Logo
শিরোনাম

জুমার নামাজ কত রাকাত ও পড়ার নিয়ম কী?

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৪৫জন দেখেছেন
Image

সাপ্তাহিক প্রধান ইবাদত জুমার নামাজ। প্রতি সপ্তাহে একবার মুসলিম উম্মাহ জুমার নামাজ উপলক্ষ্যে জামে মসজিদে একত্রিত হয়, সম্মিলিত হয়, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাতারবন্দী হয়ে নামাজ আদায় করে। নামাজের আগে নসিহতমূলক খুতবা শোনে। এর বিনিময়ে মহান আল্লাহ বান্দার বিগত এক সপ্তাহের গুনাহসহ অতিরিক্ত আরও তিন দিনের গুনাহ ক্ষমা করে দেন। কিন্তু এ জুমার নামাজ কত রাকাত পড়তে হয় আবার এ নামাজ পড়ার নিয়মই বা কী?

জুমার রাকাত সংখ্যা

ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী জুমার দিন ২ রাকাত নামাজ পড়া ফরজ। এ নিয়ে কারো কোনো মতপার্থক্য নেই। তবে  ফরজের আগে ৪ রাকাত ও ফরজের পরে ৪ রাকাত সুন্নাতও রয়েছে। ফলে অধিকাংশ মুসল্লি সব মিলিয়ে মোট ১০ রাকাত জুমার নামাজ আদায় করে থাকে। অনেকে আবার জুমার আগে ২ রাকাত সুন্নাত নামাজ পড়ে থাকে। সুন্নাত নিয়ে মত পার্থক্য থাকলেও জুমার ফরজ নামাজ ২ রাকাত এ নিয়ে কারো কোনো মতপার্থক্য নেই।

জোহরের নামাজের পরিবর্তে এই নামাজ ফরজ হিসেবে পড়তে হয়। সময় এক হলেও জোহরের সঙ্গে জুমার নামাজের নিয়মগত কিছু পার্থক্য রয়েছে। সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিন শুক্রবারে প্রাপ্তবয়স্ক মুমিন-মুসলমান একটি নির্দিষ্ট সময়ে একই স্থানে একত্রিত হয়ে জামাতের সঙ্গে সে দিনের জোহরের নামাজের পরিবর্তে এই নামাজ ফরজরূপে আদায় করে, সে জন্য এই নামাজকে "জুমার নামাজ" বলা হয়।

জুমার নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে কোরআনুল কারিমে আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন-

 یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اِذَا نُوۡدِیَ لِلصَّلٰوۃِ مِنۡ یَّوۡمِ الۡجُمُعَۃِ فَاسۡعَوۡا اِلٰی ذِکۡرِ اللّٰهِ وَ ذَرُوا الۡبَیۡعَ ؕ ذٰلِکُمۡ خَیۡرٌ لَّکُمۡ اِنۡ کُنۡتُمۡ تَعۡلَمُوۡنَ -  فَاِذَا قُضِیَتِ الصَّلٰوۃُ فَانۡتَشِرُوۡا فِی الۡاَرۡضِ وَ ابۡتَغُوۡا مِنۡ فَضۡلِ اللّٰهِ وَ اذۡکُرُوا اللّٰهَ کَثِیۡرًا لَّعَلَّکُمۡ تُفۡلِحُوۡنَ

'হে মুমিনগণ! জুমার দিনে যখন নামাজের আজান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের পানে তাড়াতাড়ি করো এবং বেচাকেনা বন্ধ করো। এটা তোমাদের জন্যে উত্তম যদি তোমরা বুঝ। এরপর নামাজ সম্পন্ন হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ (রিজিক) তালাশ কর ও আল্লাহকে অধিক স্মরণ করো, যাতে তোমরা সফলকাম হও।' (সুরা জুমুআ : আয়াত ৯-১০)

জোহরের সঙ্গে জুমার নামাজের পার্থক্য

জুমার নামাজ জোহরের সময় পড়লেও জোহরের সঙ্গে জুমার নামাজের নিয়মগত কিছু পার্থক্য রয়েছে। তাহলো-

১. জুমার নামাজ ২ রাকাত ফরজ আর জোহরের নামাজ ৪ রাকাত ফরজ রয়েছে।

২. জুমার ফরজ নামাজের আগে ২/৪ রাকাত দুখুলিল মসজিদ/কাবলাল জুমা এবং পরে ৪ রাকাত বাদাল জুমা (সুন্নাত নামাজ) আদায় করতে হয়। আর জোহরের নামাজের আগে ৪ রাকাত সুন্নাতে মোয়াক্কাদা পড়তে হয়।

৩. জুমার নামাজের আগে ইমামের খুতবা শুনতে হয়। খুতবা শোনা আবশ্যক। জোহর নামাজের জন্য কোনো খুতবা শুনতে হয় না।

৪. এ ছাড়াও জুমার দিন অনেক নফল নামাজ, কোরআন তেলাওয়াত, তাওবা-ইসতেগফার ও দরূদ পড়ার বিশেষ ফজিলত নির্ধারিত আছে। যা অন্যান্য দিন জোহরের সময় নেই। তবে এসব নফল নামাজ জুমার অংশ হিসেবে পড়া হয় না এবং তা আবশ্যকীয়ও নয় বরং ব্যক্তি তা স্বেচ্ছায় এসব আমল-ইবাদত করতে পারে এবং না করলে তার দোষ হয় না।

জুমার নামাজ পড়ার নিয়ম

দুই রাকাত জুমার নামাজ পড়া ফরজ। এছাড়া ফরজ নামাজের আগে চার রাকাত কাবলাল জুমা এবং পরে চার রাকাত বাদাল জুমা (সুন্নাত নামাজ) আদায় করতে হয়। এ ছাড়াও মসজিদে প্রবেশ করেই দুই রাকাত দুখুলিল মসজিদ নামাজ আদায় করা সুন্নাত। জুমার নামাজের আগের পরের এসব নামাজ জুমার নামাজের অংশ নয়।

জুমার নামাজের জন্য জামাত শর্ত। জামাতের সঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করতে হয়। তা একাকি আদায় করা যায় না। জুমার নামাজের আজান হলে সব কাজ-কর্ম বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ এসেছে কোরআনে।

যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া (যেমন খুব অসুস্থ ব্যক্তি) জুমার নামাজ ত্যাগ করার সুযোগ নেই।  জুমা আদায় করতে না পারে তবে তার ক্ষেত্রে জোহরের নামাজ আদায় করা নিয়ম। তাছাড়া কিছু ক্ষেত্রে সুস্থ ব্যক্তির উপর, যেমন ভ্রমণকারী (মুসাফির) অবস্থায় জুমার আবশ্যকতা থাকে না এবং সেক্ষেত্রে জোহরের নামাজ আদায় করলে তা গ্রহণীয় হয়। তবে ভ্রমণকারী চাইলে জুমা আদায় করতে পারে।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, জুমার দিন আগে আগে মসজিদে গিয়ে ২ রাকাত জুমার ফরজ নামাজ ইমামের সঙ্গে আদায় করা। জুমার ফজিলত ও বরকত গ্রহণের আগ্রহী হওয়া 

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহক জুমার ২ রাকাত ফরজ নামাজ যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর



নার্সিং পেশার ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৮জন দেখেছেন
Image

আজ ১২ মে, আন্তর্জাতিক নার্স বা ধাত্রী দিবস। আধুনিক নার্সিং পরিষেবার জনক ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ১৮২০ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন। তাকে সম্মান জানানোর জন্য ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অব নার্সেস (আইসিএন) ১৯৬৫ সাল থেকে দিনটি পালন করে আসছে।

নার্স শুধু একটি পেশা নয়, সেবা। তারা রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন। চিকিৎসা ক্ষেত্রে নার্সের গুরুত্ব অপরিসীম। নার্সিং পেশার ভবিষ্যৎ, কেন তরুণরা নার্সিং পেশায় ধাবিত হচ্ছেন, পেশা হিসেবে নার্সিং কেমন—এসব জানতে কয়েকজন নার্সিং পড়ুয়ার সঙ্গে কথা হয় জাগো নিউজের। বিস্তারিত জানাচ্ছেন ফিচার লেখক সাজেদুর আবেদীন শান্ত

রংপুর নার্সিং কলেজের ডিপ্লোমা ইন নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি শিক্ষার্থী নিশিতা নিতু বলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকেই চিন্তা করতাম, কীভাবে মানুষের সেবায় নিজেকে নিযুক্ত করতে পারবো। এ চিন্তা-ভাবনা থেকেই নার্সিংয়ে আসা। যাতে দুস্থ, অসহায় মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে পারি। আমার মতে নার্সিং একটি মহৎ পেশা। সরকার এ পেশাকে দ্বিতীয় শ্রেণির পেশা হিসেবে ঘোষণা করেছে। আমরাই পারি নিজেদের সেবা ও সহানুভূতি দিয়ে অসুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে। আমাদের মতো মিডওয়াইফদের যথাযথ সেবায় কমেছে মাতৃমৃত্যুর হার। প্রতিটি মাকে আমরা সঠিক জন্মদানে সাহায্য করতে পারছি। তাদের সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে অসংখ্য মিডওয়াইফ।’

তিনি বলেন, ‘উপজেলা পর্যায়েও পৌঁছে গেছে হাজার হাজার নার্স, মিডওয়াইফ। তারা কাজ করে যাচ্ছেন। আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে, নিজ হাতে সেবা দিয়ে মুখে সুস্থতার হাসি ফোটানোর মধ্যে যে প্রাপ্তি, তা অন্য কোনো পেশায় আছে বলে মনে হয় না। নার্সরা একেকজন যোদ্ধা। অন্যের জীবন বাঁচাতে যুদ্ধ করে যান প্রতিটি মুহূর্ত। পরিশেষে বলবো, নির্দ্বিধায় নার্সিং একটি মহান পেশা এবং যুগ যুগ এভাবেই এ পেশার সম্মান অক্ষুণ্ন থাকবে।’

বরিশাল নার্সিং কলেজের ডিপ্লোমা ইন মিডওইফারির ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী উম্মে হাবিবা ইসলাম বলেন, ‘নার্সিং একটি সেবামূলক পেশা। নার্সরা দিন-রাত রোগীর সেবার কাজে নিয়োজিত থাকেন। সেবা দিয়ে সুস্থ করে তোলেন। নার্সরা নিজেদের কথা না ভেবে দিন-রাত এক করে কাজ করেন। বর্তমানে নার্সিং পেশা অনেকটা এগিয়ে গেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নার্সিং পেশাকে দশম গ্রেডের করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘নার্সিং পেশায় আছে নানা রকমের সুযোগ-সুবিধা। আছে উচ্চশিক্ষার জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার সুযোগ। দেশের বাইরে চাকরির সুবিধাও আছে। এ ছাড়া পড়া শেষ করেই সরকারি-বেসরকারি চাকরির সুবিধা তো আছেই। এটি আমার খুব পছন্দের পেশা। আমি গর্বিত, আমি একজন নার্স। বিশ্ব স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নার্সিং খাতে বিনিয়োগ বাড়ান, আন্তর্জাতিক নার্স দিবসে নার্সদের আধিকার সংরক্ষণ করুন।’

নার্সিং দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আকতার বর্ষা বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই ইচ্ছা ছিল অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। মানুষের সেবা করার। তাই হাজারো পেশার মাঝে এ পেশাকেই বেছে নেওয়ার ইচ্ছা ছিল। আমার ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। এ পেশার মাধ্যমে সারাক্ষণ রোগীর সাথে থেকে সেবা করার সুযোগ পাওয়া যায়।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্বমন্দার কারণে অন্যান্য জব মার্কেট সংকুচিত হলেও নার্সিং পেশায় কোনো প্রভাব পরেনি। বরং গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে। বাংলাদেশে প্রচুর নার্স নিয়োগ দেওয়া হয় সরকারি-বেসরকারি খাতে। সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বেসরকারি হাসপাতাল। তাই নার্সের সংখ্যা ও পেশার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে।’

বগুড়া নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কলেজের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী মুনিরা খাতুন বলেন, ‘নার্সদের কঠোর পরিশ্রম ও সেবা ছাড়া তাদের সুস্থ হয়ে ওঠা কঠিন। আজ সেই মানুষদের শ্রদ্ধা জানানোর দিন। ছোটবেলায় ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের জীবনী পড়ে ইচ্ছা হতো মানুষের সেবা করার। তাই এ পেশায় আছি। অসুস্থ মানুষদের খুব কাছ থেকে সেবা করাই নার্সদের কাজ। তারা অসুস্থ মানুষের সেবার ব্রত নিয়ে এ পেশায় আসেন। নার্সিং পেশার ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল। এ দিবসে আমাদের একটাই চাওয়া, যেন যথাযথ সম্মান নিয়ে মানুষের সেবা করতে পারি। সরকার যেন নার্সিং খাতে বিনিয়োগ বাড়ায়।’


আরও খবর



চাকরির সুযোগ দিচ্ছে সীমান্ত ব্যাংক

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ২২জন দেখেছেন
Image

সীমান্ত ব্যাংক লিমিটেডে ‘কোর ব্যাংকিং অ্যানালিস্ট’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২০ মে পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: সীমান্ত ব্যাংক লিমিটেড
বিভাগের নাম: এসও টু এসপিও

পদের নাম: কোর ব্যাংকিং অ্যানালিস্ট
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএসসি ইন সিএসই/ইইই/আইটি
অভিজ্ঞতা: ০৩-০৬ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: ৩৫ বছর
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ২০ মে ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



বাউরেসের নতুন পরিচালক অধ্যাপক ড. জয়নাল

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৭জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেমের (বাউরেস) নতুন পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ফার্ম স্ট্রাকচার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জয়নাল আবেদীন।

সোমবার (১৬ মে) আনুষ্ঠানিকভাবে এই দায়িত্বে যোগ দেন তিনি। অধ্যাপক ড. জয়নাল বাউরেসের বিদায়ী পরিচালক অধ্যাপক ড. আবু হাদী নূর আলী খানের স্থলাভিষিক্ত হলেন।

অধ্যাপক ড. মো. জয়নাল আবেদীন ৫ মার্চ ১৯৬৩ সালে চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার কাদলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফার্ম স্ট্রাকচার অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন সিনিয়র অধ্যাপক (গ্রেড-1)। তিনি ৩৩ বছরেরও বেশি সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা ও গবেষণার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে ৬৫টিরও বেশি গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে তার। অধ্যাপক আবেদীন ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি) এবং কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশর (কেআইবি) আজীবন সদস্য।

প্রফেসর আবেদীন বর্তমানে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য এবং উচ্চ শিক্ষার মান নিশ্চিতকরণ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত। তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যাশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স এক্সপার্ট এবং এক্সটারনাল পিয়ার রিভিউ টিম লিডার/ডিগ্রি প্রোগ্রামের সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন।

আবেদীন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের কার্যনির্বাহী কমিটিতে ৪বার এবং সচিবসহ অনুষদ কমিটিতে বহুবার এবং ২বার সভাপতি ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির (বাউটা-২০২১) সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

বাকৃবির গবেষণা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার উদ্দেশ্যে ১৯৮৪ সালের ৩০ আগস্ট সিন্ডিকেটের ১৬১তম সভার অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) রিসার্চ সিস্টেম (বাউরেস) গঠিত হয়। বাউরেস প্রতিষ্ঠার পর থেকেই শিক্ষক এবং গবেষকদের দ্বারা পরিচালিত গবেষণা প্রকল্প তদারকি, ব্যবস্থাপনা ও পর্যবেক্ষণের জন্য পরিচালক নিয়োগ দেয়। এর আগে ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে অধ্যাপক ড. মো. আবু হাদী নূর আলী খান বাউরেসের পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন যার মেয়াদ ২০২২ সালের মে মাসে শেষ হয়।


আরও খবর



সত্যজিৎ রায় ও ফয়েজ আহমেদের জন্ম

প্রকাশিত:সোমবার ০২ মে 2০২2 | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৩১জন দেখেছেন
Image

মানুষ ইতিহাস আশ্রিত। অতীত হাতড়েই মানুষ এগোয় ভবিষ্যৎ পানে। ইতিহাস আমাদের আধেয়। জীবনের পথপরিক্রমার অর্জন-বিসর্জন, জয়-পরাজয়, আবিষ্কার-উদ্ভাবন, রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজনীতি একসময় রূপ নেয় ইতিহাসে। সেই ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা স্মরণ করাতেই জাগো নিউজের বিশেষ আয়োজন আজকের এই দিনে।

০২ মে ২০২২, সোমবার। ১৯ বৈশাখ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ।

ঘটনা
১৯৪৫- সোভিয়েত বাহিনী বার্লিন দখল করে নেয়। বার্লিন জার্মানির রাজধানী এবং ইউরোপ মহাদেশের একটি ঐতিহাসিক শহর। বার্লিন শহরে ৩৪ লাখেরও বেশি লোক বাস করেন।
১৯৪৫- ইতালিতে মোতায়েন প্রায় ১০ লাখ জার্মান সৈন্য নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
১৯৭২- দক্ষিণ আমেরিকান দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় কলম্বিয়া, কোস্টারিকা এবং ভেনেজুয়েলা।

জন্ম
১৯২১- বাংলা চলচ্চিত্র পরিচালক, সাহিত্যিক, চিত্রকর ভারত-রত্ন সত্যজিৎ রায়। তার জন্ম কলকাতা শহরে সাহিত্য ও শিল্প সমাজে খ্যাতনামা রায় পরিবারে। চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে সত্যজিৎ ছিলেন বহুমুখী এবং তার কাজের পরিমাণ বিপুল। তিনি ৩৭টি পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র, প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। তার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র পথের পাঁচালী (১৯৫৫) ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করে, এর মধ্যে অন্যতম ১৯৫৬ কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাওয়া ‘শ্রেষ্ঠ মানুষে-আবর্তিত প্রামাণ্যচিত্র’ পুরস্কার। ১৯৯২ সালে ভারত সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ভারত-রত্ন এবং পদ্মভূষণ সম্মাননা প্রদান করে। ২০০৪ সালে বিবিসির সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি তালিকায় সত্যজিৎ রায় ১৩তম স্থান লাভ করেছিলেন।

১৯২৮- বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ ফয়েজ আহমেদ। ব্রিটিশ ভারতে ঢাকা জেলার বিক্রমপুর পরগণার বাসাইলভোগ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ছিলেন বাংলাদেশের একজন সাংবাদিক, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। ১৯৭৬ সালে শিশু সাহিত্যে অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন এবং ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য একুশে পদক প্রদান করে।

১৯৩১- প্রথিতযশা ভারতীয় বাঙালি গীতিকার ও সুরকার পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়।
১৯৩৯- জাপানি পদার্থবিদ, প্রায়শই কার্বন ন্যানোটিউব আবিষ্কারের জন্য যাকে স্মরণ করা হয় সুমিও ইজিমা।

মৃত্যু
১৫১৯- ইতালীয় রেনেসাঁসের কালজয়ী চিত্রশিল্পী লিওনার্দো দা ভিঞ্চি।
১৯০৮- ভারতীয় উপমহাদেশে বৃটিশ বিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামের বিপ্লবী প্রফুল্ল চাকী।
১৯৭৭- বাঙালি কবি মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা।
২০১১- সন্ত্রাসবাদী গেরিলা যোদ্ধা এবং আল-কায়দা এর প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেন।


আরও খবর



সড়ক দুর্ঘটনায় জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ০৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৬১জন দেখেছেন
Image

সাইকেল আরোহীকে বাঁচাতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সাদিকুল ইসলাম নামে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।

সাদিকুল ইসলাম ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার বাসিন্দা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী ছিল।

বুধবার (৪ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফুলবাড়িয়া থেকে টাঙ্গাইলের মধুপুর যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেরেছেন সাদিকুলের বন্ধু পারভেজ মোশারফ।

তিনি জানান, মোটরসাইকেল দিয়ে মধুপুর যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা সাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষ এড়াতে হঠাৎ ব্রেক করেন সাদিক। এতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ছিটকে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে পাশে থাকা পিলারের সঙ্গে মাথায় ধাক্কা লেগে গুরুতর আঘাত পান এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. পারভীন আক্তার জেমী বলেন, কিছুক্ষণ আগে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সাদিকুল নামের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুর সংবাদ পেয়েছি। টাঙ্গাইলের মধুপুর যাওয়ার সময় দুর্ঘটনা ঘটে। এর বেশি কিছু জানা এখনো সম্ভব হয়নি।

অন্যদিকে, সাদিকুলের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে তার সহপাঠীদের মধ্যে। ফেসবুকে সাদিকুলকে নিয়ে নানা আবেগঘন পোস্ট দিচ্ছেন তারা।


আরও খবর