Logo
শিরোনাম

কোপা জেতার পর সবকিছু বদলে গেছে: ডি মারিয়া

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০২ জুন 2০২2 | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩৩২জন দেখেছেন
Image

১৯৯৩ সালের কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর দীর্ঘ ২৮ বছর কোনো শিরোপার মুখ দেখেনি আর্জেন্টিনা। গত বছর ব্রাজিলের মাটিতে হওয়া কোপা জিতে সেই শিরোপাখরা কাটিয়ে ওঠে আলবিসেলেস্তেরা। ফাইনালে জয়সূচক একমাত্র গোলটি করেছিলেন অ্যাঞ্জেলো ডি মারিয়া।

দীর্ঘ শিরোপাখরা কাটানোর এক বছরের মাথায় আবারও চ্যাম্পিয়ন হলো আর্জেন্টিনা। এবার ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালির বিপক্ষে আন্তঃমহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই ফাইনালিসিমায় আর্জেন্টিনা জিতলো ৩-০ গোলের ব্যবধানে। এ ম্যাচেও স্কোরশিটে নাম তুলেছেন ডি মারিয়া।

ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষ দিকে বল নিয়ে সোজা ওপরে উঠে যান মার্টিনেজ, তাকে সহায়তা করতে ডান দিক দিয়ে ওপরে ওঠেন ডি মারিয়াও। ডি-বক্সের কাছে গিয়ে দুই ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে ডি মারিয়ার উদ্দেশ্যে বল এগিয়ে দেন মার্টিনেজ।

সেই বল থেকে আলতো চিপ করে ডনারুম্মার মাথার ওপর দিয়ে বল জালে জড়ান ডি মারিয়া। এর আগে মার্টিনেজ নিজেই করেছিলেন ম্যাচের প্রথম গোল। আর শেষ বাঁশি বাজার আগমুহুর্তে ইতালির কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন বদলি হিসেবে নামা পাওলো দিবালা।

দারুণ এ জয়ের পর ডি মারিয়া জানিয়েছেন, গতবছর কোপা আমেরিকা জেতার পর থেকেই আর্জেন্টিনা দলের সবকিছু বদলে গিয়েছে। দলের সবাই মিলে এখন উপভোগ্য সময় কাটান। যা মাঠের পারফরম্যান্সেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

jagonews24

ফাইনালিসিমা জয়ের মেডেল গ্রহণের পর ডি মারিয়া বলেছেন, ‘গতবছরের কোপা আমেরিকার পর সবকিছু বদলে গিয়েছে। আমরা সেই (শিরোপা না জেতার) জড়তা কাটিয়ে উঠেছি এবং এখন নিজেদের উপভোগ করছি। বিষয়গুলো এখন আমাদের জন্য সহজ হয়ে গেছে।’

ইতালিকে হারিয়ে জেতা এ শিরোপাটি পরিবারের সদস্যের উৎসর্গ করে তিনি আরও বলেন, ‘এই শিরোপা জয়ে আমি অনেক খুশি। আমি এটি আমাদের সবার পরিবারকে উৎসর্গ করতে চাই, যারা সবসময় আমাদের সমর্থন দিয়ে গেছে এবং যারা আজকে মাঠে উপস্থিত ছিলো। এটি অবিশ্বাস্য।’

তবে দুই বছরের মধ্যে দুই শিরোপা জিতলেও ঠিক উড়তে রাজি নন ডি মারিয়া। বরং তিনি যেনো আসন্ন বিশ্বকাপের জন্য পা মাটিতেই রাখতে চাইছেন, ‘আমরা রোমাঞ্চিত, আনন্দিত। তবে আমাদের অবশ্যই নিজেদের পা মাটিতে রাখতে হবে।’


আরও খবর



ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান পদ্মা বাজার ডটকমের যাত্রা

প্রকাশিত:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ২০জন দেখেছেন
Image

ই-কমার্সের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে অবদান রাখার প্রত্যাশায় যাত্রা শুরু হলো পদ্মা বাজার ডটকমের।

শনিবার (২ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে প্রতিষ্ঠানটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম. এ. মান্নান।

তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশে নিত্য-নতুন নানা ব্যবসা তৈরি হচ্ছে, নানা ধরনের স্টার্টআপ, নতুন উদ্যোগ বাজারে আসছে। ই-কমার্স সেক্টরে বিশাল একটি ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে বাংলাদেশে। মানুষ ই-কমার্স থেকে কেনাকাটা করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে। যদিও এটা বলতেই হয়, দু-একটি ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটেছে, যেটা আমরা আশা করি না।

পরিকল্পনা বলেন, সার্বিকভাবে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে দিন দিন উন্নতি আরও বাড়বে। এ অবস্থায় নতুন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান পদ্মা বাজার ডটকম বাজারে প্রবেশ করেছে। আমি আশা করছি, তারা যে সৎ উদ্দেশ্যে এ ব্যবসায় এসেছে সেটা স্বার্থক হবে, সফল হবে।

অনুষ্ঠানে কোম্পানির পরিচালক, ইক্যাব নেতা, ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, ব্যাংকার, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্বসহ অসংখ্য গুণীজন উপস্থিত ছিলেন।

পদ্মা বাজার ডটকমের চেয়ারম্যান প্রবাসী বাংলাদেশি রইসুল খান বলেন, পদ্মা বাজার বাংলাদেশের মানুষের পণ্য চাহিদা মেটাতে নতুন দুয়ার উন্মোচন করবে। সেবার মান দিয়েই পদ্মা বাজার মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেবে।


আরও খবর



বন্যার্তদের ত্রাণ দিলো জেসিএক্স

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ২০জন দেখেছেন
Image

ভয়াবহ বন্যার কবলে সিলেট ও সুনামগঞ্জের লাখ লাখ মানুষ। পানিবন্দি এসব মানুষের মাঝে খাবার আর সুপেয় পানির তীব্র সংকট। এমন অবস্থায় বন্যার্ত মানুষের মাঝে খাবার ও বোতলজাত পানি বিতরণ করেছে জেসিএক্স ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড।

শনিবার (২৫ জুন) সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার বন্যাদুর্গত এক হাজারের বেশি পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, লবণ, বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ বিতরণ কাজে জেসিএক্স ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের সিনিয়র ম্যানেজার রাশেদুল আমিন সাইফ, ম্যানেজার ওয়াহিদুর রহমান, এক্সিকিউটিভ শেখ সাফিয়াত আহমেদ, আর্কিটেক শান্ত নিয়োজিত ছিলেন।

সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচির (সিএসআর) কর্মসূচির আওতায় জেসিএক্স প্রাকৃতি দুর্যোগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ায়। তারই অংশ হিসেবে এবার সিলেট-সুনামগঞ্জের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছে।


আরও খবর



ইউরোপে জ্বালানি সংকট চরমে, কী হবে আসন্ন শীতে?

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান সংঘাত জ্বালানি যুদ্ধে রূপ নিয়েছে। পশ্চিমাদের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক ভয়াবহভাবে অবনতি হয়েছে। এরই মধ্যে ইউরোপের বেশ কিছু দেশে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে রাশিয়া। তাছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন চলতি বছরের মধ্যেই রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে চায়। এতে পুরো ইউরোপ অঞ্চলেই জ্বালানি সংকট মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে আসন্ন শীতে ইউরোপের কী হবে, আগুন বা বাতি কি জ্বলবে?

রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞাকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে, যা আরও অবনতির ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, গ্যাসের মূল্য বা প্রভাব নিয়ন্ত্রণে তারা বিদ্যুতের বাজারে পরিবর্তন আনবে। এদিকে ফ্রান্স ভোক্তাদের জ্বালানির ব্যবহার কমানোর আহ্বান জানিয়েছে।

এক মাস আগেও মানে করা হচ্ছিল সংকট এড়ানো সম্ভব। কারণ যুক্তরাষ্ট্র প্রাকৃতিক গ্যাসের রপ্তানি বাড়িয়েছে। দেশটি থেকে ইউরোপের গ্যাস আমদানি সেপ্টেম্বরে ছয় শতাংশ থেকে বেড়ে মে মাসে ১৫ শতাংশ হয়েছে।

এদিকে রাশিয়া থেকে অঞ্চলটিতে জ্বালানি ৪০ শতাংশ থেকে ২৪ শতাংশে নেমে এসেছে। জানা গেছে, রাশিয়া এরই মধ্যে বুলগেরিয়া, ফিনল্যান্ড ও পোল্যান্ডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে। কারণ তার রুবলে পরিশোধ করতে রাজি হয়নি।

তবে এরমধ্যে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ঘটে গেছে। ৮ জুন একটি অগ্নিকাণ্ডে টেক্সাসের ফ্রিপোর্ট গ্যাস-তরলীকরণ সুবিধা বন্ধ হয়ে যায়, ধারণা করা হচ্ছে এই সমস্যা ৯০ দিন স্থায়ী হবে। এতে ইউরোপ দুশ দশমিক পাঁচ শতাংশ গ্যাস থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এর এক সপ্তাহ পরেই রাশিয়ার কোম্পানি ইউরোপে গ্যাস সরবরাহ কমানোর কথা জানায়। ফলে আরও সাত দশমিক পাঁচ শতাংশ গ্যাস হারায় অঞ্চলটি।

এমন পরিস্থিতিতে ইউরোপে শীতের মৌসুমে কী হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ পরিবেশ উষ্ণ রাখতে এসময় অঞ্চলটিতে বাড়তি গ্যাসের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া ইউরোপে বিদ্যুতের দাম কয়েক দফা বেড়েছে। অন্যদিকে বেশ কিছু কারণে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎসও কমে গেছে। ফ্রান্সের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কমেছে উৎপাদন। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো চলতি বছরের গ্রীষ্মের শুরুতে ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বইতে শুরু করেছে। এতে জ্বালানির চাহিদা বেড়ে গেছে।

এখন ইউরোপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো জ্বালানি ইস্যুতে বাণিজ্য ঠিক রাখা। অঞ্চলটিতে সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ রপ্তানি করতো ফ্রান্স। এখন তারা প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আমদানি করছে। সরবরাহ কমায় ঝুঁকিতে রয়েছে জার্মানিসহ পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো। ব্রেক্সিট নিয়েও সমস্যা রয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো জ্বালানির বিকল্প উৎস খুঁজতে শুরু করেছে। চলতি বছর জার্মানি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে নজর দিয়েছে। অস্ট্রিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ড জানিয়েছে তারা কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো পুনরায় চালু করবে। অঞ্চলটিতে কিছু পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রও চালু হতে পারে। তবে এত কিছুর পরেও ইউরোপে বিদ্যুতের দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকবে। তাই রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যে জ্বালানি যুদ্ধ শুরু হয়েছে তাতে সংকট মোকাবিলায় বিকল্প ভাবতে হচ্ছে ইউরোপকে।

দ্য ইকোনমিস্ট থেকে অনুবাদ করেছেন শাহিন মিয়া


আরও খবর



তুমুল জনপ্রিয় হয়েও কেন ভেঙে গেল বিটিএস?

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৪৮জন দেখেছেন
Image

দুনিয়া মাতানো এক ব্যান্ড ‘বিটএস’। কোরিয়ান কিশোরদের নিয়ে গড়ে ওঠা ব্যান্ডটি একের পর এক হিট গান উপহার দিয়েছে৷ দেশে দেশে নানা বয়সের শ্রোতাদের মাঝে তাদের গান নিয়ে উত্তেজনা।

তাদের গান প্রকাশ মানেই নতুন রেকর্ড। সব জায়গায় তাদের জয়জয়কার। গ্র্যামি থেকে বিলবোর্ড অ্যাওয়ার্ডস, জাতিসংঘ সদর দফতর থেকে হোয়াইট হাউস সব জায়গায় রয়েছে তাদের পদচারণা।

সেই ব্যান্ডের সদস্যরা আর একসঙ্গে গাইবে না। হ্যাঁ, ঠিক তাই।

গেল মঙ্গলবার (১৩ জুন) বিটিএস-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ছিল। ঠিক নয় বছর আগে যাত্রা শুরু হয়েছিল ব্যান্ডটির। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ১০ জুন মুক্তি পেয়েছে ব্যান্ডটির নতুন অ্যালবাম 'প্রুফ'। সংকলিত এই অ্যালবামে গান রয়েছে ২৮টি। নতুন গান প্রকাশের পর তিন দিনে ইউটিউবে গানটির ভিউ ৭৫ মিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। ইতোমধ্যে রেকর্ড তিন মিলিয়নের বেশি কপি বিক্রি হয়েছে।

এমন সব আনন্দের খবরের মাঝেই বিটিএস ভক্তদের এলো খারাপ খবরটি। ব্যান্ডটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একসঙ্গে আর গান গাইবেন না বিটিএস-এর সাত সদস্য। এখন থেকে আলাদাভাবে গান করবেন তারা। তবে সাময়িক বিরতির পর আবার একসঙ্গে গান করবেন। খবর এএফপি।

ব্যান্ডটির অন্যতম সদস্য আরএমের বরাতে জানানো হয়েছে, ‘আমি সবসময়ই বিটিএসকে অন্য ব্যান্ডের চেয়ে আলাদা ভেবেছি। কিন্তু কে-পপ ও পুরো ‘আইডল’ পদ্ধতির সমস্যা হলো এটা আপনাকে পরিণত হওয়ার সুযোগ দেবে না। আপনাকে গান চালিয়ে যেতে হবে এবং কিছু না কিছু করতে হবে।’

ব্যান্ডের অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে এক ভিডিওবার্তায় আরেক সদস্য সুগাও ব্যান্ড সদস্যদের আলাদা হয়ে যাওয়ার কথা জানান। মূলত ব্যান্ডের সদস্যের একক ক্যারিয়ার এগিয়ে নিতেই এ সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়।

বিটিএসের আরেক সদস্য জিমিন ভক্তদের উদ্দেশে বলেন, 'বিটিএস-এর ভক্তরা নিজেদের ‘আর্মি’ নামে পরিচয় দেন। এত দিন ধরে সমর্থন জানানোর জন্য ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।'

সদস্য জাংকুক বলেন, ‘প্রতিজ্ঞা করছি, কোনো একদিন আমরা এখনকার চেয়ে আরও পরিণত হয়ে ফিরে আসব।’

বিটিএস সদস্যরা সাধারনত ভিলাইভ এ্যাপ এর মাধ্যমে ভক্তদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন।


আরও খবর



বাজেটের ঘাটতি মেটাতে বিদেশি অর্থায়ন খোঁজার অনুরোধ এফবিসিসিআই’র

প্রকাশিত:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
Image

প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি মেটাতে স্থানীয় ব্যাংক ব্যবস্থার পরিবর্তে সুলভ সুদে বৈদেশিক উৎস হতে অর্থায়নের প্রচেষ্টা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। বাজেটে ব্যাংক ঋণের ওপর অধিক মাত্রায় নির্ভরতা বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করতে পারে বলেও আশঙ্কা করছে ব্যবসায়ী সংগঠনটি।

শনিবার (১১ জুন) মতিঝিল এফবিসিসিআই কার্যালয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগঠনটির পরিচালনা পর্ষদ সদস্য, বিভিন্ন চেম্বার সভাপতিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি রাখা হয়েছে দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৫.৫ শতাংশ। ঘাটতি মেটাতে সরকারকে এক লাখ ৪৬ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে নিতে হবে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নিতে হবে এক লাখ ছয় হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা। বাজেটের এই ঘাটতি মেটাতে স্থানীয় ব্যাংক ব্যবস্থার পরিবর্তে যথাসম্ভব সূলভ সুদে বৈদেশিক উৎস হতে অর্থায়নের প্রচেষ্টা নেওয়ার অনুরোধ জানান এফবিসিসিআই সভাপতি। তা নাহলে ব্যাংক ঋণের ওপর অধিক মাত্রায় নির্ভরতা বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করতে পারে বলেও আশঙ্কা করেন তিনি।

মো. জসিম উদ্দিন বলেন, যথাযথ বিনিয়োগ ও শিল্পোন্নয়ন ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিধারাকে অব্যাহত রাখা সম্ভব নয়। রাজস্ব নীতিতে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি, যাতে বিনিয়োগকারীরা আস্থার সঙ্গে বাবসা- বাণিজ্য চালিয়ে যেতে পারেন। মুদ্রানীতি ও রাজস্ব নীতির মধ্যে সুসমন্বয় রাখা জরুরি।

লিখিত বক্তব্যে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, কোভিড ও ইউক্রেন পরিস্থিতির কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি, খাদ্যপণ্য, পণ্যের কাঁচামালের মূল্য এবং শিপিং ও ট্রান্সপোর্ট খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় সব ধরনের দ্রব্যমূল্য ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা আগামী বাজেট বাস্তবায়নে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ঘোষিত বাজেটেও মূল্যস্ফীতির বিষয়টিকে অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে অনুৎপাদনশীল এবং অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ খরচ কমানোর পাশাপাশি বিলাসী ও অপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। প্রস্তাবিত বাজেটে কতিপয় বিলাসী পণ্যের ওপর অতিরিক্ত কর আরোপ করা হয়ছে, যা আমদানি ব্যয় কমাতে সহায়তা করবে।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে বাজেটে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা বিনিয়োগ, শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান প্রক্রিয়াকে গতিশীল করবে। এসব উদ্যোগ এসডিজি-৭, ৮ ও ৯ অর্জনে ভূমিকা রাখবে। অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপকে (পিপিপি) আরও জোরদার করতে হবে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নিয়ন্ত্রিত রাজস্ব আয়ের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে তিন লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। যা গত বছরের লক্ষ্যমাত্রার (৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা) তুলনায় ১২ দশমিক ১২ শতাংশ বেশি। কোনো অর্থবছরেই রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হয় না। ফলে কর-জিডিপি বাড়ছে না। বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সময়ে শুল্ক-কর আয় বাড়ছে। মূলত করব্যবস্থা সহজ ও ব্যবসা-বান্ধব করা দরকার। পাশাপাশি রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ইন্টিগ্রেটেড ও অটোমেশন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা জরুরি। এতে ব্যবসায়ীদের প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়বে। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়বে বলে মনে করছে এফবিসিসিআই।


আরও খবর