Logo
শিরোনাম

গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলে লুটপাটের অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | ১৫০জন দেখেছেন
Image

ঢাকার ধানমন্ডির ঐতিহ্যবাহী গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলে বেপরোয়া লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগের একটি কপি জাগো নিউজের হাতে এসেছে।

সেখানে দাবি করা হয়েছে, স্কুলের তহবিলের অর্থ দিয়ে ফ্ল্যাট কেনা, ব্যক্তিগত গাড়ি চালকের বেতন নির্বাহ, ভুয়া ভাউচারে অর্থ আত্মসাতের মতো ঘটনাও ঘটছে। এসব অর্থ সংস্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে অনৈতিক ফি। মডেল টেস্ট, ক্রীড়া, মিলাদ ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডসহ নানান খাতে বেপরোয়া হারে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা এসব অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে নাজেহাল ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।

তবে এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ ভুঁইয়া সব অভিযোগ নাকচ করে দেন। তিনি জাগো নিউজের কাছে দাবি করেন, উত্থাপিত অভিযোগ সবই অসত্য। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এমনকি এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হলে মামলা করারও হুমকি দেন আবু সাঈদ ভুঁইয়া।

মাউশিতে জমা দেওয়া অভিযোগে বলা হয়, গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ ভুঁইয়ার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরও তাকে বদলি করা হচ্ছে না। সাত বছর ধরে তিনি ঐতিহ্যবাহী স্কুলটি ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। স্কুলের ফান্ড থেকে ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত অর্থ আত্মসাৎ করছেন।
২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে মডেল টেস্টের নামে প্রতিজনের কাছ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা হারে ৪ লাখ টাকা আদায় করেছেন। অথচ সেখানে সর্বোচ্চ ৩৭ জন পরীক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। এ অর্থ তিনি নিজে আত্মসাৎ করেছেন। প্রতিষ্ঠানের ফান্ডের প্রায় দুই কোটি টাকার মধ্যে এক কোটি ৩৫ টাকা দিয়ে ধানমন্ডিতে একটি ফ্ল্যাট ক্রয় করেছেন। ঢাকার বাইরেও বিভিন্ন স্থানে তার নিজস্ব প্লট-ফ্ল্যাট রয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে গত দুই বছর স্কুল বন্ধ থাকলেও বিভিন্ন ভাউচারে ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করেছেন। এমনকি প্রধান শিক্ষকের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পাড়িচালককে স্কুলের ফান্ড থেকে মাসিক বেতন ও অন্যান্য সুবিধা দিয়ে আসছেন। বিভিন্ন সময় স্কুলে নবীনবরণ, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণের নামে প্রায় ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

jagonews24প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ ভুঁইয়া-ছবি সংগৃহীত

লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন কূটকৌশলের মাধ্যমে গভর্নমেন্ট হাই স্কুলের মতো একটি প্রতিষ্ঠানে একজন দুর্নীতিবাজ শিক্ষক সাত বছর ধরে আঁকড়ে আছেন। এমন শিক্ষক কারও কাছে কাম্য নয়। স্কুলটি রক্ষা করতে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষককে বিচারের আওতায় এনে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে অভিভাবক, ছাত্র, শিক্ষকের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে।

মাউশি থেকে জানা যায়, সারাদেশে প্রায় সাড়ে ৪০০ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং স্কুল অ্যান্ড কলেজ রয়েছে। সরকারি মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজে পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয় না। প্রতিটি জেলার আঞ্চলিক উপ-পরিচালকের মাধ্যমে নিয়মিত পরিদর্শনের কথা থাকলেও সেদিকে তাদের নজর থাকে না। শুধু এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তিতে একটি কমিটি রয়েছে। তারা ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করে। সে কারণে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা বেপরোয়া হয়ে উঠছেন। নানা ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতির মধ্যে জড়িয়ে পড়ছেন। প্রতিনিয়ত ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার প্রধানদের বিরুদ্ধে আর্থিকসহ নানা ধরনের অনিয়মের অভিযোগ আসছে। গত তিন মাসে এ ধরনের ১০টি অভিযোগ এসেছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আবু সাঈদ ভুঁইয়া বলেন, একটি মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের সঙ্গে কয়েকজন শিক্ষক রয়েছেন। বিভিন্ন অনিয়ম করায় তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ায় তারা আমার বিরুদ্ধে এসব কাজ করছেন।

jagonews24গত তিন মাসের এ ধরনের ১০টি অভিযোগ এসেছে মাউশিতে-ফাইল ছবি

জানতে চাইলে মাউশির পরিচালক (বিদ্যালয়) অধ্যাপক বেলাল হোসাইন জাগো নিউজকে বলেন, সম্প্রতি গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিভাবকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে খতিয়ে দেখবো। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেমের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান জাগো নিউজকে বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যালয়ে অনিয়ম নির্দিষ্ট করে খাত ও সময় উল্লেখ করে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। এটি শুধু প্রধান শিক্ষক একা নন, তার একাধিক দোসর জড়িত রয়েছেন। সবাইকে বিচারের আওতায় আনতে হবে।

তিনি বলেন, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যেহেতু ম্যানেজিং কমিটি নেই বলে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা সর্বময় ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন। তাদের মনিটরিংয়ের জন্য আঞ্চলিক উপ-পরিচালকদের দায়িত্ব দেওয়া হলেও তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন না বলে এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এসব মাঠ কর্মকর্তাকেও জবাবদিহিতার আনতে আহ্বান জানান তিনি।


আরও খবর



নাটোরে আমজাদ খান চৌধুরী নার্সিং কলেজের যাত্রা

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান প্রাণ-আরএফএলের প্রতিষ্ঠাতা আমজাদ খান চৌধুরীর নামে নাটোরে একটি নার্সিং কলেজ চালু করেছে।

সোমবার (১৮ জুলাই) এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ‘আমজাদ খান চৌধুরী নার্সিং কলেজ’ এর উদ্বোধন করেছেন নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান ও প্রাণ-আরএফএলের পরিচালক (করপোরেট ফাইন্যান্স) উজমা চৌধুরী।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ২০১৬ সালে নাটোরে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট একটি হাসপাতাল চালু করে। এবার স্বাস্থ্য খাতে রাজশাহী ও নাটোর এলাকায় আরও অবদান রাখতে নার্সিং কলেজ চালু করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় এ প্রতিষ্ঠান।

নার্সিং খাতে দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে এ নার্সিং কলেজে রয়েছে মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রিধারী অভিজ্ঞ শিক্ষক, নিজস্ব আধুনিকমানের হাসপাতালে হাতে-কলমে শেখার ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক ল্যাব, বিশাল ক্যাম্পাস ও স্বল্প খরচে আবাসিক ব্যবস্থা।

উজমা চৌধুরী বলেন, সারাবিশ্বেই নার্সিং পেশা অত্যন্ত সম্মানজনক পেশা। দেশের অভ্যন্তরেই এ খাতে প্রচুর চাহিদা রয়েছে। নার্সিং কলেজের মাধ্যমে কম খরচে মানসম্মত শিক্ষা প্রদান করা গেলে স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। স্বাস্থ্য খাতে বিশেষ অবদান রাখতে আমরা এ নার্সিং কলেজ চালু করেছি।

‘প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রধান লক্ষ্য ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরি করা। আমরা এরই মধ্যে এক লাখ ৪০ হাজারের বেশি সরাসরি কর্মসংস্থান করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের স্বপ্ন এ নার্সিং কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জন করে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বেন। এছাড়া নাটোর, নরসিংদী ও হবিগঞ্জসহ কয়েকটি স্থানে আমাদের হাসপাতাল রয়েছে যেখানে তারা কোর্স শেষে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবেন।’

আমজাদ খান চৌধুরী নার্সিং কলেজ এর প্রিন্সিপাল প্রিন্স রায় বলেন, বিএসসি ইন নার্সিং, ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি- এ তিনটি কোর্সে শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়েছে। বাংলাদেশ নার্সিং কাউন্সিল নির্ধারিত সিলেবাসে কলেজের পাঠ্যক্রম সাজানো হয়েছে এবং এটি রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রাণ এগ্রো লিমিটেড কারখানার জেনারেল ম্যানেজার হযরত আলী ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার (পাবলিক রিলেশনস) তৌহিদুজ্জামানসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



খোলাবাজারে ডলার বিক্রি কমেছে

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২ | ১৩জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) অভিযানের পর খোলাবাজারে ডলার বিক্রি কমেছে। একই সঙ্গে ডলার ১১৩ টাকা থেকে কমে ১০৯ টাকায় চলে আসে। অন্যদিকে, আগে ডলার কিনতে কোনো কাগজ দেখাতে হতো না। এখন এক্সচেঞ্জ হাউজ থেকেও ডলার কিনতে দেখাতে হচ্ছে পাসপোর্ট।

সোমবার (৮ আগস্ট) আন্তঃব্যাংক প্ল্যাটফর্মে প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা। আর ব্যাংকগুলো গ্রাহকের কাছে ৯৫ থেকে ৯৬ টাকার মধ্যে বিক্রি করছে। তবে খোলাবাজারে প্রতি এক ডলার বিক্রি হচ্ছে ১০৮ থেকে ১১০ টাকার মধ্যে।

এ বিষয়ে মানি এক্সচেঞ্জ অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মো. হেলার উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, এখন ডলার বিক্রি আর আগের মতো নেই। অভিযান শুরুর পর থেকে মানুষের মধ্যে একটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল। এই আতঙ্কের কারণে এখন আর খোলাবাজারে ক্রেতা নেই।

তিনি আরও বলেন, বিধি-নিষেধের কারণে মানুষের দেশের বাইরে যাতায়াত অনেক কমেছে। আবার এখন চাইলেও যে কেউ এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো থেকে ডলার নিতে পারছে না। এখন অবশ্যই পাসপোর্ট দেখাতে হবে। এসব কারণে খোলাবাজারে বিক্রি নেই বললেই চলে।

সম্প্রতি দেশে ডলার সংকট শুরু হয়। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ডলার কারসাজিতে জড়িয়ে পড়েন। এতে ডলার সংকট আরও তীব্র দেখা দেয়। এসব অনিয়ম ও কারসাজি মোকাবিলায় মাঠে নামে বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)।


আরও খবর



ডাকাতদের ডুবিয়ে দেওয়া ট্রলার উদ্ধারে জেলেরা

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২ | ১১জন দেখেছেন
Image

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ডাকাতদলের ডুবিয়ে দেওয়া এফবি ভাই-ভাই নামের ট্রলারটি উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছেন জেলেরা।

শনিবার (৩০ জুলাই) সকালে ট্রলারটি সোনাচর সংলগ্ন গভীর সাগরের ছয়বাম এলাকা থেকে কুয়াকাটার তিন নদীর মোহনা সংলগ্ন এলাকায় নিয়ে আসা হয়েছে। বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন ট্রলার মালিক সফিকের ভাই সাঈদুর রহমান শাহিন।

jagonews24

তিনি বলেন, ‘ট্রলারটি ডাকাতদল ডুবিয়ে দেওয়ার পর সেটি গভীর সাগরে ভাসছিল। পরে মহিপুরের কাশেম মাঝি ও ধানখালীর আসসাব মাঝি তাদের ট্রলারের সঙ্গে বেঁধে এটি কুয়াকাটা থেকে ২০ কিলোমিটার গভীর সগার এলাকায় নিয়ে এসেছে। আমরাও মহিপুর থেকে একটি ট্রলার নিয়ে তাদের কাছে এসেছি। আশা করছি ট্রলারটি উদ্ধার করতে পারবো।’

এফবি ভাই ভাই ট্রলারের মালিক সফিক মিয়া বলেন, ‘ডাকাতরা আমাদের ট্রলারটি ডুবিয়ে দেওয়ার পর মহিপুরের মা বাবার দোয়া নামের একটি ট্রলার আমাকেসহ স্টাফদের উদ্ধার করে। এখন আমরা কুয়াকাটা থেকে ২০ কিলোমিটার গভীর সাগরে আছি। ডুবে যাওয়া ট্রলারটি দুটি ট্রলারের সঙ্গে বেঁধে তীরে নিয়ে আসার চেষ্টা করছি। আশা করছি দুপুরের মধ্যে আমরা নদী মোহনায় পৌঁছাতে পারবো।’

jagonews24

নিজামপুর কোস্টগার্ডের কন্টিজেন্ট কমান্ডার মো. আরিফ জাগো নিউজকে বলেন, ডাকাতির ঘটনায় আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। তবে গণমাধ্যমে খবর পেয়ে এরই মধ্যে টহল জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে আমরা টহলে আছি। ডুবিয়ে দেওয়া ওই ট্রলারের কাছকাছি যাওয়ার চেষ্টা করছি।’

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটার দিকে সোনাচর সংলগ্ন গভীর সাগরের ছয়বাম এলাকায় ২৬টি ট্রলার ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় ২০ থেকে ২৫ সদস্যদের ডাকাতদল মহিপুরের এফবি ভাই ভাই নামের একটি ট্রলার ডুবিয়ে দেয়। লুট করে নেয় টাকা, পয়সা, মোবাইল ও মাছসহ ট্রলারের আনুসঙ্গীক সরঞ্জাম।


আরও খবর



‘ভাতের হোটেল’ নিয়ে আসছেন শুভশ্রী

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ আগস্ট ২০২২ | ২৬জন দেখেছেন
Image

টলিউড নায়িকা শুভশ্রীকে নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। হঠাৎ শোনা যাচ্ছে তিনি নাকি ‘ভাতের হোটেল’ খুলছেন। কিন্তু শুভশ্রীর এমন কি হলো যে তাকে ‘ভাতের হোটেল’ দিতে হবে! এ নিয়ে টলিউডে চলছে বেশ আলোচনা।

তাই বিষয়টা পরিষ্কার হতে আরও খোঁজ নেওয়া শুরু। পরে জানা গেলো সত্যিই ‘ভাতের হোটেল’ খুলছেন শুভশ্রী। নাম ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’! কিন্তু এটি বাস্তবের নয়। মূলত ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’ একটি ওয়েব সিরিজ। আর সেখানেই প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে শুভশ্রীকে। দু-একদিনের মধ্যে শুটিং শুরু হবে।

এই ওয়েব সিরিজ পরিচালনা করছেন দেবালয় ভট্টাচার্য। এই সিরিজের ইন্দুবালা চরিত্রে দেখা যাবে শুভশ্রীকে।

jagonews24

সিরিজের বেশির ভাগ শুটিং হবে কলকাতায়। কিছুটা অংশ ধরা হবে বাংলাদেশে।

পরিচালক জানিয়েছেন, শুভশ্রী এরই মধ্যেই ‘ইন্দুবালা’ হয়ে উঠতে সোহিনী সেনগুপ্তের কাছে মহড়া নিচ্ছেন।

পর্দায় ইন্দুবালার ১৬-৭৫ বছর বয়স দেখানো হবে। সংসার চালানোর জন্যই ওয়েব সিরিজে ভাতের হোটেল খুলবেন শুভশ্রী। সেখানে নিজ হাতেই রান্না করবেন।


আরও খবর

ক্যারিয়ার নিয়ে যা বললেন মিম

রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২




‘আশা ছিল নাতিটা বড় হলে কষ্ট ঘুঁচবে, সব শেষ হয়ে গেলো’

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ আগস্ট ২০২২ | ২৪জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার এস নজু মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল মারুফ। তিন ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড় ছিল সে। ১০-১২ বছর আগে তার মা ও ভাই-বোনদের ফেলে রেখে চলে যান মারুফের বাবা আবদুল মাবুদ। এরপর নানির সংসারে বড় হয়েছেন মারুফ ও তার ভাই-বোন।

অভাবের সংসারে কষ্ট করে মারুফকে পড়ালেখা করিয়ে আসছিলেন তার নানী কামরুন নাহার। আশা ছিল, লেখাপড়া করে ভালো চাকরি করবে মারুফ। তাতে কষ্টের দিন দূর হবে মারুফের মা ও নানির।

তবে মর্মান্ত্বিক দুর্ঘটনায় ‘আশার প্রদীপ’ নাতি মারুফকে হারিয়ে পাগলপ্রায় কামরুন নাহার। নিথর মারুফের দেহ নিতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে এসেছেন তিনি। সঙ্গে মারুফের মাও। হাসপাতালের বারান্দায় বিলাপ করছেন তারা।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে খৈয়াছড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় ইশামের সঙ্গে থাকা আরও ১০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও সাতজন। তাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আহাজারি করতে করতে মারুফের মা নুর নাহার জাগো নিউজকে বলেন, ‘১০-১২ বছর আগে মারুফের বাবা। এরপর আর কোনোদিন খোঁজ নেয়নি। ওর নানি কষ্ট করে বড় করেছে, পড়ালেখার খরচ চালাচ্ছে। আশা ছিল, বড় হয়ে ছেলেটা চাকরি করবে। ওর নানি, আমাকে আর ওর ভাই-বোনদের দেখবে। কিন্তু সব আশা ভেঙে গেলো। আমাদের সব শেষ হয়ে গেলো।’

মারুফের নানি কামরুন নাহার বলেন, ‘বাপে কোনো খবর রাখে নাই। কষ্ট করে নাতিটারে বড় করছিলাম। এমন করে চলে যাবে, কোনোদিন স্বপ্নেও ভাবিনি। আমাদের সব আশা-ভরসা শেষ হয়ে গেলা।’

মারুফ ‘আরএনজে কোচিং সেন্টার’-এর শিক্ষার্থী ছিল। তার নানাবাড়ি হাটহাজারী উপজেলার খন্দকিয়া গ্রামে। সে এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।


আরও খবর