Logo
শিরোনাম

‘নদী রক্স’র জন্য সুমির ঘরে দুই পুরস্কার

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
Image

জলবায়ু ও নদীর ভালোবাসার টানে জনপ্রিয় সাত ব্যান্ডকে নিয়ে একটি প্রজেক্ট করেছিলেন ‘চিরকুট’ ব্যান্ডের গায়িকা শারমিন সুলতানা সুমি। ‘সল্ট ক্রিয়েটিভস’-এর ব্যানারে ‘নদী রক্স’ নামে এই প্রজেক্টের সিজন ওয়ানে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ৭টি নদীর নামে গানগুলো ইউটিউব এবং ফেসবুকে শোনা যাচ্ছে। সময়োপযোগী ও আলোচিত প্রজেক্টটি এবার ‘সোশাল’ এবং ‘নেটিভ’ দুই ক্যাটাগরিতে ‘বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম অ্যাওয়ার্ড’ জিতে নিলো।

শনিবার (১৩ আগস্ট) রাতে রাজধানীর একটি পাঁচতারা হোটেলে এক আড়ম্বর আয়োজনের মাধ্যমে বিজ্ঞাপনী সংস্থা ‘সল্ট ক্রিয়েটিভস’-টিমের হাতে এই পুরস্কার দুটি তুলে দেওয়া হয়।

এমন প্রাপ্তিতে বেশ উচ্ছ্বসিত শারমীন সুলতানা সুমী। তিনি বলেন, “জলবায়ুর এই বৈশ্বিক দুর্যোগে নদীমাতৃক বাংলাদেশের সন্তান হিসেবে মৃতপ্রায় নদীগুলোর প্রতি যত্নবান হতে গানে গানে তারুণ্যকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের বিশেষ পথচলা ‘নদীরক্স’। আজকের এই বিচ্ছিন্নতার সময়ে তারুণ্যকে নদী আর প্রকৃতিমুখী করা, ভালোবাসায় উদ্বুদ্ধ করা, যত্নবান করাই আমাদের লক্ষ্য। কারণ তারাই আমাদের আগামী।”

এই ধরনের একটি সময়োপোযোগী সামাজিক উদ্যোগকে বিশেষ স্বীকৃতি দেয়ায় ব্র্যান্ড ফোরাম এবং জুরিদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান সুমি।

উল্লেখ্য, প্রথমবারের মতো নদী নিয়ে ‘নদীরক্স’ সিজন ওয়ানে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ৭টি নদীর নামে গান করেছে দেশের জনপ্রিয় ৭ ব্যান্ড। গানগুলো নদীরক্সের ইউটিউব এবং ফেসবুক পেজে শোনা যাচ্ছে। এছাড়া আইসিটি মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে ‘নদীরক্স’ অ্যাপেও পাওয়া যাচ্ছে। সল্ট ক্রিয়েটিভসের এই উদ্যোগের সহযোগিতা করছে বাংলাদেশে অবস্থিত সুইজারল্যান্ড দূতাবাস এবং ‘মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’।


আরও খবর

রাজ্য আমার জীবন: পরীমনি

সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২

এবার ভিন্ন চরিত্রে প্রভা

সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২




চীনে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯৩

প্রকাশিত:সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | ১৯জন দেখেছেন
Image

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৯৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জীবিতদের উদ্ধারে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চলছে। রিখটার স্কেলে ওই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৮। ২০১৭ সালের পর ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে আরও বহু মানুষ আহত হয়েছে। ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত সপ্তাহে সিচুয়ান প্রদেশে ওই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এতে প্রদেশের গাঞ্জে তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উদ্ধারকর্মীদের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এখন পর্যন্ত ২৫ জন নিখোঁজ রয়েছে।

ভারি বর্ষণ এবং ভূমিধসের ঝুঁকি থাকায় জীবিত ও মরদেহ উদ্ধারে তল্লাশি ও উদ্ধারকাজ ব্যহত হচ্ছে। এছাড়া বহু মানুষ অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপের তথ্য অনুযায়ী, সিচুয়ান প্রদেশের কাংডিং শহরের প্রায় ৪৩ কিলোমিটার (২৬ মাইল) দক্ষিণ-পূর্বে ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।

সিচুয়ান প্রদেশের রাজধানী চেংডু এবং চোংকিংসহ কাছাকাছি বিভিন্ন এলাকায় ভূমিকম্পের পর বেশ কয়েকবার আফটার শক অনুভূত হয়। সেখানে ইতোমধ্যেই লাখ লাখ মানুষ করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউনের আওতায় রয়েছে। ফলে লোকজন নিজেদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে যাওয়ার অনুমতি পাননি।

চীনের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প একটি স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্পপ্রবণ হয়ে উঠেছে।

এর আগে ২০০৮ সালে সিচুয়ানের ওয়েনচুয়ান কাউন্টিতে ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কয়েক হাজার মানুষ মারা যায়। সে সময় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। গত জুনেও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে দুই দফায় ভূমিকম্পে অন্তত চারজন নিহত ও কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়।

এদিকে চেংডুর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এক ঘোষণায় জানিয়েছে, যেসব জেলায় নতুন করে কোভিড সংক্রমণ ধরা পড়বে না সেখানে সোমবার থেকে লকডাউন তুলে নেওয়া হবে। বর্তমানে ওই প্রদেশের ২ কোটি ১০ লাখের মতো মানুষ লকডাউনের আওতায় রয়েছে। নতুন করে ওই শহরে ১৪৩টি কেস শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশিই উপসর্গহীন।


আরও খবর



দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি সহযোগিতায় অগ্রাধিকার

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2 | ৩১জন দেখেছেন
Image

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারির পর ইউক্রেন-রাশিয়া সংকট বিশ্ব অর্থনীতিতে টেনে এনেছে মন্দা। যার জের খাদ্য-পোশাক থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ-জ্বালানি পর্যন্ত সবক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে প্রতিবেশীসহ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক মিত্রদের সহযোগিতার দিকে ঝুঁকতে হচ্ছে ভুক্তভোগী দেশগুলোকে। এমনই এক প্রেক্ষাপটে চারদিনের সরকারি সফরে সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে ভারতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমান পরিস্থিতিতে তার এ সফরকে ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ঢাকার কূটনীতিকরা আশা করছেন, এ সফরে দু’দেশের মধ্যে এমন কিছু পারস্পরিক সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা আছে, যা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বা নীতি নির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

বৈশ্বিক সমস্যারই অংশ হিসেবে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতও সম্প্রতি অস্থির অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ-জ্বালানিই যেহেতু পণ্যের উৎপাদন থেকে শুরু করে সরবরাহ পর্যন্ত সবক্ষেত্রে জড়িত, সেহেতু এ খাতের অস্থিরতা প্রভাব ফেলছে অন্যান্য ক্ষেত্রেও। বিশেষ করে নিত্যপণ্যের বাজারসহ মৌলিক বিষয়গুলোতে এ প্রভাব দৃশ্যমান। এজন্য সরকারের নীতি-নির্ধারকরা বিদ্যুৎ-জ্বালানির অস্থিরতা দূরীকরণের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, প্রধানমন্ত্রীর সফরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে আলোচনা হতে পারে, তবে ঢাকা সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতার বিষয়টিতে। এছাড়া প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার বিষয়টিও থাকবে অগ্রাধিকার তালিকায়।

আরও পড়ুন>> ৫ সেপ্টেম্বর ভারত যাচ্ছেন শেখ হাসিনা, স্বাগত জানাবেন মোদী

প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগের দিন রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমও দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন।

সফরকালে সাতটি সমঝোতা স্মারক বা চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন ড. মোমেন। তার ভাষ্যে, এসব চুক্তি বা সমঝোতা স্মারক পানি ব্যবস্থাপনা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, রেলওয়ে, আইন, তথ্য ও সম্প্রচার প্রভৃতি ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্পর্কিত।

তবে জ্বালানি ক্ষেত্রে সহযোগিতার কথা উঠে এসেছে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কথায়। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সংবাদ সম্মেলনে জানান, জ্বালানি ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বিদ্যমান। তৃতীয় কোনো দেশের তেল ভারতের মাধ্যমে কেনার কোনো পরিকল্পনা এই মুহূর্তে নেই। তবে আমরা ভারতের তেল নিতে পারি। জ্বালানি সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে সেদেশের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে।

কূটনৈতিক সূত্র মতে, সমঝোতা স্মারক বা চুক্তি সাতটিও হতে পারে, তার কম বা বেশিও হতে পারে। তবে আলোচনার অগ্রভাগে জ্বালানি সহযোগিতার বিষয়টি থাকবে বলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর কথায় স্পষ্ট।

বর্তমানে ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামের গৌহাটি থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর পর্যন্ত হাইস্পিড ডিজেল আসছে ট্রেনের মাধ্যমে। সেখান থেকে এই জ্বালানি সহজে সরবরাহের লক্ষ্যে চলছে ‘বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন’ নির্মাণকাজ। এটির নির্মাণকাজ শেষ হলে আরও টেকসইভাবে ভারত থেকে জ্বালানি তেল আসার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

কূটনীতিকরা বলছেন, বাংলাদেশে জ্বালানি রপ্তানির আগ্রহ আছে ভারতের। সংকট মোকাবিলায় ভারতের সঙ্গে জ্বালানিখাতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা চায় বাংলাদেশও। এক্ষেত্রে ভারতের পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে জ্বালানি উদ্বৃত্ত থাকলে সেটা নিতে প্রচেষ্টা চালাবে ঢাকা। নির্মাণাধীন পাইপলাইন এক্ষেত্রে রাখবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। প্রধানমন্ত্রীর সফরে এই বিষয়টিই আলোচনার টেবিলে অগ্রাধিকার পেতে পারে।

নয়াদিল্লির কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, এই সফরে সরকারপ্রধান পর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পাশাপাশি যেসব শীর্ষ বৈঠক হবে, সেখানে উভয়পক্ষের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট সব বিষয় নিয়েই আলোচনা হবে। যার মধ্যে থাকবে অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন ও ব্যবস্থাপনা, সীমান্ত নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতা, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা, উন্নয়ন সহযোগিতা, সাংস্কৃতিক সহযোগিতা এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগের বিষয়ও। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়াদির পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে বিদ্যমান অস্থিতিশীলতা ও ক্ষতিগ্রস্ত সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হবে বৈঠকে।

সূত্র মতে, ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতিতে সর্বাগ্রে থাকে বাংলাদেশ। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতেও সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সবার আগে বিবেচনা করে নয়াদিল্লি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে তারই কিছু দৃষ্টান্ত দেখা যেতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি
প্রধানমন্ত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে সোমবার সকাল ১০টায় নয়াদিল্লির উদ্দেশ্যে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন। ফ্লাইটটি দুপুর ১২টায় নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

বিমানবন্দরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতের রেল ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী দর্শনা বিক্রম এবং ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহাম্মদ ইমরান অভ্যর্থনা জানাবেন। শেখ হাসিনার সম্মানে বিমানবন্দরে একটি লাল গালিচা বিছানো হবে। এ সময় সেখানে ৬-৭ সদস্যের একটি সাংস্কৃতিক দল স্বাগত নৃত্য পরিবেশন করবে। পাশাপাশি বাজবে বাদ্যযন্ত্র।

প্রধানমন্ত্রী সফরের দ্বিতীয় দিন ৬ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘হায়দরাবাদ হাউস’-এ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা এবং একান্ত বৈঠক করবেন। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পর দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক বা চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী একটি যৌথ প্রেস বিবৃতি দেবেন।

ওই দিনই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখাড়ের সঙ্গে পৃথক সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। পাশাপাশি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় শহীদ বা গুরুতর আহত ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তাদের উত্তরসূরীদের ‘মুজিব বৃত্তি’ প্রদানের অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী ৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ফিরবেন।


আরও খবর



প্রতিটি সংকটে দলের পাশে ছিলেন সাজেদা চৌধুরী: কাদের

প্রকাশিত:সোমবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৪ অক্টোবর ২০২২ | ৬৮জন দেখেছেন
Image

দেশের রাজনীতির বড় অধ্যায়জুড়ে ছিলেন সাজেদা চৌধুরী। প্রতিটি সংকটে দলের পাশে ছিলেন এবং তিনি ছিলেন শেখ হাসিনার অত্যন্ত বিশ্বস্ত সহকর্মী।

সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও জাতীয় সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর পর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ছিলেন স্বাধিকার, স্বাধীনতার সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের অগ্রসৈনিক। স্বাধীনতা-পরবর্তী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেশ পুনর্গঠন, রক্তাক্ত ১৫ আগস্ট, ৩ নভেম্বর প্রতিটি সংকটে তিনি দলের পাশে ছিলেন। তার শূন্যতা পূরণ হবার নয়।

এদিন দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মরদেহে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে দলের নেতারা শ্রদ্ধা জানান। এর আগে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরিন শারমিন চৌধুরী।

এসময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, ড. হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রোববার দিনগত রাত ১১টা ৪০ মিনিটে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মারা যান সাজেদা চৌধুরী। ১৯৩৫ সালের ৮ মে মাগুরা জেলায় মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

১৯৫৬ সাল থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন সাজেদা চৌধুরী। ১৯৬৯-১৯৭৫ সময়কালে তিনি বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে কলকাতা গোবরা নার্সিং ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।

১৯৭২-১৯৭৫ সময়কালে বাংলাদেশ নারী পুনর্বাসন বোর্ডের পরিচালক, ১৯৭২-১৯৭৬ সময়কালে বাংলাদেশ গার্ল গাইডের ন্যাশনাল কমিশনার এবং ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯২ সাল থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক প্রদত্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেন আওয়ামী লীগের এ প্রবীণ নেতা।


আরও খবর



দুর্ঘটনাকবলিত পিকনিকের বাসকে জরিমানা চসিকের

প্রকাশিত:সোমবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2 | ২৯জন দেখেছেন
Image

 

দুর্ঘটনায় পড়ে দুইটি ল্যাম্পপোস্ট ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগে চট্টগ্রাম মহানগরীর বাকলিয়ায় দুর্ঘটনাকবলিত একটি বাস থেকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। বাসটি শরীয়তপুর থেকে কক্সবাজারে পিকনিকে যাচ্ছিল।

শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে দুর্ঘটনা ঘটলেও রাত ১১টায় ক্ষতিপূরণের টাকা পরিশোধের পর বাসটি থানা থেকে ছাড়া হয়। এরপর রাতেই কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন পিকনিকের যাত্রীরা। তবে, বাসের কোনো যাত্রীকে ওইসময় আটক করা হয়নি এবং বাসটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থীও ছিল না বলে দাবি করেন বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম।

রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে ওসি আবদুর রহিম জাগো নিউজকে বলেন, শরীয়তপুর জেলা থেকে কিছু লোক বাসে করে কক্সবাজার যাচ্ছিল। শনিবার ভোরে বাকলিয়া থানার কল্পলোক আবাসিক এলাকার সামনে বাসটি ডিভাইডারে তুলে দেয় চালক। এসময় ডিভাইডারে লেগে চাকা পাংচার হয়ে যায়। এসময় বাসটি রাস্তার সড়ক বাতির পোলে আঘাত করে। এতে দুইটি পোল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসময় বাকলিয়ার টহল দল ঘটনাস্থলে ছিল। রাস্তাটি সড়কের মধ্যখানে থাকায় সড়কে যানজট সৃষ্টি হচ্ছিল। তখন ক্রেন দিয়ে বাসটি সরিয়ে নেওয়া হয়। ওই বাসের কোনো যাত্রী আহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তখন পুলিশের পক্ষ থেকে বাসের যাত্রীদের অন্য গাড়িতে করে কক্সবাজার চলে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়। কিন্তু যাত্রীরা দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি নিয়ে কক্সবাজার যেতে চায়।

ওসি বলেন, রোববার আমি সারাদিন মিটিংয়ে ছিলাম। মিটিং থেকে ফিরে সন্ধ্যায় আমার স্যার ফোন করে বললেন, ‘কাউকে আটক রাখছো নাকি? ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছেলেপিলে? আমি বললাম- নাতো স্যার। খুব সম্ভব শাকিল নামের একজন ছেলে (বাসটির যাত্রী), সে-ই সবাইকে মিসগাইড করছিল। ও-ই ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছাত্র নয়। ওই বাসে ঢাকা ইউনিভার্সিটির কোনো ছাত্রই ছিল না। শাকিল নামে ওই ছেলের সঙ্গে ইউনিভার্সিটির কোন বড় ভাইয়ের সম্পর্ক রয়েছে। ওইখান থেকে সবাইকে ফোন দেওয়ানো হচ্ছিল। আমি স্যারকে (কমিশনার) বললাম- স্যার বাসের কাউকে আটক করা হয়নি। ওরা ২৩ জন। অন্য বাসে চলে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছিল। তার যাননি।’

ওসি বলেন, ‘দুপুরে তারা খাবার না খাওয়ায় পুলিশের কেন্টিন থেকে ডাল ডিম দিয়ে সবাইকে ভাতও খাওয়ানো হয়েছিল। পরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। জিডিতে পোল নষ্ট হওয়ায় ১ লাখ ৬৭ হাজার টাকা ক্ষতির কথা উল্লেখ করেন। ল্যাম্পপোস্টগুলো জাইকার একটি প্রজেক্ট থেকে বসানো হয়েছে। এখনো সিটি করপোরেশনকে হস্তান্তরও করা হয়নি বলে জানানো হয়। এরপর বাসের যাত্রীরা নিজেরাই সমঝোতা করার চেষ্টা করেন। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। আমরা বললাম, ক্ষতিপূরণ দিলে বাসের মালিক কিংবা ড্রাইবার দেবেন। যাত্রীরা দেবেন কেন? যাত্রীদের কাছে অত টাকাও না থাকতে পারে। তারপরেও যাত্রীরা সিটি করপোরেশনের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে ৮০ হাজার টাকায় আপস করে ফেলেন। পরে বাসটি করে চলে যায়। আমরা এরমধ্যে কোনো যাত্রীকে আটক করিনি।’


আরও খবর



আমি মানসিকভাবে অসুস্থ, সব বিষয়ে কথা বলবো: আল-আমিন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০২ অক্টোবর 2০২2 | ৫৬জন দেখেছেন
Image

যৌতুক দাবি ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের স্ত্রীর দায়ের করা মামলার বিষয়ে কথা বলতে রাজী হনননি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার আল-আমিন হোসেন। তবে এ সময় তিনি বলেন, আমি মানসিক ভাবে অসুস্থ। আর মামলাসহ যাবতীয় সব বিষয়ে গণমাধ্যমে কথা বলবো বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর)।

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ থেকে জামিন পাওয়ার পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় তাকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে প্রশ্ন তোলে আল আমিন বলেন, একজনের বিষয়ে লিখলে জেনে লেখা উচিত। তখন সাংবাদিকরা তার বিরুদ্ধে করা মামলা মিথ্যা কিনা জানতে চাইলে বলেন, আমি মানসিক ভাবে অসুস্থ। সব বিষয়ে আগামীকাল কথা বলবো।

এর আগে যৌতুক দাবি ও নির্যাতনের অভিযোগে স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় হাইকোর্টে আট সপ্তাহের আগাম জামিন পেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার আল-আমিন হোসেন। আট সপ্তাহ পরে তাকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আত্মসর্মপণ করার জন্য বলেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ বিষয়ে শুনানি শেষে জামিন মঞ্জুর করেন। জামিনের বিষয়ে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহাবুব। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার মো. আশরাফুল ইসলাম।

এর আগে সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) জামিন আবেদন করেন আল-আমিনের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. আশরাফুল ইসলাম।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ফ্ল্যাটের মূল্য পরিশোধের জন্য স্ত্রী ইসরাত জাহানের কাছে ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন ক্রিকেটার মো. আল-আমিন হোসেন। টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় স্ত্রীকে মারধর করেন তিনি। পরে এসব অভিযোগে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন তার স্ত্রী ইসরাত। পরে তা মামলা আকারে নথিভুক্ত করা হয়।

ক্রিকেটার আল আমিন ও ইসরাত জাহান দম্পতির দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে। তারাও মায়ের সঙ্গে থানায় এসেছিল।

এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন, মারধর ও বাচ্চাসহ বের করে দেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পেসার আল আমিন হোসেনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২১ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান মামলার এজহার গ্রহণ করে এদিন ধার্য করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) স্ত্রী ইসরাত জাহানের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) মামলা আকারে নথিভুক্ত করে মিরপুর মডেল থানা।


আরও খবর