Logo
শিরোনাম

মানবাধিকার সংস্থার আড়ালে তক্ষক কেনাবেচা, গ্রেফতার ৫

প্রকাশিত:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১৪৭জন দেখেছেন
Image

‘গোয়েন্দা সংবাদ সোসাইটি’ নামে কথিত মানবাধিকার সংস্থার আড়ালে প্রতারণার আঁতুড়ঘর ও একটি টর্চার সেল গড়ে তোলেন সোয়েম আহম্মেদ। বিভিন্ন সময় সোয়েমের সহযোগীরা সাধারণ মানুষের কাছে তক্ষক বিক্রির প্রলোভন দেখিয়ে অফিসে নিয়ে আসতো। পরে তারা তক্ষক কিনতে বাধ্য করে মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করে আসছিল।

বুধবার (২০ এপ্রিল) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার এসব কথা বলেন।

এর আগে মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) রাজধানীর উত্তরা আব্দুল্লাহপুর এলাকা ও গাজীপুরের পুবাইল এলাকা থেকে তক্ষক কেনাবেচার সংঘবদ্ধ চক্রের পাঁচ প্রতারককে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) রমনা বিভাগ। গ্রেফতাররা হলেন- সোয়েম আহম্মেদ সোহেল, এনামুল হক, হোসেন আলী, মিজানুর রহমান ও মামুন মিয়া। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি গামছা, একটি প্লাস্টিকের লাঠি, নাইলন রশি, একটি ওয়াকিটকি ও একটি ফোন জব্দ করা হয়।

হাফিজ আক্তার বলেন, তক্ষক দিয়ে ক্যানসারের মূল্যবান ওষুধ তৈরি হয়, তক্ষক ঘরে থাকলে লাখ লাখ টাকা আসে, প্রতিবেশী দেশে ব্যাপক চাহিদা, মাথার ম্যাগনেটের দাম কোটি টাকা- এসব গুজবের ওপর ভর করে দেশজুড়ে সংঘবদ্ধ চক্রটি নির্বিচারে তক্ষক ধরছিল। কেউ কেউ তক্ষকের কঙ্কাল বিক্রি করে প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিচ্ছিল লাখ লাখ টাকা। অধিক লাভের জন্য সংঘবদ্ধ মাদক কারবারিরাও এখন তক্ষক কেনাবেচার ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছে।

‘গ্রেফতাররা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লোকের কাছে তক্ষক বিক্রি করার প্রলোভন দেখাতো। পরে তাদের সোয়েম আহম্মেদের অফিসে নিয়ে যেতো। এরপর প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে তক্ষক কিনতে বাধ্য করতো। ভুক্তভোগীরা তক্ষক কিনতে অস্বীকার করলে তারা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করাসহ ভয়ভীতি দেখিয়ে তার কাছে থাকা নগদ টাকা নিয়ে নিতো ও পরে আরও টাকা দাবি করতো। টাকা না দিলে তারা ভুক্তভোগীদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ধরিয়ে দেবে বলে ভয় দেখাতো।’

তিনি বলেন, তক্ষক, সীমান্ত পিলার, ডলার, কয়েন এগুলোর কোনো বাজারমূল্য নেই। কিন্তু প্রতারকরা সরল মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ভণ্ডামি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিল।

গোয়েন্দার এ কর্মকর্তা বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে- গ্রেফতার সোয়েম আহম্মেদের গাজীপুর জেলার পুবাইল থানাধীন পুবাইল কলেজ রেইলগেইট বাধন সড়কে কথিত আন্তর্জাতিক মানবাধিকার গোয়েন্দা সংবাদ সোসাইটি নামে একটি অফিস রয়েছে। সোয়েম ওই অফিসের যুগ্ম-পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় প্রতারণাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।


আরও খবর



দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটারকে ৯ মাস নিষিদ্ধ করলো আইসিসি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩১জন দেখেছেন
Image

ডোপিংয়ে জড়িয়ে পড়ে আইসিসি কর্তৃক ৯ মাসের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটার জুবায়ের হামজা। এই ৯ মাস সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ থাকবেন তিনি। আইসিসি অ্যান্টি ডোপিং কোড ভঙ্গ করার দায়ে এই শাস্তি দেয়া হলো তাকে।

গত ১৭ জানুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার পার্লে অ্যান্টি ডোপিং ইউনিটের কাছে পরীক্ষার জন্য স্যাম্পল দেন তিনি। সেই স্যাম্পল পরীক্ষা করে এর মধ্যে নিষিদ্ধ সাবস্ট্যান্স পাওয়া গেছে। যেটা ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি ডোপিং (ওয়াডা) কর্তৃক নির্ধারিত সেকশন ৫ এর সঙ্গে মিলে যায়।

জুবায়ের হামজা নিজেও এই অপরাধ স্বীকার করেছেন। তবে এ নিয়ে তার মধ্যে কোনো অবহেলা কিংবা চিহ্নিত কোনো ভুল করেননি। এ কারণে মাত্র ৯ মাসের শাস্তি দেয়া হয়েছে। তবে, এই শাস্তি শুরু হবে ২২ মার্চ থেকে। ওইদিনই প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল তার ওপর।

এর অর্থ, ৯ মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আগামী ২২ ডিসেম্বর থেকে জুবায়ের হামজা আবার ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন। শুধু তাই নয়, ১৭ জানুয়ারি থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত জুবায়ের হামজার সব ধরনের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সকে ডিসকোয়ালিফায়েড ঘোষণা করা হয়েছে।


আরও খবর



তুরস্কে অর্থনৈতিক সংকট গভীর হচ্ছে, শরণার্থী ইস্যুতে ক্ষোভ

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৩জন দেখেছেন
Image

তুরস্কের অর্থনৈতিক সংকট ক্রমেই গভীর হচ্ছে। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্য থেকে লাখ লাখ শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে দেশটিতে। এমন পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

তুরস্কের বিভিন্ন জায়গায় বিদেশি নাগরিকরা ঘোরাঘুরি করছে সম্প্রতি এমন বেশি কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা হচ্ছে, বিশেষ করে টুইটারে। তুরস্কের নাগরিকরা উদ্বেগ জানিয়ে শরণার্থীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়েছেন।

দেশটির নাগরিকরা অভিযোগ করে বলেন, সিরিয়ার শরণার্থীরা তাদের চাকরিতে ভাগ বসিয়েছেন। তাছাড়া তাদের কারণে বাড়ি ভাড়াও বেড়েছে। বেড়েছে মূল্যস্ফীতি, কমেছে ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রা লিরার দর। জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ তার্কিশরা শরণার্থীদের ফেরত পাঠাতে চায়।

বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, নাগরিকদের এমন ক্ষোভকে কাজে লাগাচ্ছে দেশটির রাজনীতিবিদরা। কারণ ২০২৩ সালের জুনে তুরস্কের সংসদীয় ও প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সম্প্রতি তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় জানায়, ৪০ লাখের বেশি শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছে। যার মধ্যে প্রায় ৩৮ লাখ সিরিয়ার নাগরিক। তাছাড়া হাজার হাজার আফগান শরণার্থীকেও আশ্রয় দিয়েছে তুর্কি প্রশাসন।

এর আগে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়্যেপ এরদোয়ান বলেন, শরণার্থীরা নিজেদের ইচ্ছায় দেশে ফিরে যেতে পারেন। তবে আমরা এ বিষয়ে জোর করবো না। গত সপ্তাহে তিনি বলেন, ১০ লাখ সিরিয় নাগরিককে স্বেচ্ছায় ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি।

তুরস্কের ইকোনমিক পলিসি রিসার্চ ফাউন্ডেশনের বিশ্লেষক সেলিম কোরু বলেন, শরণার্থীদের জন্য শিক্ষা থেকে নিরাপত্তা সব কিছুতেই সমস্যা দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের নীতির কারণে আমরা গরীব। শরণার্থীদের অবাধ প্রবাহের কারণেই আমাদের করুণ দশা।

গ্রিনিচ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির সিনিয়র লেকচারার সেম ওইভাট বলেন, শরণার্থীদের ফেরত পাঠালেই অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো হবে। মূল্যস্ফীতি ৭০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ হওয়ায় শরণার্থীদের ওপর ক্ষোভ বাড়ছে।

এপ্রিলে দেশটিতে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে প্রায় ৭০ শতাংশ। ফলে দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্বস্তি বাড়ছে। এতে চাপ বাড়ছে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়্যেপ এরদোয়ানের ওপর। তার অর্থনৈতিক নীতির কারণেই এমন সংকট তৈরি হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তুরস্কের জাতীয় পরিসংখ্যান বিভাগ জানিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিলে ভোক্তা মূল্যসূচক বেড়েছে ৬৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ। মার্চে এই হার ছিল ৬১ দশমিক ১৪ শতাংশ।

সূত্র: আল-জাজিরা


আরও খবর



ঘাটতি কমিয়ে বিদ্যুতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখার সুপারিশ ক্যাবের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ২১জন দেখেছেন
Image

পাইকারিভাবে বিদ্যুতের দাম না বাড়িয়ে বরং ঘাটতি কমানোর সুপারিশ করেছে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। পাশাপাশি সরকারের বিদ্যমান ভর্তুকি অব্যাহত রাখারও প্রস্তাব করা হয়েছে।

বুধবার (১৮ মে) রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশনের মিলনায়তনে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের ওপর গণশুনানির আয়োজন করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। এসময় এ সুপারিশ করেন ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শামসুল আলম।

শামসুল আলম বলেন, পাইকারি বিদ্যুতের প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ঘাটতি সমন্বয়ে মূল্যহার বাড়ানো কিংবা ভর্তুকি দিতে হবে না। বরং অন্যায়, অযৌক্তিক ও লুণ্ঠনমূলক ব্যয়বৃদ্ধির পরিবর্তে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত তেল বিপিসির মাধ্যমে আমদানি করে মোট ৮ হাজার ৮৩৩ কোটি টাকা ঘাটতি কমনোর প্রস্তাব করা হলো।

প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়, অবৈধভাবে নির্ধারিত ডিজেল ও ফার্নেস তেলের বর্ধিত মূল্য এবং কুইক রেন্টালের বিদ্যুৎ অবৈধভাবে ক্রয়কৃত মূল্য বিইআরসি কর্তৃক পুনর্মূল্যায়নক্রমে নির্ধারিত যৌক্তিক বর্ধিত মূল্য ও
পুনর্নির্ধারণ মূল্য পিডিবির পরিবর্তে সরকারি ভর্তুকির মাধ্যমে পরিশোধের প্রস্তাব করা হলো।

ক্যাব উপদেষ্টা বলেন, পিডিবি মুনাফাভিত্তিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয়। পিডিবির রাজস্ব চাহিদায় মুনাফা ও কর্পোরেট ট্যাক্স অন্তর্ভুক্তির ব্যাপারে বিইআরসির কারিগরি কমিটির (টিসির) প্রস্তাবে আপত্তি জানানো হলো।

তিনি বলেন, সরকারি, যৌথ ও ব্যক্তি মালিকানাধীন প্ল্যান্টসমূহে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সংশ্লিষ্ট ব্যয়সমূহে অন্যায় ও অযৌক্তিক ব্যয় চিহ্নিত ও পরিমাণ নির্ধারণ এবং প্রতিকারের লক্ষ্যে স্বার্থ সংঘাত মুক্ত পক্ষগণ প্রতিনিধি নিয়ে একটি কমিটি প্রস্তাব করা হলো।

ক্যাব উপদেষ্টা পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে যে পরিমাণ অর্থ বিদ্যুৎ উন্নয়ন তহবিল থেকে ইকুইটি বিনিয়োগ করা হয়, সে পরিমাণ অর্থের অনুপাতে শেয়ার ভোক্তাদের পক্ষে পিডিবিকে দেওয়ার আদেশের প্রস্তাব করেন।

বিদ্যুৎ খাতের প্রতিটি লাইসেন্সধারীর প্রায় শতভাগ শেয়ারের মালিক পিডিবি। তাই এসব লাইসেন্সধারীর ওপর পিডিবির কর্তৃত্ব এবং পিডিবি ও বিইআরসির তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে বিইআরসির কাছে পিডিবির জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য বিদ্যুৎ খাতকে স্বার্থ সংঘাত মুক্ত হতে হবে বলে মন্তব্য করেন ক্যাব উপদেষ্টা।

পাইকারি রেটে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৬৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ অর্থাৎ, ৩ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। অন্যদিকে এ প্রস্তাবের বিপরীতে ৫৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ অর্থাৎ, ২ টাকা ৯৯ পয়সা বাড়ানোর সুপারিশ করে কারিগরি টিম।


আরও খবর



গাবতলীতে ডেকে ডেকে যাত্রী তুলছে বাসগুলো

প্রকাশিত:সোমবার ০২ মে 2০২2 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৪৬জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর গাবতলী আন্তঃজেলা বাসটার্মিনালে সোমবার (২ মে) ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ নেই। গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যেতে যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করছে সারি সারি খ্যাপ বা চুক্তিভিত্তিক গাড়ি। দীর্ঘসময় টার্মিনালসহ এর আশপাশে অপেক্ষার পর সব সিটে যাত্রী পূর্ণ হলেই গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যাচ্ছে গাড়িগুলো। তবে, টার্মিনালে যাত্রীর চেয়ে পরিবহন সংশ্লিষ্টদের আনাগোনাই বেশি।

সোমবার (২ মে) বেলা ১২ টার দিকে গাবতলী আন্তঃজেলা বাসটার্মিনালে সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, টার্মিনাল থেকে সামান্য দূরে সারি সারি মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করছে। শিশু কিংবা বয়স্ক লোক নিয়ে যারা বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছেন তারা এসব গাড়ির যাত্রী। এছাড়া যানজট এড়িয়ে দ্রুত যারা বাড়ি যেতে চাইছেন তারা যাচ্ছেন মোটরসাইকেলে। গত বছর করোনার জন্য গণপরিবহন বন্ধ ছিল তখন এসব পরিবহনের কদর ছিল। তবে এবার বাস্তবতা ভিন্ন। লম্বা ছুটি হওয়ায় মানুষ ঢাকা ছেড়েছে অনেক আগেই। ঈদের আগে যাত্রীর চাপ নেই বাস কিংবা খ্যাপের এসব পরিবহনে।

Gabtali2.jpg

ব্যক্তিগত গাড়িচালক আল-আমিন বলেন, বাসে সিট না পেলে মানুষ এসব গাড়িতে যায়। অনেকে বয়স্ক মানুষ, শিশুদের নিয়ে আরামে যাওয়ার জন্যও যায়। কিন্তু এবার একেবারেই যাত্রী নেই। সকালে দু-একজন থাকে। এর পর সারাদিন বসে থাকতে হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও ঈদের লম্ব ছুটি থাকায় অনেকেই আগে বাড়ি গেছেন। সব মিলিয়ে এবার আমাদের মাথায় হাত, খ্যাপের যাত্রী নেই।

যাত্রী ও চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেশিরভাগ যাত্রীর গন্তব্য আরিচা, পাটুরিয়া, সাভার কিংবা গাজীপুর। গাবতলী থেকে পাটুরিয়া ঘাটে যেতে নন এসি গাড়িতে চাওয়া হচ্ছে ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা। আর এসি গাড়িতে এক হাজার টাকা। আরিচা ঘাটে নন এসিতে ১৫০০ টাকা। এসিতে চাওয়া হচ্ছে বাড়তি ২০০ টাকা। সাভারে নন এসি ৫০০, এসি ৭০০-৮০০ টাকা। সিরাজগঞ্জে ৭ থেকে সাড়ে ৮ হাজার টাকা, পাবনা ৯ হাজার টাকা। যাত্রীরাও দরদাম করছেন তবে তারা ২০০-৩০০ টাকা কমাতে পারছেন।

গার্মেন্টস ম্যানেজার সিরাজুল ইসলাম দুই মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে যাবেন পাবনা। তিনি গাবতলী থেকে পাটুরিয়া ঘাট পর্যন্ত ৮০০ টাকায় গাড়ি ঠিক করেছেন। জাগো নিউজকে তিনি বলে, বাস দেরি করে ছাড়ে। সিট একটা চাইলে আরেকটা দেয় অনেক হয়রানি। বাচ্চারাও বমি করে বাসে উঠলে। সবমিলিয়ে টাকা একটু বেশি গেলেও গাড়িতে যেতে হচ্ছে। ফেরিঘাট পার হয়ে আবার গাড়ি নিতে হবে।

Gabtali2.jpg

গাড়িচালক জুলফিকার আলী বলেন, এখানের বেশিরভাগ গাড়িই উবার চালায়। এখন ঢাকায় যাত্রী নেই দেখে খ্যাপে যাত্রী নিচ্ছি। কিন্তু গাবতলীতে এত কম যাত্রী আগে কখনো দেখিনি।

যাত্রী প্রায় সপ্তাহখানেক আগে ঢাকা ছেড়েছে জানিয়ে মোটরসাইকেলচালক সালেকিন আবির বলেন, ছুটি লম্বা হওয়ায় বেশিরভাগ যাত্রী সপ্তাহখানেক আগে ঢাকা ছেড়েছেন। যাত্রী কম থাকায় এখন খুব বেশি ভাড়া চাচ্ছি না। এ সপ্তাহে ঢাকার বাইরে একটা ট্রিপ পেয়েছি সিলেটে। এর পর আর বড় ট্রিপ পাইনি।

ঈদের আগের দিনও গাবতলী বাসটার্মিনালে যাত্রী খরা লক্ষ্য করা গেছে। উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের বাসগুলো সড়কেই দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। বাসচালকের সহকারীরা ডেকে ডেকে যাত্রী তুলছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজশাহী, রংপুর, বরিশালসহ দূরপাল্লার যাত্রীর চাপ নেই। তবে টাঙ্গাইল, মানিকগঞ্জ, ধামরাই, গাজীপুর, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও পাটুরিয়া ঘাটগামী কাছের দূরত্বের যাত্রী সংখ্যাই বেশি দেখা গেছে।


আরও খবর



মায়ের পক্ষ নিয়ে ঝগড়ায় জড়িয়ে বাবাকে হত্যা করলো ছেলে

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

হবিগঞ্জে পারিবারিক কলহের সময় ছেলের ছুরিকাঘাতে আজদু মিয়া (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। শনিবার রাতে সদর উপজেলার রাজিউড়া ইউনিয়নের হুরগাও পশ্চিমহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আজদু মিয়া ওই এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে। বাবাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা ছেলের নাম মো. মাসুম মিয়া (২০)। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শনিবার পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে আজদু মিয়া ও তার স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে মাসুম মিয়া মায়ের পক্ষ থেকে বাবা আজদু মিয়ার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এসময় আজদু মিয়া ছেলে মাসুমকে লাঠি দিয়ে মারধর করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাসুম তার বাবাকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই আজদু মিয়ার মৃত্যু হয়।

হবিগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মর্তুজা বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। তবে আজদু মিয়ার মৃত্যুর পর বাড়ি থেকে পালিয়েছেন তার ঘাতক ছেলে মাসুম। পুলিশ তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।’


আরও খবর