Logo
শিরোনাম

পতনের মধ্যেই শেয়ারবাজার

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | ৩২জন দেখেছেন
Image

আগের কার্যদিবসের ধারাবাহিকতায় সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। এতে দুই বাজারেই কমেছে মূল্যসূচক। তবে লেনদেন কিছুটা বেড়েছে।

মূল্যসূচক ও লেনদেন কমার পাশাপাশি প্রধান শেয়ারাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তিন ডজনের বেশি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের ক্রয় আদেশের ঘর শূন্য পড়ে। লেনদেনের প্রায় পুরো সময় এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্রয় আদেশের ঘর শূন্য অবস্থায় থাকে। এতে দিনের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ার ও ইউনিটের দাম।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেন শুরুর নয় মিনিটের মাথায় ডিএসইর প্রধান সূচক ১৭ পয়েন্ট বেড়ে যায়।

তবে লেনদেনের শুরু থেকেই পতনের তালিকায় নাম লেখায় মূল্য সূচকে সব থেকে বড় প্রভাব রাখা গ্রামীণফোন। লেনদেন শুরু হতেই এই কোম্পানিটির শেয়ার দাম দিনের সর্বনিম্ন পর্যায়ে চলে যায়।

এর আগে ভয়েস কল ও ইন্টারনেট সংযোগে গ্রাহকদের ‘মানসম্মত সেবা দিতে না পারার’ কারণ দেখিয়ে গত বুধবার (২৯ জুন) গ্রামীণফোনের নতুন সিম বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় বিটিআরসি।

এরপর বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হতেই দিনের সর্বনিম্ন দামে কোম্পানিটির বিপুল পরিমাণ শেয়ার বিক্রির আদেশ আসতে থাকে। অন্যদিকে শূন্য হয়ে যায় ক্রয় আদেশের ঘর। এতে দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে গ্রামীণফোনের শেয়ারের দাম দাঁড়ায় ২৯৪ টাকা ১০ পয়সা। চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববারও দিনের সর্বনিম্ন দামে লেনদেন হয় এই কোম্পানিটির শেয়ার।

আগের দুই কার্যদিবসের মতো সোমবারও লেনদেন শুরু হতেই দিনের সর্বনিম্ন দামে গ্রামীণফোনের বিপুল শেয়ার বিক্রির চাপ আসে। এতে লেনদেনের শুরুতেই দাম কমার সর্বনিম্ন সীমায় চলে যায় কোম্পানিটির শেয়ার। অন্যদিকে শূন্য হয়ে পড়েছে কোম্পানিটির শেয়ার ক্রয় আদেশের ঘর। যা অব্যাহত থাকে লেনদেনের শেষ পর্যন্ত। এতে কোম্পানিটির শেয়ার দাম কমে ২৮২ টাকা ৬০ পয়সায় চলে এসেছে।

গ্রামীণফোনের শেয়ারের এই দাম কমার প্রভাব পড়ে সার্বিক শেয়ারবাজারে। ফলে লেনদেনের সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ভারি হতে থাকে পতনের তালিকা। অবশ্য এর মধ্যেও তালিকাভুক্ত আর এক মোবাইল ফোন অপারেটর রবি'র শেয়ার দাম দিনের সর্বোচ্চ পরিমাণ বেড়েছে।

লেনদেনের প্রায় সম্পূর্ণ সময় জুড়েই রবির শেয়ার দিনের সর্বোচ্চ দামে লেনদেন হয়েছে। এরপরও যাদের কাছে কোম্পানিটির শেয়ার আছে তাদের বড় অংশ কোম্পানিটির শেয়ার বিক্রি করতে চাননি। ফলে দিনের সর্বোচ্চ দামে বিপুল শেয়ার কেনার আদেশ আসলেও বিক্রি আদেশের ঘর শূন্য পড়ে থাকে।

দুই মোবাইল ফোন অপারেটরের শেয়ার দামের দুই চিত্রের দিনে ডিএসইর লেনদেনে অংশ নেয়া ১৪৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১৮২টির। আর ৫০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। দাম বাড়ার তালিকায় নাম লেখানো প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছয়টির শেয়ার দাম দিনের সর্বোচ্চ পরিমাণ বেড়েছে। বিপরীতে ৩৯টির দাম দিনের সর্বনিম্ন পরিমাণ কমেছে।

এতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১২ পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৩৪৬ পয়েন্টে নেমে গেছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক ৭ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ২৮৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর ডিএসই শরিয়াহ্ আগের দিনের তুলনায় দশমিক ৪১ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৩৮৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।

মূল্যসূচক কমলেও বাজারটিতে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। দিনভর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৬২ কোটি ৬১ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৬৫৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। সে হিসেবে লেনদেন বেড়েছে ৭ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।

ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে রবির শেয়ার। কোম্পানিটির ২৭ কোটি ৭৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা শাহিনপুকুর সিরামিকের ২৪ কোটি ২৪ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ২৩ কোটি ৭৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে মেঘনা ইন্স্যুরেন্স।

এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- ইন্ট্রাকো, বেক্সিমকো, ফরচুন সুজ, ফু-ওয়াং ফুড, তিতাস গ্যাস, এসিআই ফরমুলেশন এবং লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ৪ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ২৮ কোটি ৩৯ টাকা। লেনদেন অংশ নেওয়া ২৯১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১২৩টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১২৮টির এবং ৪০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।


আরও খবর



স্পোর্টস বাইকের ফিচারে এলো হোন্ডা স্কুটার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ আগস্ট ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ আগস্ট ২০২২ | ১৮জন দেখেছেন
Image

বাইকের জগতে হোন্ডা এক জনপ্রিয় নাম। তরুণদের কাছে তো বটেই সব বয়সীরাই পছন্দ করেন হোন্ডার বাইক-স্কুটার। কিছুদিন আগেই বাজারের এসেছিল হোন্ডা ডিও স্কুটারটি। যা তরুণ প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয়তার একেবারে তুঙ্গে পৌঁছে দিয়েছে হন্ডা মোটরসাইকেলকে।

সেই জনপ্রিয়তার রেশ ধরেই এবার ডিও স্কুটারের একটি লিমিটেড এডিশন নিয়ে হাজির হলো হোন্ডা। গত সপ্তাহেই ভারতীয় বাজারে আত্মপ্রকাশ করেছে স্কুটারটি, যার নাম হোন্ডা ডিও স্পোর্টস। স্পোর্টস নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে এর বেশ কিছু ফিচার স্পোর্টস বাইকের দেওয়া হয়েছে। এমনকি সামনে থেকে দেখতেও গ্রাহক দ্বিধায় ভুগবেন এইটি স্পোর্টস বাইক নাকি স্কুটার!

স্পোর্টিং ক্যামোফ্লাজ গ্রাফিক্স এবং স্পোর্টস রেড রিয়ার সাসপেনশন আছে এই স্কুটারটিতে। এছাড়া স্কুটারের বাদ বাকি ফিচার, স্পেসিফিকেশন, মেকানিক্যাল স্ট্যান্ডার্ড আগের মডেলের মতোই থাকছে। তবে ডিলাক্স ভ্যারিয়েন্টটি চালিত হবে স্পোর্টি অ্যালয় হুইলের সাহায্যে।

হোন্ডা ডিও স্পোর্টসে একটি ১১০সিসি পিজিএম-এফআই (110cc PGM-FI) ইঞ্জিন দেওয়া হয়েছে, যা পেয়ার করা রয়েছে এনহ্যান্সড স্মার্ট পাওয়ারের (eSP) সঙ্গে। স্কুটারটিতে থাকছে টেলিস্কোপিক সাসপেনশন, ইন্টিগ্রেটেড ডুয়াল ফাংশন সুইচ, এক্সটার্নাল ফুয়েল লিড, পাসিং সুইচ এবং সাইড স্ট্যান্ড ইন্ডিকেটর ও তার সঙ্গে ইঞ্জিন-কাট অফ।

এছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ফিচারের মধ্যে রয়েছে, হোন্ডার নিজস্ব কম্বি-ব্রেক সিস্টেম ও ইক্যুয়ালাইজার এবং থ্রি-স্টেপ অ্যাডজাস্টেবল রিয়ার সাসপেনশন এবং উন্নত জ্বালানি দক্ষতার জন্য একটি থ্রি-স্টেপ ইকো ইন্ডিকেটর।

স্টর্নটিয়াম সিলভার মেটালিক উইথ ব্ল্যাক এবং স্পোর্টস রেড উইথ ব্ল্যাক এই দুটি কালার ভ্যারিয়েন্টে দিল্লিতে এক্স-শোরুমে পাওয়া যাবে স্কুটারটি। এর মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড ভ্যারিয়েন্টের দাম পড়বে ভারতীয় মুদ্রায় ৬৮ হাজার ৩১৭ টাকা এবং ডিলাক্স ভ্যারিয়েন্টের দাম পড়বে ৭৩ হাজার ৩১৭ টাকা।

সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস


আরও খবর



দাম্পত্য জীবনে সুখী হতে স্ত্রীর চাহিদা মেটাতে হবে, বলছে গবেষণা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ আগস্ট 2০২2 | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ আগস্ট ২০২২ | ৪৫জন দেখেছেন
Image

দাম্পত্য জীবনে সবাই সুখী হতে চেয়েও অনেকেই পারেন না। বর্তমানে দাম্পত্য কলহের কারণে ভেঙে যাচ্ছে অনেক বিবাহ। আর বিবাহবিচ্ছেদের মূল কারণগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সঙ্গীর সঙ্গে যোগাযোগের অভাব, শারীরিক চাহিদায় অপূর্ণতা কিংবা মানসিকভাবে নির্যাতন ও অবমাননা ইত্যাদি।

এই কর্মব্যস্ত জীবনে নারী-পুরুষ সবাই ব্যস্ততার মধ্যে সময় কাটান। এর প্রভাবই পড়ে দাম্পত্য জীবনে। বিশেষ করে অনেক পুরুষই সারাদিন ব্যস্ত সময় পার করায় স্ত্রীর উপর সেই ক্ষোভ বা রাগ প্রকাশ করেন। এর থেকে সংসারে অশান্তি আরও বাড়তে থাকে। অনেকেই বলেন, স্ত্রী খুশি তো সংসারে শান্তি!

ঠিক একই দাবি করছেন গবেষকরাও। সংসারের সুখ নাকি নির্ভর করে স্ত্রীর সুখের উপর, এমনটিই জানাচ্ছে এক গবেষণা। সংসারে সুখী হতে স্বামীর সুখের চেয়ে স্ত্রীর সুখ বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করা হচ্ছে গবেষণায়।

গড়ে ৩৯ বছর বিবাহিত এমন ২৯৪ দম্পতির উপর পরিচালিত হয় গবেষণাটি। তাদের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, যেসব নারীরা দাম্পত্য জীবনে সুখী তারা ৬ পয়েন্টের মধ্যে বেশিরভাগই ৫। আশ্চর্যের বিষয় ছিল যে, বিবাহ সম্পর্কে স্বামীদের রেটিং তাদের স্ত্রীদের চেয়ে বেশি ইতিবাচক ছিল!

বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গবেষকরা জানান, দীর্ঘমেয়াদী মিলনে একজন স্ত্রী যত বেশি সন্তুষ্ট হন ঠিক একজন স্বামীও তার জীবন নিয়ে ততই বেশি সুখী বোধ করেন। একজন সুখী নারী তার সঙ্গীকে খুশি রাখেন।

নারীদের এই বিষয়ের সঙ্গে মনোবিজ্ঞান জড়িত। দাম্পত্য জীবন যেসব নারীরা সুখী তারা সঙ্গীর জন্য আরও বেশি কিছু করার প্রবণতা রাখে। যা স্বামীর জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে!

গবেষণায় দেখা গেছে, স্বামী অসুস্থ হয়ে পড়লে স্ত্রীর সুখের মাত্রা কমে যায়। অন্যদিকে স্ত্রী অসুস্থ হলে স্বামীর সুখের মাত্রা পরিবর্তন হয় না। পুরুষের খারাপ লাগলে নারীরা সব সময় তার যত্ন নেয়। তবে স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বামী একই মানসিক চাপ অনুভব করেন না।

প্রফেসর পল ডলান তার বই ‘হ্যাপি এভার আফটার: এস্কেপিং দ্য মিথ অব দ্য পারফেক্ট লাইফ’ এ দাবি করেছেন, নারীদের তুলনায় পুরুষরা বিবাহ থেকে বেশি লাভবান হন। বিবাহিত নারীরা সংসারের চাপে কম বাঁচেন, অন্যদিকে বিবাহিত পুরুষরা বেশি দিন বাঁচেন।

গবেষণা এটি প্রমাণ করে যে, দাম্পত্য সম্পর্ক টেকসই করতে স্বামী-স্ত্রী দুজনেরই অবদান রাখতে হবে। অসুস্থতাসহ ও অন্যান্য অসুবিধায় একে অপরের প্রয়োজন মেটাতে হবে। আর অবশ্যই স্ত্রীকে সুখে রাখতে হবে। তাহলেই সংসার হবে সুখের।


আরও খবর

ঘরেই তৈরি করুন ছোলা ভাটোরা

রবিবার ১৪ আগস্ট ২০২২




বিদ্যমান আইন আধুনিকায়ন ও উপযোগী করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ আগস্ট ২০২২ | ৩৩জন দেখেছেন
Image

বিদ্যমান আইন-কানুন আধুনিকায়ন ও উপযোগী করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে আইন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

সোমবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করতে গেলে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় যুগোপযোগী আইনের পাশাপাশি আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে কমিশনের প্রকাশিত ‘অভিঘাত প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ সংবিধান’ এবং ‘জার্নি অব দ্যা কনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক দুটি গ্রন্থ রাষ্ট্রপতিকে উপহার দেওয়া হয়।

এ সময় আইন কমিশনের সদস্য বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীর, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



ভৈরবে সার কেলেঙ্কারির ঘটনায় বিএডিসির ২ কর্মকর্তার যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ আগস্ট ২০২২ | ২৯জন দেখেছেন
Image

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে সার কেলেঙ্কারির ঘটনায় দুদকের করা মামলায় বিএডিসির কর্মকর্তাসহ পাঁচজনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এরমধ্যে দুজনকে যাবজ্জীবন ও তিনজনকে অর্থদণ্ডসহ সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রোববার (২৪ জুলাই) বিকেলে ময়মনসিংহের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. শাহাদত হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- কিশোরগঞ্জ বিএডিসির সাবেক যুগ্ম-পরিচালক আহাদ আলী ও ভৈরবের ভারপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম। এছাড়াও সাত বছরের দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- নরসিংদীর হাজিপুর নয়াপাড়ার মৃত ফজলু মিয়ার ছেলে মো. হারিছুল হক, কিশোরগঞ্জ অষ্টগ্রাম বাঙ্গালপাড়ার মৃত চুনীলাল রায়ের ছেলে লিটন রায় ও নরসিংদীর বেলাবোর মো. মজিবুর রহমান খানের ছেলে সারোয়ারুল আলম সবুজ।

দুদকের পিপি সঞ্জিব সরকার বলেন, ২০১৪ সালের ১৬ নভেম্বর কিশোরগঞ্জের ভৈরবে মজুদকৃত সার না থাকায় বিএডিসির যুগ্ম-পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ শেখ বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে মামলাটি করেন।

এরপর ২০১৫ সালের ১০ জুলাই দুদক মামলাটি তদন্ত করে আসামিদের অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয়। এরপর মামলার দীর্ঘ শুনানিতে বিজ্ঞ আদালত ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ রায় ঘোষণা করেন।

তবে মামলা চলা অবস্থায় দুই আসামি খোরশেদ আলম ও রতন মিয়া মৃত্যুবরণ করায় আদালত তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।

মামলায় আসামি আহাদ আলীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. ফজলুল হক বলেন, আমরা ন্যায়বিচার বঞ্চিত হয়েছি। ন্যায় বিচারের জন্য আমরা উচ্চ আদালতে আপিল করব।

একই বক্তব্য দিয়েছেন রেজাউল করিমের শ্বশুর মো. ইউসুফ আলী। তিনি বলেন, এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট না। এ রায়ের বিরুদ্ধে আমরা উচ্চ আদালতে যাব।


আরও খবর



নির্বাচন নিয়ে সংকটে পড়ে গেছি: সিইসি

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ জুলাই ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ আগস্ট ২০২২ | ২৭জন দেখেছেন
Image

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে সংকটে পড়ে গেছি। একটা বড় দল বলছে নির্বাচনে অংশ নেবে না। আরেকটি দল বলছে নির্বাচন হবে। এটা অনাকাঙ্ক্ষিত বা কাঙ্ক্ষিত যাই হোক, রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে দ্বিধাদ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (১৮ জুলাই) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপ শেষে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

সিইসি বলেন, জনপ্রতিনিধিত্বমূলক সরকার হতে হবে। সেখানে নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। নির্বাচন যদি নির্বাচন না হয়, নির্বাচনের নামে নাটক মঞ্চস্থ হোক সেটা আমরা কখনো চাইবো না। আপনারাও চাইবেন না।

তিনি বলেন, যেভাবেই হোক গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হোক। সুন্দর সংসদ ও সরকার গঠিত হোক এটাই আমরা চাই। বিএনপি যেটা দাবি করছে- আলাপ আলোচনা ও সংগ্রামের মাধ্যমে বিএনপিকে তা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কারণ এটির সঙ্গে সংবিধান জড়িত।

সিইসি বলেন, আমাদের কোনো অনুরাগ-বিরাগ নেই। আমাদের একটাই কাজ। ভোটারকে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দিতে হবে। গ্রামে-গঞ্জে, শহরে ভোটারদের বাধা দেওয়া হলে, সেটি অবহিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নিতে আমরা অবশ্যই সচেষ্ট হবো।

সংলাপে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ভোটের সময় জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা, অর্থ ও স্থানীয় সরকার- এই ৫ মন্ত্রণালয় ইসির অধীনে আনার প্রস্তাব দেয়।

বিষয়টিকে জটিল বলে মনে করেন সিইসি। তিনি বলেন, এর সঙ্গে জটিল সাংবিধানিক বিষয় জড়িত রয়েছে। এটি নিয়ে সব রাজনৈতিক দল নিজেদের মধ্যে সংলাপ করতে পারে।

নির্বাচন কমিশনের অনেক ক্ষমতা রয়েছে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, অতীতে হয়তো কোনো কারণে সেই ক্ষমতা পুরোপুরি প্রয়োগ করতে পারেনি। কিন্তু আমরা সেটি প্রয়োগ করার চেষ্টা করবো।


আরও খবর