Logo
শিরোনাম

নারীরা কি মাহরাম ছাড়া হজ করতে পারবে?

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | ৬২জন দেখেছেন
Image

হজ শারীরিক ও আর্থিক সক্ষমতার ইবাদত। এ দুটি শর্ত কারো মধ্যে থাকলে হজ ফরজ কিন্তু নারীর জন্য তা একটু ব্যতিক্রম। শারীরিক ও আর্থিক সমার্য্কবান নারীদের জন্য হজ করতে মাহরাম বা দেখা-সাক্ষাতের বৈধ সঙ্গীর প্রয়োজন। যদিও নারীর হজের জন্য স্বামীর অনুমতি শর্ত নয়। তবে সব কাজে স্বামীর অনুমতি নেওয়া ও পরামর্শভিত্তিক কাজ করা মোস্তাহাব। কেননা আল্লাহ তাআলা উপদেশ দিচ্ছেন, ‘তোমরা পরামর্শভিত্তিক কাজ করো।’ (সুরা ইমরান : আয়াত ১৫৯)

নারীদের হজের জন্য মাহরাম আবশ্যক। নারীদের হজের জন্য মাহরাম পাওয়া গেলে স্বামী অনুমতি না দিলেও হজ সম্পন্ন করা আবশ্যক। হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আল্লাহর অবাধ্য হয়ে কোনো মানুষের আনুগত্য চলবে না। আনুগত্য তো কেবল ভালো কাজের জন্য। (বুখারি ও মুসলিম)

নারীদের হজ সম্পাদনে মাহরামের আবশ্যকতা সম্পর্কে ইমামগণ মতভেদ করেছেন। তাহলো-
১. ইমাম আবু হানিফা ও ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল রাহমাতুল্লাহি আলাইহির মাজহাব মতে, নারীদের ওপর হজ ফরজ হওয়ার জন্য মাহরাম শর্ত। মাহরাম না থাকলে অঢেল সম্পত্তি থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর হজ ফরজ হবে না। (বাদায়িউস সানা)

২. ইলমে ফিকাহর বিখ্যাত গ্রন্থ হেদায়াতে এসেছে, ‘কোনো নারী যদি মাহরাম ছাড়া হজ করে তবে হজ আদায় হয়ে যাবে কিন্তু মাহরাম ছাড়া (হজের) সফর করার কারণে ঐ নারী গুনাহগার হবে। এ প্রসঙ্গে তাদের দলিল হলো বিশ্বনবির এ হাদিস-
হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘মাহরাম ছাড়া কোনো নারী কোনো পুরুষের সঙ্গে নির্জনে সাক্ষাৎ করবে না এবং কোনো নারী মাহরাম ছাড়া সফর করবে না। এক সাহাবি বলল, হে আল্লাহর রসুল! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার স্ত্রী হজ করতে যাচ্ছে আর আমি অমুক যুদ্ধে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি তোমার স্ত্রীর সঙ্গে হজে যাও।’ (বুখারি ও মুসলিম)

৩. ইমাম শাফেঈ ও ইমাম মালিক রাহমাতুল্লাহি আলাইহির মাজহাব মতে, ‘নারীদের ওপর হজ ফরজ হওয়ার জন্য মাহরাম শর্ত নয়। বরং শর্ত হলো তার (হজে গমনকারী নারীর) নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া। সফরের পথ যদি নিরাপদ হয় তবে মাহরাম ছাড়াও একজন নারী একদল মাহরামওয়ালী নারীর সঙ্গে হজে যেতে পারবেন। তাদের মতের পক্ষে হাদিসে এসেছে-
হজরত আদি ইবনে হাতেম রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘হে আদি! যদি তোমার জীবনকাল দীর্ঘ হয়, তুমি অবশ্যই দেখতে পাবে, ইরাকের হীরা অঞ্চল থেকে একজন নারী একাকি উটের হাওদায় বসে কাবা তওয়াফ করবে এবং সে আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় পাবে না।’ (বুখারি ও মুসলিম)

প্রকৃতপক্ষে নারীর করণীয়
হজের সফরে নারীদের নিরাপত্তার কথা ভেবে সার্বিক বিবেচনায় মাহরাম একান্ত প্রয়োজন। বর্তমান সময়ে নানা জটিলতা ও সমস্যায় মাহরাম ছাড়া নারীদের হজে গমন মারাত্মক ঝুকিপূর্ণ।

তাই সব নারীর উচিত, মাহরামসহ হজের সফর করা। হজের জন্য মাহরাম না থাকলে হজের সফর থেকে বিরত থাকা। নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তবেই হজের সফরে যাওয়া।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর প্রত্যেক নারীকে হজ আদায়ের জন্য মাহরামসহ হজের প্রস্তুতি গ্রহণ করে যথাযথভাবে হজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর

আল্লাহকে স্মরণ করার উপকারিতা

শনিবার ১৩ আগস্ট ২০২২




মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে কে বাঁচাবে?

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

চিত্রা গোস্বামী

গত ২৫-২৭ জুলাই অনুষ্ঠিত হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা। আমার বাসায় কয়েকজন আত্মীয় পরীক্ষা দিতে এসেছিল। গত ২৬ জুলাই পরীক্ষা দিয়ে ওরা ২৭ জুলাই চলে যায়। ২৭ জুলাই সকাল ৬টায় আমি ওদের নিয়ে স্টেশনে গিয়েছিলাম ট্রেনে তুলে দিতে।

স্টেশনে অনেক ভিড় দেখে আমার ড্রাইভার বললো ম্যাডাম আপনি গাড়িতেই বসে থাকুন আমি গিয়ে তুলে দিয়ে আসছি। কয়েক দিন আগে পায়ে একটু ব্যথা পেয়েছিলাম বিধায় আমি আর এগোলাম না। কারণ আমার পায়ের যে অবস্থা তাতে আমার পক্ষে ট্রেনে ওঠাটা কষ্টকর হয়ে যেত। তাই আমি গাড়িতেই বসে থাকলাম।

গাড়িতে বসে থেকে বাইরের মানুষগুলো দেখছিলাম। অনেক পরীক্ষার্থী এবং তাদের বাবা-মা সবাই ছুটছেন ট্রেন ধরার জন্য। গাড়িতে বসে থাকতে থাকতে হঠাৎ আমার চোখ পড়ল একটা মেয়ের দিকে। তার দিকে চোখ যাওয়ার পর থেকে আমি কিছুতেই আমার চোখ সরাতে পারলাম না।

মেয়েটির বয়স কতই বা হবে? হয়তো ১৮-১৯? অথবা আরেকটু কম বেশি। ওকে দেখে আমার মেয়ের বয়সেরই মনে হচ্ছিল। মেয়েটার গায়ে একটা ছেঁড়া জামা ও ছেঁড়া পায়জামা এবং কোলে একটি ফুটফুটে বাচ্চা। বাচ্চাটির বয়স হয়তো দু-তিন মাস।

মেয়েটিকে দেখে বুঝতে পারলাম সে পুরোপুরি না হলেও কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। সেই মুহূর্তে আমার মনে হয়েছিল হয়তো রাতের আঁধারে মেয়েটির অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে কেউ তার সর্বনাশ করেছে। আর তারই ফলশ্রুতিতে আজকের এই সন্তান তার কোলে। আমাদের সমাজে গরিব অসহায় মেয়েদের-যাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই, লজ্জা নিবারণের জন্য একটা ভালো কাপড় নেই, রাস্তাই একমাত্র ভরসা।

এই ধরনের মেয়েদের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই বিধায় যে কেউ চাইলেই তাদের দেহটা নিজেদের খুশি মতো ভোগ করতে পারে। আবার কাম-লালসা চরিতার্থ হলে সাথে সাথে ছুড়ে ফেলে দিতে পারে রাস্তায়। আমার মনে হয় এদের জন্ম হয় শুধু একশ্রেণির মানুষের কাম-লালসা মেটানোর জন্য।

আমি মেয়েটি ও তার বাচ্চাটি দেখে ভাবছিলাম মেয়েটি নিজেও হয়তো জানে না কে তার সন্তানের বাবা! এই বাচ্চাটি যখন বড় হবে তখন আমাদের এই সমাজ কি তাকে স্বীকৃতি দেবে? যখন স্কুলে ভর্তি হতে যাবে তখন স্কুল কি তাকে তার পিতৃপরিচয় ছাড়াই ভর্তি নেবে? আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে এই বাচ্চাটি কোনো দিনই তার বাবাকে খুঁজে পাবে না। কোনো দিনও জানবে না কে তার বাবা?

মেয়েটি মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় তা একেবারেই সম্ভব নয়। হয়তো বাচ্চাটির বাবা তারই আশেপাশে থাকবে কিন্তু সে কোনো দিনই জানবে না বা খোঁজ নেবে না যে, রাস্তাঘাটে তারা এরকম কত সন্তানের জন্ম দেয়!

তাদেরই রক্ত রাস্তাঘাটে অবহেলায় পড়ে থেকে মানুষ হয়। মেয়েটিকে দেখলাম বাচ্চাটা কোলে নিয়ে এক পাশে বসলো এবং বাচ্চাটাকে দুধ খাওয়াতে লাগলো। অত্যন্ত অবহেলায় বাচ্চাটার একহাত ধরে টেনে তুলছিল এবং এপাশ-ওপাশ করাচ্ছিল। বাচ্চাটার মনে হয় হাতে ব্যথা লাগছিল বিধায় সে খুব কান্নাকাটি করছিল। মেয়েটি তার বাচ্চাটাকে খাওয়াতে খাওয়াতে বার বার ওড়না দিয়ে তার নিজের গা হাত-পা ঢাকছিল। তার পরনের জামা পায়জামা দুটোই ছেঁড়া।

আমি জানি না যে মেয়েটি আদৌ জানে কি না যে সন্তান কি জিনিস! আমাদের সমাজের কত বিত্তবান মানুষ আছে যারা একটা সন্তানের জন্য সারাজীবন হাহাকার করছে! লাখ লাখ টাকা ডাক্তারের পেছনে খরচ করছে একটা সন্তানের জন্য! তারপরও ঈশ্বর তাদের কোলজুড়ে একটা সন্তান দেয় না! যে সন্তান তাদের জন্য মানুষ করা কোনো ব্যাপারই না। আবার সন্তানের অভাবে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিকানা পেয়ে যাচ্ছে অন্যরা। অথচ মানসিক ভারসাম্যহীন সে মা হয়তো বোঝেই না সন্তান কি জিনিস! তার কোলজুড়ে ঈশ্বর দিয়ে রেখেছেন ফুটফুটে একটি দেবদূত!! যে কি না মানুষ হবে রাস্তাঘাটে পড়ে থেকে, একবেলা খেয়ে না খেয়ে, মানুষের ঝাটা-লাত্থি খেয়ে! হায়রে কি অসম বণ্টন!

মেয়েটিকে দেখার পর থেকে আমি কেন যেন তাকে ভুলতেই পারছি না! এসব মেয়ের দায়িত্ব কি রাষ্ট্র নিতে পারে না? বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তার বাবা সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য নিরলসভাবে পরিশ্রম করে চলেছেন। তিনি দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। গৃহহীনদের জমির মালিকানাসহ ঘর দিয়েছেন।

এবার প্রয়োজন এই ছিন্নমূল মানুষদের দিকে দৃষ্টি দেওয়া। বাংলাদেশে হাজার হাজার এই ধরনের মানসিক ভারসাম্যহীন ছিন্নমূল নারী রয়েছে। আমাদের সমাজে একশ্রেণির মানসিক বিকারগ্রস্ত পুরুষ রয়েছে যারা এ ধরনের মেয়েদের ভোগের বস্তু হিসেবে মনে করে। তাদের বুদ্ধিহীনতার সুযোগ নিয়ে তাদের ভোগ করে রেখে যায় ভোগের চিহ্ন হিসেবে অনাগত সন্তান। এই সন্তানরাই এক সময় বিভিন্ন অসামাজিক কাজে জড়িয়ে পড়ে।

ফলে সময় এসেছে এসব মেয়ের জন্য কিছু করার। আমরা জানি যে সরকারের বিভিন্ন বিভাগ রয়েছে এসব মেয়েকে দেখাশোনার জন্য। প্রতিটি জেলায় এ ধরনের মেয়েদের খুঁজে বের করে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে তাদের চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সেবা প্রদান করা প্রয়োজন।

এ ধরনের মেয়েদের সন্তানদের সরকারি ব্যবস্থাপনায় শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করা হলে একটি প্রজন্ম নষ্ট হওয়ার হাত থেকে বেঁচে যাবে। আমি বিশ্বাস করি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়গুলো বিবেচনা করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এই বিষয়গুলো সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে উন্নয়ন অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে।


আরও খবর



মাছে রং মেশানোর অপরাধে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ আগস্ট ২০২২ | ১০জন দেখেছেন
Image

বাগেরহাটে সামুদ্রিক মাছে ক্ষতিকর রং মেশানোর অপরাধে দুই ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (৭ আগস্ট) সকালে বাগেরহাট শহরের কেবি বাজারের অভিযান চালিয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান জরিমানার এ আদেশ দেন।

এ সময় বাগেরহাটের নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং জেলা পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন বাগেরহাটের মাছ ব্যবসায়ী মো. আবুল কালাম ও এমাদুল সরদার।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বাগেরহাটের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ইমরান এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর



বীর উত্তম সালাহউদ্দিন মমতাজের প্রয়াণ

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ আগস্ট ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

মানুষ ইতিহাস আশ্রিত। অতীত হাতড়েই মানুষ এগোয় ভবিষ্যৎ পানে। ইতিহাস আমাদের আধেয়। জীবনের পথপরিক্রমার অর্জন-বিসর্জন, জয়-পরাজয়, আবিষ্কার-উদ্ভাবন, রাজনীতি-অর্থনীতি-সমাজনীতি একসময় রূপ নেয় ইতিহাসে। সেই ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ঘটনা স্মরণ করাতেই জাগো নিউজের বিশেষ আয়োজন আজকের এই দিনে।

৩১ জুলাই ২০২২, রোববার। ১৬ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ঘটনা
১৬৫৮- আওরঙ্গজেব ভারতের মুঘল সম্রাট ঘোষিত হন।
১৯৫৪ - ইতালীয় পর্বতারোহী দল প্রথম হিমালয়ের কে-২ শৃঙ্গে আরোহণ করেন।
১৯৭২- বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ইয়েমেন।
১৯৭৩- বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় দক্ষিণ ভিয়েতনাম।
১৯৭৮- চট্টগ্রামে এলপি গ্যাস কারখানা উদ্বোধন।
২০০৭- বাংলাদেশে অর্ধশত বছরের পুরনো খুলনার পিপলস জুট মিল আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়।

জন্ম
১৮৮০- আধুনিক হিন্দি এবং উর্দু ভাষার লেখক মুন্সি প্রেমচাঁদ।
১৮৯১- প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী ক্ষিতীন্দ্রনাথ মজুমদার।
১৯০৪- প্রখ্যাত বাঙালি সাংবাদিক বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায়।
১৯৪৬- ভারতীয় বাঙালি জাদুকর পি সি সরকার জুনিয়র।
১৯৫৭- বাংলাদেশি চলচ্চিত্র পরিচালক ও চিত্রনাট্যকার মনতাজুর রহমান আকবর।

মৃত্যু
১৯৪০- ভারতীয় উপমহাদেশের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের শহীদ মার্ক্সবাদী বিপ্লবী উধাম সিং।
১৯৭১- বীর উত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সালাহউদ্দিন মমতাজ। ১৯৪৫ সালের ১২ জুলাই ফেনী জেলার সদর উপজেলায় উত্তর চাড়িপুর গ্রামের মুক্তারবাড়িতে। তার পিতামহ মমতাজ উদ্দিন আহমেদ ছিলেন আকিয়াবের শেষ মুসলিম জমিদার। কলকাতায় তার শিক্ষাজীবন শুরু। পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোর দয়াল সিং কলেজে পড়াশোনা করে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে সেনাবাহিনী থেকে পালিয়ে আরও কয়েকজন সহকর্মীদের সঙ্গে যোগ দেন মুক্তিযুদ্ধে। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহেই পাকিস্তানের শিয়ালকোটের কাছে মারালা সীমান্তের খরোস্রোতা মুনাওয়ার তায়ী নদী অতিক্রম করে ভারতে এসেছিলেন। ১১ নং সেক্টরের প্রথম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন। পাক সেনাদের ছোড়া গোলা বিস্ফোরণে তিনি শহীদ হন।
১৯৮০- ভারতীয় উপমহাদেশের বিখ্যাত সংগীতশিল্পী মোহাম্মদ রফি।
২০১৪- ভারতীয় লেখক নবারুণ ভট্টাচার্য।
২০১৭- ফরাসি অভিনেত্রী, গায়িকা, চিত্রনাট্যকার এবং পরিচালক জান মোরো।


আরও খবর



বিশ্ববাজারে আরও কমলো জ্বালানি তেলের দাম

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২ | ২৩জন দেখেছেন
Image

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমে কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন হয়েছে। কারণ মন্দার আশঙ্কায় চাহিদায় প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে গত মাসে চীনের ক্রুড আমদানি ধীর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারকে নির্দেশ করে।

জানা গেছে, প্রতি ব্যারেল বেন্ট ক্রুডের দাম ৭৪ সেন্ট বা শূন্য দশমিক আট শতাংশ কমে ৯৪ দশমিক ১৮ ডলারে নেমেছে, যা ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহের পর সর্বনিম্ন। তাছাড়া সাপ্তাহিকভিত্তিতে ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ কমে ২০২০ সালের এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন হয়েছে।

এদিকে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের মূল্য ব্যারেল প্রতি ৬৭ সেন্ট বা শূন্য দশমিক আট শতাংশ কমে ৮৮ দশমিক ৩৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বিশ্বে সবচেয় বেশি ক্রুড তেল আমদানি করে চীন। জুলাই মাসে দেশটি প্রতিদিন ৮ দশমিক ৭৯ মিলিয়ন ব্যারেল তেল আমদানি করেছে। কিন্তু তা গত বছরের তুলনায় নয় দশমিক পাঁচ শতাংশ কম। উচ্চ ক্রুড মূল্য ও দুর্বল অভ্যন্তরীণ মার্জিনের মধ্যে চীনের শোধনাকারীরা মজুতও কমিয়েছে।

করোনাভাইরাস মহামারির ভয়ংকর দিনগুলোতে ঐতিহাসিক পতনের পর চলতি বছরের শুরুর দিকে তেলের দাম হঠাৎ করে ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলার হয়ে যায়। এর পেছনে করোনাকালীন ধাক্কা সামলে তেলের চাহিদা বৃদ্ধি এবং ইউক্রেন আক্রমণের জেরে বৃহৎ জ্বালানি সরবরাহকারী রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রভাব ছিল বলে মনে করা হয়।

তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে অর্থনৈতিক মন্দার শঙ্কা, উদীয়মান বাজারগুলোতে ঋণ সংকট এবং বিশ্বের বৃহত্তম তেল আমদানিকারক চীনের ‘জিরো কোভিড’ নীতির কারণে জ্বালানি তেলের ভবিষ্যৎ চাহিদা এখনো খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়।


আরও খবর



‘হাওয়া’য় রঙিন ঢাকা শহরের রিকশা

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

৬০-৭০-এর দশককে বলা হয় রিকশা আর্টের স্বর্ণযুগ। এর জনপ্রীতি তখন তুঙ্গে ছিল। সেই সময় শিল্পীরা রিকশার গায়ে আঁকার উপজীব্য হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন সেই সময়ের জনপ্রিয় সিনেমার পোস্টার। সেসবে উঠে আসতো সাধারণ মানুষের প্রিয় নায়ক-নায়িকার ছবি।

রিকশার গায়ে লাল, নীল, হলুদ, সবুজের ঝলমলে উজ্জ্বল রঙে আঁকা নায়ক-নায়িকাদের ছবি ভিন্নমাত্রা পেতো শিল্পীদের হাতের তুলির ছোঁয়ায়। সেইসব রিকশচিত্র আনন্দের খোরাক দিতো।

আজকাল আর রিকশার বুক জুড়ে সিনেমার পোস্টার বা প্রিয়মুখগুলো দেখা মেলে না। তবে অনেক বছর পর আবারও সেই ট্রেন্ড ফিরিয়ে আনলো মুক্তির অপেক্ষায় থাকা সিনেমা ‘হাওয়া’। ছবিটি ২৯ জুলাই মুক্তি পাবে। সে উপলক্ষে চলছে প্রচারণা। তারই অংশ হিসেবে ঢাকার বিভিন্ন এলাকার রিকশায় আঁকা হয়েছে ‘হাওয়া’ ছবির পোস্টার।

পেইন্টিং দেখে সাধারণ যাত্রী বিমোহিত হচ্ছেন। অনেকে ছবি ও ভিডিও তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করছেন।

সোমবার সকালে নিকেতনে দুই নাম্বার গেটেে এক রিকশা চালকের কাছে পেইন্টিং সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দুইদিন আগে অনেকগুলা রিকশার মধ্যে রঙ করতাছিল। দেইখা আমি কইলাম আমার রিকশাতেও আইঁক্যা দেন। তারা আঁইক্যা দিলো। কি সুন্দর লাগতাছে। অনেকেই এখন বারবার রিকশার দিকে তাকায়।’

jagonews24

পুলিশ প্লাজার পাশে রিকাশা চালানো নেত্রকোণার রশিদ বলেন, তিনি অনেকদিন পর রিকশায় সিনেমার পোস্টার দেখলেন। ১৫-২০ তো হবেই। ‘হাওয়া’ ছবির ‘সাদা সাদা কালা কালা’ গানটা শুনেছেন। তার খুবই প্রিয় গান। বাড়িতে তার নাতি ফোনে এই গান গেয়ে শোনায় তাকে। মজা লাগে খুব। জানতেন না যে এই গান ‘হাওয়া’ ছবির। এখন জানলেন। হলে গিয়ে ছবিটি দেখবেন তিনি।

আরেক যুবক রিকশাওয়ালা বলেন, ‘জিনিসটা সুন্দর হইছে খুব। যাত্রীরা আমার রিকশা উঠার আগে দেখি পিছনে তাকিয়ে থাকে। তখন খুব ভালো লাগে। মনে হয় একটা ভালো কিছু লাগিয়েছি। অনেক যাত্রী আবার এই জিনিসিটা টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে যেতে চায়। বলে এই জিনিজটা কোথায় পাওয়া যায়। তারা বাসার দেয়ালে লাগাবে।’

‘হাওয়া’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নাজিফা তুষি, শরীফুল ইসলাম রাজ, সুমন আনোয়ার, সোহেল মণ্ডল, নাসির উদ্দিন খান, রিজভী রিজু, মাহমুদ আলম, বাবলু বোস প্রমুখ।

মেজবাউর রহমান সুমনের কাহিনি এবং সংলাপে চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য লিখেছেন জাহিন ফারুক আমিন, সুকর্ণ সাহেদ ধীমান ও মেজবাউর রহমান সুমন। সিনেমাটির চিত্রগ্রহণ করেছেন কামরুল হাসান খসরু, সম্পাদনায় সজল অলক, আবহ সংগীত রাশিদ শরীফ শোয়েব এবং গানের সংগীতায়োজন করেছেন ইমন চৌধুরী।


আরও খবর

ক্যারিয়ার নিয়ে যা বললেন মিম

রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২