Logo
শিরোনাম

অন্টারিওর নির্বাচনে বাংলাদেশি প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৫৯জন দেখেছেন
Image

অন্টারিওর প্রভিন্সিয়াল নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থীদের বিজয়ী করতে কমিউনিটির প্রতি আহ্বান জানিয়ে আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, কানাডার মূলধারায় প্রবাসীদের অবস্থান সুসংহত করতে রাজনীতিতে বাংলাদেশি কানাডিয়ানদের প্রতিনিধিত্বের বিকল্প নেই।

কানাডার বাংলা পত্রিকা ‘নতুনদেশ’ এর প্রধান সম্পাদক শওগাত আলী সাগরের সঞ্চালনায় ‘শওগাত আলী সাগর লাইভের আলোচনায় তারা এই আহ্বান জানান। আলোচনায় অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন সিনিয়র সাংবাদিক ও গণমাধ্যম বিশ্লেষক সৈকত রুশদী, প্রোগ্রেসিভ অ্যাকশন ফর কমিউনিটি এমপাওয়ারমেন্টের নির্বাহী পরিচালক ইমামুল হক। স্থানীয় সময় বুধবার রাতে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বক্তারা বলেন, প্রধান রাজনৈতিক দল থেকে মনোনয়ন পাওয়া বাংলাদেশি কানাডিয়ান প্রার্থীরা এরই মধ্যে তাদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন। আমাদের উচিৎ এই যোগ্য প্রার্থীদের বিজয়ে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখা।

আগামী ২ জুন অনুষ্ঠেয় অন্টারিওর প্রভিন্সিয়াল নির্বাচনে এনডিপির মনোনয়নে স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসনে ডলি বেগম, ইটোবিকো-লেকশোর আসনে ফারহিন আলিম, লিবারেল পার্টির মনোনয়নে ও কভিল নর্থ– বারলিংটন থেকে কানিজ মৌলী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। কানাডায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রথম নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ডলি বেগম দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য প্রার্থী হয়েছেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে গণমাধ্যম বিশ্লেষক সৈতক রুশদী মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশি কানাডিয়ানদের বেশি বেশি অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্কারবোরোর প্রায় প্রতিটি রাইডিং এ শ্রীলঙ্কান কানাডিয়ানদের প্রার্থী আছে। অথচ পুরো প্রভিন্সে বাংলাদেশি কমিউনিটির মাত্র তিনজন প্রার্থী।

তিনি বলেন, কেবল প্রার্থী হওয়াটাই বড় কথা নয়, নিজেদের যোগ্য করে তুলে নির্বাচনে প্রার্থী হতে হবে। আর যোগ্য হয়ে ওঠার জন্য প্রস্তুতি দরকার, কাজ করা দরকার। স্কুল, কমিউনিটি পর্যায়ে কাজ করে নিজেদের নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্য করে তুলতে হবে।

আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশি কানাডিয়ান প্রার্থীদের নির্বাচিত করতে প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখতে কমিউনিটির প্রতি আহ্বান জানিয়ে সৈকত রুশদী বলেন, যারা অন্য নির্বাচনী এলাকায় বসবাস করেন তারাও বাংলাদেশি কানাডিয়ান প্রার্থীদের পক্ষে ভূমিকা রাখতে পারেন। কমিউনিটির স্বার্থেই প্রভিন্সিয়াল সংসদে বাংলাদেশি কানাডিয়ান প্রতিনিধি থাকা দরকার বলে তিনি মত দেন।

কমিউনিটি এমপাওয়ারমেন্ট সংগঠক ইমামুল হক ২০১৫ সালে পরিচালিত তাদের সংস্থার একটি সমীক্ষার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, সেই সময় মূলধারার রাজনীতির ব্যাপারে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে তেমন একটা আগ্রহ দেখা যায়নি। তবে ডলি বেগম প্রথম বারের মতো নির্বাচিত হবার পর বাংলাদেশি কানাডিয়ানদের মধ্যে বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মধ্যে রাজনীতি ও নির্বাচনের ব্যাপারে আগ্রহ অনেক বেড়েছে।

এবারের নির্বাচনে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর বিভিন্ন প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি কানাডিয়ান তরুণ-তরুণীদের ভলান্টিয়ার হিসেবে হিসেবে কাজ করতে দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনে বাংলাদেশি কানাডিয়ান প্রার্থীদের বিজয়ী করতে কমিউনিটির ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা কেন প্রয়োজন- সেটা পরিষ্কারভাবে বুঝতে হবে। সমাজে অনগ্রসর গোষ্ঠীকে উন্নয়ন সমধারায় নিয়ে আসতে বাড়তি পদক্ষেপ, নীতিমালার দরকার হয়। কানাডার মূলধারার রাজনীতি, প্রশাসনে বাংলাদেশি কানাডিয়ানদের তুলে আনার স্বার্থেই বাংলাদেশি কানাডিয়ান প্রার্থীদের ভোট দিতে হবে।

এই মুহূর্তে কে কোন দলের মনোনয়ন পেয়েছে তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হওয়া দরকার বাংলাদেশি কানাডিয়ানদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা। সংসদে আমাদের কথা বলার অন্তত একজন মানুষ যাতে থাকে।

নতুনদেশের প্রধান সম্পাদক শওগাত আলী সাগর আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া বাংলাদেশি কানাডিয়ান তিন প্রার্থীই যোগ্য, দক্ষও। এমপিপি হিসেবে ডলি বেগম কানাডার মূলধারার মিডিয়ায় সবসময়ই দৃশ্যমান ছিলো। প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্টে তিনি নিজেকে ইমগ্র্যান্ট’স ভয়েস’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন।

অন্যদিকে কানিজ মৌলী, রাজনীতিক, ব্যুরোক্র্যাট হিসেবে অভিজ্ঞতা অর্জন করেই নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। কুইন্স ইউনির্ভাসিটির লিবারেল প্রেসিডেন্ট, প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্ট ও প্রভিন্সের একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রীর কার্যালয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। আর ফারহিন আলীম একজন হাইস্কুল শিক্ষক। তিনি বাংলাদেশি কানাডিয়ানদের ভোট দিতে যাওয়ার আহ্বান জানান।


আরও খবর



সার্জেন্টসহ তিন পুলিশকে মারধর: পাঁচজনের ৭ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৫০জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর জুরাইন রেলগেট এলাকায় উল্টোপথে আসা মোটরসাইকেল আটকে কাগজপত্র দেখতে চাওয়াকে কেন্দ্র করে ট্রাফিক সার্জেন্টসহ তিন পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায় করা মামলায় গ্রেফতার পাঁচজনের সাতদিন করে রিমান্ডে নিতে আবেদন করেছে পুলিশ।

রিমান্ড চাওয়া পাঁচ আসামি হলেন- সোহাকুল ইসলাম রনি, ইয়াসিন আরাফাত ভুইয়া, মো. শরিফ, মো. নাহিদ ও মো. রাসেল।

বুধবার (৮ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এদিন এ মামলায় গ্রেফতার ছয় আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর এ মামলায় আসামি ইয়াসিন জাহান নিশান ভূইয়াকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অপর পাঁচ আসামির সাতদিন করে রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্যামপুর থানার পরিদর্শক খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ।

এর আগে বেধড়ক মারধরের ঘটনায় মঙ্গলবার (৭ জুন) রাতে শ্যামপুর থানায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত সাড়ে চারশোজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন আহত ট্রাফিক সার্জেন্ট আলী হোসেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে জুরাইন রেলগেট সড়কের উল্টোদিক দিয়ে স্বামী ইয়াসিনের সঙ্গে মোটরসাইকেলযোগে আসছিলেন অ্যাডভোকেট নিশাত। এসময় সার্জেন্ট আলী হোসেন ও ট্রাফিক কনস্টেবল সিরাজ তাদের গতিরোধ করেন। নিশাত নিজেকে অ্যাডভোকেট পরিচয় দিয়ে সার্জেন্ট আলী হোসেনের সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন। একপর্যায়ে ইয়াসিন মোটরসাইকেল থেকে নেমে সার্জেন্ট আলী হোসেনকে ধাক্কা দেন। এসময় অ্যাডভোকেট নিশাত চিৎকার শুরু করলে পাঠাও ও অটোচালকরা সার্জেন্ট আলী হোসেনের ওপর হামলা করেন।

খবর পেয়ে শ্যামপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) উৎপল দত্ত অপুসহ পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে দুর্বৃত্তরা তাকে ছুরিকাঘাত করে এবং ট্রাফিক বক্স ভাঙচুর করে। পরে আহত পুলিশ সার্জেন্ট আলী হোসেনসহ তিন পুলিশ সদস্যকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। এতে আহত সার্জেন্ট আলী হোসেনের হাতে ২১টি সেলাই দিতে হয়েছে। তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় আহত অন্য পুলিশ সদস্যরা হলেন- ট্রাফিক কনস্টেবল সিরাজুল ইসলাম ও শ্যামপুর থানার উপ-পরিদর্শক উৎপল চন্দ্র।


আরও খবর



ঋণ থাকলে কোরবানি দেওয়া যাবে কি?

প্রকাশিত:শনিবার ১১ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০২ জুলাই 2০২2 | ৬০জন দেখেছেন
Image

ঋণগ্রস্ত কিন্তু নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক। ঋণ থাকার কারণে তার কোরবানির হুকুম কী হবে? সেকি কোরবানি দিতে পারবে? এ ব্যাপারে ইসলামের দিক-নির্দেশনাই বা কি?

নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক যদি ঋণগ্রস্ত হয় তবে তার কোরবানি দেওয়া আবশ্যক কিনা তা নির্ভর করে ওই ব্যক্তির অবস্থার ওপর। তখন প্রশ্ন জাগে-

‘ঋণের পরিমাণ কত? ঋণ পরিশোধ করলে যে সম্পদ থাকবে, তা কি নেসাব পরিমাণ হবে?

প্রশ্নের আলোকে নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক যদি ঋণগ্রস্ত হয় তবে তাদের কোরবানির বিষয়টি এভাবে দেখতে হবে-

১. ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি যদি ঋণ পরিশোধ করার পর কোরবানির সময়ে তার নেসাব পরিমাণ সম্পদ না থাকে তবে ওই ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য কোরবানি আবশ্যক নয়।

২. আর যদি ঋণ পরিশোধ করার পরও কোরবানির সময়ে সাময়িক ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে, তবে ওই ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির জন্যও কোরবানি আবশ্যক।

মনে রাখতে হবে,

কোরবানির জন্য নেসাব পরিমাণ সম্পদ সারাবছর গচ্ছিত বা জমা থাকা আবশ্যক নয়। বরং কোরবানির দিনগুলোতে যদি কারো কাছে ঋণ ও বাৎসরিক খরচ মেটানোর পর অতিরিক্ত অর্থ থাকে আর তা সাড়ে ৭ ভরি/তোলা সোনা ও সাড়ে ৫২ তোলা/ভরি রুপার সমপরিমাণ অর্থ থাকে তবে তাকে কোরবানি দিতে হবে।

বর্তমান সময়ে সোনা-রুপার মূল্য অনুযায়ী কারো কাছে যদি সর্বনিন্ম ৫০ হাজার টাকাও থাকে তবে তাকে রুপার নেসাব পরিমাণ অর্থের বিধান অনুযায়ী কোরবানি দিতে হবে।

সুতরাং পরিবারের খরচ মেটানো ও ঋণের পরও যদি জিলহজ মাসের ১০, ১১ ও ১২ তারিখ নির্ধারিত পরিমাণ সোনা বা রুপা থাকে কিংবা বাজার দর অনুযায়ী সমপরিমাণ টাকা অর্থাৎ ৫০ হাজার থেকে ৬ লাখ টাকা থাকে তবে ওই ব্যক্তির জন্য কোরবানি করা আবশ্যক।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর সব নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিকদের যথাযথভাবে বিশুদ্ধ নিয়তে কোরবানি করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


আরও খবর



সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বিপ্লব সূচিত হয়েছে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ জুলাই ২০২২ | ২৫জন দেখেছেন
Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বিপ্লব সূচিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর/সংস্থার মধ্যে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, আমরা কোভিড অতিমারি চলাকালীন সব ভাতাভোগীর ডাটাবেজ তৈরি করে জিটুপি পদ্ধতিতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ভাতা প্রদান নিশ্চিত করেছি। বর্তমানে এক কোটিরও অধিক ভাতাভোগী এ পদ্ধতিতে ভাতা পাচ্ছেন।

মন্ত্রী বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনাদানকালে বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বাস্তবায়িত কর্মসূচির উপকারভোগীরা যাতে নির্বিঘ্নে সেবা পান সেদিকে মনোযোগী হতে হবে। এ খাতের অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে হবে।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ মন্ত্রণালয়ের কাজ অসহায় ও পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন। এ বিষয় মাথায় রেখে কাজ করতে হবে।


আরও খবর



বসুন্ধরা গ্রুপে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ২৪জন দেখেছেন
Image

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপে ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ০৮ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: বসুন্ধরা গ্রুপ
বিভাগের নাম: এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন, সেক্টর-বি

পদের নাম: অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিএ (এইচআরএম)
অভিজ্ঞতা: ০১ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: পুরুষ
বয়স: নির্ধারিত নয়
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ০৮ জুলাই ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



ফিক্সিং কাণ্ডে প্রোটিয়া পেসারের ছয় বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ জুন ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | ৩৮জন দেখেছেন
Image

দক্ষিণ আফ্রিকার র‍্যাম স্ল্যাম টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের ২০১৫ সালের আসরে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে ছয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে দেশটির পেসার পুমেলেলা মাৎশিকের। তবে এই ছয় বছরের মধ্যে পাঁচ বছর স্থগিত সাজা দেওয়া হয়েছে ৩৭ বছর বয়সী এ ডানহাতি পেসারকে।

২০১৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ডের (সিএসএ) অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের পক্ষ থেকে ছয়জন খেলোয়াড়কে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। তন্মধ্যে অন্যতম ছিলেন এই পুমেলেলা মাৎশিকে। তখন তাকে সবধরনের ক্রিকেট থেকে দশ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল প্রোটিয়া বোর্ড।

গোলাম বদির পর দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে এই ঘটনায় কারাদণ্ড পেলেন মাৎশিকে। ২০০০ সালে হানসি ক্রুনিয়ের ফিক্সিং কাণ্ডের পর ২০০৪ সালে এ বিষয়ক আইন তৈরি করে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই আইনে দীর্ঘদিন মামলা লড়ার পর শুক্রবার ছয় বছর (পাঁচ বছর স্থগিত) কারাদণ্ড পান মাৎশিকে।

তাকে চারটি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালাত। যেগুলো হলো- ২০১৫ সালের র‍্যাম স্ল্যামে টাকা নিয়ে এক বা একাধিক ম্যাচ পাতানো; খেলাটির ওপর দাগ লাগানোর মতো অর্থের আদানপ্রদান; বোর্ডের অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের কাছে অর্থ লেনদেনের যথাযথ হিসেব দিতে ব্যর্থ হওয়া এবং ফিক্সিংয়ের প্রস্তাবের বিস্তারিত তথ্য না দেওয়া।

বোদি-মাৎশিকে ছাড়া ২০১৬ সালে নিষেধাজ্ঞা পাওয়া অন্য ক্রিকেটাররা হলেন থামি সোলেকিলে, জিন সাইমস, এথি বালাতি ও আলভিরো পিটারসেন। ২০১৯ সালে দুর্নীতির আটটি অভিযোগে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয়েছিল গোলাম বদির। বাকিরা দুই থেকে ১২ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, কখনও জাতীয় দলের হয়ে খেলা হয়নি মাৎশিকের। ২০০৯ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ৭৭টি প্রথম শ্রেণি, ৫৭টি লিস্ট 'এ' ও ২৪টি কুড়ি ওভারের ম্যাচ খেলেছেন ৩৭ বছর বয়সী এ পেসার। সবমিলিয়ে স্বীকৃত ক্রিকেটে ১৫৮ ম্যাচে মাৎশিকের উইকেটসংখ্যা ২৫০টি।


আরও খবর