Logo
শিরোনাম

ঝড়ে গাছ পড়ে প্রাণ গেলো চা শ্রমিকের, আহত ১২

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৭৬জন দেখেছেন
Image

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলায় ঝড়ে গাছ উপড়ে পড়ে এক নারী চা শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ১২ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (১৪ মে) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার মাথিউড়া চা বাগানে এ ঘটনায় ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৯টায় নারী চা শ্রমিকরা বাগানের ট্রাকে করে ৮৫ নম্বর সেকশনে চা পাতা তুলতে যাচ্ছিলেন। এসময় শুকনা টিলায় ট্রাক পৌঁছলে ঝড়ে একটি রাবার গাছ ট্রাকের ওপর পড়ে যায়। এতে ১৩ জন আহত হন।

গুরুতর আহত অবস্থায় নারী চা শ্রমিক শান্তি সীলকে (৫০) সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় লক্ষ্মী গৌড় (৩০), চন্দ্রাবতী রাজভর (৪০), কৃষ্ণা রাজভর (৩৫), ময়না রাজভর (৪৫), লক্ষ্মী চরণ রবি দাসসহ (৩০) ১২ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

মাথিউড়া বাগানের চা শ্রমিক নেতা বাবু লাল গৌড় জাগো নিউজকে বলেন, প্রতিদিনের মতো নারী শ্রমিকরা কাজে যোগদানের জন্য বাগানের গাড়িতে উঠে সেকশনে যাচ্ছিল। কিন্তু সকালে ঝড়ে গাছ উপড়ে একজন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও ১২ জন আহত হয়েছেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বাগানের ম্যানেজার মো. সিরাজুদ্দৌলা জাগো নিউজকে বলেন, আমরা আহতদের সিলেট ও মৌলভীবাজারের হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। বাকিরা সুস্থ আছেন।


আরও খবর



‘ডিউটি শেষ করে ঘুমাতে যাচ্ছিলাম’

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৭৩জন দেখেছেন
Image

ডিউটি শেষ করে রাতের খাবার খেয়ে ঘুমাতে যাবেন সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোতে কর্মরত করণ কারণ। তবে ডিপোতে আগুন লাগার খবর এখনো পৌঁছায়নি তার কাছে। এমন সময় তার কক্ষের অন্য একজনের বাড়ি থেকে ফোন করে জানায়, দেখা যাচ্ছে অগ্নিকাণ্ডের খবর।

করণ কারণ জাগো নিউজকে বলেন, আমার ডিউটি শেষ হয়েছিল রাত ৮টায়। ডিপোতে আগুন লাগার খবর শুনে দেখতে বের হয়েছিলাম। এমন সময় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের স্থান থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে ছিলাম। বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গেই পাশের পুকুরে লাফ দেই। ফলে বিস্ফোরণের প্রভাব থেকে অনেকটাই বেঁচে যাই।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের বেডে শুয়ে এভাবেই বিস্ফোরণের সময়কার ঘটনা জানাচ্ছিলেন করণ কারণ। বিভীষিকাময় সময়টাকে বোঝাতে কখনওবা উঠে বসছিলেন তিনি। তবে চোখ মেলে রাখতে পারছিলেন না বেশিক্ষণ। বিস্ফোরণের রাসায়নিকের প্রভাবে এখনও চোখ থেকে পানি ঝরছে তার।

করণ কারণের ছেলে প্রান্ত কারণ বলেন, অ্যাম্বুলেন্স থেকেই বাবা অন্য একজনের ফোন থেকে আমাকে কল করে। তখনকার পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ। এতো দূর থেকেও কেমিক্যালের প্রভাবে বাবার চোখে সমস্যা হয়েছে। অন্যদের তুলনায় আমার বাবা কমই আহত হয়েছেন।

সারি সারি বেডিগুলোতে শুয়ে এরকম অনেকেই এখন চিকিৎসা নিচ্ছেন চমেক হাসপাতালে। কারো পুড়ে গেছে শরীরের অর্ধেকটা, কারো বেশি, কারো বা একটু কম।

এর আগে শনিবার রাত ৯টার দিকে সীতাকুণ্ডের সোনাইছড়ি ইউনিয়নে বিএম কনটেইনার ডিপোর লোডিং পয়েন্টের ভেতরে আগুন লাগে। কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। রাত পৌনে ১১টার দিকে এক কনটেইনার থেকে অন্য কনটেইনারে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। একটি কনটেইনারে রাসায়নিক থাকায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে।

বিস্ফোরণে ঘটনাস্থল থেকে অন্তত চার কিলোমিটার এলাকা কেঁপে ওঠে। আশপাশের বাড়িঘরের জানালার কাচ ভেঙে পড়ে।


আরও খবর



সাঁতরিয়ে নৌকা ধরতে গিয়ে বিলের পানিতে ডুবে প্রহরীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৩৬জন দেখেছেন
Image

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে বিলে সাঁতরিয়ে নৌকা ধরতে গিয়ে পানিতে ডুবে মোবারক আলী (৬১) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) রাতে উপজেলার পাইকেরছড়া নামক বিলে এ ঘটনা ঘটে। পরদিন সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মোবারক আলীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মোবারক আলী উপজেলার সোনাহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ ভরতের ছড়া ঘুণ্টিঘর গ্রামের সোনাউল্লাহ ব্যাপারীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মোবারক আলী পাইকেরছড়া বিলের পাহারাদার (গার্ড) হিসাবে চাকরি করতেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে ঘাটে নৌকা বেঁধে বাড়িতে ভাত খাওয়ার জন্য যান। এসময় কে বা কারা নৌকাটি ভাসিয়ে দেয়। পরে তিনি বাড়ি থেকে এসে ঘাটের নৌকা বিলের মাঝে ভাসতে দেখে সাঁতরিয়ে নৌকা ধরতে যান। দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা করেও নৌকা ধরতে না পেয়ে বিলের পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন। পরদিন এ ঘটনা জানতে পেরে স্থানীয়রা মোবারক আলীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেয়।

ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন ঘটনার বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে।


আরও খবর



তামাকপণ্যে কার্যকর করারোপ না করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৫৭জন দেখেছেন
Image

২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে তামাকপণ্যে কার্যকর করারোপ না করার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন তামাকবিরোধী বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তারা বলেছেন, বাজেটে তামাকপণ্যের কর ও দাম বাড়ানো হলে বাড়তি নয় হাজার দুইশ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করা যাবে। এসডিজির টার্গেট ৩ দশমিক ৪ অর্জনে ‘২০৩০ সালের মধ্যে অসংক্রামক রোগে মৃত্যু এক-তৃতীয়াংশে নামিয়ে আনার জন্য’ এই বাড়তি রাজস্ব ব্যয় করা যাবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে ১৮ টি সংগঠন এই প্রতিবাদ জানায়। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের উপ-পরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সংগঠনগুলো হলো- বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রাম (বিসিসিপি), এইড ফাউন্ডেশন, ব্যুরো অব ইকোনমিক রিসার্চ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন, ডেভলপমেন্ট অ্যাকটিভিস অব সোসাইটি (ডাস), ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দ্য রুরাল পুয়র (ডরপ), গ্রাম বাংলা উন্নয়ন কমিটি, মানস, ন্যাশনাল এন্টি টিউবারকিউলোসিস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নাটাব), ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, প্রগতির জন্য জ্ঞান (প্রজ্ঞা), স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন, টোব্যাকো কন্ট্রোল রিসার্চ সেল (টিসিআরসি), তামাক বিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ), উন্নয়ন সমন্বয়, ভয়েস, ওয়ার্ক ফর বেটার বাংলাদেশ (ডব্লিউবিবি ট্রাস্ট) ও প্রত্যাশা মাদকবিরোধী সংগঠন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে করহার অপরিবর্তিত রেখে নিম্ন, মধ্যম, উচ্চ ও প্রিমিয়াম স্তর অর্থাৎ চারটি স্তরেই সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়েছে। নিম্নস্তরে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের দাম মাত্র এক টাকা বাড়িয়ে ৪০ টাকা করা হয়েছে, যা শতকরা হিসাবে বেড়েছে ২ দশমিক ৫৬ শতাংশ, মধ্যম স্তরে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের দাম ২ টাকা বাড়িয়ে ৬৫ টাকা করা হয়েছে, যা শতকরা হিসাবে বেড়েছে ৩ দশমিক ১৭ শতাংশ, উচ্চ স্তরে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের দাম ৯ টাকা বাড়িয়ে ১১১ টাকা করা হয়েছে, যা শতকরা হিসাবে বেড়েছে ৮ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং প্রিমিয়াম স্তরে প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের দাম ৭ টাকা বাড়িয়ে ১৪২ টাকা করা হয়েছে যা শতকরা হিসাবে বেড়েছে ৫ দশমিক ১৮ শতাংশ হারে।

সিগারেট নানা ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে জানিয়ে বক্তারা বলেন, বর্তমানে সিগারেট বাজারের ৭৫ শতাংশই নিম্ন স্তরের দখলে যার প্রধান ভোক্তা মূলত দরিদ্র ও তরুণ জনগোষ্ঠী। প্রস্তাবিত বাজেটে এই বিপুল পরিমাণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যঝুঁকিকে উপেক্ষা করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্নস্তরে সিগারেটের দাম বেড়েছে মাত্র ২ দশমিক ৫৬ শতাংশ (প্রতি শলাকা ১০ পয়সা মাত্র)। অন্যদিকে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে ১০ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।

তারা আরও বলেন, দেখা যাচ্ছে যে- মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় প্রকৃত অর্থে সিগারেটের দাম বিগত বছরের তুলনায় কমে গেছে। সঠিকভাবে কর ও মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ধূমপানে নিরুৎসাহিত করা ও জনস্বাস্থ্য রক্ষার একটি কার্যকর ও পরীক্ষিত কৌশল হওয়া সত্ত্বেও প্রস্তাবিত বাজেট সে লক্ষ্য অর্জনে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে, যা অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক। বরাবরের মতোই বহুজাতিক তামাক কোম্পানিগুলোর কোনো প্রকার অতিরিক্ত বিনিয়োগ ও উৎপাদন ব্যয় ছাড়াই এবারের বাজেটে ব্যাপকভাবে লাভবান হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।

মানববন্ধন থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে তামাকপণ্যের কর ও দাম বাড়ানোর জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনাও তুলে ধরেন বক্তারা।

সেগুলো হলো-

১। সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা।

২। অভিন্ন করভারসহ সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক প্রচলন করা।

৩। ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করে ১১ টাকা ২৫ পয়সা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ ও ফিল্টারযুক্ত ২০ শলাকা বিড়ির খুচরা মূল্য ২০ টাকা নির্ধারণ করে নয় টাকা সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা।

৩। নিম্ন স্তরের জর্দা এবং গুলের কর ও দাম বাড়ানোসহ সুনির্দিষ্ট এক্সাইজ শুল্ক প্রচলন করা।

প্রস্তাবগুলো কার্যকর হলে কী সুবিধা অর্জিত হবে সেই চিত্রও তুলে ধরেন বক্তারা।

সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে-

১। প্রায় ৯ লাখ তরুণকে তামাক ব্যবহার থেকে বিরত করা যাবে ও প্রায় সাড়ে ৪ লাখ তরুণ অকাল মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাবেন। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনে এটি খুবই সহায়ক হবে।

২। বাড়তি নয় হাজার দুইশ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করা যাবে। এসডিজির টার্গেট ৩ দশমিক ৪ অর্জনে ‘২০৩০ সালের মধ্যে অসংক্রামক রোগে মৃত্যু এক-তৃতীয়াংশে নামিয়ে আনার জন্য’ এই বাড়তি রাজস্ব ব্যয় করা যাবে।

৩। নিম্ন স্তরের সিগারেটের মূল্য বেশি বাড়ালে নিম্ন আয়ের সিগারেট ব্যবহারকারীদের সুরক্ষা করা যাবে। তাদের আয়ের প্রায় ২১ শতাংশ ব্যয় হয় তামাক পণ্যের পেছনে। এই অর্থ তামাক পণ্যের পরিবর্তে শিক্ষায় ব্যয় করলে তাদের সন্তানদের পড়ালেখার মোট ব্যয় ১১ শতাংশ বাড়ানো সম্ভব হবে।


আরও খবর



বাফওয়া’র ত্রাণ বিতরণ-বৃক্ষরোপণ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩৯জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ বিমানবাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতি (বাফওয়া) বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) সকালে বাফওয়া’র কেন্দ্রীয় সভানেত্রী তাহমিদা হান্নান তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।

বাফওয়া সভানেত্রী বিভিন্ন প্রকার খাদ্যদ্রব্য, ওষুধ ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট সিলেটগামী বাফওয়া টিমের কাছে হস্তান্তর করেন। ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি বিমানবাহিনীর ত্রাণ কার্যক্রমের পাশাপাশি অব্যাহত থাকবে।

সিলেট অঞ্চলসহ গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ ও দেশের অন্যান্য বন্যাদুর্গত এলাকাতেও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। বাফওয়া কর্তৃক বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্যও বিভিন্ন অনুদানসহ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

বাফওয়া সভানেত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বাফওয়া কর্তৃক গৃহহীনদের জন্য গৃহনির্মাণের সুবিধার্থে ঢেউটিন বিতরণ কর্মসূচি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বাফওয়া কর্তৃক গবাদি পশু বিতরণের কার্যক্রম ঘোষণা করেন।

এছাড়া সরকার গৃহীত জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সঙ্গে মিল রেখে বিমানবাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতি (বাফওয়া) প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের মূল প্রতিপাদ্য ‘বৃক্ষ প্রাণে প্রকৃতি-প্রতিবেশ, আগামী প্রজন্মের টেকসই বাংলাদেশ’ সামনে রেখে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিকভাবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২২ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) বাফওয়া সভানেত্রী তাহমিদা হান্নান কেন্দ্রীয় বাফওয়া অফিস প্রাঙ্গণে একটি ফলজ চারা রোপণ করার মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। একই কর্মসূচির আওতায় বিমানবাহিনীর সব ঘাঁটি/ইউনিটের আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক শাখা সমূহেও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।


আরও খবর



মাঠে মাঠে বজ্রনিরোধক টাওয়ার নির্মাণের দাবি এসএসটিএএফের

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

মানুষের জীবন বাঁচাতে মাঠে মাঠে বজ্রনিরোধক টাওয়ার নির্মাণের দাবি জানিয়েছে বজ্রপাত সচেতনতায় কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম (এসএসটিএএফ)।

শুক্রবার (১৭ জুন) রাতে সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়েছে।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশিম মোল্লা বলেন, বজ্রপাতে মৃত্যু কমাতে হলে সচেতনতা বাড়াতে হবে। আর এজন্য বজ্রপাত সচেতনতা বিষয়টি পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। মাঠে মাঠে বজ্রনিরোধক টাওয়ার নির্মাণ করতে হবে।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, দিনাজপুর, রাজশাহী ও নাটোরে বজ্রপাতে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন। মারা যাওয়া ১৫ জনের মধ্যে ছয়জনেই ময়মনসিংহেই। এছাড়া মৃতদের মধ্যে সাতজন শিশু ও চারজন কৃষক।

তিনি বলেন, মারা যাওয়া ১৫ জনের পরিসংখ্যান দেখলে বুঝা যায়— একই পরিবারের তিন শিশু ফুটবল খেলতে গিয়ে, এক শিশু মাছ মারতে গিয়ে ও এক কিশোর মাঠে গরু চড়াতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যায়। আমাদের দেশে বৃষ্টি হলেই শিশু-কিশোর ফুটবল নিয়ে মাঠে খেলতে বের হয়। কিন্তু তারা ও তাদের পরিবার জানে না আকাশে কালো মেঘ দেখা দিলে ও বৃষ্টির সময় বজ্রপাত বেশি হয়। এজন্য সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন।

সংগঠনের সভাপতি ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার বলেন, বজ্রপাত রোধে সারাদেশে গাছ রোপণ করতে হবে। গাছ বজ্রপাত থেকে মানুষকে নিরাপদ রাখে। আর হাওর অঞ্চলে যেহেতু বজ্রপাত বেশি হয় সেখানে প্রচুর ছাউনি নির্মাণ করতে হবে। বজ্রপাত নিয়ে মানুষের মধ্যে আরও বেশি সচেতনতা দরকার বলেও জানান তিনি।


আরও খবর