Logo
শিরোনাম

হাত-পায়ের কালো দূর করার ৩ উপায়

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৫৩জন দেখেছেন
Image

মুখের ত্বকের যত্ন নিয়মিত নেওয়া হলেও হাত-পা অবহেলিত থাকে। অথচ হাত-পা সবচেয়ে বেশি নোংরা হয়। বেশিরভাগ মানুষই মুখের ত্বকের যত্ন নিতেই ব্যস্ত থাকেন।

অন্যদিকে হাত-পা কালচে হতে শুরু করে। এ কারণে একসময় হাত-পা উজ্জ্বলতা হারায়। যা দেখতে বেশ কটূ দেখায়।

ভেবে দেখুন তো, চেহারার সঙ্গে যদি হাত-পায়ের রং না মেলে তাহলে কেমন লাগবে? তাই হাত-পা কালো হতে শুরু করলে ৩ উপায় অনুসরণ করুন-

>> ত্বকের জন্য প্রাকৃতিক জিনিসের চেয়ে ভালো আর কিছু নেই। ওটমিল দুর্দান্ত বডি স্ক্রাব হিসেবে কাজ করে। ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বককে নরম ও মসৃণ করতে এটি অনেক উপকারী। অন্যদিকে নারকেল তেল ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে অনেক সাহায্য করে।

>> লেবু ভিটামিন সি এর একটি চমৎকার উৎস। এতে থাকা প্রাকৃতিক ব্লিচ এজেন্ট ত্বকের কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে চিনি ত্বক এক্সফোলিয়েট করতেও সাহায্য করে।

>> অ্যালোভেরা জেল ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজিংয়ের পাশাপাশি চমৎকার অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন। অ্যালার্জি বা ফুসকুড়ির কারণে যদি আপনার হাতে-পায়ে কালো দাগ হয়, তাহলে জেল দিয়ে ম্যাসাজ করলে এই দাগগুলো দ্রুত উঠে যাবে।


আরও খবর

কাঁচা কাঁঠালের কাবাব

শুক্রবার ২০ মে ২০22




ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ম্যাচ বাতিল

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

আগামী ১১ জুন অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহাসিক মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে হওয়ার কথা ছিল ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার প্রীতি ম্যাচ। ভক্ত-সমর্থকদের জন্য দুঃসংবাদ। সেই ম্যাচটি বাতিল হয়ে গেছে।

বুধবার ব্রাজিল জাতীয় দলের স্পোর্টস কো-অর্ডিনেটর জুনিনহো পালিস্তা নিশ্চিত করেছেন, মেলবোর্নের প্রীতি ম্যাচটি আর হচ্ছে না।

বিস্তারিত আসছে...


আরও খবর



সময় পেলেই ঘুরে আসুন দেশের জনপ্রিয় ৪ স্থানে

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৪জন দেখেছেন
Image

সাইফুর রহমান তুহিন

অনুপম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর এই বাংলাদেশে বেড়ানোর স্থানের অভাব নেই। যদিও অক্টোবর থেকে মার্চ মাস হচ্ছে দেশের মধ্যে বেড়ানোর আদর্শ সময়। তবে এখন ভ্রমণপিপাসুরা ছুটি পেলেই বেরিয়ে পড়েন ট্রাভেল ব্যাগ নিয়ে।

বেশিরভাগ মানুষই কক্সবাজার ও কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত, প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা ও শ্রীমঙ্গলসহ সিলেট বিভাগের দর্শনীয় স্থানগুলো দেখে ফেলেছেন। আজকের এই লেখায় আরও কিছু গন্তব্যের খোঁজ জানানো হলো-

সোনারগাঁ

বাংলার প্রাচীন রাজধানী ছিলো সোনারগাঁ। ঢাকা নগরী থেকে প্রায় ২৯ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাছেই সোনারগাঁর অবস্থান। দেব রাজবংশের শাসনামলে এটি ত্রয়োদশ শতাব্দী পর্যন্ত প্রশাসনিক রাজধানী ছিলো। ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘলদের আবির্ভাবের পূর্ব পর্যন্ত সোনারগাঁ বাংলা সালতানাতের অংশ ছিল।

দৃষ্টিনন্দন প্রাচীন ভবন ও স্মৃতিচিহ্নের পাশাপাশি প্রাচীন বাংলার রাজধানী সোনারগাঁয়ে আছে দেশের ঐত্যিহ্যসমূহ ও সংস্কৃতিকে সংরক্ষণের জন্য নিবেদিত একটি জাদুঘর। কিংবদন্তি চিত্রশিল্পী শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের নকশা অনুসারে নির্মিত লোকশিল্প জাদুঘর ইতিহাস ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সমন্বয়ে এক চমৎকার জায়গা যা সপরিবারে ভ্রমণের জন্য আদর্শ।

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের অফিস এখানেই অবস্থিত। জাদুঘর প্রাঙ্গণের কাছেই আছে একটি দৃষ্টিনন্দন লেক। যেখানে আছে নৌকায় চড়া ও মাছ ধরার সুবিধা। এর পাশাপাশি আরও আছে কারুশিল্পীদের একটি গ্রাম, ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্পের নমুনা, রেস্টুরেন্ট ও হস্তশিল্পের দোকান।

এছাড়া দর্শনার্থীরা নিকটবর্তী প্রাচীন আমলের পুরনো শহর পানাম নগর ও সালতানাত আমলের গোলাদিয়া মসজিদ দেখতে যেতে পারেন। লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের রয়েছে একটি লাইব্রেরি ও প্রদর্শনী কেন্দ্র।

jagonews24

কীভাবে যাবেন?

ঢাকা থেকে একটি প্রাইভেট কার/মাইক্রোবাস রিজার্ভ করে সারাদিন সোনারগাঁয় কাটিয়ে বিকেলে ফিরে যেতে পারে। যদি তা না পারেন তাহলে গুলিস্তান, শাহবাগ কিংবা মতিঝিল থেকে বাসে চড়েও যেতে পারেন।

কুমিল্লা

কুমিল্লা জেলা তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও ঐতিহাসিক স্থানগুলোর জন্য সুপরিচিত। জেলার উত্তর পাশের পাহাড়ি অংশ ময়নামতি ও দক্ষিণ পাশ লালমাই নামে পরিচিত। লালমাই ও ময়নামতির মধ্যবর্তী শালবন বিহার একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। শালবন বিহার ও তার আশপাশে আছে প্রাচীন সভ্যতার বেশ কিছু নিদর্শন।

শালবন বিহার থেকে মাত্র ৫/৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত কুমিল্লা সেনানিবাসের অভ্যন্তরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈন্যদের সমাধিস্থল কুমিল্লার একটি অন্যতম দর্শনীয় স্থান।

ময়নামতি জাদুঘর হলো কুমিল্লার আরেকটি বিশেষ আকর্ষণ। এই জাদুঘরে আপনি দেখতে পাবেন প্রাচীন আমলের অস্ত্রশস্ত্র, ব্রোঞ্জের পাত্র, স্বর্ণমুদ্রা, রৌপ্যমুদ্রা ও ব্রোঞ্জের তৈরি ৮৬ প্রকার দ্রব্যাদি। শুধু তাই নয়, এখানে আরও দেখবেন বিভিন্ন বৌদ্ধমন্দির থেকে সংগৃহীত ১৫০ এরও বেশি বৌদ্ধমূর্তি।

কুমিল্লা শহরের ৪/৫ কিলোমিটার বাইরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাছাকাছি কোটবাড়িতে অবস্থিত বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির সৌন্দর্যও মুগ্ধ করার মতো। কুমিল্লার আরেকটি দর্শনীয় স্থান হলো ধর্মসাগর দীঘি। ধারণা করা হয়, ১৭৫০ কিংবা ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে প্রজাহিতৈষী রাজা ধর্মপালের নামে রাখা হয়েছে এই দীঘিটির নাম।

রাজা ধর্মপাল ছিলেন পাল বংশের রাজা ও প্রজাদরদী মানুষ। দুর্ভিক্ষের সময় দুর্ভিক্ষপীড়িত লোকজনকে পানি দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য এই দীঘিটি খনন করা হয়। রাজার উদ্দেশ্য ছিলো প্রজাদের পানির কষ্ট দূর করা। প্রতিদিন বিকেলে এই দীঘির পাড়ে ভিড় জমান অনেক দর্শনার্থী।

কুমিল্লায় বেড়াতে গিয়ে আর যে বিষয়টি একটুও ভুলবেন না তা হলো দেশসেরা রসমালাইয়ের স্বাদ পরখ করা। এর পাশাপাশি এখানকার খাদি কাপড়ের পরিচিতিও ব্যাপক।

যাতায়াত ও থাকা

দেশের যে কোনো স্থান থেকে চট্টগ্রামগামী ট্রেনে উঠে আপনি সহজেই কুমিল্লায় নেমে যেতে পারেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ আরও কয়েকটি জেলা থেকে বাস সার্ভিস আছে। ঢাকার সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে এশিয়া লাইন, তিশা, বিআরটিসি, ইকোনো সার্ভিস, রয়েল কোচ প্রভৃতি আরামদায়ক বাস আড়াই ঘণ্টার মধ্যে কুমিল্লায় পৌঁছে।

রাতে থাকার জন্য শহরে আছে হোটেল রেড প্রুফ ইন, কানন লেইক রিসোর্ট লিমিটেড, হোটেল বিলাস, হোটেল সাগরিকা, হোটেল পিপাসা, হোটেল গোমতী প্রভৃতি মাঝারি বাজেটের হোটেল। একটু নিরিবিলি ও আরামদায়ক বসবাসের জন্য আছে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) এর গেস্ট হাউস যা ‘রাণীর কুঠি’ নামেও পরিচিত।

jagonews24

মহাস্থানগড়, বগুড়া

বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে বগুড়া-রংপুর সড়কের কাছাকাছি করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত মহাস্থানগড় বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক স্থান ও অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র। মৌড়, গুপ্ত ও সেন রাজবংশের শাসনামলে এটি রাজধানী ছিলো।

মহাস্থানগড়ে আছে বাংলাদেশের প্রাচীনতম প্রত্নতাত্ত্বিক স্মৃতিচিহ্ন যা নির্মিত হয়েছিলো খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ সালে। এখানে আপনি আরও দেখতে পাবেন গোবিন্দ ভিটা মন্দির, মানকালির কুন্ড, পরশুরাম প্রাসাদ, জিয়াত কুন্ড প্রভৃতি ঐতিহাসিক স্থান। হিন্দু সম্প্রদায় এখনো এগুলোকে পবিত্র স্থান হিসেবে উপাসনা করে।

প্রাচীন স্থাপত্যের নিদর্শন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে গোটা মহাস্থানগড় জুড়ে। যদি মহাস্থানগড় জাদুঘরে যান তাহলে দেখতে পাবেন টেরাকোটার তৈরি হিন্দু ভাস্কর্য, সোনার গহনা, স্বর্ণমুদ্রা প্রভৃতি প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন। ভ্রমণের পাশাপশি বগুড়ার বিখ্যাত দই দিয়ে রসনাতৃপ্তি মেটাতে পারেন।

যাতায়াত ও থাকা

বাস কিংবা ট্রেন যে কোনোটিতেই চড়ে আপনি বগুড়ায় যেতে পারেন। লালমনি এক্সপ্রেস নামে একটি আন্তঃনগর ট্রেন ঢাকা-বগুড়া রুটে চলাচল করে। আর যদি বাসে যেতে চান তাহলে শ্যামলী পরিবহন, এসআর ট্রাভেলস, আলহামরা পরিবহন, নাবিল পরিবহন, ডিপজল এন্টারপ্রাইজ, মানিক এক্সপ্রেস প্রভৃতি থেকে একটিকে বেছে নিতে পারেন।

এছাড়া ঢাকা-রংপুর কিংবা ঢাকা-দিনাজপুর রুটের বাসে চড়েও বগুড়ায় নেমে যেতে পারেন। বগুড়ায় আরামদায়ক বসবাসের জন্য রয়েছে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের মোটেল। এর পাশাপাশি আছে হোটেল আল আমিন, হোটেল আকবরিয়া, হোটেল আমজাদিয়া, আজাদ গেস্ট হাউস, হোটেল পার্ক, হোটেল সানভিউ প্রভৃতি কম বাজেটের হোটেল ।

jagonews24

সুন্দরবন

বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন বাংলাদেশের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থার (ইউনেস্কের) ‘বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ’ এই সুন্দরবন। বনের বিস্তৃতি প্রায় ৬০০০ বর্গকিলোমিটার জায়গাজুড়ে। পর্যটন মৌসুমে দেশি-বিদেশি পর্যটকে সদা মুখরিত থাকে সুন্দরবন।
এই বনেরমধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য নদীঅ। বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে মিশিছে এসব নারীর মোহনা। বিশ্ববিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, কুমির, বন্য শূকর, বিভিন্ন প্রজাতির সরীসৃপ, বানর ও বিচিত্র জাতের পাখির আবাসস্থল হচ্ছে সুন্দরবন।

এতো বড় বনের সব জায়গা নিরাপদ নয়, তাই আপনাকে সঠিক জায়গাগুলো বেছে নিতে হবে। সুন্দরবনের জনপ্রিয় গন্তব্যগুলো হলো করমজল, কটকা, কচিখালি, হিরণ পয়েন্ট ও মান্দারবাড়িয়া। এছাড়া দুবলার চর হচ্ছে সুন্দরবনের একটি আকর্ষণীয় দ্বীপ। মাছ ধরার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

চিত্রা হরিণের পাল প্রায়ই এখানে ঘুরে বেড়ায়। করমজলে একটি ফরেস্ট রেঞ্জ রয়েছে। এটি একটি হরিণ প্রজনন কেন্দ্রও। হিরণ পয়েন্ট, কেওড়াসুঠি প্রভৃতি স্থানে ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও বনের প্রকৃতি দেখার ব্যবস্থা রয়েছে।

ভাগ্য ভালো থাকলে বিখ্যাত প্রাণীটিকে একনজর দেখার সুযোগ পেয়েও যেতে পারেন। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে বনের কোথাও না কোথাও এটির পায়ের ছাপ চোখে পড়বেই।

যদি পুরো সুন্দরবন ঘুরে দেখার ইচ্ছে আপনার থাকে তাহলে একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ টুরিস্ট গাইডের সহায়তা নেওয়াই ভালো। দলবদ্ধভাবে সেখানে গেলে ও ২/৩ দিন কিংবা বেশি থাকার পরিকল্পনা থাকলে সুন্দরবনের বাহ্যিক সৌন্দর্য উপভোগের জন্য পুরো একদিন করমজলে কাটাতে পারেন।

jagonews24

এজন্য আপনাকে বন বিভাগের অনুমতি নিতে হবে। সুন্দরবনকে আরও ভালোভাবে জানার জন্য স্থানীয় মৎস্যজীবী, কাঠুরিয়া ও মধু আহরণকারীদের সাথে কথা বলতে পারেন।

যাতায়াত ও থাকা

ঢাকার মতিঝিল, আরামবাগ, শ্যামলী, কল্যাণপুর ও গাবতলী থেকে গ্রিন লাইন, সোহাগ, হানিফ, ঈগল প্রভৃতি এসি ও নন-এসি বাস খুলনার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত। এছাড়া সায়েদাবাদ থেকে সুন্দরবন, পর্যটক, বনফুলসহ বিভিন্ন বাস খুলনা, বাগেরহাট ও মংলার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত।

প্রথমে আপনাকে মংলায় পৌঁছতে হবে। তারপর পশুর নদীর তীর থেকে ২/৩ দিনের জন্য একটি ছোট লঞ্চ কিংবা ট্রলার ভাড়া করে বনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে হবে। খুলনায় থাকা-খাওয়ার জন্য রয়েছে হোটেল সিটি ইন, হোটেল রয়্যাল ইত্যাদি। মংলায় আছে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের মোটেল পশুর। এছাড়া আছে হোটেল আমিন ইস্টারন্যাশনাল লিমিটেড।

লেখক: ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক ও ভ্রমণ লেখক।


আরও খবর



ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত এশিয়ার সবচেয়ে বড় ঈদগাহ ময়দান

প্রকাশিত:সোমবার ০২ মে 2০২2 | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

দেশের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদগাহ ময়দান দিনাজপুর গোর-এ শহীদ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ। মিনার সংস্কার, রঙ করা, ধোয়ামোছা, মাঠে মাটি ভরাটসহ আনুষঙ্গিক সব কাজ শেষ হয়েছে।

সবচেয়ে বড় ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঈদের নামাজে আসা মুসল্লিদের নিরাপত্তায় তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন।

jagonews24

এরই মধ্যে মাঠে বসানো হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। মাঠের আরেকটি অংশে ঘের দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে যানবাহন রাখার গ্যারেজ। এ ছাড়া পাশের স্টেশন ক্লাব, সার্কিট হাউজ, শিশু একাডেমি ও জেলা গণ-গ্রন্থাগারেও যানবাহন রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মিনারে জ্বলছে লাল-নীল ঝাড়বাতি।

jagonews24

প্রবেশের জন্য মাঠের চার পাশে তৈরি করা হয়েছে তোরণ। শহরের প্রবেশ মুখগুলোতে এবং মিনারে যাওয়ার রাস্তাতেও তৈরি করা হয়েছে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তোরণ। মুসল্লিদের জন্য মাঠে ওজুখানা, ভ্রাম্যমাণ টয়লেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদ্যুতের পাশাপাশি থাকবে জেনারেটর।

jagonews24

দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের নামাজে ইমামতি করবেন দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতাল জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শামসুল হক কাসেমী। সকাল ৯টায় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

মাঠে জেলা প্রশাসন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের পাশাপাশ জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিমের পক্ষে সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে থাকা ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রমজান আলী জানান, গত ২০ দিন ধরে মিনারের সংস্কার ও মাঠের পরিচর্যার কাজ করা হয়েছে।

jagonews24

দিনাজপুর পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন জানান, গোর-এ শহীদ বড় ময়দানে ঈদের জামাতকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। ঈদগাহের চারপাশে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে মুসল্লিদের তল্লাশির ব্যবস্থা থাকবে। মাঠের নিরাপত্তার জন্য নির্মিত হয়েছে পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। বসানো হয়েছে সিসি ক্যামরা। শহরজুড়ে ট্রাফিক ব্যবস্থা থাকবে।


আরও খবর



হুয়াওয়ে ইনোভেশন কংগ্রেসে মোস্তাফা জব্বারের মূলপ্রবন্ধ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১৮জন দেখেছেন
Image

হুয়াওয়ে এপিএসি ডিজিটাল ইনোভেশন কংগ্রেসে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। মূলপ্রবন্ধে তুলে তিনি তুলে ধরেন কীভাবে ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ পরিকল্পনা ঘোষিত হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ খাত দ্রুত বিকাশ লাভ করেছে।

বৃহস্পতিবার (মে ১৯) সিঙ্গাপুরে শুরু হয়েছে ‘হুয়াওয়ে এশিয়া প্যাসিফিক ডিজিটাল ইনোভেশন কংগ্রেস ২০২২’। সম্মেলনের প্রথম দিনে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিজিটাল স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড প্র্যাকটিস বিষয়ে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন তিনি। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা ম. শেফায়েত হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।

মূলপ্রবন্ধে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২০২১ সালের শেষের দিকে দেশে মোবাইল ব্রডব্যান্ড কভারেজ ৯৮ দশমিক পাঁচ শতাংশে পৌঁছেছে এবং ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখন ১৮ কোটিতে পরিণত হয়েছে যা ২০১৮ সালে মাত্র চার কোটি ছিল।

মোস্তাফা জব্বার আরও বলেন, ইন্টারনেট বাংলাদেশের জনসাধারণের জীবনকে ব্যাপকভাবে পরিবর্তন করেছে এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগোপযোগী নেতৃত্ব এবং এই খাতের সব অংশীজনের সার্বিক সহযোগিতায় কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাব সময়েও বাংলাদেশ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি তার বক্তব্যে জাতিসংঘের ব্রডব্যান্ড কমিশন কর্তৃক প্রকাশিত ২০২১ সালে বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ সেক্টরে এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অর্থাৎ সাশ্রয়ীমূল্যে দেশের জনসাধারণকে ইন্টারনেট সেবা প্রদানের সক্ষমতা অর্জনের বিষয়টি উল্লেখ করেন।

এছাড়াও তিনি সারাবিশ্বে বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে ডিজিটাল সেবা কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে তার ওপর আলোকপাত করেন। তিনি ডিজিটাল উদ্ভাবনের মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে আলোচনা করেন।


আরও খবর



ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থীদের ফুটসাল-ভলিবল ফাইনাল

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৪জন দেখেছেন
Image

ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ফুটসাল এবং ভলিবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৫ মে, রোববার নগরীর জিলা স্কুল হোস্টেল মাঠে সকালে ভলিবল ও সন্ধ্যায় পর ফুটসাল ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

জিলা স্কুলের ১৯৭১ সাল থেকে বিভিন্ন ব্যাচের ৪৫ টিম নিয়ে এই ফুটসাল ও ভলিবল প্রতিযোগীতা আয়োজন করে এমজেডএস এক্স-স্টুডেন্টস স্পোর্টস ক্লাব।

সিনিয়র ভলিবলের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হয় ৮৮ ব্যাচ। তারা পরাজিত করে ৭৮ ব্যাচকে। জুনিয়র ভলিবলের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হয় ২০১০ ব্যাচ। তারা হারিয়েছে ২০০৬ ব্যাচকে।

সিনিয়র ফুটসাল খেলার ফাইনালে ৯২ ও ৮৭ ব্যাচ অংশগ্রহণ করে এবং যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়। জুনিয়র ফুটসালের ফাইনালে ২০০৮ ব্যাটকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ২০১৮ ব্যাচ।

উৎসব মুখর পরিবেশে হাজারো দর্শকের মাঝে ফাইনাল খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, আয়োজক কমিটির সভাপতি ফুটবল দলের সাবেক কোচ ও সাবেক শিক্ষার্থী মারুফুল হক ফেরদৌস, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নাগরিক টিভির এডিশনাল নিউজ এডিটর সাখাওয়াত হেসেন। মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মুহিত উর রহমান শান্তসহ প্রমুখ।

এর আগে শুক্রবার (১৩ মে) নগরীর জিলা স্কুল হোস্টেল মাঠে ফুটসাল ও ভলিবল টুর্নামেন্টের উদ্ধোধন করা হয়। এই টুর্নামেন্টে জিলা স্কুলের ১৯৭১ সাল থেকে বিভিন্ন ব্যাচের ৪৫ টিম ফুটসাল ও ভলিবল খেলায় অংশগ্রহণ করেন।

দেশে এই প্রথম স্কুল পর্যায়ে ময়মনসিংহ জিলা স্কুলে এতবড় টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হলো।


আরও খবর