Logo
শিরোনাম

নবিজী (সা.) তিন তাসবিহ ৩ কুল কেন পড়তেন?

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৫৪জন দেখেছেন
Image

তিন তাসবিহ ও ৩ কুল নবিজীর প্রতিদিনের নিয়মিত আমল। পাশাপাশি আয়াতুল কুরসির আমলও একটি। এ আমলগুলোর ফজিলত অনেক বেশি। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা নিজে করতেন এবং তাঁর উম্মতকে এ তিনটি আমল বেশি বেশি করার নির্দেশ দিয়েছেন। কী সেই তিন তাসবিহ ও ৩ কুলের আমল?

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দিনভর সবচেয়ে বেশি সংখ্যক সময়ে ৩টি আমল করার নির্দেশ দিয়েছেন। তাহলো- আয়াতুল কুরসি, ৩ কুল এবং ৩ তাসবিহ। এ আমলগুলো প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর এবং সকাল-সন্ধ্যায় করার কথা বলেছেন বিশ্বনবি। আমলগুলো এবং তা নিয়মিত করার কারণ-

১. আয়াতুল কুরসি
প্রতিদিন ফরজ নামাজের সালাম ফেরানোর পর ১ বার আয়াতুল কুরসি পড়ার কথা বলেছেন নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। যদি কেউ ফরজ নামাজের পর এ আমল করেন আর সে যদি শিরক ও বান্দার হক সম্পর্কিত কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত না থাকে তবে মৃত্যুই তার জান্নাতে যাওয়ার জন্য একমাত্র বাঁধা। হাদিসে পাকে এসেছে-
হজরত আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক (প্রতিদিন) ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়বে, ওই ব্যক্তির জন্য জান্নাতে প্রবেশ করা মৃত্যু ছাড়া আর কোনো কিছু বাধা থাকবে না।’ (বুখারি, নাসাঈ, তাবারানি)

আর যে ব্যক্তি সকাল ও সন্ধ্যায় ১ বার আয়াতুল কুরসি পড়ে তবে ওই ব্যক্তি আল্লাহ তাআলা দুনিয়ার যাবতীয় অনিষ্ট ও ক্ষতি থেকে তাঁর নিরাপত্তায় নিয়ে যান। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেছেন-
‘রাতে যখন ঘুমাতে যাবে তখন আয়াতুল কুরসি (আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম) পড়ে ঘুমাবে তাহলে আল্লাহ তোমার জন্য একজন ফেরেশতাকে পাহারাদার নিযুক্ত করবেন। যে তোমার সঙ্গে থাকবে আর কোনো শয়তান সকাল পর্যন্ত তোমার কাছে আসতে পারবে না।’

২. তিন কুল
কুরআনুল কারিমে শেষ ৩ সুরা যদি কেউ প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর ১ বার পাঠ করে এসবের অনেক ফজিলতের কথা হাদিসে বলা হয়েছে। আবার সকাল এবং সন্ধ্যায় শোয়ার আগে যদি কেউ ৩ বার এ সুরাগুলো পাঠ করে তবে সারাদিন ও রাতের জন্য সব ক্ষতি থেকে মহান আল্লাহ তাআলা তাকে হেফাজতের জন্য যথেষ্ট হয়ে যান বলে ঘোষণা দিয়েছেন স্বয়ং বিশ্বনবি। হাদিসে পাকে এসেছে-
> শয়তানের অনিষ্ট ও জাদুটোনা থেকে বাঁচতে সকাল-সন্ধ্যায় এ তিন কুলের (সুরা) আমল খুবই কার্যকরী। নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন-
‘যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যা সুরা ইখলাস ও এই দুই সুরা ( সুরা ফালাক ও সুরা নাস) পড়বে সে সব বিপদ-আপদ থেকে নিরাপদ থাকবে।’ (তিরমিজি)

> ফজর আর মাগরিবের এই দুই ওয়াক্তের ফরজ নামাজের পর সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক ও সুরা নাস প্রতিটি তিনবার করে পড়া সুন্নত। অন্যান্য ফরজ সালাতের আদায় করে একবার করে এই তিন সুরা পড়ার কথা বলা হয়েছে।’ (আবু দাউদ)

> হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতি রাতে যখন ঘুমাতে যেতেন, তখন নিজের উভয় হাত এক সঙ্গে মিলাতেন। তারপর সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক, সুরা নাস পড়তেন এবং উভয় হাতে ফুঁক দিতেন। তারপর দেহের যতটুকু অংশ সম্ভব হাত বুলিয়ে নিতেন। তিনি মাথা, মুখমণ্ডল ও শরীরের সামনের অংশ থেকে শুরু করতেন। তিনি এরূপ তিনবার করতেন।’ (বুখারি)

শুধু তা-ই নয়-
সকাল-সন্ধ্যায় (ফজর ও মাগরিবের পর) ৩ বার এবং অন্য তিন ওয়াক্তে ১বার করে নিয়মিত ছোট্ট এ তিনটি সুরা তেলাওয়াত করলে আল্লাহ তাআলা বান্দাকে ৮টি বিশেষ নেয়ামতে ধন্য হবেন। তাহলো- জান্নাত; আল্লাহর ভালোবাসা ও সন্তুষ্টি; গোনাহ থেকে মুক্তি; দারিদ্র থেকে মুক্তি; বালা-মুসিবত থেকে মুক্তি; জাদুটোনা থেকে মুক্তি; শয়তানের আক্রমণ থেকে মুক্তি; যাবতীয় অনিষ্টতা থেকে মুক্তি।

৩. তিন তাসবিহ
নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পর ৩ তাসবিহ- সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার ৩৩ বার করে পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। হাদিসে পাকে এসেছে-
হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, আল্লাহ তাআলা প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রত্যেক নামাজের পর তাসবিহ পড়ার আদেশ করেছেন। আল্লাহ তাআলার বাণী, ‘ফাসাব্বিহহু আদবারাস সুজুদ’ দ্বারা তিনি এ অর্থ করেছেন। এর মানে ‘এবং সেজদাসমূহের সমাপ্তির পর’ অর্থাৎ নামাজ শেষে তাসবিহ পড়।’ (বুখারি)

আয়াতের ব্যাখ্যায় এসেছে, ‘আল্লাহর তাসবিহ পাঠ কর; বলতে প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর যে তাসবিহ পড়তে বলেছেন। তাহলো-
> سُبْحَانَ الله (সুবহানাল্লাহ)- ৩৩বার;
> اَلْحَمْدُ لله (আলহামদুলিল্লাহ)- ৩৩বার; এবং
> اَللهُ اَكْبَر (আল্লাহু আকবার)- ৩৪বার।

শুধু প্রত্যেক ফরজ নামাজের পরই নয়, এ তিন তাসবিহ সকাল-সন্ধ্যায় যেমন পড়া কথা বলেছেন বিশ্বনবি তেমনি তিনি রাতে শোয়ার সময়ও এ ৩টি তাসবিহ পড়া কথা বলেছেন।

সুতরাং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক ফরজ বিধান পালনের পাশাপাশি দিনভর যে ৩টি আমল সবচেয়ে বেশি সংখ্যকবার পড়তে বলেছেন; সে আমলগুলো বেশি বেশি করাই সর্বোত্তম সুন্নাত।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হাদিসে ঘোষিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নির্দেশিত আমলগুলো বেশি বেশি করার তাওফিক দান করুন। দুনিয়া ও পরকালের যাবতীয় নেয়ামত পাওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর



৯ মাত্রার ভূমিকম্পেও টিকে থাকবে পদ্মা সেতু

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ জুন ২০২২ | ৩০জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ একটি দেশ। দুর্যোগপ্রবণ এ দেশের খরস্রোতা পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে ‘পদ্মা সেতু’। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসছে, বহুল কাঙ্ক্ষিত এ সেতুটি কতটা ভূমিকম্প সহনশীল? তবে পদ্মা সেতুর নির্মাণসংশ্লিষ্টরা এ বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন।

তারা বলছেন, রিখটার স্কেলে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পেও টিকে থাকবে পদ্মা সেতু। কারণ এ সেতুতে ডাবল কারভেচার ফ্রিকশন পেন্ডুলাম বিয়ারিংয়ের সক্ষমতা ১০ হাজার টন। এখন পর্যন্ত কোনো সেতুতে এমন সক্ষমতার বিয়ারিং লাগানো হয়নি।

পদ্মা সেতু কীভাবে ভূমিকম্পে টিকে থাকবে, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন প্রকৌশলীরা। তারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্প মাটিতে কম্পন সৃষ্টি করে। এ কম্পন প্রথমে পিলারে যাবে। বিয়ারিংগুলো এর কম্পন ক্ষমতা কমিয়ে দেবে। এছাড়া স্প্যানে ভূমিকম্পের সামান্য আঘাত গেলেও তা থেকে সেতুকে রক্ষার জন্য প্রতিটি জোড়ায় সংকোচন-সম্প্রসারণের বিয়ারিং বসানো হয়েছে।

পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘খরস্রোতা পদ্মা নদীতে নির্মিত হয়েছে পদ্মা সেতু। পানিপ্রবাহের বিবেচনায় বিশ্বে আমাজন নদীর পরই এর অবস্থান। মাটির ১২০ থেকে ১২৭ মিটার গভীরে গিয়ে পাইল বসানো হয়েছে এ সেতুতে। পৃথিবীর অন্য কোনো সেতু তৈরিতে এত গভীরে গিয়ে পাইল প্রবেশ করাতে হয়নি, যা পৃথিবীতে রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।’

jagonews24

তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতুর দ্বিতীয় রেকর্ডটি হলো- ভূমিকম্পের বিয়ারিং সংক্রান্ত। এই সেতুতে ফ্রিকশন পেন্ডুলাম বিয়ারিংয়ের সক্ষমতা ১০ হাজার টন। এখন পর্যন্ত কোনো সেতুতে এমন সক্ষমতার বিয়ারিং লাগানো হয়নি। রিখটার স্কেলে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে টিকে থাকার মতো করে পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হয়েছে।’

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এর পরের বিশ্বরেকর্ড হলো পিলার এবং স্প্যানের মধ্যে যে বিয়ারিং থাকে সেটি। এখানে ১০ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন ওজনের একেকটি বিয়ারিং ব্যবহার করা হয়েছে। পৃথিবীতে এর আগে কোনো সেতুতে এমন বড় বিয়ারিং ব্যবহার করা হয়নি। এছাড়া নদীশাসন সংক্রান্ত একটি রেকর্ডও রয়েছে। ১৪ কিলোমিটার (১ দশমিক ৬ কিলোমিটার মাওয়া প্রান্তে ও ১২ দশমিক ৪ কিলোমিটার জাজিরা প্রান্তে) এলাকা নদীশাসনের আওতায় আনা হয়েছে। এটাও রেকর্ড।’

২০০১ সালের ৪ জুলাই পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালের নভেম্বরে নির্মাণকাজ শুরু হয়। দুইস্তর বিশিষ্ট স্টিল ও কংক্রিট নির্মিত এ সেতুর ওপরের স্তরে চার লেনের সড়কপথ এবং নিচের স্তরে একটি একক রেলপথ রয়েছে। পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীর অববাহিকায় ৪২টি পিলার ও ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যানের মাধ্যমে মূল অবকাঠামো তৈরি হয়। সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ ১৮ মিটার।

ভূমিকম্পনপ্রবণ

পদ্মা সেতু নির্মাণে মোট খরচ হয় ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা। এসব খরচের মধ্যে রয়েছে সেতুর অবকাঠামো তৈরি, নদীশাসন, সংযোগ সড়ক, ভূমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন ও পরিবেশ, বেতন-ভাতা ইত্যাদি।

বাংলাদেশের অর্থ বিভাগের সঙ্গে সেতু বিভাগের চুক্তি অনুযায়ী, সেতু নির্মাণে ২৯ হাজার ৮৯৩ কোটি টাকা ঋণ দেয় সরকার। ১ শতাংশ সুদ হারে ৩৫ বছরের মধ্যে সেটি পরিশোধ করবে সেতু কর্তৃপক্ষ। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার কাঠামো নির্মাণের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড।


আরও খবর



এসএসসি-সমমান পরীক্ষার সংশোধিত রুটিন প্রকাশ

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৬০জন দেখেছেন
Image

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার সংশোধিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের কারণে আগামী ২৫ জুনের পরীক্ষা একদিন এগিয়ে আগামী ২৪ জুন (শুক্রবার) নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত সংশোধিত রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত রুটিনে বলা হয়েছে, এসএসসি পরীক্ষা ২০২২ এর ২৫ জুন শনিবার নির্ধারিত ইংরেজি (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্র বিষয়ের পরীক্ষা একদিন এগিয়ে ২৪ জুন (শুক্রবার) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাতে কেন্দ্র সচিবদের নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী, আগামী ২৫ জুন সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসির ইংরেজি (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্র, মাদরাসা বোর্ডের দাখিলের বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং কারিগরি বোর্ডের ভোকেশনালের এসএসসি ও দাখিলের গণিত পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। ওই পরীক্ষাগুলো আগের দিন অর্থাৎ ২৪ জুন অনুষ্ঠিত হবে।

গত রোববার (১২ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় মনিটরিং ও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছিলেন, শুধু একটি পরীক্ষার (২৫ জুনের পরীক্ষাগুলোর) সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। অন্য সব পরীক্ষা নির্ধারিত রুটিন অনুযায়ী আয়োজন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশ করতে হবে। যদি কেউ নির্ধারিত সময়ের পর প্রবেশ করে তবে গেটে রেজিস্টার খাতায় বিলম্বের কারণ উল্লেখ করে ভেতরে প্রবেশ করতে হবে। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় দেওয়া হবে।

দীপু মনি বলেন, ২০২২ সালের সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষার সময় তিন ঘণ্টার বদলে দুই ঘণ্টা (বহু নির্বাচনী ২০ মিনিট ও নির্বাচনী ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট) করা হয়েছে। পরীক্ষা শেষে ৬০ দিনের মধ্যে এ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।


আরও খবর



অব্যবস্থাপনায় ভরা ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ জুন ২০২২ | ১১জন দেখেছেন
Image

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যেন অব্যবস্থাপনার পরিপূর্ণ। সমস্যায় জর্জরিত এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে চরম দুর্ভোগের শিকার হন রোগীরা। রোগীর বিছানা পরিষ্কার না করায় বেড মাটির রং ধারণ করেছে। আবার বিছানার চাদর চাইলেই আনতে বলা হয় বাড়ি থেকে। হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সটিও অসুস্থ। প্রায়ই নিতে হয় মেকানিকের কাছে। এমন অবস্থায় ক্ষুব্ধ হাসপাতালে আসা সেবা প্রত্যাশীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগের গেটেই ড্রেন। ড্রেন থেকে বের হচ্ছে দুর্গন্ধ। বহির্বিভাগের ভেতরে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে শিশু, কিশোর, নারী, পুরুষসহ প্রায় শতাধিক মানুষ। তাদের পাশে দু’চারজন ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিও রয়েছেন। সংবাদকর্মী বুঝতে পেরেই সটকে পড়েন তারা। দোতলায় উঠতে গেলে সিঁড়ির নিচে দেখা যায় ময়লার স্তূপ। ময়লা ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সিঁড়িতেও। ওয়ার্ডে গিয়ে বেশ কয়েকজনের বিছানায় দেখা যায়নি চাদর।

বহির্বিভাগের সামনে কথা হয় ঈশ্বরগঞ্জ পৌর শহরের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. বজলুর রহমানের সঙ্গে। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে শরীরে চুলকানি, তাই ডাক্তার দেখাতে এসেছিলাম। কিছু ওষুধ লিখে দিয়েছে। এরমধ্যে এক প্রকার হাসপাতাল থেকেই পেয়েছি। বাকিগুলো কিনতে বলেছে।

jagonews24

পেটের ব্যথা নিয়ে উপজেলার ঝাটিয়া ইউনিয়ন থেকে হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে এসেছেন চাঁন মিয়া।

তিনি জাগো নিউজকে বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে পেট ব্যথায় ভুগছি। গ্রামের সবাই বলেছে সরকারি হাসপাতালে গেলে টাকা ছাড়া চিকিৎসা পাওয়া যায়। ডাক্তার দেখে ওষুধ লিখে দিছে। তবে সব ওষুধ বাইরে থেকে নিতে হবে। তাহলে সরকারি হাসপাতালে এসে কী লাভ হলো?

রহিমা বেগম নামের এক বৃদ্ধা এসেছেন উপজেলার চরনিখলা থেকে। তিনি বলেন, বয়স হয়ে গেছে, এখন অনেক রোগ শরীরে বাসা বেঁধেছে। ডায়াবেটিস, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, রক্ত পরীক্ষা ও এক্সরে করাতে হবে। ভেতরে ডায়াবেটিস পরীক্ষা ও এক্সরে করার ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও সব পরীক্ষা বাইরে করাতে বলছে। এছাড়াও কিছু ওষুধ লিখে দিছে। সরকারি হাসপাতালে এসেছি ফ্রি চিকিৎসা নিতে। এখানে দেওয়ার মধ্যে এক পাতা ভিটামিন ট্যাবলেট ছাড়া আর কিছুই দেয়নি।

jagonews24

হাসপাতালের দোতলায় উঠতেই দেখা যায় সব সিট রোগীতে পরিপূর্ণ। তবে অনেকের বিছানাতেই নেই চাদর। প্রত্যেক রোগীর সঙ্গেই দুই থেকে তিনজন বাড়তি মানুষ। কেউ রোগীর বিছানায় শুয়ে, আবার অনেকে রোগীর পাশেই বসে রয়েছেন।

উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা আকলিমা আক্তার ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন। তার বোন ফাতেমা জাগো নিউজকে বলেন, যে বিছানায় রোগী রয়েছেন তা এতো নোংরা যে কোনো মানুষ শুতে পারে না। বিছানার জন্য একটি চাদর চাইলে বাড়ি থেকে আনতে বলা হয়। ভর্তির পর হাসপাতাল থেকে দুইটা ট্যাবলেট ফ্রি দিয়েছে। ক্যানোলাসহ স্যালাইন বাইরে থেকে কিনে আনতে হয়েছে।

ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের খাবারের ঠিকাদার মিন্টু জাগো নিউজকে বলেন, হাসপাতাল থেকে দেওয়া সিডিউল অনুযায়ী রোগীদের খাবার ও নাস্তা দিই। এর চাইতে বেশি কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।

jagonews24

হাসপাতালের প্রধান সহকারী আব্দুর রশিদ জাগো নিউজকে বলেন, হাসপাতালে অনেক কিছুরই অভাব আছে। সিকিউরিটি গার্ড সাতজন থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে আছে দুজন। যে কারণে হাসপাতালের ভেতরে রোগীর মোবাইল, টাকা ইত্যাদি চুরি হয়। হাসপাতালে স্টোর রুম নেই। পুরাতন একটা অ্যাম্বুলেন্স আছে, সেটাও প্রায়ই নষ্ট হয়। পরে নিজেদের টাকায় সেটি মেরামত করতে হয়।

হাসপাতালের আরএমও ডা. সুমিত কুমার সরকার জাগো নিউজকে বলেন, বহির্বিভাগে দৈনিক প্রায় ৩০০, ইমার্জেন্সিতে ১৫০ ও হাসপাতালের ৫০ বেডে সব সময় রোগী থাকে। অনেক সময় রোগী সংকুলান করা সম্ভব হয় না।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতালে ২২ জন মেডিক্যাল অফিসার, শিশু বিশেষজ্ঞ একজন, মেডিসিন কনসালট্যান্ট একজন ও সার্জারি কনসালট্যান্ট একজন (নেই), পরিসংখ্যানবিদ (নেই)। রয়েছেন ফার্মাসিস্ট দুইজন, উপসহকারী মেডিকেল অফিসার দুইজন, অর্থপেডিক্স কনসালটেন্ট একজন, গাইনি একজন, কার্ডিওলজি কনসালটেন্ট একজন, চর্ম ও যৌনরোগ বিশেষজ্ঞ একজন। এছাড়াও নাইটগার্ড দুইজন, আয়া তিনজন, ওয়ার্ড বয় একজন, মালি একজন, সুইপার দুইজন কর্মরত আছেন বলেও জানান তিনি।

jagonews24

ডা. সুমিত বলেন, হাসপাতালে এক্সরে, ডায়াবেটিস পরীক্ষা ও বিভিন্ন ধরনের রক্ত পরীক্ষা করা হয়। আল্ট্রাসনোগ্রাফি মেশিন থাকলেও সেটি অচল। ফিল্মের সংকটে বন্ধ রয়েছে এক্স'রে। তবে হাসপাতালে শিগগিরই ওটি চালু হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স বিষয়ে ডা. নুরুল হুদা বলেন, অ্যাম্বুলেন্সের জরাজীর্ণ অবস্থা। কোনো রকমে চলে। আবার রাস্তায় মাঝে মাঝে বসে যায়। প্রায় মেরামত করতে হয়, মেরামত করতে করতে আমরা ক্লান্ত। এখন মেরামতের যোগ্যতাই হারিয়ে গেছে, একটা নতুন দরকার। তাছাড়া হাসপাতালের স্টোর নেই। একটা স্টোরের প্রয়োজন। আমাদের প্রচুর যন্ত্রপাতি, ওষুধ নিয়মিত আছে, যা রাখার জায়গা নেই।

jagonews24

বহির্বিভাগে ডাক্তার দেখাতে আসা রোগীদের অভিযোগ প্যারাসিটামল ও ভিটামিন ছাড়া কোনো ওষুধ দেওয়া হয় না। এই বিষয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন অনুসারেই প্যারাসিটামল ও ভিটামিন দেওয়া হয়। তবে গ্যাস্ট্রিক, ডায়াবেটিস, প্রেসারের ওষুধ দেওয়া হয়। আমরা যে ওষুধ দিচ্ছি তার একটা খতিয়ান আছে। ডায়াবেটিসের ওষুধ প্রায় শেষ। তাহলে এগুলো যাচ্ছে কোথায়, খাচ্ছে কে? পরে তিনি ওষুধ দেওয়ার তালিকা দেখান।

তিনি বলেন, আমাদের ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির জনবল সংকট, পরিসংখ্যানবিদের পদ শূন্য। তাছাড়া স্টোর কিপার, এমএলএসএস পদও শূন্য। জরুরি বিভাগের অনেক পদও শূন্য আছে। নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না। অল্প সংখ্যক কর্মকর্তা কর্মচারী দিয়েই চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছি বলেও জানান তিনি।


আরও খবর



কদমতলীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে অটোরিকশা চালকের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৪০জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর কদমতলীর নামা শ্যামপুর বটতলা এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মো. আমির হোসেন সরদার (৫০) নামের এক অটোরিকশা চালকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১৫ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে ওই এলাকার বজলু মিয়ার রিকশার গ্যারেজে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চার্জ দেওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

আমির হোসেনের স্ত্রী বিউটি বেগম বলেন, ‘আমার স্বামী পেশায় অটোরিকশা চালক। আজ দুপুরে রিকশার গ্যারেজে অটোরিকশার ব্যাটারিতে চার্জ দেওয়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে তাকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বিউটি বেগম আরও জানান, আমির হোসেনের গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর। পেশাগত কারণে তিনি পরিবার নিয়ে কদমতলী থানার জুরাইনের নামা শ্যামপুর এলাকায় থাকতেন। তাদের পাঁচ মেয়ে।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।


আরও খবর



কাতারের কাছ থেকে স্যুটকেসভর্তি ইউরো অনুদান নেন প্রিন্স চার্লস

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

যুক্তরাজ্যের প্রিন্স চার্লস কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হামাদ বিন জসিম আল থানির কাছ থেকে তার দাতব্য কাজের জন্য স্যুটকেসভর্তি এক মিলিয়ন ইউরো অনুদান নেন বলে জানা গেছে। যুক্তরাজ্যের সানডে টাইমস-এর এক বিশেষ প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছে এ তথ্য।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি ছিল কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে প্রিন্স চার্লসের গ্রহণ করা তিনটি নগদ অনুদানের মধ্যে একটি। সর্বমোট শেখ হামাদ বিন জসিম আল থানির কাছ থেকে তিন মিলিয়ন ইউরো নিয়েছেন প্রিন্স চার্লস।

রোববার (২৬ জুন) সানডে টাইমস-এর প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, ২০১১ সাল থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে প্রিন্স চার্লস ব্যক্তিগতভাবে তিনবার নগদ অনুদান গ্রহণ করেন। এতে আরও বলা হয়েছে, ক্লারেন্স হাউসের এক বৈঠকে বিশেষ এক বাক্সে একবার অর্থ অনুদান নেন প্রিন্স। আরেকবার ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ফোর্টনাম এবং মেসনের ব্যাগে ভরে অর্থ অনুদান দেওয়া হয়।

তবে ওই অনুদান গ্রহণ অবৈধ ছিল কি না, সেই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি, বলছে সানডে টাইমস।

ক্লারেন্স হাউস এক বিবৃতিতে জানায়, শেখ হামাদ বিন জসিম আল থানির কাছ থেকে প্রাপ্ত অনুদান অবিলম্বে প্রিন্স চার্লসের দাতব্য প্রতিষ্ঠানের একজনের কাছে পাঠানো হয়েছিল। এতে আরও বলা হয়, সমস্ত সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে করা হয়েছে।

প্রিন্স অব ওয়েলসের ‘চ্যারিটেবল ফান্ড’ ১৯৭৯ সালে গঠন করা হয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ নিয়ে কাজ করা হয় এই ফান্ডের মাধ্যমে। প্রিন্স চার্লস দাতব্য সংস্থার বিরুদ্ধে অনুদানের বিনিময়ে এক সৌদি দাতাকে যুক্তরাজ্যের সম্মান ও নাগরিকত্ব পাওয়ার বিষয়ে সাহায্য করার অভিযোগ ওঠে। এরপর প্রিন্স চার্লসের দাতব্য সংস্থাগুলোতে অনুদানের বিষয়টি সম্প্রতি তদন্তের আওতায় আসে। দাতব্য সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ ও তদন্তের প্রসঙ্গ আসায় ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী মাইকেল ফসেট গত নভেম্বরে পদত্যাগ করেছিলেন।

তদন্তে পাওয়া গেছে, মাইকেল ফসেট ধনকুবের ব্যবসায়ী মাহফুজ মারেই মুবারক বিন মাহফুজের জন্য সম্মানসূচক সিবিইর জন্য ‘ফিক্সারদের’ সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। তবে তদন্তে আরও পাওয়া যায়, এসব যোগাযোগের বিষয়ে ট্রাস্টিরা অবগত ছিলেন এমন কোনো তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

উপসাগরীয় রাষ্ট্র কাতার সারা বিশ্বে তার দাতব্য কাজের জন্য সুপরিচিত। কাতার চ্যারিটি, দেশের বৃহত্তম এনজিও, অক্সফাম, কেয়ার, ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম, ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট, ইউনাইটেড নেশনস চিলড্রেনস ফান্ড এবং ইউনাইটেড নেশনস হাই কমিশনার ফর রিফিউজির সঙ্গেও কাজ করেছে। এ ছাড়া ইসরায়েলের হামলার পর অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা পুনর্গঠনে সহায়তার জন্য বিলিয়ন ডলার অর্থ প্রদানসহ যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোকে কাতার কয়েক বছর ধরে অনুদান দিয়ে আসছে।

সূত্র: বিবিসি, আল-জাজিরা


আরও খবর