Logo
শিরোনাম

রাজধানীতে সৎ বাবার চড়ে শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ৩২জন দেখেছেন
Image

রাজধানীর দক্ষিণখানের আশকোনা এলাকায় সৎ বাবার চড়-থাপ্পড় খেয়ে নামিরা ফারিজ (৩) নামের এক শিশু চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) দিনগত রাত ৩টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে শিশু মেডিসিন বিভাগের ২০৭ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

দক্ষিনখান থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোছা. রোজিনা আক্তার বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহতের মা তাসলিম জাহান ইমার বরাত দিয়ে তিনি আরও বলেন, গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে নামিরা ফারিজকে বাসায় রেখে জরুরি কাজে বাইরে যান তার মা। সে সময় তার সৎ বাবা আজহারুল ইসলাম বাসায় ছিলেন।

‘ওই সময় বাসার কাজের মেয়ে ফারিজকে খাবার খাওয়ানোর সময় জেদ করে সে। এ কারণে তাকে চড় মারেন আজহারুল। এতে শিশুটি দেয়ালে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। পরে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে।’

এই ঘটনায় আজহারুলকে আটক করা হয়েছে জানিয়ে রোজিনা আক্তার বলেন, তার কাছ থেকে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। শিশুটির শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

শিশুটির মা তাসলিম জাহান ইমা বলেন, ছয় মাস আগে প্রেম করে আজহারুলকে বিয়ে করি। বিয়ের পর থেকে সে আমার সন্তানকে কিছুতেই সহ্য করতে পারতো না। আমি বাসা থেকে দরকারি কাজে বের হলে আমার কন্যাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে সে। আমি এই হত্যার সঠিক বিচার চাই।

তিনি আরও বলেন,আমাদের গ্রামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার মদনগঞ্জ গ্রামে। আমি এখন দ্বিতীয় স্বামী আজহারুলকে নিয়ে দক্ষিনখান আশকোনার ৫৭১/১ নম্বর বাসায় থাকি।


আরও খবর



মুক্তিযুদ্ধে ধর্ষিতা নারীরা পেলেন ‘ওয়ার হিরোইন’ স্যালিউড

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২১জন দেখেছেন
Image

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালীন সংঘটিত হত্যা, গণহত্যা, অপহরণ, নির্যাতন, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৌলভীবাজারের তিন আসামির বিরুদ্ধে আনা পাঁচটি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করা হয়েছে।

এসব অভিযোগের মধ্যে আব্দুল আজিজ ওরফে হাবুল ও তার ভাই পলাতক আসামি আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে ২ এবং ৫ নম্বর অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড, আর ৩ ও ৪ নম্বর অভিযোগের প্রতিটিতে আলাদাভাবে ১৫ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। অপর আসামি আব্দুল আজিজ ওরফে মনাইয়ের বিরুদ্ধে ১ নম্বর অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড এবং ৪ নম্বর অভিযোগে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তুষ্ট জানিয়ে প্রসিকিউটর সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নি জাগো নিউজকে বলেন, এ রায়ে আমি একজন নারী হিসেবে বীরাঙ্গনাদের সম্মান জানাচ্ছি, যারা এ মামলায় সাক্ষ্য দিতে ট্রাইব্যুনালে আসতে পেরেছেন এবং যারা আসতে পারেননি সবার প্রতি সম্মান জানাচ্ছি। এ রায়ে আমরা প্রসিকিউশন পক্ষ সন্তুষ্ট।

রায়ের পর্যবেক্ষণে মুক্তিযুদ্ধের সময় মৌলভীবাজারের বড়লেখার মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনার সময় ধর্ষণের শিকার নারীদের ‘ওয়ার হিরোইন’ উপাধির দেওয়ার পাশাপাশি স্যালুট জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ও বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রায় ঘোষণার সময় এমন পর্যবেক্ষণ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য সদস্যরা হলেন- বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার ও কে এম হাফিজুল আলম।

রায়ের পরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী প্রসিকিউটর সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নি আদালতের পর্যবেক্ষণের বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, বুলেটেও তো মানুষকে হত্যা করা হয়। কিন্তু যুদ্ধের সময় নারীদেরকে যে ধর্ষণ করা হয়েছে তা বুলেটের চেয়েও ভংঙ্কর শক্তিশালী ছিলো।

আদালত আরও বলেন, ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর ট্রমার মধ্যে তাদের সময় পার হয়েছে। সামাজিকভাবে মানুষিকভাবে শারীরিকভাবে ওই ট্রমা থেকে তারা কখনোই বের হতে পারেন না। এ মামলার ভুক্তভোগী ৫ নম্বর সাক্ষী অফিয়া বেগম প্রেগনেন্ট ছিলেন। তিনি এখনও ট্রমার মধ্যেই আছেন। তিনি কোর্টে এসে তার সাক্ষ্য দিতে পেরেছেন।

এ সময় আদালত তার পর্যবেক্ষণে বলেছেন, তারা (ধর্ষণের শিকার নারীরা) যুদ্ধের হিরোইন। ‘ওয়ার হিরোইন’ হিসেবে তাদেরকে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ট্রমা থেকে তারা কখনোই বের হতে পারে না। আদালত তাদেরকে স্যালুট জানিয়েছেন। নারি হিসেবে এই মামলা পরিচালনা করে আমিও তাদেরকে স্যালিউট জানাই।

রায়ে ২৪০ পৃষ্ঠার মধ্যে সারসংক্ষেপ অংশ পাঠ করা হয়। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে রায় পড়া শুরু করেন বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম। এরপর রায় পড়েন বিচারপতি আবু আহমেদ জমাদার এবং সর্বশেষ দণ্ডসহ মূল রায় ঘোষণা করে বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলাম।

আদালতে আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন এম সারোয়ার হোসেন ও আব্দুস সাত্তার পালোয়ান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর মো. মোখলেসুর রহমান বাদল ও সাবিনা ইয়াসমিন খান মুন্নি।


আরও খবর



১ লাখ সাড়ে ১০ হাজার ফুটবলারের টুর্নামেন্ট উদ্বোধন হলো সিলেটে

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৫২জন দেখেছেন
Image

দেশে কিশোর-কিশোরী পর্যায়ে সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আসর বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন হয়েছে আজ রোববার। সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে, ক্রীড়া পরিদপ্তরের সহযোগীতায় এবং সিলেট জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে ছিলো মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট, বালক (অনূর্ধ্ব-১৭) ২০২২ ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট, বালিকা (অনূর্ধ্ব-১৭) - ২০২২ আসরে এক লাখ ১০ হাজার ৫৫৬ জন খেলোয়াড় অংশ নিচ্ছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিশাল এই আয়োজনের মাধ্যমে যে প্রতিযোগিতা পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ ও শ্রদ্ধাবোধের সৃষ্টি হবে। একটা টিম স্পিরিট গড়ে উঠবে। এরকম টিম স্পিরিট আমাদের জাতীয় জীবনে খুবই প্রয়োজন।’

Sylhet

তিনি বলেন, ‘আমাদের জাতীয় নেতারা, আমাদের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারাজীবন তার প্রতিপক্ষকে খুবই শ্রদ্ধার সাথে গ্রহণ করেছেন। এই খেলার মাধ্যমে আমরা ভাই হিসেবে, বোন হিসেবে তাদের খুবই আন্তরিক ভাবে গ্রহণ করতে হবে। আর এর মাধ্যমে আমাদের থেকে সব ধরনের অপকর্ম বিদায় নিবে।’

ড. মোমেন বলেন, ‘আমি লক্ষ্য করেছি জাতীয় দলে যারা ভালো খেলাধুলা করেন তাদের প্রায় সবাই গ্রামগঞ্জের বা মফস্বলের সন্তান। আমার প্রশ্ন খেলাধুলায় মফস্বলের ছেলে মেয়ে ভালো করছে কেন? ঢাকার ছেলে-মেয়েরা ভালো করছে না কেন? অনেকে বলেছেন ঢাকায় অত মাঠ নেই। মফস্বলে বা গ্রামেগঞ্জে অনেক মাঠ আছে। সেগুলোতে আমাদের ছেলে-মেয়েরা খেলাধুলা করছে তাই তারা ভালো করছে। তাই আমি সিলেটেও আরও কয়েকট মাঠ তৈরি করে দিতে চাই আমাদের সন্তানদের খেলাধুলার মাধ্যমে।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন, সিলেট বিভাগীয় কমিশনার ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, সিলেটের ডিআইজি মো. মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করবেন সিলেট জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্রীড়া পরিদপ্তর- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) নূরে আলম সিদ্দিকী।

এবার বালক (অনূর্ধ্ব-১৭) প্রতিযোগিতায় উপজেলা পর্যায়ে সারা দেশে ৪ হাজার ৫৭১টি ইউনিয়ন ও ২৫৭ টি পৌরসভার ৪ হাজার ৮২৮টি দলের ৮৬ হাজার ৯০৪ জন খেলোয়াড়, জেলা পর্যায়ে ৬৪টি জেলা ও ৮টি সিটি কর্পোরেশনসহ ৬৮টি দলের ১ হাজার ২২৪ জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করবে।

সর্বশেষ ৮টি বিভাগীয় দলের ১৪৪ জন সহ সারা দেশের ৯৮ হাজার ৭৩০ জন বালক অংশ নেয়ার সুযোগ পায়। বালকদের উপজেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হলেও বালিকাদের প্রতিযোগিতা জেলা পর্যায় থেকে শুরু হয়। সারা দেশে ১১ হাজার ৮২৬ জন বালিকা এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।

এছাড়া সিলেট জেলার উপজেলা পর্যায়ে ১০৫টি ইউনিয়ন ও ৪টি পৌরসভায় মোট ১৯৬২ জন বালক, জেলা পর্যায়ে ১৩টি উপজেলা ও ১টি সিটি কর্পোরেশনে ২৫২ জন বালক ও ২৫২ জন বালিকা অংশগ্রহণ করবে। বয়স ভিত্তিক এই টুর্নামেন্ট থেকে ৪০ জন বালক ও ৪০ জন বালিকা প্রতিভাবান খেলোয়াড় বাছাই করে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

Sylhet

এরই মধ্যে প্রতিভাবান ৪ জন খেলোয়াড়কে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য ব্রাজিলে প্রেরণ করা হয়েছে এবং ২০২১ সালের আয়োজন থেকে ১১ জন বালক ব্রাজিলে এবং ১১ জন বালিকেকে পর্তুগালে প্রেরণ করা হচ্ছে।


আরও খবর



এসবিএসপি-কাব্যশীলন গ্রন্থ আলোচনা আহ্বান

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৫১জন দেখেছেন
Image

বইয়ের সেরা আলোচকদের সঙ্গে লেখক আড্ডা ও চা-চক্রের সুযোগ করে দিচ্ছে ওয়েবম্যাগ কাব্যশীলন ও সোনার বাংলা সাহিত্য পরিষদ (এসবিএসপি)। এ উপলক্ষে তারা দ্বিতীয়বারের মতো অভিনব গ্রন্থ আলোচনার আয়োজন করেছে।

আলোচনার জন্য নির্বাচিত বই হলো: ইকবাল খন্দকারের ‘বতক’ (অনন্যা), ইমরুল ইউসুফের শিশুতোষ গল্পগ্রন্থ ‘সাতরঙা আইসক্রিম’ (সাতভাই চম্পা), কানিজ পারিজাতের কাব্যগ্রন্থ ‘শেষ চুমুকের আগে’ (মূর্ধণ্য), মো. রেজাউল করিমের উপন্যাস ‘অনাবাসী’ (গতিধারা) এবং রনি রেজার গল্পগ্রন্থ ‘মস্তিষ্কের তৃতীয় মুদ্রণ’ (বেহুলাবাংলা)।

সোনার বাংলা সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও ওয়েবম্যাগ কাব্যশীলনের প্রকাশক কবি ফখরুল হাসান বলেন, ‘একজন পাঠক একাধিক বইয়ের আলোচনাও করতে পারবেন। এতে বিচারক হিসেবে থাকবেন ফারুক মাহমুদ, ফারুক নওয়াজ ও জাকির তালুকদার।’

তিনি বলেন, ‘সোনার বাংলা সাহিত্য পরিষদ ও কাব্যশীলনের সঙ্গে জড়িত কেউ এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। বইগুলোর রচনাশৈলী ও যোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে পর্যালোচনা করতে হবে। নিজে পাঠের যে আনন্দ পাবেন, সে অনুভূতি অন্যের সঙ্গে ভাগ করবেন।’

নির্ধারিত বইয়ের গ্রন্থ আলোচনা [email protected] ঠিকানায় পাঠাতে হবে। আগামী ২৮ মে পর্যন্ত লেখা পাঠাতে পারবেন।


আরও খবর



মিশরের বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৫৩জন দেখেছেন
Image

মিশরে বাংলাদেশি ছাত্রদের সংগঠন ‘আজহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’র উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২ এপ্রিল) রাজধানী কায়রোস্থ ছকরে কুরাইশ মসজিদুত তাইসির হল রুমে জাঁকজমপূর্ণভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

নীলনদের দ্বীপে বাংলাদেশি সবজি বাগান ‘তাজা এগ্রো’র সহযোগিতায় ‘স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশনে’র সাবেক সভাপতি শরিফ উদ্দীন আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মিশরে বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত মো. মনিরুল ইসলাম।

jagonews24

সন্ধ্যায় আল-আজহারের শিক্ষার্থী মনিরুল ইসলাম, আবদুর রহমান ও সাজ্জাদ আকবরের সঞ্চালনায় কোরআন তেলাওয়াত করেন আজহারের শিক্ষার্থী মুহাম্মাদ আবু সায়েম। ঈদের নাশিদ পরিবেশন করেন ওবায়দুল্লাহ আল-আহরার।

সভাপতির স্বাগত বক্তব্যে মূল অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ভাগাভাগি করার প্রয়াসে সদস্যদের সরব উপস্থিতিতে মনে হচ্ছিলো এ যেন মিশরের বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ!

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পর্বে পর্যায়ক্রমে বাংলা, আরবি, উর্দু ও তুর্কি ভাষায় নাশিদ পরিবেশনসহ শরীয় সম্মত হাস্যরসে ভরপুর কৌতুক, ছোট্ট সোনামনিদের কোরআন তেলাওয়াত, নাশিদ আর ইংরেজীতে শিশুদের ঈদের দিনের সুন্নাতসমূহ উপস্থাপন দর্শকদের নজর কাড়ে।

jagonews24

এশার নামাজের পর অনুষ্ঠানের ২য় পর্বের শুরুতেই বক্তব্য দেন আজহার ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’র উপদেষ্টা প্রতিনিধি শোয়াইব হোসাইন। এসময় সোসাইটির উদ্যোগে তিনজনকে ‘উসূলি মুহাদারা’ তাফসীর ওয়া উলূমুল কুরআন ও তুর্কি ভাষা শিক্ষা কোর্সের সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।

উসূলী মুহাদারার মুহাদির ড. হাসিবুর রহমান আজহারী ও তুর্কি ভাষা কোর্সের প্রশিক্ষক সাজ্জাদ আকবরসহ অংশ নেওয়া সবাইকে প্রশংসাপত্র দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি রাষ্ট্রদূত মো. মনিরুল ইসলাম সবাইকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানান। এসময় তিনি মিশরে বাংলাদেশি ছাত্রদের প্রশংসা, শিক্ষা-ভাবনা, নৈতিকতা ও বিদেশবিভুঁইয়ে অভিভাবকদের প্রতি বিশেষ দিকনির্দেশনাসহ জীবনের বিচিত্র বহু দিক তুলে ধরেন।

jagonews24

রাষ্ট্রদূত সংগঠনটির দায়িত্বশীলদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ছাত্রদের এমন আয়োজন আমরা সবসময় উপভোগ করি। এখানে এসে দেশীয় একটা সুধা পেলাম। চমৎকার এই আয়োজনকে আমরা উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দিয়ে থাকি। যেন প্রবাসীদের মাঝে মধ্যে বাংলাদেশি আচার অনুষ্ঠান চলমান থাকে।

মিশরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, তোমাদের জন্য সবসময় দূতাবাসের দরজা খোলা। যে কোনো সমস্যার সমাধানে আমরা সবার পাশে আছি।

অনুষ্ঠানে মিশরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুল পড়ুয়া ছাত্র/ছাত্রী, অভিভাবক, প্রবাসী, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি শিক্ষকসহ অন্তত তিনশত অতিথি উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



টেবিল টেনিসে পাকিস্তান ও মালদ্বীপকে হারালো বাংলাদেশ

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৩৪জন দেখেছেন
Image

সোমবার মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে শুরু হয়েছে সাউথ এশিয়ান জুনিয়র এন্ড ক্যাডেট টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ। প্রথম দিনেই বাংলাদেশ দুটি দলকে হারিয়েছে।

মালদ্বীপ থেকে বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশনের সহ-সভাপতি খন্দকার হাসান মুনীর জানিয়েছেন, লিগ পর্যায়ে বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানকে ৩-০ ও দ্বিতীয় ম্যাচে মালদ্বীপকে ৩-১ ব্যবধানে পরাজিত করেছে।

বাংলাদেশের পরের দুই ম্যাচ শ্রীলংকা ও নেপালের বিপক্ষে।

প্রথম দুই ম্যাচ জয়ের পর মালদ্বীপের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমেদ মাহলুফ ভেন্যুতে এসে বাংলাদেশ দলের খেলোায়াড় কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।


আরও খবর