Logo
শিরোনাম

অননুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকছে না: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১২ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | ৯৭জন দেখেছেন
Image

যত্রতত্র গড়ে ওঠা অননুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তবে অন্যসব প্রতিষ্ঠানের মতো হুট করেই এসব বন্ধ করে দেওয়া যায় না। পরিকল্পনা করে বন্ধের একটি রূপরেখা তৈরি করার চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।

রোববার (১২ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় মনিটরিং ও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির সভা শেষে এসব কথা জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অননুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের আমরা সমানভাবে গুরুত্ব দিচ্ছি। তবে অনুমোদনহীন বেশিরভাগই প্রাথমিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠান। এ ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাখা হবে না। প্রাথমিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অন্তর্ভুক্ত করতে আমরা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ করবো।

‘আর নিম্ন মাধ্যমিক থেকে উচ্চ পর্যায়ের অননুমোদিত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের পার্শ্ববর্তী অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানে যুক্ত করতে পরিকল্পনা করা হচ্ছে।’

যত্রতত্র গড়ে ওঠা কিন্ডারগার্টেনকে নীতিমালায় আনার প্রসঙ্গে দীপু মনি বলেন, নতুন শিক্ষা আইনে এসব বিষয় অন্তভুক্ত করা হবে। দেশীয় কারিকুলামে সহজে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা যায় না। এ কারণে কেউ কেউ ইংরেজি কারিকুলাম বা অন্য উপায়ে যত্রতত্র এসব প্রতিষ্ঠান খুলছে।

শিক্ষা আইন অনুমোদনের বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষা আইন চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে সেটি মন্ত্রিপরিষদে পাঠানো হবে।

নতুন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের কাজ শেষ হয়েছে। দ্রুত সময়ে তালিকা প্রকাশ করা হবে। পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়ে অনেকে যানজটের কবলে পড়ে থাকেন বলে অভিযোগ করা হয়। সে কারণে আগামী বছর থেকে সেটি সমন্বয় করে পরীক্ষার সময় পরিবর্তন করে পেছানো হবে।

এ বছর এসএসসি-সমমান পরীক্ষা জুনে নেওয়া হচ্ছে। তবে আগামী বছর সেটি আরও এগিয়ে আনা হবে বলেও জানান দীপু মনি।


আরও খবর



সুরসম্রাট আলম খান স্মরণে সংগীতানুষ্ঠান

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ আগস্ট ২০২২ | ১৬জন দেখেছেন
Image

বরেণ্য সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলম খানের স্মরণে আলোচনা ও সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। ২৪ জুলাই একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে সন্ধ্যা ৭ টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী সভাপতিত্ব করেন।

এতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির সংগীত বিভাগের পরিচালক আফতাব উদ্দিন হাবলু।

শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমির সচিব মো. আছাদুজ্জামান। আলোচনা পর্বে বক্তব্য প্রদান করেন বরেণ্য গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার। এছাড়াও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নন্দিত কণ্ঠশিল্পী এবং সংগীত পরিচালক সৈয়দ আব্দুল হাদি, সুরকার শেখ সাদি খান, সংগীত পরিচালক জাহাঙ্গীর হায়াত খান রুমু, কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন এবং প্রয়াত আলম খানের পুত্র আরমান খান ও আদনান খান।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুরুতে মো. খুরশিদ আলমের কণ্ঠে পরিবেশিত হয় ‘তবলার তেরে তেকে তাক’ ও ‘আজকে না হয় ভালোবাসো আর কোন দিন নয়’ শিরোনামে দুটি একক সংগীত। কণ্ঠশিল্পী স্বরণের কণ্ঠে ‘চাঁদের সাথে আমি দেবো না তোমার তুলনা’, ‘আমি রজনীগন্ধা ফুলের মত’, পান্থ কানাইয়ের কণ্ঠে ‘ওরে নীল দরিয়া’, ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’, রন্টি দাসের কণ্ঠে ‘মনে বড় আশা ছিল’, ‘কাল তো ছিলাম ভালো’ গানগুলো শুনে মুগ্ধ হন শ্রোতারা।

সম্রাটের কণ্ঠে ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুস’, ‘জীবনের গল্প আছে বাকী অল্প’ শিরোনামে সংগীত পরিবেশন করে আলম খানকে স্মরণ করেন শিল্পীরা।

যন্ত্রশিল্পী হিসেবে তবলায় ছিলেন মিলন ভট্রাচার্য, কিবোর্ড এ রুপতনু, গীটারে সেলিম হায়দার, বাঁশীতে মো. মনিরুজ্জামান এবং প্যাডে ছিলেন পুলক।


আরও খবর

ক্যারিয়ার নিয়ে যা বললেন মিম

রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২




খোলাবাজারে ডলার বিক্রি কমেছে

প্রকাশিত:সোমবার ০৮ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২ | ১৩জন দেখেছেন
Image

বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) অভিযানের পর খোলাবাজারে ডলার বিক্রি কমেছে। একই সঙ্গে ডলার ১১৩ টাকা থেকে কমে ১০৯ টাকায় চলে আসে। অন্যদিকে, আগে ডলার কিনতে কোনো কাগজ দেখাতে হতো না। এখন এক্সচেঞ্জ হাউজ থেকেও ডলার কিনতে দেখাতে হচ্ছে পাসপোর্ট।

সোমবার (৮ আগস্ট) আন্তঃব্যাংক প্ল্যাটফর্মে প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা। আর ব্যাংকগুলো গ্রাহকের কাছে ৯৫ থেকে ৯৬ টাকার মধ্যে বিক্রি করছে। তবে খোলাবাজারে প্রতি এক ডলার বিক্রি হচ্ছে ১০৮ থেকে ১১০ টাকার মধ্যে।

এ বিষয়ে মানি এক্সচেঞ্জ অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মো. হেলার উদ্দিন জাগো নিউজকে বলেন, এখন ডলার বিক্রি আর আগের মতো নেই। অভিযান শুরুর পর থেকে মানুষের মধ্যে একটা আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল। এই আতঙ্কের কারণে এখন আর খোলাবাজারে ক্রেতা নেই।

তিনি আরও বলেন, বিধি-নিষেধের কারণে মানুষের দেশের বাইরে যাতায়াত অনেক কমেছে। আবার এখন চাইলেও যে কেউ এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো থেকে ডলার নিতে পারছে না। এখন অবশ্যই পাসপোর্ট দেখাতে হবে। এসব কারণে খোলাবাজারে বিক্রি নেই বললেই চলে।

সম্প্রতি দেশে ডলার সংকট শুরু হয়। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ডলার কারসাজিতে জড়িয়ে পড়েন। এতে ডলার সংকট আরও তীব্র দেখা দেয়। এসব অনিয়ম ও কারসাজি মোকাবিলায় মাঠে নামে বাংলাদেশ ব্যাংক ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)।


আরও খবর



বোয়ালখালীতে টেম্পু উল্টে যাত্রী নিহত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ আগস্ট 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২ | জন দেখেছেন
Image

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে টেম্পু উল্টে মো. সাগর (২১) নামে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২ আগস্ট) সকাল ৬টার দিকে বোয়ালখালী থানার আফুল্ল্যার টেক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সাগর বোয়ালখালীর ফুলপাড়া বহদ্দার বাড়ির বাদশাহ মিয়ার ছেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির তদারককারী কর্মকর্তা পাঁচলাইশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাদিকুর রহমান বলেন, বোয়ালখালী আফুল্ল্যার টেক এলাকায় সড়কের খাদে পড়ে একটি টিকটিকি টেম্পু উল্টে যায়। এতে টেম্পুর যাত্রী সাগর চাপা পড়ে।

তিনি বলেন, পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমার্জেন্সি কেয়ারে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


আরও খবর



পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দার সঙ্গে সখ্যতা গড়ে চুরি করেন তারা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৯ জুলাই ২০২২ | জন দেখেছেন
Image

ভাড়াটিয়া হিসেবে পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দার সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আব্দুল মোতালেব ও সাথী আক্তার সুমি নামে এক দম্পতিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতাররা পরিকল্পিতভাবে তাদের প্রকৃত নাম-ঠিকানা গোপন করে একেক বাড়িতে বাসা ভাড়া নিতেন। এরপর পাশের ফ্ল্যাটের লোকজনের সঙ্গে যৌথভাবে জমি বা ফ্ল্যাট ক্রয়সহ বিভিন্ন কৌশলে প্রথমে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করেন। পরে সুযোগ বুঝে পাশের ফ্ল্যাটের স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা চুরি করে পালিয়ে যায়।

শুক্রবার (২৯ জুলাই) বিকেলে শাহআলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে জেসমিন নামে একজন ভুক্তভোগীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে থানায় একটি প্রতারণার মামলা হয়। সেই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আব্দুল মোতালেব ও সাথী আক্তার সুমিকে নারায়ণগঞ্জ ও রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। তারা সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। গ্রেফতারের পর জানা যায়, সাথী আক্তার সুমির প্রকৃত নাম দুলালী ও তারা দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণার পেশায় জড়িত।

ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতাররা প্রকৃত নাম-ঠিকানা গোপন করে একেক বাড়িতে বাসা ভাড়া নেয়। পরবর্তীসময়ে ভাড়াটিয়া হিসেবে পাশের ফ্ল্যাটের লোকজনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে। এরপর যৌথভাবে জমি বা ফ্ল্যাট ক্রয়সহ বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে প্রথমে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করে এবং পরে সুযোগ বুঝে পাশের ফ্ল্যাটের স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা চুরি করে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারদের তথ্যের ভিত্তিতে শাহআলী থানায় অভিযোগকারীর চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ডিএমপিসহ বিভিন্ন থানায় ছয়টি মামলা রয়েছে।


আরও খবর



খালিদের স্থপতি হওয়ার স্বপ্ন পূরণে পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ আগস্ট ২০২২ | ২০জন দেখেছেন
Image

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার হতদরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী খালিদ হাসানের স্বপ্ন পূরণে পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তার পড়াশোনার খরচসহ দেওয়া হবে ঘর ও প্রতি মাসের খাদ্য সহায়তা। উপজেলা প্রশাসনের মানবিক সহায়তা তহবিল থেকে খালিদ হাসানের পড়াশোনার খরচ বহনের কথা জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এরশাদ উদ্দীন।

জানা গেছে, খালিদ হাসানের বাবার বাড়ি গঙ্গাচড়া উপজেলার বেতগাড়ি ইউনিয়নে। ১০-১২ বছর আগে তার বাবা দ্বিতীয় বিয়ে করার পর আলাদা সংসার গড়ে তোলেন এবং মা ও ছেলেকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। সেই থেকে খালিদ হাসান তার মায়ের সঙ্গে গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নের পূর্বপাড়ায় মামা বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। অনেক কষ্টে ছেলেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করাতে পারলেও পরবর্তীতে খালিদ হাসানের লেখাপড়া ও সংসারের খরচ নিয়ে চিন্তায় পড়েন মা।

এ অবস্থায় সোমবার (১ আগস্ট) দুপুরে খালিদ ও তার মা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে দেখা করে কষ্টের কথা জানান। এরপরই তাৎক্ষণিক খালিদ হাসানের পড়াশোনার খরচ চালানোসহ তাকে প্রতি মাসে খাদ্য সহায়তা দেওয়ার উদ্যোগ নেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এরশাদ উদ্দীন।

কুড়িগ্রাম পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে স্থাপত্য প্রকৌশল বিভাগের ডিপ্লোমা প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী খালিদ। তার স্বপ্ন তিনি দেশের একজন বড় স্থপতি (আর্কিটেক্ট) হবেন।

খালিদ হাসান বলেন, ইউএনও স্যারের সহায়তার আশ্বাসে পড়াশোনার খরচ চালানোর দুশ্চিন্তা দূর হয়েছে। আমি স্যারের কাছে কৃতজ্ঞ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খালিদ হাসানের বাবা একজন রিকশাচালক। ছেলের পড়াশোনাসহ অন্যান্য খরচ অল্প কিছুদিন তার বাবা দিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করে আলাদা সংসার শুরু করেন এবং খালিদকে তার মাসহ বাড়ি থেকে বের করে দেন। এরপর খালিদ তার মাসহ মামা বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। সেখানেও সবার অভাবের সংসার। খেয়ে না খেয়ে চলে মা-ছেলের জীবন। একপর্যায়ে টাকার অভাবে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয় খালিদের পড়াশোনা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার এরশাদ উদ্দীন বলেন, সোমবার ছেলেটার মা সকাল থেকে আমার সঙ্গে দেখা করবেন বলে অফিস রুমের সামনে অপেক্ষা করছিলেন। আমি প্রশাসনিক কাজে বাইরে থাকায় সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল। দুপুরে আমি রুমে ঢুকতেই আমার পেছন পেছন তিনিও ঢুকলেন। আমি তার দিকে তাকালাম। তার দু’চোখ বেয়ে অঝোরে পানি পড়ছিল তখন। কী হয়েছে জিজ্ঞেস করলেও বলতে পারছিলেন না। অনেকক্ষণ পর সব ঘটনা খুলে বলেন।

জানালেন, আগের রাত থেকে তিনি আর তার ছেলে কিছুই খাননি। ভাই ও ভাবি তাকে এবং তার ছেলেকে বাড়ি ছাড়তে বলেছেন। এমন না খাওয়া অবস্থা প্রায়ই হয় তাদের। তারপর তিনি তার ছেলের কথা বললেন।

ইউএনও বলেন, ছেলেটা লজ্জায় আমার রুমে আসেনি। নিচে দাঁড়িয়েছিল। আমি ছেলেটাকে নিয়ে আসতে বললাম। মা-ছেলের দুজনের কষ্টের জীবন আর স্বপ্নগুলো আমি শুনলাম। আমারও চোখগুলো তখন ছলছল করছিল জলে। তবে নিজেকে ভাগ্যবান মনে হচ্ছিল, আমি এমন অসহায় মা-ছেলের অন্ধকার জীবনে হয়ত একটু আলো দিতে পারব ভেবে।

এরশাদ উদ্দীন বলেন, উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক তাদের জন্য একটা ঘর করে দেওয়া হবে। আপাতত তাদেরকে এক মাসের চাল, ডাল, তেল, চিনি, লবণসহ অন্যান্য আনুসাঙ্গিক জিনিস দেওয়া হয়েছে। ছেলেটার পড়াশোনা, থাকা, খাওয়ার যাবতীয় খরচ মানবিক সহায়তা বক্সে প্রাপ্ত অর্থ থেকে দেওয়া হবে।


আরও খবর