Logo
শিরোনাম

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ৫ প্রতিষ্ঠান পেল জাতীয় রপ্তানি ট্রফি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১৩৪জন দেখেছেন
Image

২০১৭-১৮ অর্থবছরে পণ্য ও সেবা খাতে অবদান, সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় করায় দেশের অন্যতম শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পাঁচ প্রতিষ্ঠানসহ ৬৫টি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হলো জাতীয় রপ্তানি ট্রফি।

বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে আনুষ্ঠানিকভাবে ৬৫ প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, ইপিবির চেয়ারম্যান এএইচএম আহসান ও এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, রপ্তানি খাতে অবদান রাখায় ২৭টি খাতের ৬৫ প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। ১৭টি স্বর্ণ, ২৩টি রৌপ্য এবং ১৫টি ব্রোঞ্জ ট্রফি প্রদান করা হয়েছে।

কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য (তামাক ব্যতীত) খাতে স্বর্ণপদক পেয়েছে ‘প্রাণ ডেইরি লিমিটেড’। এ ক্যাটাগরিতে রৌপ্যপদক পেয়েছে ‘প্রাণ অ্যাগ্রো লিমিটেড’। ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে প্রাণ গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ‘হবিগঞ্জ অ্যাগ্রো লিমিটেড’।

এছাড়া প্লাস্টিক খাতে অবদান রাখায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রতিষ্ঠান অলপ্লাস্ট বাংলাদেশ লিমিটেড পেয়েছে রৌপ্যপদক। লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে গ্রুপটির আরেক প্রতিষ্ঠান রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছে।

প্রাণ ডেইরির পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নেন প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা।

প্রাণ গ্রুপের ৫ প্রতিষ্ঠান পেলো জাতীয় রপ্তানি ট্রফি

প্রাণ এগ্রো লিমিটেডের পক্ষে নাটোর এগ্রো লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক হাসান নাসের, অলপ্লাস্ট বাংলাদেশ লিমিটেডের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক সাঈদ হোসেন চৌধুরী। রংপুর মেটাল ইন্ডাট্রিজ লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক জয়নুল আবেদন বাণিজ্যমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নেন।

এছাড়া মুজিববর্ষকে গুরুত্ব দিয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রথমবারের মতো পণ্য খাত নির্বিশেষে সর্বোচ্চ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি (স্বর্ণ)’ প্রদান করা হয়। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১৮০ দশমিক ০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি এবং অন্যান্য সূচকে সক্ষমতা অর্জিত হওয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি পেয়েছে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেড।

পুরস্কার পেলেন যারা

তৈরি পোশাক (ওভেন) খাতে স্বর্ণপদক পেয়েছে রিফাত গার্মেন্টস লিমিটেড, রৌপ্যপদক এ কে এম নিটওয়্যার লিমিটেড এবং ব্রোঞ্জপদক তারাশিমা অ্যাপারেলস। তৈরি পোশাক (নিটওয়্যার) খাতে স্বর্ণপদক পেয়েছে স্কয়ার ফ্যাশনস লিমিটেড, রৌপ্য পদক ফোর এইচ ফ্যাশনস এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে জি এম এস কম্পোজিট নিটিং ইন্ডাস্ট্রিজ।

সব ধরনের সুতাখাতে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পেয়েছে যথাক্রমে বাদশা টেক্সটাইল লিমিটেড, কামাল ইয়ার্ন লিমিটেড ও নাইস কটন লিমিটেড। টেক্সটাইল ফেব্রিকস খাতে স্বর্ণপদক পেয়েছে এনভয় টেক্সটাইল লিমিটেড। রৌপ্যপদক নোমান উইভিং মিলস এবং ব্রোঞ্জ পেয়েছে ফোর এইচ ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং।

প্রাণ গ্রুপের ৫ প্রতিষ্ঠান পেলো জাতীয় রপ্তানি ট্রফি

হোম ও বিশেষায়িত টেক্সটাইল পণ্য খাতে স্বর্ণ ও রৌপ্যপদক পেয়েছে যথাক্রমে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিকস লিমিটেড ও এ সি এস টেক্সটাইল (বাংলাদেশ) লিমিটেড।

টেরিটাওয়েল খাতে স্বর্ণপদক পেয়েছে নোমান টেরিটাওয়েল মিলস লিমিটেড।

হিমায়িত খাদ্যপণ্য খাতে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জপদকের জন্য নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো যথাক্রমে বিডি সি ফুড, এম ইউ সি ফুড এবং জালালাবাদ ফ্রোজেন ফুডস লিমিটেড। কাঁচা পাটজাতপণ্য খাতে স্বর্ণপদক পেয়েছে ইন্টারন্যাশনাল জুট ট্রেডার্স।

পাটজাতপণ্যে স্বর্ণপদক পেয়েছে আকিজ জুট মিলস লিমিটেড এবং রৌপ্যপদক দ্য গোল্ডেন ফাইবার ট্রেড সেন্টার লিমিটেড। ক্রাস্ট বা ফিনিশড চামড়া পণ্য খাতে একমাত্র স্বর্ণপদক পেয়েছে অ্যাপেক্স ট্যানারি।

প্রাণ গ্রুপের ৫ প্রতিষ্ঠান পেলো জাতীয় রপ্তানি ট্রফি

চামড়াজাত পণ্য খাতে স্বর্ণপদক পেয়েছে পিকার্ড বাংলাদেশ লিমিটেড, রৌপ্যপদক এবিসি ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে বিবি জে লেদার গুডস লিমিটেড। ফুটওয়্যার (সব) খাতে স্বর্ণপদক পেয়েছে বে-ফুটওয়্যার লিমিটেড, রৌপ্যপদক এফবি ফুটওয়্যার লিমিটেড এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে অ্যালায়েন্স লেদার গুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার লিমিটেড।

কৃষিজ পণ্য (তামাক ব্যতীত) খাতে স্বর্ণপদক পেয়েছে মনসুর জেনারেল ট্রেডিং লিমিটেড, রৌপ্যপদক পেয়েছে হেরিটেজ এন্টারপ্রাইজ এবং ব্রোঞ্জপদক আবদুল্লাহ ট্রেডিং।

হস্তশিল্পজাত পণ্য খাতে স্বর্ণপদক পেয়েছে কারুপণ্য রংপুর লিমিটেড, রৌপ্যপদক ক্ল্যাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্ট বিডি এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে বিডি ক্রিয়েশন।

প্লাস্টিক পণ্য খাতে স্বর্ণপদক পেয়েছে বেঙ্গল প্লাস্টিকস লিমিটেড ইউনিট-৩, রৌপ্যপদক আরএফএল গ্রুপের প্রতিষ্ঠান অল প্লাস্ট বাংলাদেশ লিমিটেড এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে তানভীর পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। সিরামিক শিল্প খাতে স্বর্ণপদক পেয়েছে শাইনপুকুর সিরামিকস লিমিটেড ও রৌপ্যপদক পেয়েছে আর্টিসান সিরামিকস লিমিটেড।

প্রাণ গ্রুপের ৫ প্রতিষ্ঠান পেলো জাতীয় রপ্তানি ট্রফি

হালকা প্রকৌশল খাতে স্বর্ণপদক পেয়েছে ইউনিগ্লোরি সাইকেল কম্পোনেন্ট লিমিটেড ও রৌপ্যপদক পেয়েছে আরএফএল গ্রুপের প্রতিষ্ঠান রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ইউনিট-২।

ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস পণ্য খাতে স্বর্ণপদক পেয়েছে এনার্জিপ্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড ও রৌপ্যপদক পেয়েছে বিআরবি ক্যাবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

অন্যান্য শিল্পজাত পণ্য খাতে স্বর্ণপদক পেয়েছে বিএসআরএম স্টিলস লিমিটেড, রৌপ্যপদক পেয়েছে মেরিন সেফটি সিস্টেম এবং ব্রোঞ্জপদক এশিয়া মেটাল মেরিন সার্ভিস। ওষুধ পণ্যে স্বর্ণপদক পেয়েছে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ও রৌপ্যপদক পেয়েছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।

ইপিজেডভুক্ত শতভাগ বাংলাদেশি মালিকানাধীন (‘সি’ ক্যাটাগরি) তৈরি পোশাকশিল্পে (নিট ও ওভেন) স্বর্ণপদক পেয়েছে ইউনিভার্সেল জিন্স লিমিটেড ও রৌপ্যপদক পেয়েছে প্যাসিফিক জিন্স লিমিটেড।

প্রাণ গ্রুপের ৫ প্রতিষ্ঠান পেলো জাতীয় রপ্তানি ট্রফি

ইপিজেডভুক্ত শতভাগ বাংলাদেশি মালিকানাধীন (‘সি’ ক্যাটাগরি) অন্যান্য পণ্য ও সেবা খাতে স্বর্ণপদক পেয়েছে ফারদিন এক্সেসরিজ লিমিটেড ও রৌপ্যপদক পেয়েছে আর এম ইন্টারলাইনিংস লিমিটেড।

প্যাকেজিং ও এক্সেসরিজ পণ্য খাতে স্বর্ণপদক পেয়েছে মনট্রিমস লিমিটেড, রৌপ্যপদক এম অ্যান্ড ইউ প্যাকেজিং লিমিটেড এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে ইউনিগ্লোরি প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

অন্যান্য প্রাথমিক পণ্যে স্বর্ণপদক পেয়েছে অর্কিড ট্রেডিং করপোরেশন, রৌপ্যপদক ইকো ফ্রেশ ইন্টারন্যাশনাল এবং ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে বাং চুং ট্রেড অ্যান্ড ট্যুরিজম। অন্যান্য সেবা খাতে একমাত্র স্বর্ণপদক পেয়েছে মীর টেলিকম লিমিটেড।

এছাড়া নারী উদ্যোক্তা বা রপ্তানিকারকদের জন্য সংরক্ষিত খাতে (পণ্য ও সেবা) স্বর্ণপদক পেয়েছে স্কয়ার টেক্সটাইলস লিমিটেড, রৌপ্যপদক আল-সালাম ফেব্রিকস প্রাইভেট লিমিটেড এবং ইব্রাহিম নিট গার্মেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড পেয়েছে ব্রোঞ্জপদক।


আরও খবর



আজ চাঁদ না দেখা গেলে ২ মে’র টিকিট বিক্রি হবে সন্ধ্যায়

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৪৯জন দেখেছেন
Image

আজ শাওয়াল মাসের চাঁদ না দেখা গেলে সন্ধ্যার পর থেকে ঈদ যাত্রার ২ মে’র টিকিট বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন কমলাপুর রেল স্টেশনের ব্যবস্থাপক মাসুদ সারওয়ার। তিনি আরও জানিয়েছেন, চাঁদের ওপর ভিত্তি করে একইসঙ্গে ৪ মে’র অগ্রিম টিকিটও বিক্রি করা হবে।

আজ রোববার (১ মে) শাওয়াল মাসের চাঁদ না দেখা গেলে সন্ধ্যার পর থেকে ঈদ যাত্রার ২ মে’র টিকিট বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন কমলাপুর রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মাসুদ সারওয়ার।

রোববার (১ মে) দুপুরে কমলাপুর রেলস্টেশনে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।

মাসুদ সারওয়ার বলেন, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামীকাল সোমবার (২ মে) ও পরদিন মঙ্গলবার (৩ মে) ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হবে। এই হিসেবে আজ যদি চাঁদ দেখা যায়, তাহলে কাল ঈদ। কাল ঈদ হলে সারা দেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। আর কাল ঈদ না হলে আজ সন্ধ্যা থেকে আগামীকালের ঈদ যাত্রার টিকিট বিক্রি করা হবে। এ ছাড়া ঈদের পর দিন থেকে স্বাভাবিক নিয়মে ঢাকা ফেরার অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে।

এদিকে রোববার সকাল থেকেই স্টেশনে ঘরমুখো মানুষের ভিড়। দুপুরের পর থেকে কমতে থাকে যাত্রীর চাপ। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ৪৬টি ট্রেন যাত্রী নিয়ে প্লাটফর্ম ছেড়ে গেছে। রাত ১২টা পর্যন্ত ৭০টির বেশি ট্রেন যাত্রী নিয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়ার কথা রয়েছে।


আরও খবর



বড়লেখার আজিজসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে রায় আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৩জন দেখেছেন
Image

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংগঠিত হত্যা, গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় মৌলভীবাজারের বড়লেখার আব্দুল আজিজ ওরফে হাবুলসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে রায় আজ (বৃহস্পতিবার) ঘোষণা করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) চেয়ারম্যান ও বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ রায় ঘোষণা করা হবে। ট্রাইব্যুনালের অপর সদস্যরা হলেন- বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার ও কেএম হাফিজুল আলম।

তিনজনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার জন্য মঙ্গলবার (১৭ মে) ট্রাইব্যুনাল এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ১২ এপ্রিল এ মামলায় রাষ্ট্র ও আসামি উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল মামলাটির রায়ের জন্যে অপেক্ষমাণ করে (সিএভি) আদেশ দেন।

আদালতে ওইদিন আসামি আব্দুল মান্নানের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার এম. সারোয়ার হোসেন ও আব্দুল আজিজের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার পালোয়ান। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মো. মোখলেসুর রহমান বাদল ও প্রসিকিউটর সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নি।

এরও আগে ২০১৪ সালের ১৬ অক্টোবর এ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শুরু করে তা ২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর শেষ করেন। তিন আসামির বিরুদ্ধে একাত্তরে মৌলভীবাজারের বড়লেখা এলাকায় হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতনের মতো পাঁচটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০১৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি মানবতাবরোধী অপরাধের মামলায় বড়লেখার তিনজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। ওই বছর ১ মার্চ মৌলভীবাজারের বড়লেখা থানা পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর ২ মার্চ আব্দুল আজিজ ও আব্দুল মান্নানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

একাত্তরে দুই সহোদর আব্দুল আজিজ ও আব্দুল মতিন ছাত্রলীগ করতেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তারা প্রশিক্ষণ নিতে ভারতের বারপুঞ্জিতে যান। কিন্তু প্রশিক্ষণরত অবস্থায় পালিয়ে এসে তারা রাজাকার বাহিনীতে যোগ দেন। অপর আসামি আব্দুল মান্নান একাত্তরে স্থানীয় মুসলিম লীগের নেতা ছিলেন। আব্দুল মতিন পলাতক রয়েছে।

মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ (আইও) মোট ১৭ জন বন্দী জবানবন্দী পেশ করেন। এরপর যুক্তিতর্ক শেষে এই আদেশ দেন আদালত।


আরও খবর



ভূমি বাংলাদেশ’র যাত্রা শুরু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৪৩জন দেখেছেন
Image

তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানমুখী দক্ষতা বাড়াতে চালু চলো ভার্চুয়াল শিক্ষার মাধ্যম ভূমি বাংলাদেশ লিমিটেড। এখানে বিভিন্ন কোর্সে অংশ নিয়ে তরুণ-তরুণীরা নিজেদের দক্ষতা বাড়িয়ে চাকরিতে প্রবেশ করতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘ভূমি বাংলাদেশ লিমিটেড’-এর উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম, ভূমি বাংলাদেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান কুতুব উদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিজিএমইএ’র পরিচালক ও ভূমির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসিফ আশরাফ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বলা হয়, বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার বাধা অতিক্রম করে। এর মাঝে ২০২০ সালে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পার হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ছিল ২২.৮৩ % । একই বছর ভারতে এ হার ছিল ২৯.৪৪ % এবং চীনে ছিল ৫৪.৪ %।


আরও খবর



গতি দিয়ে বিস্ময় ছড়াচ্ছেন উমরান, এবার করলেন ১৫৭ কি.মি গতির বল

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৪৮জন দেখেছেন
Image

গতি নিয়েই এখন তার খেলা। গতির সঙ্গেই বসবাস। একটার পর একটা বল কত গতি নিয়ে ছুঁড়তে পারেন, নিজের সঙ্গেই যেন সে প্রতিযোগিতায় মেতেছেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাশ্মীরি পেমার উমরান মালিক।

আইপিএলে রেকর্ড গড়েছিলেন কয়েকদিন আগেই। এবার নিজের রেকর্ডকেই ভেঙ্গে এগিয়ে গেলেন আরও সামনে। ছুঁড়লেন ১৫৭ কিলোমিটার গতির একটি বল।

কিছুদিন আগেই ১৫৪ কিলোমিটার গতির একটি বল করে বলেছিলেন, তিনি ১৫৫ কিমি বা তার বেশি গতিতেও বল করার ক্ষমতা রাখেন। সেটা যে শুধুই কথার কথা নয়, তা প্রমাণ করে দিলেন উমরান মালিক।

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের এই পেসার বৃহস্পতিবার নিজেই ভাঙলেন নিজের রেকর্ড। ঘণ্টায় ১৫৭ কিমি বেগে বল করে হয়ে গেলেন এবারের আইপিএলের দ্রুততম বোলার। সব মিলিয়ে আইপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয় দ্রুততম বল করলেন তিনি এবং পিছনে ফেললেন দক্ষিণ আফ্রিকার অ্যানরিখ নরকিয়াকে। তার ১৫৬.২২ কিলোমিটার গতিতে বল করার রেকর্ড রয়েছে।

Umran

আইপিএলে সবচেয়ে দ্রুততম বলের রেকর্ড রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক পেসার শন টেইটের। ২০১১ সালে রাজস্থানের হয়ে তিনি ঘণ্টায় ১৫৭.৭১ কিমি গতিতে সেই বলটি করেছিলেন দিল্লির বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার দিল্লির বিরুদ্ধেই নিজের রেকর্ডটি গড়লেন উমরান। দিল্লির ইনিংসের শেষ ওভারে বল করতে এসেছিলেন। প্রথম বলটাই করেন ১৫৩ কিলোমিটার গতিতে। চতুর্থ বলটি ছিল ১৫৭ কিলোমিটার গতিবেগের। পঞ্চম বলে ১৫৬ কিলোমিটার গতিবেগ ছিল তার। এর আগেই একটি ওভারে ১৫৪ কিমি গতিতে বল করেছিলেন উমরান। শেষ ওভারের আগে পর্যন্ত সেটাই ছিল এই আইপিএলের দ্রুততম বল।

অর্থ্যাৎ শেষ ওভারের প্রথম ৫টি বলই ছিল একটি আরেকটিকে ছাড়িয়ে যাওয়া গতির। এই ৫টি বল করেছেন তিনি যথাক্রমে ১৫৩, ১৪৫, ১৫৪, ১৫৭, ১৫৬ কিলোমিটার গতিবেগে।

এর আগে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচে মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং রুতুরাজ গায়কোয়াড়কে ১৫৪ কিমি বেগে দুটি বল করেছিলেন উমরান। নিজের সেই রেকর্ডও বৃহস্পতিবার ভেঙে তিনি শন টেইটের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন।

গতিময় পেসে দুর্দান্ত বল করলেও দিনটি ভাল যায়টি উমরানের জন্য। কোনও উইকেট পাননি। চার ওভারে ৫২ রান দিয়েছেন। দ্রুততম বলটিতেও তাকে বাউন্ডারি হজম করতে হয়েছে। বাউন্ডারি মারেন রোভম্যান পাওয়েল।


আরও খবর



ভারতে করোনায় মৃত্যু সরকারি হিসাবের ১০ গুণ বেশি: ডব্লিউএইচও

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৫৯জন দেখেছেন
Image

করোনাভাইরাস মহামারিতে ভারতে সরকারি মৃত্যুর যে পরিসংখ্যান, তার চেয়ে অন্তত ১০ গুণ বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ মে) এমন দাবি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। তবে সংস্থাটির এ তথ্য ‘অবাস্তব’ উল্লেখ করে বাড়তি মৃত্যুর দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে নয়াদিল্লি।

ভারতের সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, দেশটিতে করোনার জেরে মৃত্যু হয়েছে কমবেশি ৫ লাখ ২৪ হাজার জনের। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, দেশটিতে করোনার প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাবে মৃত্যু হয়েছে আরও প্রায় ৪৭ লাখ মানুষের।

এদিন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে গোটা বিশ্বের করোনা পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়। তাতে দেখা যায়, বিশ্বে মোট ১ কোটি ৪৯ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে করোনার জেরে। তারা বলছে, সরকারি হিসাবের চেয়ে বাড়তি মৃত্যুর পরিসংখ্যানে সবার আগে রয়েছে দক্ষিণপূর্ব এশিয়া, তারপর ইউরোপ ও আমেরিকা। এসব অঞ্চলে ৮৪ শতাংশ মৃত্যুর তথ্য গোপন রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ১০ দেশেই রয়েছে ৬৮ শতাংশ বাড়তি মৃত্যুর হিসাব।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, ভারতে ২০২০ সালের আগস্টের মধ্যে যতদিন লকডাউন ছিল, ততদিন করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা অনেকটাই কম ছিল। সেখানে মৃত্যুর মিছিল বাড়তে থাকে সেপ্টেম্বরের পর থেকে। ভারতে মৃত্যুর যা স্বাভাবিক হিসাব, তার চেয়ে ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পায় করোনাকালে। দেশটিতে ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে বলে জানিয়েছে ডব্লিউএইচও।

২০২১ সালের প্রথমদিকে ভারতে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছিল। সেসময় হাসপাতালে শয্যা পেতে ঘাম ছুটেছে সাধারণ মানুষের। অক্সিজেনের অভাবে বহু মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ভারতে যে পরিমাণ বাড়তি মৃত্যুর সংখ্যা দেখানো হয়েছে, তার একটা বড় অংশ এই দ্বিতীয় ঢেউ থেকে উঠে এসেছে বলে দাবি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

তবে এই তথ্য অস্বীকার করে বাড়তি মৃত্যুর হিসাবে ডব্লিউএইচও’র গণনা পদ্ধতি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে ভারত সরকার। তাদের মতে, এই সংখ্যা পুরোপুরি বাস্তবতাবহির্ভূত।

সূত্র: এনডিটিভি, সংবাদ প্রতিদিন


আরও খবর