Logo
শিরোনাম

প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান: তরুণীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ১৬৮জন দেখেছেন
Image

বরগুনায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেওয়া সেই তরুণীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১০ মে) বেলা ১১টার দিকে বরগুনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব আলম এ আদেশ দেন।

আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী সাইমুল ইসলাম রাব্বি।

তিনি মুঠোফোনে জাগো নিউজকে বলেন, মাহমুদুল হাসান ও তার পরিবারকে হয়রানি করছেন জামালপুরের এক তরুণী। তিনি অবৈধভাবে ঘরে প্রবেশ করেছেন এবং সেখানে মাহমুদুল হাসানের মামাকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন। তাই মাহমুদুলের পরিবারের পক্ষে তিনি ওই তরুণীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন জানান। আদালত তরুণীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বেতাগী থানার ওসিকে নির্দেশ দিয়েছেন। লিখিত নির্দেশ বিকেলের মধ্যে থানায় পৌঁছাতে পারে।

এ বিষয়ে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম মোল্লা জাগো নিউজকে বলেন, বিয়ের দাবিতে তরুণীর অবস্থান নেওয়া ওই বাড়িতে তারা একাধিকবার গিয়েছেন। কারও কোনো লিখিত অভিযোগ না পাওয়ায় পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেননি তারা। এখন আদালতের নির্দেশ আসার পর তারা আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

গত ২৮ এপ্রিল নিজেকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী দাবি করা এক তরুণী বেতাগী উপজেলার চান্দখালী বাজারের কাঠপট্টি এলাকার বকুল ভিলায় বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেন । তখন তিনি দাবি করেন, ওই বাড়ির মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে তার ঢাকায় পরিচয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক হলে তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে তিন বছর ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। এখন মাহমুদুল তাকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় তিনি ওই বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন।

এদিকে, গত ২ মে তালা ভেঙে সেই তরুণীকে প্রেমিকের ঘরে ঢুকিয়ে দেয় এলাকাবাসী। সেদিন দুপুরের পর চান্দখালী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ সোনা মোল্লার উপস্থিতিতে এলাকার অর্ধশত মানুষ তালা ভেঙে তাকে ঘরে ঢুকিয়ে দেন। এরপর থেকে ওই তরুণী সেখানেই অবস্থান করছেন।


আরও খবর



যে মঠের ইটের ফাঁকে লুকিয়ে আছে জ্ঞানদা সুন্দরীর করুণ গাঁথা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৭০জন দেখেছেন
Image

ইংরেজ শাসনামলে আইন করে বন্ধ করা হয় স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রীকে একসঙ্গে পুড়িয়ে হত্যা বা সতীদাহ প্রথা। কিন্তু এরপরও জঘন্য সতীদাহের বলি হতে হয়েছিল কিশোরগঞ্জের জ্ঞানদা সুন্দরীকে। তারই স্মৃতিস্বরূপ ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আজো দাঁড়িয়ে আছে ভারতবর্ষে সতীদাহের বলি জ্ঞানদা সুন্দরীর সহমরণ মঠ। বর্তমানে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে মঠটি। হেলে একপাশ ভেঙে গেছে। মঠটি সংস্কার করে সংরক্ষণের দাবি এলাকাবাসীর।

জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার গুজাদিয়া রামনগর গ্রামে মৃতপ্রায় নরসুন্দা নদীর তীরে দাঁড়িয়ে আছে জরাজীর্ণ আর লতাপাতায় ঘেরা জ্ঞানদা সুন্দরীর সহমরণ মঠ। প্রায় দু’শ বছরের পুরনো এ মঠের ভাঙা ইটের ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে আছে ধর্মীয় কুসংস্কারে জ্ঞানদা সুন্দরীর আত্মাহুতির করুণ গাঁথা। সে সময়কার হিন্দু রক্ষণশীল পরিবারের ভয়ংকর কুসংস্কার আর বর্বরতাকেই স্মরণ করিয়ে দেয় এ মঠ।

জানা গেছে, ১৮২৯ সালে লর্ড বেন্টিকের শাসনামলে রাজা রামমোহন রায়ের তীব্র আন্দোলনের মুখে ভারতবর্ষে আইন করে নিষিদ্ধ করা হয় সতীদাহ প্রথা বা সহমরণ। তবে এরপরও বিভিন্ন এলাকায় চলছিল জঘন্য এ বর্বরতা।

যে মঠের ইটের ফাঁকে লুকিয়ে আছে জ্ঞানদা সুন্দরীর করুণ গাঁথা

ইতিহাস থেকে জানা যায়, বাংলা ১২৩৪ সালের ২৬ বৈশাখ রামনগর গ্রামের জমিদার বাড়ির এক কর্মচারীর মৃত্যু হলে তার স্ত্রী জ্ঞানদা সুন্দরীকেও স্বামীর সঙ্গে জ্বলন্ত চিতায় আত্মাহুতিতে বাধ্য করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হলে শেষ পর্যন্ত বিষয়টি গড়ায় আদালত পর্যন্ত।

জ্ঞানদার ছেলে গয়ারাম চক্রবর্তীকে ৬ মাসের জেল দেন আদালত। পরে গয়ারাম অনুতপ্ত হয়ে মায়ের স্মৃতি রক্ষায় চিতাস্থলে নির্মাণ করেন একটি মঠ।

ঐতিহাসিক এ মঠটি হেলে পড়েছে। ভেঙে গেছে মাঝখানের একটি অংশ। লতাপাতা আঁকড়ে ধরেছে সু-উচ্চ মঠের চারপাশ। যেকোনো সময় এটি ভেঙে পড়তে পারে। সতির মঠ হিসেবে পরিচিত জ্ঞানদা সুন্দরী সহমরণ মঠের ৫ শতাংশ জমি এরইমধ্যে বেদখল হয়ে গেছে বলেও জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

যে মঠের ইটের ফাঁকে লুকিয়ে আছে জ্ঞানদা সুন্দরীর করুণ গাঁথা

মধ্যযুগে হিন্দু রক্ষণশীলদের কুসংস্কার আর অমানবিক ঘটনা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এটি সংস্কার ও সংরক্ষণ জরুরি বলে মনে করেন বিজ্ঞজনেরা।

রাগনগর গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক সুজিত কুমার সরকার জানান, এ মঠটি ইতিহাসের বর্বরোচিত ঘটনাকে বুকে ধারণ করে দাঁড়িয়ে আছে। এটি যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। এ যুগের মানুষকে সেই নিষ্ঠুর কাহিনী জানানোর জন্য মঠটি সংস্কার করা প্রয়োজন।

যে মঠের ইটের ফাঁকে লুকিয়ে আছে জ্ঞানদা সুন্দরীর করুণ গাঁথা

করিমগঞ্জের লোক সংগ্রাহক নজির আহমেদ বলেন, ‘এক সময় আমাদের দেশের গ্রামে-গঞ্জে এমন কুসংস্কার ছিল। স্বামীর মৃত্যুর পর ঢাক-ঢোল পিটিয়ে স্ত্রীকে স্বামীর সঙ্গে চিতায় পুড়িয়ে মারা হতো। এটি ছিল খুবই জঘন্য রীতি। আইন করে সতীদাহ বন্ধ করার পরও অনেক স্থানে গোপনে এমন অপকর্ম চলতো। জ্ঞানদা তাদেরই একজন। অনিচ্ছা সত্তেও যাকে হাত-পা বেঁধে স্বামীর চিতায় পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। এ মঠটি অবশ্যই সংস্কার করা প্রয়োজন।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় মঠটি সংস্কার ও সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান করিমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নাসিরুল ইসলাম আওলাদ।


আরও খবর



জাতীয় নির্বাচন ও সম্মেলনের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ আ’লীগের

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৪৪জন দেখেছেন
Image

# গঠনতন্ত্র, ঘোষণাপত্র ও নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়নের নির্দেশ
# ডিসেম্বরের আগেই মেয়াদোত্তীর্ণ সব সহযোগী সংগঠনের কমিটি
# বিদ্রোহীরা পাবে না পদ, থাকলে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ
# বিরোধীপক্ষের কর্মসূচিতে বাধা দেবে না আওয়ামী লীগ

দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন ও দলের জাতীয় সম্মেলন সামনে রেখে আটঘাট বাঁধতে শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। এ বছরের শেষ দিকে দলের সম্মেলন এবং আগামী বছরের শেষে বা ২০২৪ সালের শুরুতে সংসদ নির্বাচন ঘিরে এরইমধ্যে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সংগঠন গোছাতে মনোযোগী দলটি। দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা দলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের জাতীয় নির্বাচন ও সম্মেলনের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারণী পর্যায় থেকে বলা হচ্ছে, দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলেও আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বিরোধীপক্ষকেও মাঠে নামার সমান সুযোগ দেওয়া হবে। কারও নির্বাচনী কর্মসূচিতে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হবে না। তবে সারাদেশে দল গুছিয়ে সম্মেলনের পাশাপাশি জাতীয় নির্বাচনেও বিজয় নিশ্চিত করতে চায় আওয়ামী লীগ।

শনিবার (৭ মে) গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সভা শেষে দলের একাধিক নেতার সঙ্গে জাগো নিউজের আলাপকালে এমন তথ্যই ওঠে এসেছে।

আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, আসছে ডিসেম্বরেই আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন। এরইমধ্যে দলটির ঘোষণাপত্র ও গঠনতন্ত্র আপডেট করতে বলা হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ সব জেলা-উপজলা শাখা কমিটি এবং মেয়াদোত্তীর্ণ সহযোগী সংগঠনগুলোর কমিটি ডিসেম্বরের মধ্যেই করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সংগঠন গোছানোর পাশাপাশি জাতীয় নির্বাচনের জন্য ইশতেহার প্রণয়ণেরও নির্দেশনা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

দলের নেতারা বলছেন, শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় শুরু হয়ে দীর্ঘ ৫ ঘণ্টাব্যাপী চলে কার্যনির্বাহী সংসদের এ সভা। এতে সূচনা বক্তব্যের পর সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুগ্ম সম্পাদকদের কাছ থেকে বিভাগীয় রিপোর্ট নেন দলীয় সভাপতি। এসময় তিনি কমিটি করার ক্ষেত্রে ‘মাই ম্যান’ না খুঁজে প্রকৃত ত্যাগী নেতাদের প্রাধান্য দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘মাই ম্যান খুঁজবেন না। মাই ম্যান থাকে না। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীরাই থাকবে।

বিদ্রোহীদের সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ
স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন নির্বাচনে যারা দলীয় প্রতীকের বিরুদ্ধে গিয়ে (বিদ্রোহী) নির্বাচন করেছেন, তাদের দলের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে কার্যনির্বাহী সংসদের সভায়। বর্তমানে যারা দলীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে আছে, তাদের সরিয়ে সম্মেলন প্রস্তুতির জন্য কমিটি করতে বলা হয়েছে।

সারাদেশে মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনের পাশাপাশি সহযোগী সংগঠনের বিষয়েও তদারকি করার নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা। সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে সমন্বয় করে জেলা ও উপজেলায় কমিটি করতে আওয়ামী লীগের বিভাগীয় দায়িত্বপ্রাপ্তদের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি আগামী জাতীয় সম্মেলনের আগেই মেয়াদোত্তীর্ণ সব সহযোগী সংগঠনের কমিটি করতে হবে বলেও বৈঠকে বলা হয়েছে।

সভায় নীলফামারী ও নারায়ণগঞ্জের দুই নেতাকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তাদের একজন নীলফামারীর তোফায়েল আহমদকে শোকজও করা হয়েছে।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাউকে হুট করেই বহিষ্কার বা অব্যাহতি দেওয়া যাবে না। তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে। প্রয়োজনে শোকজ করে জবাব আসার পর সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

রাজনীতির মাঠে বিরোধী পক্ষ চায় আওয়ামী লীগ
রাজনীতিতে শক্ত বিরোধীপক্ষ চায় আওয়ামী লীগ। এজন্য বিরোধী শিবিরকেও রাজনীতির মাঠে নামার সুযোগ দিতে চায় দলটি। দলের নেতারা বলছেন, বিএনপি বা বিরোধী পক্ষের কর্মসূচিতে কোনো বাধা দেওয়া হবে না।

বৈঠকে সূচনা বক্তব্যে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, রাজনীতির মাঠে ফের শক্তিশালী বিরোধীদলের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে আওয়ামী লীগ। একটা অলটারনেটিভ থাকা উচিত। ভালোভাবে যদি তারা সংগঠিত হতে পারে আমাদের আপত্তি নাই। তারা সংগঠিত হোক।

সভার বরাত দিয়ে উপস্থিত দলীয় নেতারা জানিয়েছেন, সভায় কয়েকটি দিবসের কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়। এরমধ্যে ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠান সারাদেশে তৃণমূল পর্যায়েও করার নির্দেশনা দেন দলীয় প্রধান। এ উপলক্ষে দেশজুড়ে আওয়ামী লীগের ইতিহাস-ঐতিহ্য প্রচার ও প্রসারে অধিকতর কর্মসূচি গ্রহণের তাগিদ দেওয়া হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, নতুন প্রজন্ম যেন আওয়ামী লীগের ইতিহাস জানে এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বোঝে সংগঠন করে। খালি ভুলভাল স্লোগান দিল, না জেনেই দল করলো, তাতে লাভ নেই। জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে হবে। দলীয় নেতাকর্মীদেরও পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে। চাকুরিতে যোগ্যদের প্রাধান্য দিতে হবে। অযোগ্যদের এনে লাভ নেই, তারা দলের জন্য ক্ষতি বৈ উপকার বয়ে আনতে পারে না।

বৈঠক শেষে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বিরোধী দল মিছিল, মিটিং, সভা-সমাবেশ করুক, আমাদের পক্ষ থেকে বাধা সৃষ্টি করার প্রয়োজন নেই। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, নির্বাচনের জন্য আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। যারা নির্বাচন করবে, তাদের স্বাগতম। নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে।

গণভবনের সামনে ব্রিফিংয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বৈঠকে আলোচনা হয়েছে মূলত আগামী জাতীয় নির্বাচন ও দলের আসছে জাতীয় সম্মেলন ঘিরে। এখন থেকে দুটোরই প্রস্তুতি শুরু করতে হবে। সারাদেশে আওয়ামী লীগের সদস্য সংগ্রহ করতে হবে। দলের মধ্যে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। এজন্য নারায়ণগঞ্জ ও নীলফামারীর জলঢাকায় দুজন নেতার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। অব্যাহতি দিয়ে শোকজ করতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, মেয়াদোত্তীর্ণ সব জেলা-উপজেলা শাখা সম্মেলন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরইমধ্যে সাতটি জেলা ও ৪০টি উপজেলা শাখার সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ হয়েছে। আগামী নির্বাচন ও জাতীয় সম্মেলন সামনে রেখে আওয়ামী লীগকে সুশৃংখল ও সুসংগঠিত দল হিসেবে দাঁড় করাতে হবে।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, সম্মেলন ডিসেম্বরে হবে আশা করছি। এজন্য গঠনতন্ত্র, ঘোষণাপত্র ও নির্বাচনী ইশতেহার আপডেট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ সব জেলা শাখা ও সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন ডিসেম্বরের আগে শেষ করতে হবে।


আরও খবর



এইচএসসি পাসে চাকরি দেবে এসিআই

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৮জন দেখেছেন
Image

অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে (এসিআই) ‘ভেরিফিকেশন অ্যান্ড রিকভারি অফিসার’ পদে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আগামী ২৪ মে পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

প্রতিষ্ঠানের নাম: অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড (এসিআই)

পদের নাম: ভেরিফিকেশন অ্যান্ড রিকভারি অফিসার
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্নাতক/এইচএসসি/এসএসসি
অভিজ্ঞতা: ০৩ বছর
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

চাকরির ধরন: ফুল টাইম
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ
বয়স: নির্ধারিত নয়
কর্মস্থল: যে কোনো স্থান

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহীরা jobs.bdjobs.com এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের শেষ সময়: ২৪ মে ২০২২

সূত্র: বিডিজবস ডটকম


আরও খবর



সেনাবাহিনীর পতিত জমি চাষাবাদের আওতায় এসেছে: সেনাপ্রধান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩৭জন দেখেছেন
Image

এক ইঞ্চি জমিও খালি রাখা যাবে না প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পতিত জমি চাষাবাদের আওতায় নিয়ে এসেছে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ

বৃহস্পতিবার (১২ মে) বিকেল ৩টার দিকে সাভার সেনানিবাসে কৃষিপণ্য উৎপাদন প্রতিযোগিতা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

সেনাপ্রধান বলেন, স্বাস্থ্যসম্মত অর্গানিক পণ্য উৎপাদন করছি। শুধু সেনাবাহিনী নয় সাধারণ মানুষের কাছেও পৌঁছে দিতে পারবো। এ মডেল শুধু এখানেই থেমে থাকবে না অন্যরাও এটা অনুসরণ করবেন।

তিনি বলেন, প্রতিযোগিতার মধ্যে ভালো করার তালিকায় সাভার অঞ্চল অন্যতম। তাদের প্রচেষ্টার মাধ্যমে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি বাংলাদেশেও লাভবান হবে। দেশের মোট উৎপাদনের আমরাও যোগ করতে সক্ষম হবো।

সেনাবাহিনীর পতিত জমি চাষাবাদের আওতায় এসেছে: সেনাপ্রধান

এসময় তিনি একটি গাছের চারা রোপণ ও পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।

সাভার এরিয়ার ১৬০ একর জমিতে ৬৪টি পুকুরে মাছ চাষ ও ৫৮৮ একর জমিতে ফলদ ও বনজ গাছের পাশাপাশি কৃষিভিত্তিক উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এরপর সেনা প্রধান সাভার ডিওএইচএস এলাকায় সেনা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের নামফলক উন্মোচন করেন।

এসময় লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. সাইফুল ইসলাম, মেজর জেনারেল মো. মোশফেকুর রহমান, সামরিক সচিব ও মেজর জেনারেল খালেদ-আল-মামুন ও ৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার সাভার এরিয়ার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



পরীমনির মামলায় নিজেকে নির্দোষ দাবি ব্যবসায়ী নাসিরের

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৮জন দেখেছেন
Image

ঢাকার বোট ক্লাবে পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা মামলায় ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন (চার্জগঠন) করেছেন আদালত। অভিযোগ গঠনের সময় নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন নাসিরসহ তিনজন।

বুধবার (১৮ মে) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এর বিচারক হেমায়েত উদ্দিন আসামিদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ গঠন করেন। অভিযোগ গঠনের ফলে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আদালত নাসিরের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারা অভিযোগ গঠন করেন আদালত। একইসঙ্গে দণ্ডবিধি আইনের ৩২৩ ও ৫০৬ ধারায় অভিযোগ গঠন করেন আদালত। অপর দুই আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ এর ৩০ ধারায় অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

গত ১৯ এপ্রিল মামলার বাদী চিত্রনায়িকা পরীমনি ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ নম্বর আদালতে উপস্থিত হন। তার উপস্থিতিতে মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে, নাসিরসহ তিন আসামি আদালতে হাজিরা দেন। এসময় তাদের আইনজীবী অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। পরীমনির আইনজীবী অভিযোগ গঠন করতে শুনানি করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক এ বিষয় আদেশের জন্য ১৮ মে দিন ধার্য করেন।

তারও আগে বৃহস্পতিবার (৩ মার্চ) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এর বিচারক হেমায়েত উদ্দিন চার্জগঠনের জন্য এ দিন ধার্য করেন। গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর বিচারক হেমায়েত উদ্দিন অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন।

ওই বছরের ১৪ জুন ধর্ষণ-হত্যাচেষ্টার অভিযোগে নাসির উদ্দিন ও তার বন্ধু অমির নাম উল্লেখ করে এবং চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করে পরীমনি ঢাকার সাভার থানায় মামলা করেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে তৎপর হয় পুলিশ।

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ৮ জুন রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার বনানীর বাসা থেকে কস্টিউম ডিজাইনার জিমি (৩০), অমি (৪০) ও বনিসহ (২০) দুটি গাড়িতে করে তারা উত্তরার উদ্দেশে রওনা হন। পথে অমি বলে বেড়িবাঁধের ঢাকা বোটক্লাবে তার দুই মিনিটের কাজ আছে।

‘অমির কথামতো তারা সবাই রাত আনুমানিক ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ঢাকা বোট ক্লাবের সামনে গিয়ে গাড়ি দাঁড় করায়। কিন্তু বোট ক্লাব বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অমি কোনো এক ব্যক্তির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তখন ঢাকা বোট ক্লাবের সিকিউরিটি গার্ডরা গেট খুলে দেয়। অমি ক্লাবের ভেতরে গিয়ে বলে এখানকার পরিবেশ অনেক সুন্দর, তোমরা নামলে নামতে পারো।’

এজাহারে আরও বলা হয়, তখন আমার ছোট বোন বনি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বোট ক্লাবে প্রবেশ করে ও বারের কাছের টয়লেট ব্যবহার করে। টয়লেট থেকে বের হতেই এক নম্বর বিবাদী নাসির উদ্দিন মাহমুদ আমাদের ডেকে বারের ভেতরে বসার অনুরোধ করেন ও কফি খাওয়ার প্রস্তাব দেন।

‘আমরা বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চাইলে অমিসহ এক নম্বর আসামি মদপানের জন্য জোর করেন। আমি মদপান করতে না চাইলে এক নম্বর আসামি জোর করে আমার মুখে মদের বোতল প্রবেশ করিয়ে মদ খাওয়ানোর চেষ্টা করেন। এতে আমি সামনের দাঁতে ও ঠোঁটে আঘাত পাই।’

‘এক নম্বর আসামি (নাসির উদ্দিন মাহমুদ) আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন ও আমার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করেন এবং আমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তিনি উত্তেজিত হয়ে টেবিলে থাকা গ্লাস ও মদের বোতল ভাঙচুর করে আমার গায়ে ছুড়ে মারেন। তখন কস্টিউম ডিজাইনার জিমি নাসির উদ্দিন মাহমুদকে বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করে জখম করেন।’

এজাহারে পরীমনি আরও বলেন, আমি প্রথমে জাতীয় জরুরি সেবা-৯৯৯ নম্বরে ফোন দিতে গেলে আমার ফোনটি কেড়ে নিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। এসময় দুই নম্বর আসামিসহ অজ্ঞাতনামা চারজন এক নম্বর আসামিকে ঘটনা ঘটাতে সহযোগিতা করেন। আমি অজ্ঞাতনামা আসামিদের দেখলে শনাক্ত করতে পারবো।

তিনি বলেন, দুই নম্বর আসামি অমি পরিকল্পিতভাবে আমাকে বর্তমান বাসা থেকে ঢাকা বোট ক্লাবে নিয়ে যান। তিনি অজ্ঞাতনামা চারজন আসামি ও নাসির উদ্দিন মাহমুদ আমার শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ করে ও ধর্ষণের চেষ্টা করে। আমি আমার সঙ্গীদের সহায়তায় ধর্ষকের হাত থেকে রক্ষা পাই। রাত আনুমানিক ৩টায় আমার গাড়িতে প্রায় অচেতন অবস্থায় অপর সঙ্গীদের সহায়তায় বাসায় ফিরে আসি।


আরও খবর