Logo
শিরোনাম

অফিসার পদে চাকরি দেবে ব্র্যাক ব্যাংক

প্রকাশিত:রবিবার ২৭ মার্চ ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১৪৮জন দেখেছেন
Image

ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডে ‘অফিসার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৫ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড
বিভাগের নাম: রেগুলেটরি কমপ্লায়েন্স

পদের নাম: অফিসার
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতকোত্তর/স্নাতক
অভিজ্ঞতা: ০২ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: নির্ধারিত নয়
কর্মস্থল: ঢাকা

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ০৫ এপ্রিল ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর

চাকরির সুযোগ দিচ্ছে এসিআই

বৃহস্পতিবার ০৭ এপ্রিল ২০২২




সংক্ষিপ্ত বিশ্ব সংবাদ: ১২ মে ২০২২

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৪১জন দেখেছেন
Image

আমাদের চারপাশে অসংখ্য ঘটনা ঘটছে প্রতিদিনই। এর মধ্যে হয়তো আলোচনায় আসে হাতেগোনা কিছু। তবে সময় ও পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে বেশকিছু বিষয়। এগুলো জানা না থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই পিছিয়ে পড়তে হয়। এ কারণে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা থেকে সংক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংবাদ থাকছে জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য-

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন রনিল বিক্রমাসিংহে
সংকটকালে শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন রনিল বিক্রমাসিংহে। বৃহস্পতিবার (১২ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান লঙ্কান প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে। ৭৩ বছর বয়সী অভিজ্ঞ এ রাজনীতিবিদ শ্রীলঙ্কার ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টির (ইউএনপি) নেতা। লঙ্কান সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে শপথ নেন বিক্রমাসিংহে এবং তারপর আশীর্বাদ নিতে ওয়ালুকারমা মন্দিরে যান।

মাহিন্দা রাজাপাকসে ও তার মিত্রদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
শ্রীলঙ্কায় সদ্য পদত্যাগকারী প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে ও তার মিত্রদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ মে) মাহিন্দা, তার রাজনীতিবিদ পুত্র নামাল ও আরও ১৫ মিত্রকে দেশত্যাগ করতে নিষেধ করেছেন স্থানীয় একটি আদালত। সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংসতার অভিযোগে তাদের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

সাংবাদিক হত্যা: ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দেশে দেশে কড়া প্রতিক্রিয়া
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি অভিযানের খবর সংগ্রহের সময় কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার সাংবাদিক শিরীন আবু আকলেহকে গুলি করে হত্যা করেছে দখলদার বাহিনী। এ ঘটনার পর কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিশ্ব। যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের শাস্তির আওতায় আনারও দাবি জানানো হয়েছে।

পাম অয়েল রপ্তানি নিষিদ্ধ করে বিপাকে ইন্দোনেশিয়া
বৈশ্বিক ভোজ্যতেলের বাজারে দীর্ঘদিন ধরে রাজত্ব করে আসছে ইন্দোনেশিয়া। বৈশ্বিক চাহিদার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ভোজ্যতেল সরবরাহ করে দেশটি। তবে তাদের ‘অননুমেয়’ রপ্তানি নীতির কারণে প্রায়ই সমস্যায় পড়তে হয় আমদানিকারকদের। এর সবশেষ উদাহরণ, হুট করে পাম অয়েল রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়া। ইন্দোনেশীয় সরকারের এমন একক সিদ্ধান্তের প্রভাবে এরই মধ্যে বিশ্বব্যাপী বেড়ে গেছে ভোজ্যতেলের দাম, চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানের মতো দেশগুলোকে। তবে পাম অয়েল রপ্তানি নিষিদ্ধ করে খুব একটা স্বস্তিতে নেই ইন্দোনেশিয়াও।

মালয়েশিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিলে কঠোর শাস্তি
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বিষয়ে মালয়েশিয়া কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এরই মধ্যে স্থানীয়দের সতর্ক করা হয়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় কিংবা তথ্য গোপন রাখলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক খাইরু দাজায়মি দাউদ। বৃহস্পতিবার (১২ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিলেঅভিবাসন আইনের ৫৬ ধারায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দোষী প্রমাণিত হলে পাঁচ হাজার রিঙ্গিত জরিমানা ও এক থেকে পাঁচ বছরের বেশি জেল হতে পারে।

অন্ধ্র প্রদেশে আঘাত হেনেছে ‘অশনি’
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘অশনি’ শক্তি হারিয়ে বুধবার (১১মে) রাতে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে আঘাত হেনেছে। উপকূলীয় জেলাগুলোতে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। সেখানে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ।

উত্তর কোরিয়ায় ‘প্রথমবার’ করোনা শনাক্ত, লকডাউনে পুরো দেশ
উত্তর কোরিয়ায় করোনা সংক্রমণের কথা শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছিলেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। অবশেষে সেখানে মহামারি ছড়িয়ে পড়ার কথা স্বীকার করেছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুরো দেশে লকডাউন জারি করা হয়েছে।

চীনে রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে প্লেনে আগুন
রানওয়েতে ছিটকে পড়ে চীনে একটি প্লেনে আগুন ধরে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১২ মে) দেশটির চংকিং বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে। তবে তিব্বত এয়ারলাইনসের প্লেনটির সব যাত্রী নিরাপদে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। জানা গেছে, ১১৩ জন যাত্রী ও নয়জন ক্রু নিয়ে প্লেনটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর চংকিং থেকে তিব্বতের নাইংচির দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু একজন ক্রু অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করার পর প্লেনটির উড্ডয়ন বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপরই প্লেনটিতে আগুন ধরে যায়।


আরও খবর



ক্র্যাবকে স্থায়ী কার্যালয় দেবে বসুন্ধরা গ্রুপ

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৭৭জন দেখেছেন
Image

ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনকে (ক্র্যাব) নিজস্ব কার্যালয় করে দিচ্ছেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীর। এছাড়া কোনো ক্র্যাব সদস্য মারা গেলে তার পরিবারকে তিন লাখ টাকা প্রদান এবং কেউ গুরুতর অসুস্থ বা পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে আহত হলে ন্যূনতম ৫০ হাজার টাকা সহায়তা দেবেন তিনি।

রোববার (৮ মে) রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় তার বাসভবনে ক্র্যাবের কার্যনির্বাহী কমিটি সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব প্রতিশ্রুতি দেন।

সোমবার (৯ মে) ক্র্যাবের দপ্তর সম্পাদক ইসমাঈল হুসাইন ইমু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

সাক্ষাৎকালে ক্র্যাব সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বিকু কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষে সংগঠনের প্রত্যাশা লিখিত আকারে উপস্থাপন করেন। পরে ক্র্যাবের প্রধান উপদেষ্টা শংকর কুমার দে, উপদেষ্টা খায়রুজ্জামান কামাল, এস এম আবুল হোসেন, পারভেজ খান, মধুসূদন মন্ডল ও ফখরুল আলম কাঞ্চন বক্তব্য রাখেন।

এরপর ক্র্যাবের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সায়েম সোবহান আনভীর বলেন, সাংবাদিকরা দেশ ও জাতির জন্য নিবেদিত থাকায় বসুন্ধরা গ্রুপও সাংবাদিকদের কল্যাণে অবদান রেখে আসছে। সৎ, নির্ভীক, প্রকৃত সাংবাদিকতা বিকশিত করতে বসুন্ধরা গ্রুপ এরই মধ্যে কয়েকটি মিডিয়া হাউজ প্রতিষ্ঠা করেছে, যাতে সাংবাদিকদের কর্মসংস্থান হয়েছে। সাংবাদিকরা যখন যে সমস্যা বা সংকটে সহায়তা চেয়েছে, বসুন্ধরা গ্রুপ আন্তরিকতার সঙ্গে পাশে থেকেছে। ভবিষ্যতেও যেকোনো পরিস্থিতিতে সাংবাদিকরা আমাকে পাশে পাবেন। বাংলাদেশের সাংবাদিকতা বিশ্বমানে উন্নীত হোক, সাংবাদিকরা তাদের প্রকৃত মর্যাদা লাভ করুক, ভালো থাকুক সব সাংবাদিক- এই প্রত্যাশা করি।

এসময় ক্র্যাবকে দ্রুত একটি নিজস্ব কার্যালয় দেওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করেন তিনি। পাশাপাশি সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিও দেন।

এসময় ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল এবং সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা শংকর কুমার দে, উপদেষ্টা খায়রুজ্জামান কামাল, এস এম আবুল হোসেন, পারভেজ খান, মধুসূদন মন্ডল, ফখরুল আলম কাঞ্চন, ক্র্যাবের সহ-সভাপতি মুহ. জাহাঙ্গীর আলম, যুগ্ম সম্পাদক ইমরান হোসেন সুমন, অর্থ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান, দপ্তর সম্পাদক ইসমাঈল হুসাইন ইমু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রুদ্র রাসেল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এসএম মিন্টু হোসেন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাহীন আলম, কার্যনির্বাহী সদস্য সিরাজুল ইসলাম ও মোহাম্মদ জাকারিয়া, ক্র্যাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপু সরোয়ার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



মধ্যপাড়া পাথর খনিতে বিস্ফোরক সংকটে ফের উৎপাদন বন্ধ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৪৭জন দেখেছেন
Image

পাথর উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত বিস্ফোরক (অ্যামালসন এক্সপোসিভ) সংকটে পঞ্চমবারের মতো দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি থেকে পাথর উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। এতে প্রতিদিন সরকারের লোকসান হবে প্রায় দেড় কোটি টাকা।

গত রোববার (১ মে) সকাল থেকে খনির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জার্মানিয়া-ট্রেস্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) উৎপাদন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।

এর আগে গত ১২ মার্চ পাথর উৎপাদন ও উন্নয়ন কাজে ব্যবহৃত বিস্ফোরক (অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট) সংকটে মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি থেকে পাথর উৎপাদন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

সে সময় খনি কর্তৃপক্ষ (এমজিএমসিএল) বলেছিল, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে পরিবহন সংকট সৃষ্টি হওয়ায় বিস্ফোরক আমদানিতে বিলম্ব হয়েছিল। কিন্তু এবার কেউ কথা বলছেন না।

চুক্তি অনুযায়ী খনির উন্নয়ন, উৎপাদন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে চাহিদামতো প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও বিস্ফোরক সরবরাহ করবে খনি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু খনির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে (জিটিসি) চুক্তির আওতায় নির্দিষ্ট সময়ে প্রয়োজনীয় বিস্ফোরক সরবরাহ করতে না পারায় খনির উন্নয়ন ও পাথর উৎপাদন কাজ বারবার ব্যাহত হচ্ছে।

খনি সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, পাথর উত্তোলন কাজের জন্য অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও অ্যামালসন এক্সপোসিভ অতিপ্রয়োজনীয় উপাদান। চুক্তি অনুযায়ী খনি কর্তৃপক্ষ সময়মতো জিটিসিকে চাহিদা মাফিক অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও অ্যামালসন এক্সপোসিভ সরবরাহ করবে। কিন্তু গত বছরের অক্টোবর মাস থেকে খনি কর্তৃপক্ষ জিটিসিকে চুক্তি মোতাবেক সময়মতো অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও অ্যামালসন এক্সপোসিভ সরবরাহ করতে পারেনি। এবার অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট সরবরাহ থাকলেও অ্যামালসন এক্সপোসিভের সরবরাহ নেই। খনির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের তাগাদা সত্বেও যথাযথ সহযোগিতার অভাবে বর্তমান এ সংকটের সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্র আরও জানায়, সময়মতো বিস্ফোরক সরবরাহ না করায় দৈনিক গড়ে সাড়ে ৫ হাজার মেট্রিক টন পাথর উত্তোলন বন্ধ হয়ে গেছে। এতে প্রতিদিন সরকারের লোকসান হবে প্রায় দেড় কোটি টাকা। এছাড়া সরকারি উন্নয়ন কাজে মধ্যপাড়ার পাথর ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানগুলো পাথর সংকটে পড়ে চলমান নির্মাণ কাজ ব্যাহত হবে বলে শঙ্কা সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

অন্যদিকে, পাথর আমদানি করে সংকট মোকাবিলা করতে গেলেও সরকারের বাড়তি বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হবে। কবে নাগাদ আমদানি করা এই বিস্ফোরক দেশে এসে পৌঁছাবে এর সঠিক কোনো দিনক্ষণও বলতে পারছে না খনি কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, কোরিয়া, থাইল্যান্ড ও ভারত থেকে এসব বিস্ফোরক আমদানি করা হয়। তবে, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে পরিবহন সংকট সৃষ্টি হওয়ায় বিস্ফোরক আমদানিতে বিলম্ব হচ্ছে। এ মাসের শেষ সপ্তাহ নাগাদ বিস্ফোরকের একটি চালান বাংলাদেশে পৌঁছাবে বলে আশা করা যায়।

খনির একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করে বলেন, পাথর উত্তোলনের জন্য ব্যবহৃত বিস্ফোরকের (অ্যামালসন এক্সপোসিভ) অভাবে গত ১ মে থেকে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। এরইমধ্যে বিস্ফোরক আমদানি করতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের শেষের দিকে বিস্ফোরক আসবে। উত্তোলন বন্ধ থাকায় কিছুটা সংকট দেখা দিয়েছে। তবে যেসব পাথর মজুত রয়েছে সেসব বিক্রি করা হচ্ছে। বর্তমানে খনি অভ্যন্তরে ৪০ থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পাথর মজুত রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু দাউদ মোহাম্মদ ফরিদুজ্জামানকে তার মোবাইলে কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

২০০৭ সালে মধ্যপাড়া পাথর খনিতে পাথর উত্তোলন শুরু হয়। এর আগে বিস্ফোরকের অভাবে প্রথম ২০১৪ সালে ২২ দিন, ২০১৫ সালে দুই মাস, ২০১৮ সালের জুন মাসে সাতদিন ও ২০২২ সালের মার্চ মাসে ১৪ দিন উৎপাদন বন্ধ ছিল।


আরও খবর



ফের টানা পতনে শেয়ারবাজার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

 

দুই কার্যদিবস ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর শেয়ারবাজারে ফের টানা দরপতন দেখা দিয়েছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) মূল্যসূচক কমেছে। পাশাপাশি কমেছে লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম। একই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। এর মাধ্যমে টানা তিন কার্যদিবস পতনের মধ্যে থাকলো শেয়ারবাজার।

এর আগে চলতি সপ্তাহের প্রথম দুই কার্যদিবস ঊর্ধ্বমুখী থাকে শেয়ারবাজার। এই দুই কার্যদিবসে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক বাড়ে ৫৫ পায়েন্ট। এতে শেয়ারবাজার ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ফেরার স্বপ্ন দেখতে থাকেন বিনিয়োগকারীরা। কিন্তু গেল তিন কার্যদিবসের টানা দরপতনে আবার বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে। তিন কার্যদিবসের টানা পতনে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক কমেছে ১৩৩ পয়েন্ট।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেন শুরুর ছয় মিনিটের মাথায় ডিএসইর প্রধান সূচক ১৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়। অবশ্য লেনদেনের সময় আধাঘণ্টা না গড়াতেই বড় পতনের মধ্যে পতিত হয় সূচক। লেনদেনের ২৭ মিনিটের মাথায় ডিএসইর প্রধান সূচক ৩৭ পয়েন্ট পড়ে যায়।

এরপর সূচক কয়েক দফায় ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ফেরার ইঙ্গিত দিলেও লেনদেনের শেষ দুই ঘণ্টায় অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমে যায়। ফলে সূচকের বড় পতন দিয়েই শেষ হয় দিনের লেনদেন। এতে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ২৬ পয়েন্ট কমে ছয় হাজার ৫৬৫ পয়েন্টে নেমে গেছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ১৩ পয়েন্ট কমে দুই হাজার ৪০৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ্ আগের দিনের তুলনায় এক পয়েন্ট কমে এক হাজার ৪৩২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

ডিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ৯১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ২৪২টির। আর ৪৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৮২৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় এক হাজার ১৩৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা। সে হিসাবে লেনদেন কমেছে ৩১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।

ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে জেএমআই হাসপাতালের শেয়ার। কোম্পানিটির ৪৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা শাইনপুকুর সিরামিকসের ৪১ কোটি ২ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ৩৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে এসিআই ফরমুলেশন।

এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- বেক্সিমকো, রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্ট, ওরিয়ন ফার্মা, স্যালভো কেমিক্যালস, আইপিডিসি ফাইন্যান্স, ইস্টার্ন হাউজিং এবং ইউনিক হোটেল।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ৮১ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ২৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। লেনদেন অংশ নেওয়া ২৯২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৮টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৯২টির এবং ৩২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।


আরও খবর



খরার ধাক্কা কাটিয়ে উঠেছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা, আশাবাদী বাংলাদেশ

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশের জন্য অন্যতম প্রধান আমদানি বাজার ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। লাতিন আমেরিকার দেশ দুটি থেকে প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে তেল, গম, চিনি, মাংসসহ নানা ধরনের ফল ও মসলা আমদানি করে বাংলাদেশ। কিন্তু ওই অঞ্চলে গত কয়েক মাস তীব্র খরার কারণে এ বছর কৃষি উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। যার ফলে অনিশ্চয়তায় পড়ে সয়াবিনের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের আমদানি। সেই সঙ্গে হু হু করে বাড়তে থাকে দাম। তবে সেই ধাক্কা কাটিয়ে অবশেষ ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা। তাতে আশার আলো দেখছেন বাংলাদেশের ভোক্তারা।

ব্রাজিলে এ বছর খরা সত্ত্বেও রেকর্ড পরিমাণ ফসল ফলবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ব্রাজিলিয়ান ইনস্টিটিউট অব জিওগ্রাফি অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকস (আইবিজিই)। সম্প্রতি এক বিবৃতিতে সরকারি সংস্থাটি জানিয়েছে, ২০২২ সালে দেশটিতে ফসল উৎপাদন ২৬ কোটি ১৫ লাখ টনে পৌঁছাতে পারে, যা গত বছরের তুলনায় অন্তত ৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

এর আগে গত মার্চ মাসে ব্রাজিলে ফসল উৎপাদনের যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, নতুন পূর্বাভাসে তার চেয়ে এক শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ২৫ লাখ টন বেশি ফসল ঘরে তোলার সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে।

jagonews24

বিষয়টি ব্যাখ্যা করে আইবিজিই’র গবেষণা ব্যবস্থাপক কার্লোস বারাদাস বলেন, দেশের মধ্য ও দক্ষিণ অংশের গ্রীষ্মকালীন ফসল আবহাওয়াজনিত সমস্যায় পড়েছিল, যার ফলে কম উৎপাদনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু জানুয়ারিতে বৃষ্টিপাত ফেরার সঙ্গে সঙ্গে কিছু ফসল পুনরুদ্ধার হয়েছে।

এবারের মৌসুমে ব্রাজিলের প্রধান কৃষিপণ্য সয়াবিন ঘরে তোলা প্রায় শেষের পথে। সেখানে গত মার্চের তুলনায় এপ্রিলে সয়াবিনের উৎপাদন বেড়েছে অন্তত দুই শতাংশ। তা সত্ত্বেও এ বছর ব্রাজিলে বহুল ব্যবহৃত এ তেলবীজের মোট উৎপাদন ১১ কোটি ৮৫ লাখ টন দাঁড়াতে পারে, যা ২০২১ সালের তুলনায় প্রায় ১২ শতাংশ কম।

এ বিষয়ে বারাদাস বলেন, আগেও বলেছি, ফসলে আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব পড়েছে। ফসল ফলানোর সময়ই ভয়াবহ খরা দেখা দিয়েছিল। এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের দক্ষিণাঞ্চল। সেখানে গত বছরের তুলনায় সয়াবিন উৎপাদন মোটামুটি ৪৬ শতাংশ কম হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

jagonews24

শুধু সয়াবিনই নয়, ব্রাজিলে মার্চ মাসের তুলনায় এপিলে উৎপাদন বেড়েছে আলু (২ দশমিক ৪ শতাংশ), টমেটো (১ দশমিক ৫ শতাংশ), মটরশুটি (১ দশমিক ৩ শতাংশ), আঙুর (১ দশমিক ২ শতাংশ), ক্যানেফোরা কফি (এক শতাংশ) প্রভৃতিরও।

আইবিজিই’র গবেষণা ব্যবস্থাপক নিশ্চিত করেছেন, এবারের মৌসুমে দেশটিতে ভুট্টারও চমৎকার ফলন হয়েছে, যা গ্রীষ্মকালীন ক্ষতি অনেকটাই পূরণ করে দেবে।

ব্রাজিলের মতো খরা পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠেছে প্রতিবেশী আর্জেন্টিনাও। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর বলছে, দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে গত কয়েক মাস বিরূপ আবহাওয়া সত্ত্বেও সয়াবিন, সূর্যমুখী, ভুট্টার মতো তেল-জাতীয় ফসলের ফলন অনেকটাই ‘সন্তোষজনক’।

jagonews24

প্রক্রিয়াজাত সয়াবিন রপ্তানিতে বিশ্বে এক নম্বর এবং ভুট্টা রপ্তানিতে দ্বিতীয় আর্জেন্টিনা। ১৯৯০-এর দশকে উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবনের পর থেকে দেশটির অন্যতম প্রধান কৃষিপণ্য হয়ে উঠেছে তেলবীজ। গত চার দশকে তাদের জাতীয় উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ১৪ গুণ।

সম্প্রতি বুয়েন্স আয়ার্স টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছর আর্জেন্টিনায় প্রায় ৩ কোটি ৯০ লাখ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে, যার মধ্যে ১ কোটি ৬০ লাখ হেক্টরে লাগানো হয়েছে সয়াবিন। বাজে আবহাওয়ার কারণে এ বছর দেশটির কৃষি উৎপাদন ১২ কোটি ৭০ লাখ টন দাঁড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা গত বছরের চেয়ে দুই শতাংশ কম।

আর্জেন্টিনার চাষিরা এরই মধ্যে গম ও সূর্যমুখীর চাষ করেছেন, দুটোরই ফলন হয়েছে রেকর্ড পরিমাণ। তারা এখন চাষ করছেন সয়াবিন ও ভুট্টা। মে মাসের মাঝামাঝি থেকে গম বপনের নতুন মৌসুম শুরু হবে দেশটিতে। ধারণা করা হচ্ছে, আর্জেন্টিনার কৃষিপণ্য রপ্তানি এ বছর রেকর্ড ৪ হাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে, যা ২০২১ সালের তুলনায় প্রায় ৩০০ কোটি ডলার বেশি।

jagonews24

লাতিন আমেরিকার দেশ দুটিতে খরা সমস্যা মিটে যাওয়ায় আশার আলো দেখতে শুরু করেছে বাংলাদেশ। কারণ, দেশে সয়াবিন তেল আমদানি করা মূলত ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা থেকে। সম্প্রতি দেশ দুটিতে খরার কারণে উৎপাদন কমে যাওয়ার খবরে বাংলাদেশের বাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে ব্যাপকভাবে।

ব্যবসায়ীদের দাবি, আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন তেলের দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়ে গেছে। আগে প্রতি টন ৭৫০ ডলারে কেনা গেলেও এপ্রিলে তা ১ হাজার ৯০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে।

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনায় খরা আর বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার কারণ দেখিয়ে দেশে এরই মধ্যে কয়েক দফায় বাড়ানো হয়েছে সয়াবিন তেলের দাম। সবশেষ ৪০ টাকা বাড়িয়ে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম করা হয়েছে ১৯৮ টাকা। তবে খরা সমস্যা কাটিয়ে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনায় তেলবীজের বাম্পার ফলন ক্রেতাদের আশাবাদী করে তুলেছে। দেশ দুটি থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ সয়াবিন আমদানি হলে বাংলাদেশের বাজারে এর দাম আবারও কমে আসবে বলে আশা করছে সাধারণ মানুষ।


আরও খবর