Logo
শিরোনাম

জাফরুল্লাহর বক্তব্য আদালতকে হুমকি দেওয়ার শামিল: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | ৪৬জন দেখেছেন
Image

১০ হাজার মানুষকে নিয়ে হাইকোর্ট ঘেরাও করার যে বক্তব্য গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দিয়েছেন, তা আদালতকে হুমকি দেওয়ার শামিল বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

সোমবার (৪ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ‘মুজিববর্ষে বঙ্গবন্ধু’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আদালত ঘেরাওয়ের যে বক্তব্য, সেটি সরাসরি আদালতের প্রতি হুমকিস্বরূপ। আমি জানি না, আদালত সেটিকে কীভাবে বিবেচনা করবেন। এটি আদালতকে হুমকি দেওয়ার শামিল।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের দিন মানুষের উপস্থিতি নিয়ে বিএনপি নেতাদের বক্তব্যের বিষয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান বলেন, বিএনপি নেতাদের বক্তব্যে মনে হচ্ছে, পদ্মা সেতু তাদের গলার কাঁটা হয়ে গেছে। সারাদেশের মানুষ উচ্ছ্বসিত। মানুষ যেভাবে পুলকিত, উল্লসিত এবং গর্বিত কিন্তু বিএনপি ঠিক সমপরিমাণ লজ্জিত এবং সমপরিমাণ গলার কাঁটা হয়ে গেছে বলে তাদের বক্তব্যে মনে হচ্ছে।

তিনি বলেন, মূল অনুষ্ঠানে শুধু ৩ হাজার মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেখানে আর কারো যাওয়ার সুযোগ ছিল না। তিন হাজার মানুষের প্রত্যেককে করোনা টেস্ট করে সেখানে যেতে হয়েছে।

‘যে জনসভা হয়েছে সেখানে, লাখ লাখ মানুষের সমাবেশ হয়েছে। আর সেদিন যদি পদ্মা সেতু দেখার সুযোগ দেওয়া হতো, কত মানুষ হতো, সেটা আমি জানি না। পদ্মা সেতু যদি দেখার সুযোগ করে দেওয়া হতো, আমার মনে হয় যদি সুযোগ থাকতো, দেশের সব মানুষ সেখানে চলে যেত। শুধু বিএনপির উদ্ভ্রান্ত বক্তব্য রাখা কয়েকজন নেতা ছাড়া।’

বিএনপি নেতাদের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের এ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, তাদের বক্তব্যে মনে হচ্ছে, তাদের একটু মানসিক চিকিৎসার এখন সত্যিই প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেভাবে উদ্ভ্রান্তের মতো কথা বলছেন, বিশেষ করে রিজভী আহমেদকে। তিনি অসুস্থ ছিলেন। আমার মনে হয় পুরোপুরি সুস্থ হননি। সেজন্য অসুস্থ মানুষের মতোই কথা বলেন। আরও একটু চিকিৎসা দরকার আছে বলে আমার মনে হচ্ছে।

তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য অফিসার মো. শাহেনুর মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মকবুল হোসেন।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মো. নিজামূল কবীর।


আরও খবর



পদ্মা সেতু বাঙালির আত্মমর্যাদার এক অনন্য সোপান: স্পিকার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | ১৭জন দেখেছেন
Image

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, পদ্মা সেতু বাঙালির আত্মমর্যাদার এক অনন্য সোপান। সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে, বিশ্বব্যাংকের ভিত্তিহীন অভিযোগ উপেক্ষা করে, সব প্রতিকূলতা ও বাধা-বিপত্তি জয় করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে দেশের সর্ববৃহৎ অবকাঠামো ‘পদ্মা সেতু’ নির্মাণ সম্পন্ন করেছেন।

মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ‘আমাদের অর্থে আমাদের পদ্মা সেতু’ শীর্ষক বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সম্পাদিত ও চন্দ্রাবতী একাডেমি প্রকাশিত বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন স্পিকার।

এ সময় শিরীন শারমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অদম্য সাহস, দৃঢ়তা, দূরদর্শিতা ও প্রজ্ঞার কারণে পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়েছে। এটি বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বাঙালির আত্মঅহংকারের জায়গায় এ সেতু একটি মাইলফলক। এক্ষেত্রে লিখিত আকারে পদ্মা সেতু নিয়ে দ্রুততম সময়ে ‘আমাদের অর্থে আমাদের পদ্মা সেতু’ গ্রন্থটির প্রকাশ প্রশংসার দাবি রাখে। এতে ৬৫টি প্রবন্ধ রয়েছে, যা বইটিকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ করেছে।

স্পিকার বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কখনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করেননি, অন্যায়ের সঙ্গে আপষ করেননি। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বাংলার মানুষকে গভীরভাবে ভালবাসেন, যা তার মূল শক্তির উৎস।

‘পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন দেশে বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য এই সেতু অর্থনৈতিক লাইফলাইন। সাউথ এশিয়ান কানেক্টিভিটি, শিল্পায়ন, কৃষির অগ্রগতি ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি ইত্যাদি সবক্ষেত্রেই পদ্মা সেতুর অবদান অনস্বীকার্য। দেশের সাধারণ মানুষ এ সেতুর দ্বারা সরাসরি উপকৃত হচ্ছে। তরুণ প্রজন্মের কাছে পদ্মা সেতু কেবল ইট-পাথরের সেতু নয়, কোটি কোটি বাঙালির আবেগ ও গৌরব।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে প্রকাশনা উৎসবে আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



দুই দিনের রিমান্ডে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ আগস্ট ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
Image

দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার পশ্চিমবঙ্গের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জিকে দুই দিনের হেফাজতে নিয়েছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। তবে ব্যাঙ্কশাল আদালতেই অসুস্থ বোধ করায় বিচারক তাকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার নির্দেশ দেন।

আদালতের নির্দেশেই তাকে এসএসকেএম হাসপাতালে নেওয়া হয়। কার্ডিওলজি বিভাগে ভর্তির পর তাকে আইসিউতে নেওয়া হয়। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে রাতে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পার্থ চ্যাটার্জির নাকতলার বাড়িতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যায় ইডির একটি দল। রাতভর মন্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। শনিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়

নিয়োগ পরীক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানা গেছে। তখন তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় এর আগেও পার্থ চ্যাটার্জিকে সিবিআই দপ্তরে হাজিরা দিতে হয়েছিল। তখন সিবিআই জানায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায় তদন্তে সহযোগিতা করছেন না।

পার্থ চ্যাটার্জিকে গ্রেফতার করার পর অর্পিতা মুখার্জিকেও আটক করা হয়। শনিবার সকালে অর্পিতাকে আটক করা হয়।

ইডির দাবি, অর্পিতা রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। ‘পার্থ-ঘনিষ্ঠ’ অর্পিতার বাড়ি থেকে ২০টি মোবাইল ফোনও উদ্ধার হয়েছে। পাওয়া গেছে স্বর্ণসহ বিদেশি মুদ্রা।

ইডি সূত্র আরও জানায়, টালিগঞ্জের কাছে হরিদেবপুরের একটি আবাসনে অর্পিতার ফ্ল্যাট। সেখানে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে অন্তত ২০ কোটি নগদ অর্থ।

শুক্রবার রাতেই ইডি টুইটারে জানায়, পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশন ও পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এর সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে নগদ টাকার ছবিও পোস্ট করে ইডি।

তবে শনিবার অর্পিতা মুখার্জিকে যখন ইডির হেফাজত থেকে বের করা হচ্ছিল তখন তিনি অভিযোগ করে বলেন, এসবই বিজেপির চক্রান্ত, আমাকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে।


আরও খবর



জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে শাহবাগে ‘গণঅবস্থান’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২ | জন দেখেছেন
Image

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে আজও ‘গণঅবস্থান’ করছেন কয়েকজন ব্যক্তি।

মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) বিকেলে ‘বিক্ষুব্ধ ছাত্রজনতা’ ব্যানারে তারা সেখানে অবস্থান নেন। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত তারা অবস্থান করবে বলে জানান।

এর আগে গত ৭ আগস্ট বিকেলে শাহবাগে অবস্থান নিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের সরিয়ে দেয়। একদিন পর ফের তারা অবস্থান নিয়েছেন।

গণঅবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া রুহুল আমিন বলেন, প্রশাসনের ভেতরে আস্তানা গেড়েছে ছাত্রলীগের গুণ্ডারা। তারা মনে করে আওয়ামী লীগ একাই মুক্তিযুদ্ধ করেছে এবং এই দেশটা তাদের। এ জন্যই আমাদের ন্যায্যদাবিকে তারা দমিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু পুলিশ প্রশাসনের যাবতীয় হুমকিকে বৃদ্ধাঙুলি প্রদর্শন করে আমরা গত চারদিন থেকে এখানে অবস্থান নিয়েছি। কারণ আমরা বিশ্বাস করি জনগণ এখনো মরে যায়নি। তারা আজ হোক, কাল হোক জাগবেই। তাদের জাগিয়ে তোলার গুরুদায়িত্ব নিয়েই আমরা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নিয়েছি।

আগামী ১২ আগস্ট এক গণসমাবেশের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ১২ আগস্ট শুক্রবার বিকেল ৩টায় সর্বস্তরের মানুষকে আহ্বান জানিয়েছি শাহবাগে আসতে। বাকস্বাধীনতার দাবিতেই তাদের এখানে আসা দরকার। আমাদের উচিত মৌলিক অধিকারের প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার। এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে বৃদ্ধিকৃত তেলের দাম প্রত্যাহার করতেই হবে। যতক্ষণ না এ দাবি মানা হচ্ছে ততক্ষণ আমরা এখানে অবস্থান করবো। পুলিশ যদি এখানে আমাদের হত্যা করে তবুও আমাদের রক্ত থাকবে এখানে ন্যায়ের পক্ষে। অতীতে যেভাবে বাংলাদেশ নিজেদের অধিকার ফিরিয়ে এনেছে, তেমনি এবারও পারবে।

একই দাবিতে অবস্থানকারী সরকারি নজরুল কলেজের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী অমিত হাসান ভূঁইয়া বলেন, বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে চার কোটি মানুষ প্রতিদিন না খেয়ে থাকে। এই জুলুমের বিরুদ্ধে আজ আমাদের রুখে দাঁড়ানোর সময় হয়েছে। আজ গরিবের পেটে লাথি পড়ছে, কাল মধ্যবিত্তের পেটে পড়বে, পরশু বড়লোকদের পেটে। একদিন না একদিন আমাদের সবাইকেই ভুক্তভোগী হতে হবে এই অরাজকতার। সুতরাং সময় থাকতে সাবধান হোন। আমাদের এই যৌক্তিক আন্দোলনে শামিল হোন।


আরও খবর



ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের ‘পূর্বপরিকল্পিত’ হামলা, শিশুসহ নিহত ১০

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ আগস্ট ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় একটি বহুতল আবাসিক ভবনে শুক্রবার (৫ আগস্ট) হঠাৎ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে পাঁচ বছরের এক শিশু এবং ইসলামিক জিহাদের এক কমান্ডারসহ অন্তত ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। ফিলিস্তিনি পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ইসরায়েলে নির্বাচন সামনে রেখে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। খবর আল-জাজিরার।

ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের সামরিক শাখা আল-কুদস ব্রিগেডস জানিয়েছে, গাজা শহরের প্রাণকেন্দ্রে প্যালেস্টাইন টাওয়ারের একটি অ্যাপার্টমেন্টে বিমান হামলায় মারা গেছেন তাইসির আল-জাবারি নামে তাদের এক কমান্ডার। সংগঠনটি জানিয়েছে, দখলদারদের বিমান হামলার প্রতিবাদে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ১০০র বেশি রকেট ছুড়েছে তারা।

এই ঘটনায় ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের মধ্যে আবারও ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মাত্র ১৫ মাস আগেই অবরুদ্ধ উপত্যকাটিতে ইসরায়েলের মাসব্যাপী হামলায় ২৬০ জনের বেশি প্রাণ হারিয়েছিলেন।

israil2

দোহা ইনস্টিটিউট অব গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের টেমের কারমাউত বলেন, সবাই বিচলিত, কেউ যুদ্ধ চায় না। কারমাউত গাজার বাসিন্দা এবং তার পরিবার এখনো ওই শহরেই রয়েছে। তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে গাজায় চার-পাঁচটি বড় সংঘর্ষ হয়েছে। আমরা এখনো উপত্যকা পুনর্গঠনের কথা বলছি। গাজা কখনোই সত্যিকারে সেরে ওঠেনি। এটি কেবল এক সংঘাত থেকে আরেক সংঘাতে বাস করে।

জ্যেষ্ঠ ফিলিস্তিনি নেতা বাসাম আল-সাদিকে গ্রেফতারের জেরে কয়েকদিন ধরে চলা উত্তেজনার মধ্যেই এ হামলা চালালো দখলদারবাহিনী। পশ্চিম তীরের জেনিন শহরে ইসরায়েলের ওই অভিযানেও এক কিশোরকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

‘ভয় আর আতঙ্ক’
আল-জাবারিকে হত্যার পাশাপাশি গাজা সীমান্তে কড়াকড়ি আরও বাড়িয়েছে ইসরায়েল। ১৫ বছর ধরে অবরুদ্ধ এলাকাটির সব সীমান্ত ক্রসিং ফের বন্ধ করে দিয়েছে দখলদাররা।

israil2

রামাল্লা-ভিত্তিক গবেষক মরিয়ম বারঘৌতি বলেন, ফিলিস্তিনিদের হত্যা করতে ইসরায়েল পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে, যেন তা সামরিক বাহিনীর চেইন অব কমান্ডের অধীনে না হয়। তাই আমরা এখন যা দেখছি, তা হলো ইসরায়েলের সামরিক কৌশলের ‘ভয় ও আতঙ্কের’ তীব্রতা।

তিনি বলেন, এটাও মনে রাখতে হবে যে, আগামী নভেম্বরে ইসরায়েলে নির্বাচন এবং বসতি স্থাপনকারীদের সংখ্যা বাড়াতে গাজাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার প্রবণতা রয়েছে ইসরায়েলি নেতাদের মধ্যে।


আরও খবর



তৃতীয় ওভারেই ব্রেক থ্রু এনে দিলেন মোস্তাফিজ

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ আগস্ট ২০২২ | ১০জন দেখেছেন
Image

ক্যাপ্টেন্সি করতে গিয়ে প্রথম টসেই হারতে হলো নুরুল হাসান সোহানকে। ফলশ্রুতিতে প্রথমে ফিল্ডিং করতে নামতে হয়েছে বাংলাদেশ দলকে। ফিল্ডিং করতে নেমে প্রথম ওভারটা অধিনায়ক সোহান তুলে দিয়েছিলেন তাসকিনের হাতে। প্রথম ওভারেই ৮ রান দিয়েছিলেন তাসকিন, যার তিনটিই ওয়াইড।

দ্বিতীয় ওভার করলেন স্পিনার নাসুম আহমেদ। কিছুটা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেন নাসুম। দিলেন ৪ রান। তৃতীয় ওভারে তাসকিনের হাতে বল দিলেন না সোহান। ডেকে আনলেন মোস্তাফিজুর রহমানকে।

বল করতে এসেই ব্রেক থ্রু উপহার দিলেন দ্য ফিজ। প্রথম তিন বলে দিয়েছিলেন ৩ রান। চতুর্থ বলেই মোস্তাফিজের বলে আকাশে ক্যাচ তুলে দেন জিম্বাবুয়ে ওপেনার রেগিস চাকাভা। মিডউইকেটে আকাশে উঠে যাওয়া বলটি তালুবন্দী করলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ১৫ রানের মাথায় পড়লো প্রথম উইকেট।

এ রিপোর্ট লেখার সময় জিম্বাবুয়ের রান ৩.৩ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ২৫। ১১ রান নিয়ে ব্যাট করছেন ক্রেইগ আরভিন এবং ২ রান নিয়ে তার সঙ্গী হয়েছেন ওয়েসলি মাধভিরে।

বাংলাদেশ একাদশ

লিটন দাস, এনামুল হক বিজয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুনিম শাহরিয়ার, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, আফিফ হোসেন ধ্রুব, নুরুল হাসান সোহান (উইকেটরক্ষক এবং অধিনায়ক), নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম।

জিম্বাবুয়ে একাদশ

রেগিস চাকাভা, ক্রেইগ আরভিন (অধিনায়), ওয়েসলি মাধভিরে, শন উইলিয়ামস, সিকান্দার রাজা, মিল্টন সুম্বা, রায়ান বার্ল, লুক জংউই, ওয়েলিংন মাসাকাদজা, রিচার্ড এনগারাবা, তানাকা চিভাঙ্গা।


আরও খবর