Logo
শিরোনাম

মর্তবান উপসাগরে লঘুচাপ, কমতে পারে তাপমাত্রা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৫৮জন দেখেছেন
Image

মর্তবান উপসাগর ও তৎসংলগ্ন মিয়ানমারে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। লঘুচাপটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

শুক্রবার (২০ মে) আবহাওয়ার পূর্বাভাস সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর।

পৃথক আরেক আবহাওয়ার সতর্ক বার্তায় ১২টি অঞ্চলে নৌ-সতর্কতা জানিয়ে আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে আটটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত দেশের ১২টি অঞ্চলে ২ নম্বর নৌ-সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এ সময়ে রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, টাংগাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক জানান, মর্তবান উপসাগর ও তৎসংলগ্ন মিয়ানমারে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে এটি একই এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে অবস্থান করছে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ভারতের বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একইসঙ্গে প্রবল বিজলি চমকানোসহ বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসময় দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

এছাড়াও রাজশাহী, মাদারীপুর, চাঁদপুর ও বাগেরহাট জেলা সমূহের ওপর দিয়ে মৃদু তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মাদারীপুরে ৩৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আগামী তিন দিনে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা চলমান থাকবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।


আরও খবর



জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে দেশসেরা ঢাকা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৩৭জন দেখেছেন
Image

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২২ এ সারাদেশে শ্রেষ্ঠ গ্রুপ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে ঢাকা কলেজ রোভার স্কাউট।

সোমবার (৬ জুন) গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় ঢাকা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপ শ্রেষ্ঠ গ্রুপ হিসেবে নির্বাচিত হয়।

এবছর সারাদেশের আটটি বিভাগ থেকে আটটি ও ঢাকা মহানগর থেকে একটি রোভার স্কাউট গ্রুপ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় কমিশনার (প্রোগ্রাম) মোহাম্মদ আতিকুজ্জামান রিপন, বাংলাদেশ স্কাউটসের নির্বাহী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) কে এম সাইদুজ্জামানসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় দেশসেরা হওয়ায় ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক এ.টি.এম মইনুল হোসেন বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মনস্তাত্ত্বিক বিকাশে ঢাকা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। কলেজের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণের পাশাপাশি দেশের দুর্যোগকালেও স্বেচ্ছাসেবা কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান এরই মধ্যে শক্ত করে নিয়েছে। এসব কার্যক্রমের সমন্বিত পুরস্কার হিসেবেই ঢাকা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপ সর্বশ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হয়েছে। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

ঢাকা কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আনোয়ার মাহমুদ বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি অন্যান্য ক্ষেত্রেও যোগ্য করে গড়ে তোলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম হচ্ছে রোভার স্কাউট। আমরা সবসময় হাতে-কলমে বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে বাস্তবিক পরিবেশের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়ানোর সক্ষমতা তৈরি করতে চেষ্টা করি। একই সঙ্গে দেশ ও দশের কল্যাণে নিজেদের সর্বদা প্রস্তুত রাখার শিক্ষা দেওয়া হয়ে থাকে। আমরা আগামীতেও এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চেষ্টা করব।


আরও খবর



প্রায়ই পায়ে ঝিঁঝি ধরার লক্ষণ শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি নয় তো?

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
Image

পায়ে ঝিঁঝি ধরার সমস্যায় অনেকে প্রায়ই যন্ত্রণা ভোগ করেন। দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে বসে থাকার কারণে এ সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া আরও এক কারণে এ সমস্যায় প্রায়ই হতে পারে। আর তা হলো ভিটামিনের ঘাটতি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতি হলে অ্যানিমিয়া, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো সমস্যার পাশাপাশি পায়ে ঝিঁঝি ধরার সমস্যাও হতে পারে। ভিটামিন বি ১২ দেহের জন্য অপরিহার্য উপাদানগুলোর মধ্যে অন্যতম।

যারা নিরামিষ খাবার খান, তাদের শরীরে এই ভিটামিনের ঘাটতি বেশি দেখা যায়। এই ভিটামিনের ঘাটতি হলে পেপটিক আলসার ও কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো সমস্যা গুরুতর হতে পারে।

এমনকি মানসিক অবসাদ কমায়, চুল, নখ ও ত্বক ভাল রাখে, হাড়ের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে যদি শরীর এই ভিটামিন পর্যাপ্ত না পায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভিটামিন বি ১২ শরীরে স্নায়ুর কার্যকারিতা বাড়ায়। তাই এই ভিটামিনের ঘাটতি হলে পায়ে ঝিঁঝি ধরার মতো সমস্যা হয়। এর পাশাপাশি শরীরে ক্লান্তিভাব ও কোনো কাজ করার প্রতি অনীহাও এই ভিটামিনের অভাবের কারণেও হতে পারে।

এছাড়া নিশ্বাস নিতে অসুবিধা, ত্বক বিবর্ণ হয়ে যাওয়া, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়াও ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতির লক্ষণ।

শরীরে ভিটামিন ১২ এর ঘাটতি পূরণে নিরামিষ খাবারের পাশাপাশি প্রাণিজ খাবারও খেতে হবে। ডিম, মাশরুম, বিভিন্ন ধরনের মাংস, কলিজা, সামুদ্রিক মাছের মতো খাবারে ভিটামিন বি ১২ মেলে। এছাড়া লাল মাংস, মুরগির মাংস, দুধ, দই, ছানাতেও থাকে এই ভিটামিন।

সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে


আরও খবর



মানবতাবিরোধী অপরাধ: কুড়িগ্রামের আকবর মুন্সী কারাগারে

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ১৩জন দেখেছেন
Image

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে কুড়িগ্রামের আকবর আলী মুন্সীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ মামলার বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৬ আগস্ট দিন ঠিক করেছেন আদালত।

রোববার (৩ জুলাই) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ নির্দেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার ও বিচারপতি কেএম হাফিজুল আলম।

আদালতে এদিন রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন, সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নি ও প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তাপস কান্তি বল। আসামিপক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন প্রসিকিউটর সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নি।

তিনি বলেন, এর আগে আসামি আকবর মুন্সীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়না জারি করা হয়েছিল। এরপরে তাকে শনিবার (২ জুলাই) কুড়িগ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে ঢাকায় এনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তোলা হয়। শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

প্রসিকিউটর সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, এ মামলায় মূলত আসামির সংখ্যা ছিল ১৩ জন। এর মধ্যে ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল আগেই। আর দুজন পলাতক ছিলেন। তাদের মধ্যে পলাতক থাকা অবস্থায় একজন গত বছর মারা গেছেন। আর অপর আসামি আকবর আলী মুন্সীকে গ্রেফতারের পরে আদালতের মাধ্যমে আজ কারাগারে পাঠানো হলো।

এর আগে, ২০২১ সালের ২১ অক্টোবর একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর ও রাজারহাট উপজেলার ১৩ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন চূড়ান্ত করেছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

তদন্ত সংস্থার ৮০তম প্রতিবেদনে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৩ আসামির মধ্যে ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুজন পলাতক রয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদনের তিন ভলিউমে ৩৭৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়।

গত ২৫ অক্টোবর রাজধানী ঢাকার ধানমণ্ডিতে সংস্থাটির কার্যালয়ে ওই তদন্ত প্রতিবেদনের সার সংক্ষেপ সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন তদন্ত সংস্থার প্রধান এম সানাউল হক। এসময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) মো. রুহুল আমীনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ মামলায় সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের অভিযানে এরই মধ্যে মো. নুরুল ইসলাম ওরফে নুরুসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে তদন্ত সংস্থার পক্ষ থেকে তখন পলাতক দুজনের নাম প্রকাশ করা হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ১৩ আসামির বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ৩০ জানুয়ারি থেকে তদন্ত শুরু হয়ে ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর তদন্ত শেষ করা হয়। আটক, নির্যাতন, অপহরণ, গণহত্যা ও অগ্নিসংযোগের মোট ১৬টি অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে ৭৪৫ জনকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, এ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ১৯৭১ সালে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর ও রাজারহাট থানায় লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে তদন্ত শেষ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মোট ১৬টি অভিযোগ আনা হয়েছে।

আগে গ্রেফতার হওয়া আসামিরা হলেন— মো. নুরুল ইসলাম ওরফে নুর ইসলাম (৭১), এছাহাক আলী ওরফে এছাহাক কাজী (৭৩), মো. ইসমাইল হোসেন (৭০), মো. ওছমান আলী (৭০), মো. আব্দুর রহমান (৬৫), মো. আব্দুর রহিম ওরফে রহিম মৌলানা (৬৫), মো. শেখ মফিজুল হক (৮১), মকবুল হোসেন ওরফে দেওয়ানী মকবুল (৭২), মো. ছাইয়েদুর রহমান মিয়া ওরফে মো. সাইদুর রহমান (৬৪), মো. শাহজাহান আলী (৬৪), আব্দুল কাদের (৬৭)।


আরও খবর



পদ্মা সেতুতে পিকআপে যেতে পারবে মোটরসাইকেল, তবে...

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ২৮জন দেখেছেন
Image

নিরাপত্তা বিবেচনায় পদ্মা সেতুতে যান চলাচলের দ্বিতীয় দিন ভোর ৬টা থেকে বন্ধ রয়েছে মোটরসাইকেল চলাচল। আজ তৃতীয় দিনেও একই চিত্র বহাল রয়েছে। তবে পণ্য হিসেবে পিকআপে করে মোটরসাইকেল সেতু পারাপার করা যাবে বলে। এক্ষেত্রে কোনো যাত্রী থাকতে পারবে না সেসব মোটরসাইকেলের সঙ্গে। পদ্মা সেতুর মাওয়া টোল প্লাজায় দায়িত্বরত বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীয় তোফাজ্জল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মোটরসাইকেল যদি পণ্য হিসেবে পিকআপে করে ঢেকে নিয়ে যায় তাহলে যেতে পারবে। কিন্তু যাত্রী বা আরোহীসহ মোটরসাইকেল নিয়ে পিকআপ যেতে পারবে না। কারণ মোটরসাইকেল ও আরোহীরা একসঙ্গে পিকআপে গেলে তারা সেতুতে নামতে পারে। দেখা গেলো ৫-৬ জন মিলে মোটরসাইকেল নামিয়ে সেতুতে চালাবে। এই আশংকায় আমরা যাত্রী ও মোটরসাইকেল একসঙ্গে পার হতে দিচ্ছি না। মোটরসাইকেলের যাত্রীরা আলাদা যাবে পিকআপে শুধু মোটরসাইকেল পার হতে পারবে। সেভাবে যেতে দেওয়া হচ্ছে।

পদ্মা সেতুতে পিকআপে যেতে পারবে মোটরসাইকেল, তবে...

তিনি আরো বলেন, টোল আদায় কার্যক্রম আজ সুষ্ঠু সুন্দরভাবে চলছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও ভালো, কোনো যানজট নেই। দ্বিতীয় দিনেও প্রায় দুই কোটি টাকার মতো টোল আদায় হয়েছে। গাড়ির সংখ্যা ছিলো সাড়ে ১৫হাজার।

এদিকে যান চলাচল চালুর তৃতীয় দিনে পদ্মা সেতুতে আজ চাপ অনেকাংশে কম। এতে ব্যক্তিগত, পণ্যবাহী ও গণপরিবহনসহ অন্যান্য গাড়ি স্বাচ্ছন্দ্যে সহজেই নির্ধারিত টোল দিয়ে সেতু পার হতে পারছে। শৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করছে পুলিশ ও সেনাবাহিনী।

পদ্মা সেতুতে পিকআপে যেতে পারবে মোটরসাইকেল, তবে...

মাওয়া প্রান্তে টোল প্লাজা ও অভিমুখে পদ্মা সেতু উত্তর থানার মোড় থেকে মোটরসাইকেল আরোহীদের সতর্ক করে বিকল্প পথ ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অনেক মোটরসাইকেল এরপরও টোল প্লাজায় দফায় দফায় আসছে। সেতুতে ছবি তোলা, থামলে ও গাড়ি থেকে নামলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে টোলপ্লাজায় মাইকিং ও টহল দিচ্ছে সেনাবাহিনী।

তবে জরুরি প্রয়োজনে সেতু পারাপার হতে আসা মোটরসাইকেল আরোহীরা ভোগান্তি কমাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে ৫টি বুথ দিয়ে আদায় হচ্ছে টোল।


আরও খবর



বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার পর আমল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৭৪জন দেখেছেন
Image

যে কোনো মুহূর্তে মুসলমান বিপদগ্রস্ত হতে পারে। তখন ধৈর্যের সঙ্গে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে বিপদকে মোকাবিলা করতে হয়। আল্লাহ তাআলাই তার বান্দাকে বিভিন্ন উছিলায় বিপদ থেকে উদ্ধারের উপায় বাতলে দেন। কারণ বিপদ যিনি দেন, আবার তিনিই রক্ষা করেন।

তাই যে কোনো বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার পর মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া বা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করতে হয়। এতে নেয়ামত লাভ করে মুমিন। কেননা কোরআনুল কারিমের ঘোষণা হচ্ছে- ‘যদি তোমরা কৃতজ্ঞতা আদায় কর তবে আমি অবশ্যই তোমাদের নেয়ামত বাড়িয়ে দেব। আর যদি তোমরা অকৃতজ্ঞ হও, নিশ্চয়ই আমার শাস্তি অত্যন্ত ভয়াবহ।’ (সুরা ইবরাহিম, আয়াত ০৭)

এ আয়াতে আল্লাহর নেয়ামত লাভের আনন্দ বা বিপদ থেকে রক্ষার পর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হচ্ছে শোকর। হাদিসের একাধিক বর্ণনায় সেজদায়ে শুকরিয়া আদায় করার কথা এসেছে। এ সেজদায়ে শুকরিয়া বলতে ২ রাকাআত নামাজ পড়া। যাকে ‘সালাতুস শোকর’ বা ‘কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের নামাজ’ বলা হয়। হাদিসে এসেছে- ‘হজরত আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে কোনো খুশির সংবাদ বা এমন কিছু পৌঁছতো আর তাতে তিনি সন্তুষ্ট হতেন; তখন তিনি আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের উদ্দেশে সেজদায় লুটিয়ে পড়তেন।’ (আবু দাউদ)

এ হাদিসের আলোকে ইসলামিক স্কলারদের অনেকে দুই রাকাআত নফল নামাজ আদায় করার কথা বলেছেন। আবার অনেকে শুকরিয়া আদায়ে শুধু সেজদার কথা বলেছেন।

আল্লাহর নেয়ামত লাভে নামাজের পাশাপাশি তাঁর শুকরিয়া আদায়ে দোয়া করার বিষয়টিও উঠে এসেছে। হজরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম পিঁপড়ার কথা শুনে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করতে দোয়া করেন। যা আল্লাহ তাআলার অনেক পছন্দ হয়। আল্লাহ তাআলা শুকরিয়া জ্ঞাপনের এ দোয়া উম্মতে মুহাম্মাদির জন্য কোরআনুল কারিমে তুলে ধরেন-
رَبِّ أَوْزِعْنِي أَنْ أَشْكُرَ نِعْمَتَكَ الَّتِي أَنْعَمْتَ عَلَيَّ وَعَلَى وَالِدَيَّ وَأَنْ أَعْمَلَ صَالِحًا تَرْضَاهُ وَأَدْخِلْنِي بِرَحْمَتِكَ فِي عِبَادِكَ الصَّالِحِينَ
উচ্চারণ: ‘রাব্বি আওজিনি আন-আশকুরা নিমাতাকাল্লাতি আন্আমতা আলাইয়্যা ওয়া আলা ওয়া-লিদাইয়্যা ওয়া আন আ’মালা সা-লিহান তারদাহু ওয়া আদখিলনি বিরাহমাতিকা ফি ইবাদিকাস সালিহিন।’

অর্থাৎ ‘হে আমার প্রভু! আমাকে ও আমার পিতামাতাকে যে নিয়ামত তুমি দান করেছ তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার শক্তি দান কর। আর আমি যাতে তোমার পছন্দনীয় সৎকর্ম করতে পারি এবং আমাকে তোমার অনুগ্রহে তোমার সৎকর্মপরায়ণ বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত কর।’ (সুরা নামল, আয়াত ১৯)

সুতরাং মুমিনের উচিত, যে কোনো বিপদ থেকে রক্ষা বা হাসি-খুশির সংবাদে মহান আল্লাহ তাআলার প্রতি শুকরিয়া আদায় করার জন্য সেজদায় লুটিয়ে পড়া। শুকরিয়া আদায়ে কোরআনে বর্ণিত দোয়া যথাযথভাবে উচ্চারণ করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে শুকরিয়া আদায়ে নামাজ পড়ার এবং দোয়া করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর