Logo
শিরোনাম

জোবাইদা রহমানের আবেদন খারিজ, মামলা চলবে

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১০১জন দেখেছেন
Image

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনে সহযোগিতার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলা বাতিলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের করা আবেদন (লিভ টু আপিল) খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

বুধবার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। 

এর আগে ৭ এপ্রিল লিভ টু আপিলের (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) শুনানি শেষে আপিল বিভাগ ১৩ এপ্রিলে দিন রাখেন। আজ আদেশে আদালত বলেন, আবেদনটি (পিটিশন ইজ ডিসমিসড) খারিজ করা হলো।

আদালতে জোবাইদা রহমানের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী ও মো. রুহুল কুদ্দুস।  দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান। তিনি বলেন, আবেদনটি খারিজ হওয়ায় জোবাইদা রহমানের বিরুদ্ধে মামলাটি চলতে আইনি কোনো বাধা নেই।  মামলাটি চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন।

তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে ৪ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন ও মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর কাফরুল থানায় এ মামলা করে দুদক। মামলায় তারেক রহমানকে সহায়তা ও তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয় জোবাইদা ও তার মায়ের বিরুদ্ধে।

সেখানে বলা হয়, তারেক তার স্ত্রীর নামে ৩৫ লাখ টাকার দুটি এফডিআর করে দেন। এভাবে জোবাইদা তার স্বামীকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তা করেছেন। ২০০৮ সালের ৩১ মার্চ এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় দুর্নীতি দমন কমিশন। এর পর জোবাইদা রহমানের মামলা বাতিলের আবেদনে হাইকোর্ট মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল দেন। ওই রুল শুনানির জন্য ২০১৬ সালে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চে তোলা হলে বিচারক বিব্রতবোধ করেন। পরে প্রধান বিচারপতি মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের হাইকোর্ট বেঞ্চে পাঠান।

সেখানে রুল শুনানির পর আদালত ২০১৭ সালের ১০ জানুয়ারি বিষয়টি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন। পরে ওই বছরের ১২ এপ্রিল মামলাটির বাতিল প্রশ্নে জারি করা রুল খারিজ করে রায় দেন হাইকোর্ট। তাতে মামলা চলার বাধা কাটে। আট সপ্তাহের মধ্যে জোবাইদা রহমানকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশও দেওয়া হয় রায়ে। সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন জোবাইদা রহমান, যার শুনানি শেষে বিষয়টি এখন আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ।


আরও খবর



ভাইরাল হতে বনে আগুন লাগাচ্ছে টিকটকাররা!

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৯জন দেখেছেন
Image

সম্প্রতি টিকটকে একটি ভয়ংকর ট্রেন্ড চালু হয়েছে। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও বানাতে বন-জঙ্গলে আগুন লাগাচ্ছে টিকটকাররা। বিপজ্জনক এই ধারা আটকাতে পাকিস্তানে আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন দেশটির বন্যপ্রাণী বিভাগের কর্মকর্তারা। খবর জিও নিউজের।

কয়েকদিন আগে সামান্য এক টিকটক ভিডিওর জন্য দুই যুবক মারগাল্লা পাহাড়ের জঙ্গলে আগুন দেওয়ার একটি ভিডিও ব্যাপক সমালোচনা ও ক্ষোভের জন্ম দেয়। ভিডিওতে এক টিকটকারকে গ্যাসলাইট দিয়ে জঙ্গলে আগুন দিতে দেখা যায়।

আরেকটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে এক নারী টিকটকার তার ভিডিওতে ‘ড্রামাটিক ইফেক্টস’ যোগ করতে জঙ্গলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন। টিকটক ভিডিও বানাতে জঙ্গলের কয়েক ডজন গাছ পুড়িয়ে ছাই করে দিয়েছেন তিনি।

এর আগে অ্যাবোটাবাদের একটি জঙ্গলে আগুন দেওয়ায় আরেক টিকটকারকে হেফাজতে নিয়েছিলেন পাকিস্তানের বন্যপ্রাণী বিভাগের কর্মকর্তারা।

টুইটারে সেই নারী টিকটকারের ভিডিও শেয়ার করে ইসলামাবাদের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা বোর্ডের চেয়ারপারসন রিনা এস খান সাট্টি বলেছেন, টিকটকে এটি বিরক্তিকর ও সর্বনাশা প্রবণতা! এই গরম ও শুষ্ক মৌসুমে ফলোয়ার পেতে মরিয়া তরুণ-তরুণীরা জঙ্গলে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে!

অস্ট্রেলিয়ায় জঙ্গলে আগুন দিলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধানের কথা উল্লেখ করে তিনি দাবি জানিয়েছেন, পাকিস্তানেও এ ধরনের আইন করা হোক।

রিনার মতে, এসব মানসিক বিকারগ্রস্ত তরুণদের অবিলম্বে কারাগারে পাঠাতে হবে! এ কারণে এ ধরনের ঘটনার কোনো তথ্য থাকলে তা দ্রুত পাকিস্তান বন্যপ্রাণী বোর্ডকে জানানোর অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

টিকটকের প্রতিক্রিয়া
বনে আগুন লাগানোর এই ট্রেন্ড সম্পর্কে এক বিবৃতিতে টিকটক কর্তৃপক্ষ বলেছে, বিপজ্জনক বা বেআইনি আচরণ প্রচার করে এমন বিষয়বস্তু আমাদের নীতির লঙ্ঘন এবং সেগুলো এই প্ল্যাটফর্মে অনুমোদিত নয়।

টিকটকের ভাষ্যমতে, বিপজ্জনক বা বেআইনি কাজগুলো চিহ্নিত করে আমরা সেগুলো হয় অপসারণ, সীমিতকরণ অথবা লেবেল যোগ করে দেই। আমরা ব্যবহারকারীর সুরক্ষার প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতিতে সর্বদা সজাগ এবং প্রত্যেককে তাদের আচরণে সতর্কতা ও দায়িত্ববোধ বজায় রাখতে উত্সাহিত করি, তা সে অনলাইনেই হোক বা অফলাইনে।


আরও খবর



ঈদের ছুটি শেষে বৃহস্পতিবার থেকে প্রাথমিকে ক্লাস শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

 

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির পর বৃহস্পতিবার (১২ মে) থেকে খুলছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এবার রমজানে খোলা রাখা হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। গত ২২ এপ্রিল থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঈদের ছুটি শুরু হয়।

দীর্ঘ ছুটি শেষে ১২ মে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো খোলা হচ্ছে। এক্ষেত্রে কয়েক দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে। স্কুল খোলার পর এগুলো মেনে চলতে হবে।

নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে-

এক শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে শনিবার থেকে বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল সোয়া ৩টা পর্যন্ত এবং বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এবং তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণি সকাল ৯টা থেকে বিকেল সোয়া ৩টা পর্যন্ত) পাঠদান কার্যক্রম চলবে।

দুই শিফটের বিদ্যালয়সমূহে শনিবার থেকে বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এবং বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত এবং তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণি বেলা সাড়ে ১১টা থেকে বিকের ৪টা পর্যন্ত) পাঠদান কার্যক্রম চলমান থাকবে।

এক শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়সমূহে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি কার্যক্রম শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ১২টা এবং দুই শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়সমূহে সকাল ৯টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চলবে।

এক শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়সমূহে দৈনিক সমাবেশ সকাল ৯ থেকে সকাল ৯টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত এবং দুই শিফট বিশিষ্ট বিদ্যালয়সমূহে দৈনিক সমাবেশ বেলা সাড়ে ১১টা থেকে ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিচালনা করতে হবে।

এতে বলা হয়, প্রধান শিক্ষক বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অগ্রাধিকার দিয়ে রুটিন প্রণয়নপূর্বক সংশ্লিষ্ট ক্লাস্টারের সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারের অনুমোদন গ্রহণ করবেন।

ঢাকা মহানগরীর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদানের সময়সূচির ক্ষেত্রে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০১৯ সালের ২৯ জানুয়ারির পরিপত্রটি অনুসরণ করবেন।

শিখন ঘাটতি পূরণে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে বলেও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে।


আরও খবর



ভোজ্যতেলের সংকট শিগগির কেটে যাবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমলে দেশেও কমবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এছাড়া বাজারে যে তেল পাওয়া যাচ্ছে না, তেলের সংকট- তা শিগগির কেটে যাবে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, অসাধু ব্যবসায়ীরা আগের দামের কিছু তেল লুকিয়ে রেখেছিলেন। দাম বাড়ানোর পরও সেটা তারা বের করছিলেন না। এজন্য সংকট হয়েছে। আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি। বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) বিকেলে রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে ‘ভূমি বাংলাদেশ লিমিটেড’ এর উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ভোজ্যতেলের অবৈধ মজুত খুঁজে বের করতে ভোক্তা অধিকারসহ সরকারি বিভিন্ন সংস্থার অভিযান প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যতক্ষণ তারা (ব্যবসায়ীরা) তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক করবেন না, ততক্ষণ বাজারে অভিযান চলবে।

সরকারের নিজস্ব তেল আমদানির কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে টিপু মুনশি বলেন, আমরা আশা করছি জুন থেকে টিসিবির মাধ্যমে তেল আমদানি শুরু করতে পারবো।

তেল আমদানিতে শুল্ক আরও কিছুটা প্রত্যাহারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সেটা এনবিআরের বিষয়। আমরা প্রয়োজন মনে করলে তাদেরকে শুধু সুপারিশ করতে পারি।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা এক কোটি পরিবারকে রোজায় তেল দিয়েছিলাম, এটা কনটিনিউ করবো। আর এফবিসিসিআই বলছিল ১৫ দিন পরপর দামটা দেখতে। আমরা এক মাস পরপর দেখি।

এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে তেলের দাম কম রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ভারত থেকে ১৩-১৪ টাকা কমে তেল বিক্রি করছি। পাকিস্তান থেকে আমাদের মুদ্রায় প্রায় ৩৬ টাকা কমে বিক্রি করছি।


আরও খবর



‘অশনি’র প্রভাবে কমেছে স্পিডবোটের যাত্রী, চাপ বেড়েছে ফেরিতে

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’র প্রভাবে উত্তাল রয়েছে পদ্মা। এরকম আবহাওয়ায় স্পিডবোটে পদ্মাপাড়ি দেওয়া বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। তাই মাদারীপুরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটের অধিকাংশ যাত্রীরা ফেরিতে করে পদ্মা পার হওয়ায় চাপ বেড়েছে।

বুধবার (১১ মে) বাংলাবাজার ঘাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেলো।

jagonews24

ঘাটে আসা পটুয়াখালী থেকে ঢাকামুখী এক যাত্রী বলেন, গুড়িগুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। স্পিডবোটে যাওয়া অনেক ঝুঁকি। তাই লঞ্চ আর ফেরিতে যাত্রীর চাপ বেশি।

শিবচরের ঢাকাগামী যাত্রী মো. খায়রুজ্জামান খান বলেন, ফেরিতে প্রচণ্ড ভিড়। যাত্রীর চাপ বেশি। অশনির প্রভাবেই যাত্রীরা আজ ফেরিতে ভিড় করছে বেশি। লঞ্চ আর স্পিডবোটের যাত্রীরাই ফেরিতে আগে উঠে পড়ছে।

jagonews24

বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিন বলেন, চাপ অনেকটাই কমে গেছে। অশনির প্রভাবে যাত্রীরা ফেরিতে বেশি ঝুঁকছে। তবে ফেরিঘাটে আগের মতো যানবাহন নেই। গত দুদিনে ঘাটে আটকেপড়া অন্য যানবাহন পার করতে সক্ষম হয়েছি। এখন ঘাট অনেকটাই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে শুরু করেছে।


আরও খবর



আমদানি বন্ধে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

ইমপোর্ট পারমিট (আইপি) মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৫ দিন ধরে ভারত থেকে আসছে না পেঁয়াজ। ফলে খুচরা বাজারে সরবরাহ কমায় ফের দাম বাড়তে শুরু করেছে পেঁয়াজের। এতে বিপাকে পড়েছেন ভোক্তারা। কয়েক দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের কেজিতে বেড়েছে ১২ থেকে ১৩ টাকা।

সরেজমিনে বুধবার (১১ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হিলি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বন্দরের আড়তগুলোতে ভারতীয় পেঁয়াজ প্রকার ভেদে ছোটগুলো ২৩ থেকে ২৫ টাকা আর বড়গুলো ২৮ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে আগের মতো ভারতীয় পেঁয়াজ নেই। আড়তে ভারতীয় যে পেঁয়াজ ২৩-২৫ টাকা কেজি, খুচরা বাজারে সেই পেঁয়াজ ২৫-২৮ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। ভালো মানের পেঁয়াজ ২৮ থেকে ৩২ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আর দেশী পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩২ টাকায়।

হিলি বাজারের পাইকারি আড়তদার আতাউর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, কয়েকদিন আগে আমরা ভারতীয় পেঁয়াজ ১৪ থেকে ১৬ টাকায় কিনেছি। গত কয়েক দিন থেকে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ থাকায় বাজারে সরবরাহ কম। ফলে খুচরা বাজারে কেজি প্রতি প্রকার ভেদে ১২ থেকে ১৪ টাকা বেড়েছে। এতে আমাদের কিছু করার নেই।

বাজারের খুচরা বিক্রেতা শাকিল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধের কারণে সকাল বিকেল ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করেছে। সরবরাহ বাড়লে আবারো দাম কমবে। বর্তমানে বাজারে খুচরা ভারতীয় পেঁয়াজ প্রকার ভেদে ২৫ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। আর দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩২ টাকা কেজি।

বাজারে কথা হয় রিকশাচালক আওলাদ হোসেনের সঙ্গে। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের কথা কেউ চিন্তা করে না। প্রতিদিন পেঁয়াজের দাম বেড়েই চলেছে। তেলের দাম বাড়ছে কিন্তু আমাদের ভাড়াতো বাড়ে না। গরিব হয়ে জন্ম নেওয়াটা পাপ।

হিলি স্থলবন্দর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দর দিয়ে সর্বশেষ ৩০ এপ্রিল ৬৮টি ট্রাকে ১ হাজার ৯০২ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। এরপর ঈদের ছুটি শেষে ৭ মে বন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি শুরু হলেও এখন পর্যন্ত পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে।

এদিকে ঈদের আগে বন্দরে পেঁয়াজ ১৪ থেকে ১৫ টাকা কেজি বিক্রি হলেও বর্তমানে তা বেড়ে ২০ থেকে ২২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

হিলি আমদানি রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর-রশিদ জাগো নিউজকে বলেন, চলতি বছর ২৯ মার্চ পেঁয়াজ আমদানির ইমপোর্ট পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল। সে সময় রমজানে দেশে পেঁয়াজের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সময় বাড়িয়ে ৫ মে পর্যন্ত নির্ধারণ করে কর্তৃপক্ষ। এরপর চলতি মাসের ৫ মে থেকে পেঁয়াজ আমদানির ইমপোর্ট পারমিটের (আইপির) মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। যে কারণে বাজারে দাম বাড়তে শুরু করেছে। আমদানি হলে আবারো ভারতীয় পেঁয়াজের দাম হাতের নাগালেই থাকবে।


আরও খবর