Logo
শিরোনাম

নতুন গভর্নরের নেতৃত্বে একসঙ্গে কাজ করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক-বিএসইসি

প্রকাশিত:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | ৪৭জন দেখেছেন
Image

নতুন গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ঘনিষ্ঠ ও নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে বিএসইসি।

শনিবার (১১ জুন) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। বিএসইসির পক্ষে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম এই বিবৃতি পাঠিয়েছেন।

এতে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারের উন্নয়নে দেশের আর্থিকখাতের প্রধান দুই নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের মধ্যে সমন্বয়ের কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে আব্দুর রউফ তালুকদারের যোগ্য ও কুশলী নেতৃত্বে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আরও ঘনিষ্ঠ ও নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করবে এবং দেশের অর্থনীতিতে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

নতুন গভর্নরকে অভিনন্দন জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, করোনা মহামারির মহাসংকটকালে বিশ্ব অর্থনীতি যখন স্তিমিত, তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জীবন ও জীবিকার সমন্বয় করে দেশকে যেভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন তা আজ বিশ্বে অনুকরণীয় ও প্রশংসনীয়।

‘আর প্রধানমন্ত্রীর উদ্ভাবনী নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় করোনাকালীন দেশের অর্থনীতির ক্রান্তিকালে অর্থনীতি চাঙা করার জন্য বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজ তৈরি ও দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার।’

এতে আরও বলা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্কার প্রক্রিয়া বিশেষ করে বাজেট সংস্কার, সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, অবসরভোগী সরকারি চাকুরেদের ইএফটির মাধ্যমে পেনশন প্রদান এবং সঞ্চয়পত্রের অটোমেশনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অনস্বীকার্য। তারই স্বীকৃতি হিসেবে ২০২১ সালে ‘ন্যাশনাল ইন্টিগ্রিটি অ্যাওয়ার্ড’ পান আব্দুর রউফ তালুকদার।

বিএসইসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব হিসেবে আব্দুর রউফ তালুকদার সর্বদা পুঁজিবাজারবান্ধব নেতৃত্ব প্রদান করেছেন। দেশের পুঁজিবাজারের ক্রমবর্ধমান বিকাশে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ‘বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেট ডেভেলপমেন্ট কনফারেন্স- ২০২১’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ও প্যানেল আলোচক হিসেবে বক্তব্য রেখে তিনি পুঁজিবাজারের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন।

বিএসইসি জানায়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারসহ অর্থনৈতিক বিভিন্ন খাতের সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কর্তৃক যুক্তরাষ্ট্র ও সুইজারল্যান্ডে আয়োজিত রোড শো’তে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের ইতিবাচক ব্র্যান্ডিং তুলে ধরতে আয়োজিত রোড শো-গুলোতে আব্দুর রউফ তালুকদারের আন্তরিক অংশগ্রহণ দেশের পুঁজিবাজার তথা সামগ্রিক অর্থনীতির প্রতি তার দায়বদ্ধতার প্রমাণ দেয়।


আরও খবর



বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে নতুন প্রকল্পে অর্থায়ন করতে চায় জেবিআইসি

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের নতুন নতুন প্রকল্পে অর্থায়ন করতে চায় জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি)।

বুধবার (২৭ জুলাই) সকালে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জেবিআইসির সদর দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে জেবিআইসি গভর্নর হায়াশি নবুমিৎসু এ আগ্রহের কথা জানান। এ সময় তারা পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, জেবিআইসির গভর্নর বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের নতুন নতুন প্রকল্পে অর্থায়ন করার আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজতর করা উচিত। বাংলাদেশে জাপানিজ কোম্পানি ও ব্যবসায়ীদের কাজ করার আগ্রহ বাড়ছে। অবশ্যই জেবিআইসির অর্থায়ন বাংলাদেশে বৃদ্ধি পাবে।

প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশে জেবিআইসির অফিস থাকা প্রয়োজন। বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন, বিতরণ, ভূগর্ভস্থ বিতরণ ব্যবস্থা, জিআইএস সাব-স্টেশন, চর বা দুর্গম এলাকায় বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা, স্মার্ট মিটার, ভাসমান সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ, সোলার গ্রিড, উচ্চ ক্ষমতার বিতরণ নেটওয়ার্ক প্রভৃতি উপখাতে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারকে আমরা সব সময় স্বাগত জানাই।

এ সময় গ্যাস মিটার, হরিপুর রি-পাওয়ারিং প্রকল্প, কয়েকটি কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র, এলএনজি টার্মিনাল, এলএনজিভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, নবায়ণযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ ও অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা হয়।

২০২০ সালের ১৭ ডিসেম্বর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাথে জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশনের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্প ও কার্যক্রমে অর্থায়নই এ সমঝোতা স্মারক চুক্তির মূল লক্ষ্য। সমঝোতা স্মারকের আওতায় এলএনজি, গ্যাস ভ্যালু চেইন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবিদ্যুৎ ও জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ জ্বালানির সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রভৃতি খাতের বিভিন্ন উপখাতে সহযোগিতা ও অর্থায়নের বিষয় রয়েছে।


আরও খবর



ইঞ্জিনিয়ার-শিক্ষকও জড়াচ্ছেন ছিনতাইয়ে

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ আগস্ট ২০২২ | জন দেখেছেন
Image

একজন পেশায় ইঞ্জিনিয়ার, একজন শিক্ষক। দুজনই চাকরি করতেন নিজ নিজ ক্ষেত্রের প্রতিষ্ঠানে। করোনাকালে কারও বেতন কমে, কারও চাকরি চলে যায়। অভাব-অনটন কিংবা বেঁচে থাকার তাগিদে তারা যুক্ত হন অপরাধ জগতে। ক্রমে হয়ে ওঠেন পেশাদার ছিনতাইকারী। বাইক ব্যবহার করে লাখ লাখ টাকা ছিনতাই হয়ে ওঠে তাদের কাছে সহজ শিকার। এই দুই পেশা ছাড়াও চিকিৎসক কিংবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও ছিনতাইয়ের মতো সামাজিক অপরাধে জড়িয়ে পড়ার রেকর্ড নথিভুক্ত হয়েছে পুলিশের কাছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ইদানীং ছিনতাইয়ে জড়িয়ে পড়ছেন ইঞ্জিনিয়ারিং ও শিক্ষকতার মতো পেশার লোকজনও। পেশাজীবী থেকে এসব ব্যক্তি হয়ে উঠেছেন পেশাদার ছিনতাইকারী। রাজধানীর ধানমন্ডির একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করেন আশরাফুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। তিনি বেশ কয়েকটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেছেন। করোনাকালে বেতন কমে যাওয়াসহ নানান কারণে জড়িয়ে পড়েন ছিনতাইয়ে। এখন তিনি পুরোদস্তুর পেশাদার ছিনতাইকারী।

মাসুদ রানা হাওলাদার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। স্কুলে পাঠদানের পাশাপাশি কোচিং সেন্টারেও ইংরেজি পড়াতেন। কিন্তু করোনার মধ্যে স্কুল ও কোচিং সেন্টারের চাকরি হারান তিনি। হঠাৎ করেই তার জীবনে নেমে আসে অভাব ও হতাশা। একপর্যায়ে একটি ছিনতাইচক্রে যোগ দেন। বাড্ডা, রামপুরা, খিলক্ষেতসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই করে বেড়ান তিনি।

গত বছরের ডিসেম্বরে মিরপুরের পল্লবী থানা এলাকায় এক সরকারি কর্মকর্তার ১১ লাখ টাকা ও পরে মোহাম্মদপুরে আরেক সরকারি কর্মকর্তার ২৩ লাখ টাকা ছোঁ মেরে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যান দুই ছিনতাইকারী। এ দুই ঘটনার পর অভিযানে নামে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এতেই বেরিয়ে আসে ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িতদের পরিচয়। শুধু ইঞ্জিনিয়ার ও শিক্ষকই নন, এ তালিকায় রয়েছেন ডাক্তার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও।

পেশাজীবীদের ছিনতাইয়ে জড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি ব্যতিক্রম বলে মনে করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা। ঢাকা মেট্রোপলিটন (ডিএমপি) পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার জাগো নিউজকে বলেন, ‘সমাজের প্রথমসারির পেশার যেসব ব্যক্তি ছিনতাইয়ে যুক্ত হয়েছেন তাদের দিয়ে ওইসব পেশায় জড়িত অন্যদের বিচার করা যাবে না। আমরা ব্যতিক্রমী কয়েকটি ঘটনা পেয়েছি। একেকজন একেক কারণে ছিনতাইকারীদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নিয়ে বিশেষ পেশায় যুক্ত হলেই কোনো ব্যক্তি চারিত্রিক বা মানবিক হবেন এমনটি নয়। কারণ আমাদের দেশে মানবিকতা, সামাজিকতা ও সততার শিক্ষা তেমনটা নেই। আবার সব পেশায় সবাই ভালো আছেন তাও নয়। যারা আর্থিকভাবে ভালো নেই তারাই অপরাধ পুঁজি করে বেঁচে থাকতে চান। আবার মাদকাসক্ত ব্যক্তি যে পেশায়ই যান না কেন তিনি ছিনতাইসহ নানা ধরনের অপকর্মে জড়িয়ে পড়েন।

ইঞ্জিনিয়ার-শিক্ষকও জড়াচ্ছেন ছিনতাইয়ে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ মো. তৌহিদুল হক জাগো নিউজকে বলেন, ‘একজন মানুষ গড়ে ওঠার সময় যদি অসদুপায় অবলম্বন করেন কিংবা আশপাশে নৈরাজ্য ও অনৈতিকতা দেখে বড় হন তাহলে তার মধ্যে অপরাধ কর্মকাণ্ড সংগঠনের প্রবণতা থাকবেই। ফলে কেউ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা শিক্ষক হলেই চারিত্রিকভাবে ভালো হবেন কিংবা মর্যাদাবান ব্যক্তি হবেন তা বলা যাবে না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এডুকেশনাল অ্যান্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. মেহ্জাবীন হক জাগো নিউজকে বলেন, ‘একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তির মস্তিষ্ক ভালো-মন্দের পার্থক্য করতে পারে না। তারা মূলত এমনভাবে বেড়ে ওঠেন যেখানে ন্যায়-অন্যায় বোধ কাজ করে না।’

সমাজের উচ্চশিক্ষিত ও সমাজে প্রচলিত ভালো পেশার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ছিনতাইয়ের মতো এমন অপরাধের জন্য পরিবার ও শিক্ষাপদ্ধতিকেই বেশি দায়ী করেন এ মনোবিজ্ঞানী।

অধ্যাপক ড. মেহ্জাবীন হক আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের শিশুরা একটি প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে বড় হয়। অনেক সময় শিশুদের আমরা মানবিক শিক্ষা নয় অসুস্থ প্রতিযোগিতা কিংবা অন্যায় করে ভালো করার মানসিকতা তৈরি করে দিচ্ছি। ছোটবেলা থেকে মা-বাবা ও পরিবারের অন্য কাউকে দেখে বড় হয়ে যখন কেউ উচ্চশিক্ষা নিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে তখন তাকে নৈতিকতা শেখানোটা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে অনেকে নাম করা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার কিংবা শিক্ষক হওয়ার পরও অসদুপায় অবলম্বন করছেন।’

এ পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার বিষয়ে অধ্যাপক মো. তৌহিদুল হক বলেন, ‘সামগ্রিকভাবে সমাজের মানুষকে ভালো রাখার জন্য সমাজে গ্রহণযোগ্য বিষয়গুলোর চর্চা করা দরকার। এর মধ্যে বৈষম্যের জায়গাটা কমাতে হবে। মাদক বিস্তারের প্রবণতা কমাতে হবে। একজন অবৈধভাবে অর্থোপার্জন করে খুব বেশি এগিয়ে যাচ্ছেন আরেকজন কিছুই করতে পারছেন না। এ বিষয়গুলোতে যদি রাষ্ট্র নীরব ভূমিকা পালন করে তাহলে এমন পরিস্থিতি থেকে কখনোই মুক্তি মিলবে না বরং বাড়বে। জনগণকে স্বাভাবিক ও নিশ্চিত জীবনযাত্রার পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। রাষ্ট্রকে সে ধরনের কর্মসূচি নিতে হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার তুলনায় নৈতিকতায় জোর দিতে হবে।’


আরও খবর



ঘন ঘন পেশা বদলিয়েও শেষ রক্ষা হলো না নজরুলের

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ আগস্ট ২০২২ | ১৭জন দেখেছেন
Image

পরিচয় গোপন করতে কখনো সবজি বিক্রেতা, ভ্যান-রিক্সা চালক আবার কখনো হোটেল কর্মচারী হিসাবে কাজ করেছেন। এক জায়গায় বেশি দিন থাকেননি। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হলো না। সাত বছর পর র‌্যাবের হাতে ধরা পড়েছেন মানিকগঞ্জের চাঞ্চল্যকর ইদ্রিস আলী হত্যা মামলার মৃত্যদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নজরুল ইসলাম (৪২)।

রোববার (৩১ জুলাই) দুপুরে র‌্যাব-৪ মানিকগঞ্জ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নজরুল ইসলামের গ্রেফতারের বিষয়টি জানান লে. কমান্ডার আরিফুর রহমান।

তিনি বলেন, শনিবার (৩০ জুলাই) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাভারের হেমায়েতপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার এড়াতে তিনি সাভার, আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ছিলেন। পরিচয় গোপন করতে ঘন ঘন পেশা বদলাতেন। কখনও সবজি বিক্রিতা, রিকশা চালক, হোটেল কর্মচারীসহ বিভিন্ন পেশায় কাজ করেছেন।

লে. কমান্ডার আরিফুর রহমান আরও জানান, ২০১১ সালের ২৮ নভেম্বর হরিরামপুর উপজেলার কদমতলি গ্রামের রিকশা চালক ইদ্রিস আলী খুন হন। স্ত্রীর পরকীয়ায় বাধা দেওয়ার তাকে প্রথমে গলায় নাইলনের রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর জবাই করা হয়।

এ মামলায় ২০১৬ সালে মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত ইদ্রিসের স্ত্রী সেলিনা আক্তার ও পরকীয়া প্রেমিক নজরুল ইসলামকে মৃত্যদণ্ড দেন।

গ্রেফতার নজরুল ইসলামকে হরিরামপুর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।


আরও খবর



বড় চ্যালেঞ্জের মুখে কৃষি: মন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২০ জুলাই ২০22 | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ আগস্ট ২০২২ | ২০জন দেখেছেন
Image

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘বাংলাদেশের কৃষিতে অনেক অর্জন রয়েছে। তবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি, ভূমি ও পানির ঘাটতি, উন্নত প্রযুক্তির অভাব, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণে পিছিয়ে থাকা, জলবায়ুর পরিবর্তন মোকাবিলা, দুর্বল মার্কেট লিঙ্কেজ, কৃষিশ্রমিকের ঘাটতিসহ বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে কৃষিখাত।’

বুধবার (২০ জুলাই) রাজধানীর একটি হোটেলে কনসালটিভ গ্রুপ ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চ ও বাংলাদেশ রিসার্চ পোর্টফোলিও ইন্ট্রোডাকশন অ্যান্ড পার্টনারশিপ ডায়ালগের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘করোনাভাইরাস পরিস্থিতি এ চ্যালেঞ্জগুলো আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। করোনা মহামারি সব দেশের জন্যই এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। এ মহামারি বাংলাদেশের জীবন, জীবিকা এবং কৃষিকে প্রভাবিত করেছে। এ প্রভাব মোকাবিলায় কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণ, শ্রমিকের যাতায়াত, অনলাইন বিপণন সুবিধা, স্টিমুলাস প্যাকেজ বাবস্তবায়নসহ নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃষি, মৎস্য, প্রাণিসম্পদসহ সংশ্লিষ্ট সব খাতে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে নিরলসভাবে কাজ করার আহ্বান জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

রেজাউল করিম বলেন, প্রাকৃতিক সম্পদের স্বল্পতা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিশ্বের কিছু অংশে সংঘাতের কারণে বিশ্বব্যাপী দারিদ্র্য ও ক্ষুধা বাড়ছে। বিশ্বের অনেক দেশ খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সম্মুখীন। সরবরাহ চেইনে সমস্যা হওয়ায় খাদ্যের দামও বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার, বেসরকারিখাত, উৎপাদক এবং ভোক্তাদের দায়িত্ব নিতে হবে।

তিনি বলেন, এ অবস্থা থেকে উত্তরণে কৃষি গবেষণা ও উন্নয়ন সম্পর্কিত জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা জোরদার করতে হবে। গবেষণার চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে তা সমাধানে একটি সামগ্রিক পদ্ধতি বের করতে হবে।


আরও খবর



লর্ডসে হবে দুই ফাইনাল, নতুন দায়িত্বে ভেট্টোরি-লক্ষ্মণ

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ আগস্ট ২০২২ | ১৪জন দেখেছেন
Image

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পরপর দুই আসরের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেটের মক্কাখ্যাত ঐতিহাসিক লর্ডস ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। মঙ্গলবার আইসিসির বার্ষিক সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

২০২১ সালের জুনে হওয়া টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসরের ফাইনালের ভেন্যুও ছিল লর্ডস। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার সে ম্যাচটি সরিয়ে নেওয়া হয় সাউদাম্পটনে।

তবে এবার ২০২৩ ও ২০২৫ সালের জুনে হতে যাওয়া পরবর্তী দুই ফাইনালই লর্ডসে আয়োজন করা হবে। আইসিসির পূর্ণাঙ্গ সদস্য নয়টি দেশকে নিয়ে চলছে এবারের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ।

এখন পর্যন্ত ফাইনালে ওঠার দৌড়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুই স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা। খুব একটা পিছিয়ে নেই ভারত-পাকিস্তানও। আগামী বছরের মে মাসের মধ্যে নির্ধারণ হয়ে যাবে দুই ফাইনালিস্ট।

এদিকে আইসিসিতে নতুন দায়িত্ব পেয়েছেন ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটার ভিভিএস লক্ষ্মণ ও নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ড্যানিয়েল ভেট্টোরি। বর্তমান খেলোয়াড়দের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে তাদের।

এছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অলরাউন্ডার রজার হার্পারকে দেওয়া সাবেক ক্রিকেটারদের প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্ব। আইসিসির এ ক্রিকেট কমিটির নেতৃত্বে থাকছেন সৌরভ গাঙ্গুলি।


আরও খবর