Logo
শিরোনাম

হাই কোলেস্টেরল যে ৫ প্রাণঘাতী রোগের কারণ

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

শরীরে ভালো-খারাপ দুটো কোলেস্টেরলই থাকে। তবে জীবনযাত্রায় অনিয়ম ও ভুল খাদ্যাভ্যাসের কারণে শরীরে খারাপ বা ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়। বর্তমানে এটি একটি গুরুতর রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কোলেস্টেরল আসলে এক ধরনের চর্বিজাতীয়, তৈলাক্ত স্টেরয়েড যা কোষের ঝিল্লি বা (সেল মেমব্রেনে)-এ পাওয়া যায়। এটি সব প্রাণীর রক্তে পরিবাহিত হয়। স্তন্যপায়ী প্রাণীদের সেল মেমব্রেনের এটি একটি অত্যাবশ্যক উপাদান।

এলডিএল, এইচডিএল, ট্রাইগ্লিসারাইডসহ বিভিন্ন ধরনের কোলেস্টেরল থাকে শরীরে। তার মোট পরিমাণই টোটাল কোলেস্টেরল। এই টোটাল কোলেস্টেরলের মান থেকে শরীরে কোলেস্টেরলের আসল অবস্থা অনুমান করা যায় না। এইচডিএলের পরিমাণ বেশি থাকলে তা শরীরের জন্যে উপকারী। অন্যদিকে এলডিএলের পরিমাণ বেশি হলে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

এ বিষয়ে ভারতের রুবি হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. আশিস মিত্র জানান, এলডিএল কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে নানা সমস্যা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে রক্তনালির ভেতরে জমে এই কোলেস্টেরল হৃদরোগ, স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক ইত্যাদি ঘাতক রোগের কারণ হতে পারে।

হার্টের সমস্যা

চিকিৎসকের মতে, অনেক সময় কোলেস্টেরল হার্টের রক্তনালির ভেতরে জমে। সারা দেহের যেমন কাজ করতে রক্তের প্রয়োজন হয়, ঠিক তেমনই হার্টেরও প্রয়োজন হয় রক্তের।

এক্ষেত্রে হার্টের ধমনিতে কোলেস্টেরল জমলে রক্ত চলাচল করতে পারে না। তখন বুকে ব্যথা, বুক ধড়ফড় ইত্যাদি সমস্যা দেখা যায়। আর ব্যবস্থা না নিলে হতে পারে হার্ট অ্যাটাক। তাই সবাইকে অবশ্যই এই লক্ষণে সতর্ক হতে হবে।

ফ্যাটি লিভার

বর্তমানে অনেক মানুষই ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ভোগেন। এক্ষেত্রে লিভারে ফ্যাট থাকলে অনেক সমস্যাই দেখা দিতে পারে। লিভারে ফ্যাটের মূলত দুটি ভাগ থাকে- ট্রাইগ্লিসারাইডস ও কোলেস্টেরল। অর্থাৎ এই রোগের সঙ্গে সরাসরিভাবে জড়িত আছে কোলেস্টেরল।

পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ

ডা. মিত্রের মতে, কোলেস্টেরল শরীরের যে কোনো রক্তনালির ভেতরে জমতে পারে। অনেক সময় দেখা যায়, কোলেস্টেরল জমছে পায়ের ধমনিতে। সেক্ষেত্রে পায়ে ঠিকমতো রক্ত চলাচল করতে পারে না। এ কারণে পায়ে খুব ব্যথা হয়। এমনককি হাঁটতেও কষ্ট হয় অনেকের।

ব্লাডপ্রেশার ও ডায়াবেটিস

কোলেস্টেরল হলো মেটাবোলিক ডিজঅর্ডার। কোলেস্টেরল বেশি থাকলে অনেক সমস্যাই দেখা দেওয়া সম্ভব। এমনই একটি সমস্যা হলো ব্লাডপ্রেশার ও ডায়াবেটিস। এই দুটি সমস্যা দেখা গিয়েছে কোলেস্টেরল রোগীদের বেশিরভাগ সময়ই থাকে।

স্ট্রোক

আমাদের মাথায় বিভিন্ন রক্তনালি আছে। রক্তনালির ভিতরেও কোলেস্টেরল জমতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মাথার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রক্তনালিতে কোলেস্টেরলম জমে মিনি স্ট্রোক হয়।

এছাড়া কোলেস্টেরলের সঙ্গে প্রেশার বা ডায়াবেটিস থাকলে সাধারণ স্ট্রোকের ঝুঁকিও কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই সতর্ক হয়ে যেতে হবে বলে জানালেন ভারতের এই চিকিৎসক।


আরও খবর



খুলনায় এফডিআর জালিয়াতির অভিযোগে ব্যবসায়ী কারাগারে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৩৫জন দেখেছেন
Image

এফডিআরের ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে জনতা ব্যাংক খুলনা করপোরেট শাখা থেকে ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের মামলায় ব্যবসায়ী তৌহিদুর রহমান বাবুকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) খুলনা বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার এ আদেশ দেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মুজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দুদকের খুলনা জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের দায়ের করা মামলায় বুধবার আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন বাবু। পরে বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠান।

আদালত সূত জানায়, প্রতারক তৌহিদ ১৩টি নাম ব্যবহার করে ৪০টি এফডিআর জালিয়াতির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে বিপুল অর্থআত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মুজিবুর রহমান বলেন, খুলনা অক্সিজেন কোম্পানির কর্ণধার তৌহিদুর রহমান বাবু ওরফে তৌহিদ মাহমুদ এবি ব্যাংক ধানমন্ডি শাখার এফডিআর লিয়েন দেখিয়ে জনতা ব্যাংক খুলনা করপোরেট শাখা থেকে ১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা ঋণ নেন। এফডিআরের কাগজপত্র ভুয়া ধরা পড়ার পর ২০০৬ সালের ৭ ডিসেম্বর খুলনা থানায় মামলা করে দুদক। এ মামলায় বাবুসহ সাতজনের নামে চার্জশিট দেওয়া হয়। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- বাবুর মামা নজরুল ইসলাম, মামি শর্বরী ইসলাম, এস এম আমিরুল হক, এইচ এম বারিক বাদল, জিল্লুর রহমান ও সুবোধ কুমার দে।

তিনি আরও বলেন, এবি ব্যাংক ঢাকার এবিপি ও লোন অফিসার এবং খুলনা শাখার এজিএম ও লোন অফিসার যোগসাজশে এই টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটিয়েছেন।


আরও খবর



পাঁচ দফা দাবিতে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীদের কর্মবিরতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৩৪জন দেখেছেন
Image

পাঁচ দফা দাবিতে কর্মবিরতি শুরু করেছেন মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা।

মঙ্গলবার (৭ জুন) সকাল থেকে কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে জানিয়েছেন তারা।

এরআগে সর্বশেষ ৩১ মে পাঁচ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য তিনদিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। স্মরকলিপিতে দাবি আদায় না হলে কঠোর কর্মসূচির বিষয়ে বলা হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

jagonews24

দাবিগুলো হচ্ছে পদোন্নতি বোর্ড প্রদান, ফটোকপি মেশিন অপারেটর ও ল্যাব অ্যাটেনডেন্টদের তৃতীয় শ্রেণিতে উন্নীতকরণ, আপগ্রেডেশন নীতিমালা ১ নম্বর গ্রেড ১০২০০ টাকা স্কেল বাতিল করে ১১০০০ টাকায় উন্নীতকরণ ও মাস্টাররোল কর্মচারীদের নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ীকরণ।

চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী সমিতির সভাপতি আমিনুর ইসলাম বলেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালায় স্থায়ী পদে চাকরিকাল ছয় বছর পূর্ণ হওয়াসহ শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা কর্মচারীদের পদোন্নতি বোর্ড প্রদানের বিধান রয়েছে। বিধান অনুসারে প্রতি ছয়মাস পরপর আর বছরে দুটি পদোন্নতি বোর্ড দেওয়ার কথাও আছে। তবে প্রায় আড়াই বছর ধরে আমাদের কোনো পদোন্নতি বোর্ড দেওয়া হয়নি।

jagonews24

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আড়াই শতাধিক চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর মধ্যে প্রায় দেড় শতাধিক কর্মচারী রয়েছেন পদোন্নতি বোর্ড পাওয়ার যোগ্য। এ সত্ত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেটি বাস্তবায়ন করছেন না।

এ বিষয়ে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. মো. ফরহাদ হোসেন বলেন, পদ না থাকলে পদোন্নতি বোর্ড কীভাবে বসাবো? পদ পেলে অবশ্যই পদোন্নতি বোর্ড বসানো হবে। তবে তাদের বেতন স্কেল ১১ হাজার টাকায় উন্নীতকরণের দাবিটি পূরণ করবে ইউজিসি। তবে তাদের বেতন বৃদ্ধির ওই দাবিটি ইউজিসি নাকচ করে দিয়েছে। এ কারণে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরা যেসব দাবি নিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন তা পূরণ করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।


আরও খবর



বিদেশিদের জন্য দক্ষিণ এশিয়ায় ফের শীর্ষ ব্যয়বহুল শহর ঢাকা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

বিদেশি কর্মীদের বসবাসের ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ব্যয়বহুল বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। এই অঞ্চলের অন্যান্য বড় শহরের সঙ্গে তুলনা করে মার্সারের জরিপে ফের শীর্ষ স্থানে ঢাকার নাম উঠে এসেছে।

জানা গেছে, ব্যয়বহুল শহর নির্ধারণে বিশ্বের বিভিন্ন শহরের প্রায় ২০০টি পণ্য ও সেবার মূল্য বিবেচনা করা হয়েছে এই জরিপে। মার্সারস কস্ট অভ লিভিং সার্ভে ২০২২- শীর্ষক এ জরিপে চিহ্নিত প্রবাসীদের জন্য বিশ্বের ব্যয়বহুলতম ১০০ নগরীর মধ্যেই রয়েছে ঢাকা। তবে আগের চেয়ে ৫৮ ধাপ নেমেছে ঢাকার অবস্থান।

চলতি বছরে ঢাকা প্রবাসী কর্মীদের জন্য বিশ্বের ৯৮তম সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর হয়েছে। ২০২১ সালে হয়েছিল ৪০তম ও ২০২০ সালে ২৬তম। এতে ঢাকা বিদেশিদের জন্য কম ব্যয়বহুল হচ্ছে এমন ইঙ্গিত মেলে।

তবে বিশ্বের অনেক উন্নত শহরের তুলনায় এখনো ঢাকায় বসবাসের খরচ বেশি বিদেশিদের। যেমন মার্সারের তালিকায় ১৮১তম হচ্ছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, কাতারের দোহা ১৩৩তম, সৌদি আরবের জেদ্দা ১১১তম, কানাডার ভ্যাংকুভার ১০৮তম, থাইল্যান্ডের ব্যাংকক ১০৬তম ও অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরা ১০৪তম।

বুধবার (২৯ জুন) প্রকাশিত এ জরিপে বিশ্বের চার শতাধিক শহরের তথ্য-উপাত্ত স্থান পেয়েছে। এ বছরের র্যাংকিং তালিকায় স্থান পেয়েছে মোট ২২৭টি শহর। এসব শহরের আবাসন, পরিবহন, খাদ্য, পোশাক, গৃহস্থালি পণ্য ও বিনোদনসহ ২০০ ধরনের পণ্য ও সেবার মূল্য তুলনা করে র্যাংকিং করা হয়।

সকল তুলনার মূল ভিত্তি ধরা হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরকে। আর আর্থিক মূল্য গণনা করা হয়েছে মার্কিন ডলারে। চলতি বছরের মার্চে মার্সার যে জরিপ চালিয়েছিল, সাম্প্রতিক জরিপে সেই তথ্যের অন্তর্ভুক্তি আছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় বিদেশি কর্মীদের বসবাসের ব্যয় বিবেচনায় ভারতের মুম্বাই রয়েছে ১২৭ তম স্থানে। দিল্লি ১৫৫, চেন্নাই ১৭৭ এবং বেঙ্গালুরু ১৭৮তম স্থানে। এমনকী শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোও এদিক থেকে ঢাকার চেয়ে সস্তা, কলম্বো রয়েছে ১৮৩তম স্থানে।

দক্ষিণ এশিয়ায় বিদেশিদের থাকার জন্য আরও সস্তা হলো ভারতের হায়দেরাবাদ ১৯২তম, পুনে ২০১তম ও কলকাতা ২০৩তম।

তবে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রবাসীদের জন্য সবচেয়ে সস্তা শহর হিসেবে এসেছে পাকিস্তানের ইসলামাবাদ ও করাচির নাম। বৈশ্বিক র্যাংকিংয়ে শহরদ্বয়ের অবস্থান ২২৪ ও ২২৩ তম।

অন্যদিকে বিদেশিদের থাকার খরচ পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি হংকং শহরে, আগের জরিপেও হংকং প্রথম স্থানে ছিল। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জুরিখ। প্রবাসী কর্মীদের জন্য ব্যয়বহুলতম ১০ শহরের চারটি এশিয়ায় অবস্থিত।


আরও খবর



‘গজলডোবার স্লুইস গেট খুলে রাজনৈতিক অপরাধ করেছে ভারত’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
Image

গজলডোবার সব স্লুইস গেট খুলে ভারত রাজনৈতিক অপরাধ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমাদের না জানিয়ে অতর্কিত গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। ভারত এটা রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক অপরাধ করেছে।

বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখানে ক্ষুদ্রখামারি শ্রমিকের জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। তার চাইতেও বড় কথা, বাংলাদেশে ১২-১৩ লাখ রোহিঙ্গা এসেছে। এখন হয়ে গেছে ২৫ লাখ। আগামী ১০ বছরে এটা আরও বাড়বে, তার জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। পরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ে বরাদ্দ কমেছে।

jagonews24

রাজপথ দখল করে জনগণের অধিকার ফেরত পেতে হবে বলে উল্লেখ করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এই প্রতিষ্ঠাতা।

তিনি বলেন, আমাদের অধিকার ফেরত দিতে বাংলাদেশকে ১৫-১৭টা প্রদেশে ভাগ করতে হবে। তাহলে দেখা যাবে এখানে যারা উপস্থিত আছেন তাদের মধ্যেও দু-একজন মূখ্যমন্ত্রী হয়ে যাবেন। তারা মূখ্যমন্ত্রী হলে নতুনত্ব দেবেন। আমাদের সততা আনবে, উদাহরণ সৃষ্টি করবে। ঘুষ কমাবে দূর্নীতি কমাবে।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী আরও বলেন, আইন বিভাগে আইন নাই, আলেমদের জামিন নাই। তাই আইন বিভাগে বাজেট কেটে দিয়েছে।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর, যুগ্ম-আহ্বায়ক রাশেদ খানসহ অনান্য নেতারা।


আরও খবর



কেমিক্যাল ছড়িয়ে পড়া রোধে ড্রেনেজব্যবস্থা বন্ধ করলো সেনাবাহিনী

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪২জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে বিস্ফোরণে কেমিক্যাল ছড়িয়ে পড়া রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এরই মধ্যে বালুর বস্তা দিয়ে ড্রেনেজব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ ইঞ্জিনিয়ারিং টিম।

সোমবার (৬ জুন) বিকেলে জাগো নিউজকে এ তথ্য জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সেনাবাহিনীর ব্যাটালিয়ন-১ এর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মনিরা সুলতানা।

army2.jpg

সরেজমিনে দেখা যায়, বিএম কনটেইনার ডিপোর পশ্চিমে একটি ড্রেন রয়েছে। সেই ড্রেন দিয়ে কেমিক্যালযুক্ত পানি প্রবাহিত হচ্ছিল। সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টিম বালি দিয়ে ড্রেনেজব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়েছে।

এর আগে শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগে। আগুন লাগার পর রাসায়নিকের কনটেইনারে একের পর এক বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটতে থাকলে বহু দূর পর্যন্ত কেঁপে ওঠে। অগ্নিকাণ্ড ও ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ জন হয়েছে। তবে জেলা প্রশাসনের তথ্য মতে মৃতের সংখ্যা ৪৬ জন। দগ্ধ ও আহত ১৬৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাতেই শনাক্ত হওয়া নিহতদের জেলা প্রশাসনের সহায়তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

army2.jpg

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. মো. ইলিয়াস হোসেন চৌধুরী জানান, নিহতদের মধ্যে ডিপোর শ্রমিকদের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের ৯ সদস্যও রয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুন লাগার প্রায় ৪০ ঘণ্টা পার হলেও তা নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এখনো বেশ কয়েকটি কনটেইনার দাউ দাউ করে জ্বলছে। ধোঁয়া বেরোচ্ছে বেশ কয়েকটি কনটেইনার থেকে।


আরও খবর