাড়বে দাম। এই জুতার সর্বোচ্চ দাম ১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।

তবে এ ঘরানার জুতা বাজারে আনার কারণ কী? ব্যালেনসিয়াগা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এই জুতার মাধ্যমে একটি বিশেষ বার্তা প্রচার করা হবে।

আর তা হলো- স্নিকার্সজাতীয় জুতা সারাজীবন পরার জন্যই তৈরি। সাদা, কালো কিংবা লাল রঙের এই জুতা মূলত তৈরি হয়েছে ক্যানভাস কাপড়ে।


আরও খবর

কাঁচা কাঁঠালের কাবাব

শুক্রবার ২০ মে ২০22




ফরিদপুরে ঈদের দিনে আধিপত্যের লড়াইয়ে নিহত ২, আহত ২০

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৫জন দেখেছেন
Image

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নে ঈদের দিনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৩ মে) বেলা দেড়টার দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

নিহত দুই ব্যক্তি হলেন, উপজেলার চরদৈতরকাঠি গ্রামের হাসেম মোল্যার ছেলে আকিদুল মোল্যা (৩৩) ও একই গ্রামের মোসলেম শেখের ছেলে খায়রুল শেখ (৪৪)। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘোষপুর ইউনিয়নের গোহাইলবাড়ি এলাকায় উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা জামান সিদ্দিকি একটি পক্ষ ও স্থানীয় প্রভাবশালী বজলু খালাসীর পক্ষের মাঝে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিবাদ চলমান। ঈদের নামাজের পর গোলাম মোস্তফা সিদ্দিকি বাড়ির পাশে গোহাইলবাড়ি বাজারে কর্মীদের নিয়ে বসেছিলেন। এসময় বজলু খালাসী গ্রুপের সমর্থকদের ৩০ থেকে ৩৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে গোলাম মোস্তফা ও তার লোকজনের উপর অতর্কিত হামলা করে। এসময় তাদের বাঁচাতে এগিয়ে আসলে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার চাচাতো ভাই আকিদুল শেখ ও খায়রুল শেখ গুরুতর আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তাদের মৃত্যু হয়।

এ ব্যপারে মোস্তফা জামান সিদ্দিকী জাগো নিউজকে বলেন, ঈদের নামাজের পর দুপুরের দিকে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসে ছিলাম। এ সময় বজলু খালাসির ছেলে শরীফ খালাসি তার ভাই আরিফ খালাসি ও দেলোয়ার মেম্বারের নেতৃত্বে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল আমার ও আমার লোকজনের উপর হামলা চালায়। এতে দুই জন নিহত হন ও ২০ জন আহত হন।

এ ব্যপারে ঘোষপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইমরান হোসেন নবাব মিয়া জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনা শুনেছি। দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। ঈদ উপলক্ষে দুই পক্ষের লোকজন বাড়িতে এসে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটায়। এ ঘটনায় দুই জন নিহত হয়েছেন।

ফরিদপুরে ঈদের দিনে আধিপত্যের লড়াইয়ে নিহত ২, আহত ২০

এ ব্যপারে বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল আলম জাগো নিউজকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌচ্ছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে। লাশের সুরতহাল করা শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

এ বিষয়ে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. খালেদুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়। আমরা মৃত অবস্থায় তাদের পেয়েছি।

এ বিষয়ে ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী-বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গা সার্কেল) সুমন কর জাগো নিউজকে বলেন, আপাতত পরিবেশ শান্ত করতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ কাজ করছে।


আরও খবর



বিছনাকান্দির সৌন্দর্য দেখতে যখন যাবেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৫জন দেখেছেন
Image

 

বাংলাদেশের জনপ্রিয় গন্তব্য হিসেবে সিলেট বেশ জনপ্রিয়। পুরো সিলেট জুড়েই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান। তার মধ্যে বিছনাকান্দি অন্যতম। চাইলে একদিনেও ঘুরে আসতে পারেন বিছনাকান্দি থেকে। সেখানকার পাহাড়, ঝরনা ও পাথরের সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করবেই।

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত বিছনাকান্দি। জাফলং ও ভোলাগঞ্জের মতোই বিছনাকান্দি একটি পাথর কোয়ারী। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের খাসিয়া পাহাড়ের অনেকগুলো ধাপ দু’পাশ থেকে এসে বিছনাকান্দিতে মিলিত হয়েছে।

jagonews24

একই সঙ্গে মেঘালয় পাহাড়ের খাঁজে থাকা সুউচ্চ ঝরনা বিছনাকান্দির প্রকৃতিকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। পর্যটকদের কাছে বিছনাকান্দির মূল আকর্ষণ হলো পাথরের উপর দিয়ে বয়ে চলা স্বচ্ছ জলধারা।

আর পাহাড়ে উপরে ভেসে চলা মেঘের খেলা তো আছেই। প্রথম দেখায় আপনার মনে হবে এ যেন এক পাথরের বিছানা। বিছনাকান্দির স্বচ্ছ পানি দেখেই আপনার তাতে গা এলিয়ে দিতে ইচ্ছে হবে।

jagonews24

তবে বিছনাকান্দির অপরূপ সৌন্দর্য আপনি যে কোনো সময় উপভোগ করতে পারবেন না। বিছনাকান্দি ভ্রমণের সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো জুন-সেপ্টেম্বর মাস।

এ সময়ের মধ্যে চারদিকে প্রচুর পানি প্রবাহ থাকে। ফলে পানির মধ্যে ভেসে থাকা বড় বড় পাথর সেখানকার সৌন্দর্য বাড়ায়। আর অন্যসময় গেলে আপনি পানির দেখা পাবেন না। তাই উপযুক্ত সময়ের মধ্যেই বিছনাকান্দি ভ্রমণে যান।

jagonews24

বিছনাকান্দি কীভাবে যাবেন?

প্রথমেই সিলেট যেতে হবে আপনাকে। তারপর সিলেট শহরের যে কোনো স্থান থেকে রিজার্ভ করা সিএনজি নিয়ে যান হাদার বাজার। ভাড়া নেবে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা।

আবার সিলেটের আম্বরখানা থেকেও যাওয়া যায় আলাদাভাবে। সেক্ষেত্রে প্রতি সিএনজিতে ৪ জন করে যাওয়া যায়, ভাড়া পড়ে জনপ্রতি ৮০ টাকার মতো। সময় লাগতে পারে প্রায় দেড় ঘণ্টা।

jagonews24

হাদার বাজার নেমে নৌকা ঠিক করতে হবে বিছনাকান্দি পর্যন্ত। ৫০০ টাকা ভাড়ায় আসা-যাওয়ার জন্য রিজার্ভ নৌকা পেয়ে যাবেন। সেক্ষেত্রে দামাদামি করতে হবে। ১০০০ এমনকি ১৫০০ পর্যন্তও দাম চাইতে পারে মাঝিরা।

এজন্য দামাদামি করে উঠবেন। হাদার বাজার থেকে বিছনাকান্দির দুরত্ব খুব একটা বেশি না। ইঞ্জিনচালিত নৌকায় যেতে সর্বোচ্চ ২০ মিনিট লাগবে। সেখানে পৌঁছে বিছনাকান্দি ঘুরে আবার নৌকাতে চড়েই ফিরতে হবে হাদার বাজার।


আরও খবর



শায়েস্তাগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
Image

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (৭ মে) ভোর সাড়ে ৫টায় উপজেলার লেঞ্জাপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ (আইসি) হারুনুর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আখাউড়া থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী সুরমা মেইল ট্রেনে কাটা পড়ে ওই নারীর মৃত্যু হয়। এলাকাবাসী খবর দিলে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে নিহতের নাম পরিচয় এখনও যানা যায়নি।


আরও খবর



২০ বছরেই যেভাবে সফলতার চূড়ায় পৌঁছান জাকারবার্গ

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৩জন দেখেছেন
Image

ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গের নাম শোনেননি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। তবে জানেন কি কীভাবে ফেসবুক তৈরি করেছিলেন জাকারবার্গ? ১৯৮৪ সালের ১৪ মে নিউইয়র্কের হোয়াইট প্লেইন এলাকাতে মনোচিকিৎসক ক্যারেন ও দন্তচিকিত্সক জাকারবার্গের ঘরে জন্ম নেন মার্ক জাকারবার্গ। তার ছিল আরও তিন বোন র্যান্ডি, ডোনা এবং এরিএল।

আর্ডসেলি হাই স্কুলে জাকারবার্গ গ্রিক এবং ল্যাটিন ভাষায় পারদর্শী হয়ে ওঠেন। তিনি ফিলিপস এক্সটার একাডেমীতে স্থানান্তরিত হন। সেখানে তিনি বিজ্ঞান এবং ক্লাসিক্যাল শিক্ষায় পুরস্কৃত হন। তিনি অসিক্রীড়া তারকা ছিলেন এবং অসিক্রীড়া দলের অধিনায়ক ছিলেন। কলেজে তিনি মহাকাব্যিক কবিতার লাইন থেকে আবৃত্তি করার জন্য পরিচিত ছিলেন।

তবে সেখানেই থেকে থাকেননি ক্লাসিক সাহিত্যে মার্ক জাকারবার্গ বিশেষ ডিপ্লোমা অর্জন করেন। তবে বরাবরই ঝোঁক ছিল কম্পিউটারের প্রতি। বিশ্বের অন্যতম বিদ্যাপীঠ হাভার্ডে ভর্তি হন কম্পিউটার সায়েন্সে। সেখানেও তিনি অল্প সময়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন। একজন ভালো ছাত্র হিসেবে নায়, এজজন প্রোগ্রামের হিসেবে। কারো যদি কোনো সফটওয়্যার তৈরির প্রয়োজন হত সবাই একসঙ্গে আঙুল তুলত জুকারবার্গের দিকে। বলত এতো জুকারবার্গের কাজ, এটা তার জন্য হাতের খেলমাত্র।

প্রোগ্রামিংয়ে তার আগ্রহ ছিল স্কুল জীবন থেকেই। মার্কের বয়স যখন প্রায় ১২ বছর, তখন তিনি অ্যাটারি বেসিক ব্যবহার করে একটি মেসেজিং প্রোগ্রাম তৈরি করেছিলেন। মার্ক যার নাম দিয়েছিলেন ‘জুকনেট’। মার্কের এই জুকনেট বাবার অফিসে ব্যবহার করতেন যাতে রুমে চিৎকার না করে একটি নতুন রোগীর নোটিশ দেওয়া যায়। মার্ক এটি পরিবারের সঙ্গে ভাব বিনিময়ের জন্যেও ব্যবহার করতেন। পরে বন্ধুদের সঙ্গে মজা করতে ব্যবহার করতে শুরু করেছিলেন জুকনেট। সেটি তার বন্ধু মহলেও বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।

jagonews24

মার্কের কম্পিউটারের প্রতি আগ্রহ দেখে তার বাবা-মা একজন ব্যক্তিগত কম্পিউটার শিক্ষককে রাখেন। ডেভিড নিউমা নামের সেই শিক্ষক বাড়িতে এসে সপ্তাহে একদিন মার্ককে কম্পিউটার শেখাতেন। মার্ক তার উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলে থাকতে একটি এমপি থ্রি মিডিয়া প্লেয়ারও তৈরি করেছিলেন।

২০০৩ সালের ২৮ অক্টোবর মার্ক এলিয়ট জুকারবার্গ ফেসম্যাশ ডটকম নামে একটি ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আর ঐ সাইটের জন্য নিজের কলেজের ডাটাবেজও হ্যাক করেছিলেন তিনি। হ্যাক করা হার্ভার্ড কলেজের ডাটাবেজ থেকে ছাত্রদের ছবি নিয়ে তা ফেসম্যাশে ব্যবহার করে ভিজিটরদের ‘হট’ অথবা ‘নট’ ভোটিংয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি।

এখানের ছবিগুলো ওরিয়েন্টেশনের দিন তোলা হতো। এ ধরনের ছবিগুলো কেমন হয় তা বুঝতেই পারছেন, তাড়াহুড়ো করে কোনোরকমে তোলা, গোবেচারা ধরনের দেখতে এ ছবিগুলো যে কেউ লুকিয়ে রাখতেই পছন্দ করে। পরে কলেজের শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে এই সাইট বন্ধ করতে বাধ্য হয় জুকারবার্গ।

মূলত ঐ ফেসম্যাশ ওয়েবসাইট থেকেই ফেসবুকের চিন্তা মাথায় আসে জুকারবার্গের। এরপর ২০০৪ সালে তার রুমমেট ও কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্র এডওয়ার্ডো সেভারিন, ডাস্টিন মস্কোভিত্স এবং ক্রিস হিউজেসের সাহায্য নিয়ে ফেসবুক নির্মাণ করেন।

২০০৪ সালের ১১ জানুয়ারি দ্য ফেসবুক ডটকম ডোমেইন কিনে ফেলেন তিনি। মার্ক জুকারবার্গ যখন ‘দ্য ফেসবুক’ নামে নতুন সাইটটি চালু করেন তার পরবর্তী ২৪ ঘন্টার মধ্যেই ১২০০ জন শিক্ষার্থী এতে রেজিস্ট্রেশন করেন। প্রথমদিকে এটি শুধুমাত্র হার্ভার্ড কলেজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলেও ২ মাসের মাথায় আরও এটি বোস্টন শহরের অন্যান্য কলেজ, আইভি লীগ এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়।

জুন মাসের মধ্যে সাইটে প্রায় দেড় লাখ ব্যবহারকারী ফেসবুক ব্যবহার করা শুরু করে এবং ডিসেম্বর মাসের মধ্যে এই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ১ মিলিয়নে। তবে এ সময় শুধু ১৩ বছরের উপরের বয়সের ছেলে ও মেয়েরা এটি ব্যবহার করতে পারতেন। এসময় ফেসবুকে কোনো ছবি আপলোড করা, ওয়াল, নিউজ ফিড, ইভেন্ট, পেজ ইত্যাদি ফিচার ছিল না।

jagonews24

অবশেষে ২০০৫ সালের আগস্ট মাসে জুকারবার্গ শ্রুতিমধুর নামের কারণে ‘দ্য ফেসবুক’ কে সংক্ষিপ্ত করে ‘ফেসবুক’ রাখেন এবং এই নামে একটি ডোমেইন কেনেন। তবে এজন্য খরচ হয়েছিল দুই লাখ মার্কিন ডলার। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।

বর্তমানে তিনি মেটার মালিক। মেটা হচ্ছে ফেসবুকের নতুন নাম। তবে এখনো ফেসবুক পুরোনো নামেই পরিচিত হচ্ছে। মেটাকে করা হয়েছে ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপসহ আরও বেশ কিছু প্ল্যাটফর্মের অভিভাবক প্রতিষ্ঠান।

যখন ফেসম্যাশ ডটকম প্রতিষ্ঠার পর বেশ গেড়াকলে ফেঁসে গিয়েছিলেন জাকারবার্গ। সেসময় একটি পার্টিতে মার্ক জাকারবার্গের সঙ্গে পরিচয় হয় তার বর্তমান স্ত্রী প্রিসিলা চ্যানের। প্রিসিলাও তখন হার্ভার্ডের ছাত্রী। তাদের দেখা হওয়ার জায়গাটা কিছুটা উদ্ভট ছিল। ওয়াশরুমের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় প্রিসিলার সঙ্গে কথা হয় মার্কের। কিছুক্ষণ কথা হওয়ার পর মার্ক প্রিসিলাকে বলেন, ‘শোনো আমাকে হয়তো তিনদিন পর হার্ভার্ড থেকে বের করে দেওয়া হবে, তাই ডেটে যাওয়ার জন্যে আমাদের দেরি করা উচিৎ হবে না। প্রিসিলা আর না করতে পারেননি তাকে।’

তবে সেবার জাকারবার্গকে হার্ভার্ড থেকে বের করে দেওয়া হয়নি। একজন কাউন্সেলরের তত্ত্বাবধানে কিছুদিন থাকার নির্দেশ দিয়ে রেহাই দেওয়া হয়। ক্ষিপ্ত ক্লাবগুলোর কাছেও ক্ষমা চেয়ে নিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, তিনি এটি স্রেফ একটি কোডিং প্রজেক্ট হিসেবেই করেছিলেন, এটা যে এত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে তা ভাবতে পারেননি তিনি। পরে অ্যাসোসিয়েশন অব হার্ভার্ড ব্ল্যাক ওমেনের ওয়েবসাইট তৈরিতেও সাহায্য করেছিলেন তিনি।

সূত্র: দ্য কুইন্ট, ইন্ডিয়া টাইমস


আরও খবর



চার মামলায় আদালতে হাজির নূর হোসেন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
Image

অস্ত্র, মাদক ও চাঁদাবাজিসহ চার মামলায় নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নূর হোসেনসহ তার ১০ সহযোগী নারায়ণগঞ্জ আদালতে হাজিরা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সাবিনা ইয়াসমিনের আদালতে হাজিরা দেন তারা। এর মধ্যে অস্ত্র মামলায় চারজনের সাক্ষ্য নিয়ে যুক্তিতর্ক শেষে আদালত আগামী ৪ জুলাই রায়ের দিন ঘোষণা করেছেন। চাঁদাবাজি মামলায় আদালত তাকেসহ চার সহযোগীকে খালাস প্রদান করেছেন।

এছাড়া অপর দুই মাদক ও চাঁদাবাজি মামলায় নূর হোসেনসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য থাকলেও এদিন আদালতে কোনো সাক্ষী সাক্ষ্য দিতে আসেনি। আদালত পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন আগামী ১৪ জুলাই।

jagonews24

নুর হোসেনের সহযোগীরা হলেন- শাহ জালাল বাদল, শাহ জাহান, জামাল, নূর উদ্দিন, শানাউল্লাহ, রিপন ওরফে ভ্যানিজ রিপন, হারুন অর রশিদ ও আলী মোহাম্মদ। বাকি দুইজন পলাতক রয়েছেন। তাদের নাম পাওয়া যায়নি।

এর সত্যতা নিশ্চিত করে জেলা ও দায়রা জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি মো. সালাহ উদ্দীন সুইট বলেন, এদিন নূর হোসেনের বিরুদ্ধে দুইটি মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য থাকলেও কোনো সাক্ষী দিতে সাক্ষ্য দিতে আসেনি। ফলে আদালত পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন। একইসঙ্গে আরেকটি চাঁদাবাজি মামলায় তাকে খালাস দিয়েছেন আদালত। অস্ত্র মামলায় সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণের ভিত্তিতে যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের দিন ধার্য করেছেন।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, চার মামলায় বিচারকি কার্যক্রম শেষে দুপুরে কড়া নিরাপত্তায় নারায়ণগঞ্জ থেকে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হয়েছে নূর হোসেনকে। এর আগে সকালে কড়া নিরাত্তার মধ্য দিয়ে তাকে নারায়ণগঞ্জে আনা হয়।


আরও খবর