Logo
শিরোনাম

মেয়ের বাবা হলেন অভিনেতা সনি রহমান

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৫৫জন দেখেছেন
Image

মেয়ের বাবা হলেন অভিনেতা সনি রহমান। গত শুক্রবার, ১৭ জুন নরসিংদীর মাধবদী হলি ক্রিসেন্ট হাসপাতালে তার স্ত্রী ফুটফুটে এক কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। অভিনেতা জানিয়েছেন, মা ও শিশু দুজনেই সুস্থ আছেন।

সনি রহমান বলেন, ‘প্রথম সন্তানের বাবা হলাম, তাও কন্যা সন্তান। অনুভূতিটা কতোটা মধুর তা সন্তান বুকে জড়িয়ে নেয়ার পর বুঝলাম। অনুভূতিটা সত্যিই অসাধারণ। বাবা হওয়ার অনুভূতিটা কি সেটা যাদের সন্তান হয়েছে তারাই একমাত্র বলতে পারবেন।

আমি মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সেই সঙ্গে সবার কাছে আমার সন্তান ও স্ত্রীর জন্য দোয়া প্রার্থনা করছি।’

সনি রহমান বেশ অনেক বছর ধরেই মঞ্চ, টিভি ও সিনেমায় কাজ করে যাচ্ছেন। মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার ‘রাগি’ নামের একটি সিনেমা।

এফডিসিতে ব্যয়বহুল মসজিদটি তৈরির পেছনেও এই সনি রহমানের অনেক ভূমিকা রেখেছেন।


আরও খবর



যুক্তরাজ্যে এক লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার প্রস্তাব

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

ন্যায়বিচার ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশ্বে অন্যতম উল্লেখ করে যুক্তরাজ্যকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া এক লাখ রোহিঙ্গাকে পুনর্বাসনের অনুরোধ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। রোহিঙ্গাদের উন্নত জীবন নিশ্চিতকরণ ও বাংলাদেশের ওপর থেকে তাদের চাপ কমাতে পুনর্বাসনের বিষয়টি বিবেচনা করার প্রস্তাব দেন মোমেন।

রোববার (২৬ জুন) রুয়ান্ডার কিগালিতে অনুষ্ঠিত একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিজাবেথ ট্রাসকে এ প্রস্তাব দেন তিনি। এ সময় যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিমও উপস্থিত ছিলেন।

মোমেন বলেন, যুক্তরাজ্য গত তিন বছরে মিয়ানমারে ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ করেছে এবং ৫০০ মিলিয়নেরও বেশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য করেছে। তাদেরও রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে।

লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন ট্রাসকে জানিয়েছেন, মিয়ানমার সরকারের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির অভাবে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী সঙ্কট ও অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

বৈঠকে এলিজাবেথ ট্রাস রোহিঙ্গাদের প্রতি বাংলাদেশের উদার আতিথেয়তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, যুক্তরাজ্য মনে করে, রোহিঙ্গা সংকটের সর্বোত্তম সমাধান হলো- তাদের স্বদেশে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করা।

যুক্তরাজ্যে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার প্রস্তাব

এ সময় মিয়ানমারের বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় ব্রিটিশ সরকারের উদ্বেগ প্রকাশ করে ট্রাস রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে যুক্তরাজ্যের অব্যাহত প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, আসিয়ান ও এর সহযোগী জি-৭ দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাজ্য রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানের জন্য মিয়ানমারের ওপর চাপ বাড়াবে।

দুই নেতার বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন ২০২৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশের করবিহীন জিএসপি সুবিধার মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেন।


আরও খবর



কনটেইনার ডিপোর মালিককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না: ফায়ারের ডিজি

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৫৯জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে আগুন লাগার পর এ ডিপোর মালিকপক্ষকে খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার মো. মাইন উদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘দুঃখজনক বিষয় হলো, এ কনটেইনার ডিপোর মালিককে আমরা পাচ্ছি না। তাদের পক্ষের কাউকেই আমরা দেখিনি। আগুন লাগা কনটেইনার ডিপোর কাউকে যদি আমরা পেতাম, তাহলে জানতে পারতাম এখানে কোন ধরনের কেমিক্যাল আছে বা কোন কনটেইনারে কী আছে।’

রোববার (৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্রিগেডিয়ার মো. মাইন উদ্দিন বলেন, ‘এ কনটেইনার ডিপোতে হাইড্রোজেন পার অক্সাইড ছিল। ক্ষণে ক্ষণে এখনো বিস্ফোরণ হচ্ছে। আমি পরিদর্শনকালে ছয়টি বিস্ফোরণ দেখেছি। কেমিক্যালের জন্য আগুন নেভানোও যাচ্ছে না।’

ফায়ার সার্ভিসের ডিজি বলেন, ‘এক এক ধরনের কেমিক্যালের নেচার এক এক রকম। এটা না জানার কারণে আগুন নেভাতে বেগ পেতে হচ্ছে। মালিককে খুঁজে পেলে কেমিক্যাল অনুযায়ী আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে সুবিধা হতো।’

পানি দিয়ে এ কেমিক্যালের আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব কি না, জানতে চাইলে ব্রিগেডিয়ার মো. মাইন উদ্দিন বলেন, ‘সম্ভব হতো, তবে বিস্ফোরণ হচ্ছে। বিস্ফোরণের জন্য ফায়ার ফাইটাররা কনটেইনারগুলোর কাছে যেতে পারছেন না। গতকাল (শনিবার) রাতে আমরা ফোম ব্যবহার করেছি, ফোম টেন্ডার এখানে রয়েছেন।’


আরও খবর



গ্যাসের দাম বৃদ্ধি সরকারের দায়িত্বহীনতা প্রমাণ করে: মোশাররফ

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
Image

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ নয়। গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর মাধ্যমে এটি প্রমাণিত হয়েছে।

রোববার (৫ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়াউর রহমানের ৪১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে মানুষ অনাহার ও অর্ধাহারে আছে। আওয়ামী লীগের সিন্ডিকেটের কারণে দেশে সবকিছুর দাম বাড়ছে। জনগণের সরকার থাকলে দ্রব্যমূল্যের এত ঊর্ধ্বগতি হতে পারতো না।

বিএনপি এ দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিলো জানিয়ে খন্দকার মোশাররফ বলেন, দেশে আবার গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে আন্দোলনের বিকল্প নেই। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এক হয়েছে। একটা সুষ্ঠু নির্বাচন এখন বিএনপির জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সভায় যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, শহীদ জিয়া বিপ্লবের মধ্যদিয়ে ক্ষমতায় এসে দেশের মানুষকে গণতন্ত্র উপহার দিয়েছিলেন। আর আওয়ামী লীগ সরকার ফ্যাসিবাদী হিসেবে রূপ নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যতদিন পৃথিবী থাকবে, ততদিন জিয়ার নাম কেউ মুছে ফেলতে পারবে না। শহীদ জিয়া যেভাবে দেশকে গণতন্ত্র উপহার দিয়েছিলেন, সেভাবে তারেক রহমানও দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবেন।

এ সময় ছাত্রদল সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ বলেন, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে প্রোপাগাণ্ডা চালানো হচ্ছে যে, শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ ভুল করেছে, তাই দোষ চাপাতে শেখ হাসিনাকে হত্যার কথা বলছে।

তিনি বলেন, জনগনের দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আমরা নির্বাচন করবো না। কিন্তু আওয়ামী লীগকে রাতের ভোটও করতে দেওয়া হবে না।

সভায় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেন।


আরও খবর



কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের মামলায় জাবি ছাত্রের ৭ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের অভিযোগে তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের মামলায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) সরকার ও রাজনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী শামসুল আলম বাবুর সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার (৬ জুন) ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জগলুল হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পেশকার শামীম আল মামুন বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

এদিন জামিনে থাকা আসামি বাবু রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর আদালত সাজা পরোয়ানা জারি করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

রায়ে বলা হয়, আসামির বয়স মাত্র ২৩ বছর। তার স্বল্প বয়স বিবেচনায় তাকে তথ্য ও প্রযুক্তি আইন ২০০৬ (সংশোধিত/২০১৩) এর ৫৭ ধারায় ন্যূনতম সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হলো।

২০১৫ সালের ৫ আগস্ট আসামি শামসুল আলম বাবুর বিরুদ্ধে সাভারের আশুলিয়া থানায় তথ্য ও প্রযুক্তি আইনে এ মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ২৬ এপ্রিল আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল হয়। ওই বছরেরই ২১ জুলাই ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। বিচার চলাকালীন বিভিন্ন সময়ে নয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।

মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০১৫ সালের ৪ আগস্ট জাবির সরকার ও রাজনৈতিক বিভাগের ৩৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আল আমিন সেতু বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বইয়ের ওপর একটি কলাম পত্রিকায় প্রকাশ করে। ওই লেখাটি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ৩৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোরশেদুর আকন্দ ফেসবুকে পোস্ট করেন। ওই পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় শামসুল আলম বাবু তার ‘মো: কবির মামু’ নামের ফেসবুক আইডি থেকে একটি মন্তব্য করেন। যেখানে তিনি বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেন।

এ নিয়ে পরবর্তীসময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয় এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। আল আমিন সেতু লিখিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানালে শামসুল আলম বাবুকে আটক করা হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. ইয়াকুব আলী মিয়া আসামি বাবুকে আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করে এজাহার দাখিল করেন।

এজাহারের সঙ্গে আসামি বাবুর ফেসবুক আইডি হতে দেওয়া বক্তব্যের হার্ড কপি এবং আল আমিন সেতুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করা অভিযোগের কপি সংযুক্ত করা হয়।


আরও খবর



র‍্যাবের নিষেধাজ্ঞা দুদেশের সম্পর্কে প্রভাব ফেলবে না: রাষ্ট্রদূত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেছেন, র‍্যাবের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় আমাদের সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না। কেননা আমাদের অনেক বিস্তৃত ক্ষেত্র রয়েছে, যেখানে আমরা সহযোগিতা করছি। তবে র‍্যাব ও অন্যান্য ইস্যু সমাধানে আমাদের আলোচনা অব্যাহত রাখতে হবে।

শুক্রবার (১৭ জুন) যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস আয়োজিত এমটকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

সেখানে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, নির্বাচন, বাণিজ্য এবং দুদেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্কসহ যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানা বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দেন রাষ্ট্রদূত।

রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন, গত বছরের ডিসেম্বরে আমরা র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছি। তারপর অনেকবার শুনেছি যে বাংলাদেশ এতে অনেক অবাক হয়েছে। সম্ভবত আমরাও বিস্মিত তাদের বিস্ময় দেখে। কারণ ২০১৮ সালেই আমরা র‍্যাবকে প্রশিক্ষণ দেওয়া বন্ধ করেছিলাম। মানবাধিকার নিয়ে আমাদের উদ্বেগ ছিল। প্রতি বছর মানবাধিকার প্রতিবেদনে আমরা উদ্বেগগুলো প্রকাশ করেছি। আমরা বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেও বিষয়টি তুলে ধরেছি। ফলে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি বিস্ময় হিসেবে এলেও আমাদের যে উদ্বেগ ছিল সেটি নিয়ে বিস্ময় থাকার কথা নয়।

তিনি বলেন, অনেকে আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, এতে করে আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে কি না। আমি তখন বলি, এতে আমাদের সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, জিএসপি ও ডিএফসি পেতে যা যা করতে হয়, দুর্ভাগ্যজনক বাংলাদেশ এখনো সেসব পূরণ করেনি। কিন্তু তারা ক্রমাগতভাবে জিএসপি বাধা তুলে নিতে বলছে। জিএসপি ও ডিএফসি ফিরে পেতে আমরা উদ্যোগ অব্যাহত রাখব।

তিনি বলেন, অংশীদারত্বের বিষয়টিকে বাংলাদেশ যত দ্রুত এগিয়ে নেবে, আমরাও ঠিক ততটা দ্রুত এগিয়ে যেতে প্রস্তুত।


আরও খবর